ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বেহেশতের ঠিকানা খুঁজতেই বিরোধীদলের লংমার্চ: গয়েশ্বর


বেহেশতের ঠিকানা খুঁজতেই বিরোধীদলের লংমার্চ: গয়েশ্বর

 

বিরোধীদল লংমার্চের মাধ্যমে বেহেশতের ঠিকানা খুঁজতে যাবে: গয়েশ্বর

রাজশাহী বিভাগের সম্মেলনে বক্তব্য প্রদান করেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

আরও পড়ুন: মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ক্ষমতার হিসাব হবে ৩ নভেম্বর

বেহেশতে যাওয়ার জন্য টিকিট বিক্রি করা হয়েছিল। সেই বেহেশতের ঠিকানা কোথায়, তা খুঁজে বের করার জন্য বিরোধীদল লংমার্চ করার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজশাহী জেলা পরিষদ মিলনায়তনে জিয়া মঞ্চের রাজশাহী বিভাগীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।বিএনপির প্রতি আস্থা রাখা জনগণের উদ্দেশ্যে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, যেসব জনগণ বিএনপির প্রতি আস্থা রেখেছেন, তাদের প্রতি অনুরোধ, ভুল করে অবিশ্বাস করবেন না। একটু সময় দিন। অর্থনৈতিক গতিশীলতা এবং দেশের সমস্যাগুলো সমাধানে প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই সফল হবেন।

লংমার্চের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বেহেশতে যাওয়ার জন্য যে টিকিট বিক্রি করা হয়েছিল, সেই বেহেশতের ঠিকানা কোথায়, সেটি খুঁজে বের করার জন্য বিরোধীদল লংমার্চ করবে।

দেশে নতুন ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা প্রকাশ করে গয়েশ্বর বলেন, ষড়যন্ত্র অদৃশ্যভাবে তৈরি হচ্ছে। যখন ষড়যন্ত্র দৃশ্যমান হবে, তখন বোঝা যাবে তারা কতটা শক্তিশালী। তার আগে বোঝা সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন: অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলো ‘অর্ণব’, আঘাত হানবে বুধবার?

তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর প্রকাশ্যে আসা ‘গুপ্তরা’ বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ দখল করেছে। তারা ছাত্রলীগের পদ গ্রহণ করেছিল। তবে তাদের কথাবার্তায় মনে হচ্ছে, বর্তমান সরকার তাদের দয়ার দান।

প্রশাসনের সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আমরা উত্তরাধিকারসূত্রে প্রশাসনের মধ্যে আওয়ামী ভূত পেয়েছি। এই প্রশাসন পেশাদার হতে পারেনি। পেশাদারিত্বের অভাবে তাদের দ্বারা ভালো কাজ করানো কঠিন। অনেকেই আপা (শেখ হাসিনা) ফিরে আসবেন, সেই অপেক্ষায় রয়েছেন।’

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সাহস থাকলে হাসিনা ফিরে আসুক। আমরাও চাই তিনি ফিরে আসুক। জনগণ কী করতে চায়, সেটি তখনই বোঝা যাবে। তার আগে বোঝা যাবে না।’

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়েও কথা বলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, ‘লাখ কোটি টাকা খরচ করে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারেননি হাসিনা। এখনও এটি চালু করার মতো আপ টু ডেট হয়নি।’

আরও পড়ুন: টোকিওতে তারেক রহমান ও সানায়ে তাকাইচির বৈঠক

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে পুলিশ এই হত্যাকাণ্ডের হদিস করতে পারেনি। তবে কিছুদিন আগে দুটি নাম সামনে এসেছে। এর মধ্যে একজন একসময়ের প্রতাপশালী মেজর জেনারেল জিয়াউল হাসান এবং অন্যজন রোকেয়া প্রাচী। তদন্ত এগোলে হত্যাকাণ্ডের রহস্যের বিস্তারিত জানা যাবে।

তিনি অভিযোগ করেন, ওই হত্যাকাণ্ডের পর তৎকালীন সরকারের অপকর্মের ডকুমেন্টারি উদ্ধার করে সরকারকে বিব্রত না করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এমনকি শেখ হাসিনাপ্রেমী সাংবাদিকরা নিহত রুনির বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়েছিলেন। এ কাজের সঙ্গে জড়িত একজন সাংবাদিক পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাও হয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নৌকাবাইচে প্রাণ ফিরেছে ভাঙ্গায়, উৎসবের আমেজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫৬ পি.এম


নৌকাবাইচে প্রাণ ফিরেছে ভাঙ্গায়, উৎসবের আমেজ

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্যে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার আলগী ইউনিয়নের পশ্চিম আলগী গ্রামের ঝালোডাঙ্গা বিলে এই নৌকাবাইচের আয়োজন করা হয়।নৌকাবাইচকে কেন্দ্র করে বিলের দুই পাড়ে হাজারো মানুষের ভিড় জমে ওঠে। কিশোর, যুবক এবং বয়োজ্যেষ্ঠরা দল বেঁধে আসেন। নৌকার দ্রুত চলাচল এবং প্রতিযোগিতার উত্তেজনায় পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। দীর্ঘদিন পর গ্রামীণ এই ঐতিহ্য উপভোগ করতে পেরে দর্শনার্থীরা আনন্দ প্রকাশ করেন।প্রতিযোগিতায় মোট আটটি নৌকা অংশগ্রহণ করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম খান বাবুল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিম, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব মোল্লা এবং উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সুধীজন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ নৌকাবাইচ উপভোগ করেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম খান বাবুল বলেন, ‘গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে নতুন প্রজন্মের কাছে নৌকাবাইচের সংস্কৃতি তুলে ধরতে হবে। আমাদের হাজার বছরের জারি, সারি, ভাটিয়ালি ও নৌকাবাইচ গ্রামীণ জনপদের ঐতিহ্য। সবাইকে এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে হবে।’তিনি আরও বলেন, ‘ভাঙ্গার কুমার নদে হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ বহু বছর ধরে অনুষ্ঠিত হয়নি। এবার বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষে ভাঙ্গার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য নৌকাবাইচ ফিরিয়ে আনা হবে।স্থানীয় সমাজসেবক শামীম মাতুব্বরের সার্বিক সহযোগিতা এবং পশ্চিম আলগী গ্রামের যুবসমাজের উদ্যোগে এই নৌকাবাইচের আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী নৌকার মালিকসহ অংশগ্রহণকারী প্রতিটি নৌকার মালিককে একটি করে ফ্রিজ পুরস্কার দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগামীর রাজনীতিতে জ্ঞানচর্চার বিকাশ জরুরি: আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫৮ পি.এম


আগামীর রাজনীতিতে জ্ঞানচর্চার বিকাশ জরুরি: আইনমন্ত্রী

> জাতীয়

আইনমন্ত্রী বলেছেন, জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে জ্ঞানভিত্তিক রাজনীতি অপরিহার্য।শুক্রবার বাংলা একাডেমিতে জিয়া স্মৃতি বইমেলার আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন আইনমন্ত্রী। ছবি: সংগৃহীতআইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান শুক্রবার বিকেলে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে জিয়া স্মৃতি পাঠাগার ও জাতীয়তাবাদী প্রকাশনা সংস্থা আয়োজিত ‘জিয়া স্মৃতি বইমেলা-২০২৬’-এর দ্বিতীয় দিনের আলোচনা ভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার(বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী।

ডিজিটালম্যাপ দেখুন

মন্ত্রী এ সময় উল্লেখ করেন, "শুধু জিন্দাবাদ স্লোগানে আগামীর প্রজন্মকে আমরা যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে পারব না। এর জন্য প্রয়োজন জ্ঞানের বিকাশ। আগামীর বিশ্বে বিএনপিকে এগিয়ে নিতেও প্রয়োজন জ্ঞানের বিকাশ।"

আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, "এই বইমেলাটি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির জন্য নিঃসন্দেহে একটি মাইলফলক হিসেবে থাকবে।"

তিনি আরও বলেন, "বাংলাদেশের যা কিছু শ্রেষ্ঠ অর্জন তার সবই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের হাত ধরেই এসেছে। ১৯৭১ সালে গোটা জাতি যখন দ্বিধাবিভক্ত ছিল, তখন জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে এ দেশের মানুষকে মুক্তির পথ দেখিয়েছেন।"

মন্ত্রী বলেন, "স্বাধীনতা যুদ্ধের পর জিয়াউর রহমান যখন ব্যারাকে ফিরে গিয়েছিলেন, ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সময়কালে বাংলাদেশে রক্তের হোলিখেলা চলেছে। জাসদের ৩০ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছিল। সে সময় কেরানীগঞ্জের সিদ্দিক মাস্টার বাংলাদেশে প্রথম গুমের শিকার হয়েছিলেন। কারণ তিনি শেখ মুজিবের দর্শন পছন্দ করতেন।"

তিনি বলেন, "বাংলাদেশের প্রথম বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন সিরাজ শিকদার। সে বিষয়ে শেখ মুজিব পার্লামেন্ট উচ্চকণ্ঠে বলেছিলেন, ‘কোথায় আজ সিরাজ শিকদার’। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সময়ে ৩০ হাজার তরতাজা প্রাণকে জীবন দিতে হয়েছিল।"

বাণিজ্যবিষয়ক খবর

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, "খন্দকার মোশতাকের ষড়যন্ত্রে শেখ মুজিব নিহত হয়েছিলেন। সে সময় সেনাবাহিনীর মধ্যে ক্যু-পাল্টা ক্যু শুরু হয়। উত্তাল সেই দিনগুলোতে যখন এ দেশের মানুষ আবারও দিশেহারা হয়ে যায় তখন জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের মানুষকে রক্ষা করেছিলেন। এটাই জিয়াউর রহমানের রাজনীতি।"

মন্ত্রী বলেন, "শহীদ জিয়াউর রহমান দায়িত্ব নিয়ে এ দেশের গণতন্ত্রের দ্বার উন্মোচন করেছেন। ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল। কিন্তু জিয়াউর রহমান এসে সকল দ্বার উন্মোচন করে দিয়েছেন। মানুষের জীবনে শান্তি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।"

তিনি বলেন, "দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিকেরা জীবন দিয়েছেন। বিএনপির ৭০০-এর বেশি নেতাকর্মী গুম হয়েছে। ৬০ লাখের বেশি বিএনপি নেতাকর্মীর নামে মামলা করা হয়েছিল। গত জুলাই আন্দোলনে এই প্রজন্মের ৩০ হাজারের বেশি মানুষকে পঙ্গু করা হয়েছে। শহীদ জিয়া যে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন সে স্বাধীনতাকে টিকিয়ে রাখতে ছাত্রদলকে গড়ে তোলা দরকার।"

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাসসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী বলেন, "শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আমাদের জাতিসত্তার রূপকার। জিয়াউর রহমান প্রকৃত অর্থে গত ৫৫ বছরে বাংলাদেশের একমাত্র স্টেটসম্যান। স্বাধীনতা-উত্তর শ্বাপদসংকুল রাজনৈতিক, সামরিক পথপরিক্রমা, দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রে দিশাহীন জাতিকে দেখিয়েছিলেন আলোর পথ।"

কাদের গনি বলেন, "জিয়াউর রহমান ছিলেন সত্যিকার অর্থেই আমাদের বাতিঘর। মাত্র সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে দেশকে এগিয়ে নিয়েছেন কৃষি, শিল্প, মানবসম্পদ উন্নয়নে স্বনির্ভরতার দিকে। দেশে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ।"

রাজনৈতিকসংবাদ পড়ুন

তিনি বলেন, "জিয়াউর রহমান এ দেশে একটি সাংস্কৃতিক জাগরণ চেয়েছিলেন। সাংস্কৃতিক বিকাশের জন্য এ দেশে যা কিছু প্রয়োজন তার সবই করেছেন তিনি।"

কাদের গনি আরও বলেন, "জিয়াউর রহমান আধুনিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্থপতি। জিয়াউর রহমানকে যে বিশেষণেই বিশেষায়িত করা হোক না কেন, তাতে তাঁর যোগ্যতার পূর্ণ প্রকাশ ঘটে না, কারণ তাঁর কীর্তি বিপুল ও বিশাল।"

তিনি বলেন, "জাতির প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তে তিনি বারবার দাঁড়িয়েছেন নির্ভয়ে মাথা উঁচু করে। অসীম সাহসিকতা, দূরদর্শিতা, প্রজ্ঞা ও দেশপ্রেম নিয়ে তিনি সময়ের প্রয়োজনে আলোর দ্যুতি নিয়ে এগিয়ে এসেছেন। বিপর্যস্ত জাতিকে রক্ষা করেছেন সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিয়ে। আমাদের অহংকারের অধ্যায়কে তিনি আলোকিত ও সমৃদ্ধ করেছেন। অল্পদিনের জীবনে বিশাল তাঁর অর্জন। মাত্র ৪৫ বছর বয়সে তিনি কর্মগুণে জ্যোতির্ময় হতে পেরেছিলেন; যা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল।"

জিয়াউর রহমান এ দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন উল্লেখ করে কাদের গনি বলেন, "১৯৭১ সালে ত্রিশ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পেলেও গণতন্ত্র পায়নি। শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালে দেশের সব রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে গণবিমুখ একদলীয় বাকশালী ব্যবস্থা চালু করেন। সে দিনগুলোতে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা, রাজনৈতিক মতপ্রকাশের কোনো স্বাধীনতা ছিল না।"

তিনি বলেন, "গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করা হয়েছিল। একদল, এক ব্যক্তির শাসনে গোটা দেশ এক বন্দিশালায় পরিণত হয়েছিল। জনগণ গণতন্ত্রের স্বাদ উপভোগ করতে পারেননি। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পর গণতন্ত্রের দরজা উন্মুক্ত করে দেন। তিনি উপলব্ধি করেন যে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে হলে অবশ্যই মত ও পথের শত ফুল ফুটতে দিতে হবে। এই লক্ষ্য ও মানসেই তিনি ১৯৭৬ সালে ‘রাজনৈতিক দল বিধি ১৯৭৬’ জারি করেন। এর ফলে আওয়ামী লীগসহ দেশে সব রাজনৈতিক দলের পুনরুজ্জীবনের সুযোগ ঘটে।

ডিজিটালম্যাপ দেখুন

কাদের গনি আরও বলেন, "জিয়া রাজনীতিকে প্রাসাদে বন্দি না করে সারা দেশে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। জিয়ার প্রতি জনগণের ভালোবাসার কারণে বিএনপি শুরু থেকেই জনপ্রিয়তা পায়। পরবর্তীতে বিএনপির গণমুখী কর্মকাণ্ডের কারণে দলটি মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়। তাই জনগণ যখনই ভোট দিয়ে সরকার গঠনের সুযোগ পেয়েছে, তখনই বিএনপিকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় এনেছে।"

জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান মিন্টুর সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে বিমানের টয়লেটে ‘বোমা রয়েছে’ চিরকুট, আতঙ্কে নামিয়ে নেওয়া হলো যাত্রীদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০২ পি.এম


ভারতে বিমানের টয়লেটে ‘বোমা রয়েছে’ চিরকুট, আতঙ্কে নামিয়ে নেওয়া হলো যাত্রীদের

ভারতের কলকাতা বিমানবন্দরে শুক্রবার সন্ধ্যায় একটি বিমানে বোমা থাকার হুমকি নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কলকাতা থেকে গোরক্ষপুরগামী ইন্ডিগোর একটি বিমানের টয়লেটে ‘বোমা রয়েছে’ লেখা একটি চিরকুট পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের উড্ডয়ন স্থগিত করা হয়। এরপর বিমানটির সব যাত্রীকে নামিয়ে নিরাপত্তাকর্মীরা তল্লাশি শুরু করেন।

 

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, উড্ডয়নের আগে বিমানটি শেষবারের মতো পরীক্ষা করা হচ্ছিল। সেই সময় বিমানের টয়লেটে একটি চিরকুট নজরে আসে। ওই কাগজে বিমানে বোমা থাকার হুমকি ছিল বলে জানা যায়।

চিরকুটটি পাওয়ার পর বিষয়টি দ্রুত পাইলট ও বিমানকর্মীদের জানানো হয়। তারা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। বিমানে থাকা সব যাত্রীকে নিরাপদে নামিয়ে দেওয়া হয়।

সংবাদআর্কাইভ অনুসন্ধান

পরে ভারতের কেন্দ্রীয় শিল্প নিরাপত্তা বাহিনী (সিআইএসএফ) ও বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়। প্রশিক্ষিত কুকুর নিয়ে নিরাপত্তাকর্মীরা বিমানের ভেতরে তল্লাশি শুরু করেন। বিমানের প্রতিটি অংশ খুঁটিয়ে পরীক্ষা করা হয়।

সূত্রের দাবি, তল্লাশিতে এখন পর্যন্ত বিমানে কোনো সন্দেহজনক বস্তু পাওয়া যায়নি। তবে হুমকির চিরকুটটি কে বা কারা বিমানে রেখে গেছে, তা খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে।

বোমাতঙ্কের কারণে নির্ধারিত সময়ে কলকাতা থেকে গোরক্ষপুরের উদ্দেশে উড়তে পারেনি ইন্ডিগোর বিমানটি। তল্লাশি ও নিরাপত্তা যাচাই শেষ হওয়ার পর বিমানটি কখন গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হবে, তা এখনো নিশ্চিত করে জানানো হয়নি।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০৬ পি.এম


জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে শুরু হওয়া এ সভা বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সভাপতি মোসা. আছিয়া আক্তার। সংস্থার মূল প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন মহাসচিব আলমগীর গনি। স্বাগত বক্তব্য রাখেন নীতিনির্ধারণী পরিষদের সদস্য সচিব মুহাম্মদ মনজুর হোসেন।

সভায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সাংগঠনিক কার্যক্রম, আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এ সময় বক্তব্য রাখেন নীতিনির্ধারণী পরিষদের সভাপতি জামাল হোসেন, সংস্থার নির্বাহী সভাপতি শাহজাহান মোল্লা, সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট লুৎফর রশিদ রানা, নির্বাহী পরিষদের সহ-সভাপতি ও বরিশাল বিভাগীয় সভাপতি এম আর প্রিন্স, সহ-সভাপতি খায়রুল ইসলাম, আতিকুর রহমান আজাদ, শিহাব উদ্দিন টিপু ও অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল হক।

সভায় কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের যুগ্ম মহাসচিব ও বরিশাল জেলা সভাপতি মোঃ মামুন-অর-রশিদ, আঃ মজিদ, আরিফুল আলম টিটো, ঢাকা জেলা সভাপতি মহসীন উদ্দিন, পিরোজপুর জেলা সভাপতি হাসান মামুন, ঝালকাঠি জেলা সভাপতি এমদাদুল হক স্বপন, পটুয়াখালী জেলা সভাপতি ফিরোজ আহমেদসহ দেশের ৬৪ জেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থাকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করার পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা, অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%