আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫৭ পি.এম
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মধুমতি নদীর ভাঙন প্রতিরোধে প্রস্তাবিত তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণে বাধা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে স্থানীয় প্রভাবশালী গোলাম কুদ্দুসের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী।
সোমবার দুপুরে উপজেলার চরখোলাবাড়িয়া আলহেরা দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন মধুমতি নদীর পাড়ে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) হাতে নিয়ে এ কর্মসূচি পালন করেন ভাঙনকবলিত চরখোলাবাড়িয়া ও দিগনগর গ্রামের শত শত নারী-পুরুষ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মধুমতির অব্যাহত ভাঙনে প্রতিদিন বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ শত শত পরিবার বর্তমানে নদীভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। এলাকাটি রক্ষায় দ্রুত স্থায়ী তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণ জরুরি হলেও বেলবানা গ্রামের গোলাম কুদ্দুস এতে বিরোধিতা করছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, গোলাম কুদ্দুস নিজস্ব স্বার্থ রক্ষায় সরকারি দপ্তরে ক্ষতিগ্রস্তদের নাগরিকত্ব নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েছেন এবং তারা আলফাডাঙ্গার ভোটার নন বলে দাবি করেছেন। এর প্রতিবাদে নিজেদের নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে এনআইডি হাতে নিয়ে মানববন্ধনে অংশ নেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, মধুমতি নদীর উত্তর পাশে গোলাম কুদ্দুসের নিজস্ব জমি রক্ষার স্বার্থেই তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণের কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি তাঁর নেতৃত্বে গ্রামের একমাত্র ইটের রাস্তা থেকে ইট তুলে নেওয়ার অভিযোগও করেন বক্তারা।
প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে অবিলম্বে মধুমতি নদীর দক্ষিণ পাশে স্থায়ী তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু এবং ভাঙনকবলিত পরিবারগুলোর বসতভিটা ও স্থাপনা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম, স্থানীয় বাসিন্দা আলামিন মিয়া, মোস্তাফিজুর রহমান রাসেল, জহুর মোল্যা, রফিক মিয়া, ইয়াকুব মিয়া ও কামরুল মোল্যা প্রমুখ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলা চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মিঠু মুখার্জি আর আমাদের মাঝে নেই। রবিবার রাতে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৭১ বছর। খবরটি এনডিটিভির মাধ্যমে জানা যায়।
সত্তরের দশকে বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম পরিচিত মুখ হিসেবে মিঠু মুখার্জি প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। অভিনয়ের বিশেষ ধরন এবং পর্দায় তার উপস্থিতির মাধ্যমে তিনি দর্শকদের মনে একটি আলাদা স্থান তৈরি করেছিলেন। তবে জীবনের পরবর্তী পর্যায়ে ধীরে ধীরে চলচ্চিত্র ও জনসম্মুখ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন এই অভিনেত্রী।
১৯৭২ সালে চিত্ত বসুর ‘শেষ পর্ব’ সিনেমার মাধ্যমে তিনি বড় পর্দায় অভিষেক ঘটান। এরপর দীনেন গুপ্তর ‘মর্জিনা আবদুল্লা’ সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয়ের মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেন। এই ছবির সাফল্যের পর বাংলা চলচ্চিত্রে তার অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।
মিঠু মুখার্জির উল্লেখযোগ্য বাংলা সিনেমাগুলোর মধ্যে ‘নিশিকন্যা’, ‘মৌচাক’ ও ‘স্বয়ংসিদ্ধা’ অন্তর্ভুক্ত। সত্তরের দশকে এসব সিনেমায় তার অভিনয় দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। বাংলা সিনেমার পাশাপাশি তিনি হিন্দি চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন। দুলাল গুহর ‘খান দোস্ত’ সিনেমার মাধ্যমে হিন্দি চলচ্চিত্রে প্রবেশ করেন তিনি। এরপর বাসু চ্যাটার্জির ‘সফেদ ঝুট’-এ অভিনয় করেন। তার অভিনীত অন্যান্য হিন্দি সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘দিল্লাগি’ ও ‘দো লড়কে দোনো কড়কে’।
একসময় অভিনয় থেকে দূরে সরে যান মিঠু মুখার্জি। দীর্ঘ বিরতির পর ১৯৯০ সালে চন্দ্রা বারোটের ‘আশ্রিতা’ সিনেমার মাধ্যমে আবারও পর্দায় ফিরে আসেন তিনি। তবে এরপরও তাকে নিয়মিত অভিনয়ে দেখা যায়নি।
সত্তরের দশকের বাংলা চলচ্চিত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সঙ্গে জড়িত এই অভিনেত্রীর মৃত্যুতে চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীর্ঘদিন পর্দার আড়ালে থাকলেও মিঠু মুখার্জির অভিনীত চরিত্র ও সিনেমাগুলো এখনো বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শকদের স্মৃতিতে অমলিন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের বাকেরগঞ্জে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা সংক্রান্ত উপজেলা কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার সকাল ১১ টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে কোডেকের আয়োজনে ও উপজেলা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সহযোগীতায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলটন চন্দ্র পালের সভাপতিত্বে ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মেহেদী মাসুদের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা খন্দকার আমিনুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি নাসির উদ্দিন জোমাদ্দার, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি দানিসুর রহমান লিমন, এস আই দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি সুলতান আহমেদ আকন, সাধারণ সম্পাদক মীরা দেবনাথ, কোডেকের উপজেলা কো-অর্ডিনেটর আইরিন পারভীন প্রমূখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জার্মানির দুটি রাজ্যের নির্বাচনে সম্প্রতি চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মের্জের দল ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (সিডিইউ) ব্যাপকভাবে পরাজিত হয়েছে। গত রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফলকে মের্জ ‘বিপর্যয়’ হিসেবে স্বীকার করেছেন। তবে, তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেননি এবং ক্ষমতা ধরে রাখার বিষয়ে অনড় রয়েছেন।
সিডিইউয়ের এই ব্যাপক পরাজয়ের পর বর্তমান চ্যান্সেলরের নেতৃত্বের ওপর চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। মেকলেনবুর্গ-ওয়েস্টার্ন পোমেরানিয়া রাজ্যে কট্টর ডানপন্থি দল অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি (এএফডি) প্রায় ৩৮.২ শতাংশ ভোট পেয়ে উল্লেখযোগ্য জয়লাভ করেছে। অন্যদিকে, মের্জের দল মাত্র ৪.৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে। জার্মানির আইন অনুযায়ী, পার্লামেন্টে আসন পেতে ন্যূনতম ৫% ভোট প্রয়োজন। খবর দ্য গার্ডিয়ান।
এই পরাজয়ের ফলে, জার্মানির ৭৭ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সিডিইউ কোনো রাজ্যের সংসদ থেকে পুরোপুরি বাদ পড়েছে।
রাজধানী বার্লিনে কট্টর বামপন্থি দল ডি লিংক ২৫.৩ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছে। এখানে মের্জের দলও বড় ধাক্কা খেয়ে মাত্র ১৯ শতাংশ ভোটে নেমে এসেছে, যা তাদের পূর্বের সমর্থনের তুলনায় প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কম।
ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরপরই বার্লিনে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে ফ্রিডরিখ মের্জ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, তিনি চ্যান্সেলর পদ ছাড়ছেন না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার শালনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মো. লাবু মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে লোহাগড়া থানার ওসি মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে শালনগর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, চেয়ারম্যান লাবু মিয়ার বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগে দুটি মামলা রয়েছে। ২০২৪ সালের ১৩ নভেম্বরের মামলার বাদী জাহিদুল ইসলাম ঝুনু এবং ২০২৪ সালের ৯ ডিসেম্বরের মামলার বাদী ইয়াজুর রহমান বাবু।
চেয়ারম্যান লাবু মিয়া দীর্ঘ সময় ধরে পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরো পড়ুন
গাজী নজরুলের ৪ দিনের রিমান্ড, স্ত্রীর ১ দিন
লোহাগড়া থানার ওসি মো. শরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, নাশকতার দুটি মামলায় শালনগর ইউপি চেয়ারম্যান লাবু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে নড়াইল আদালতে পাঠানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ