শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫৮ পি.এম
রাজধানীর মালিবাগ এলাকায় দুর্বৃত্তদের দ্বারা ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে, এই বিস্ফোরণের ফলে হতাহত হওয়ার কোনো খবর পাওয়া যায়নি তাৎক্ষণিকভাবে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জুমার পর মালিবাগের ফরচুন শপিং মলের সামনে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জাহিদ ককটেল বিস্ফোরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং জানান, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দুর্বৃত্তদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
এর আগে, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় তিনটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই দিন প্রথমে জগন্নাথ হল গেট এলাকায় পরপর দুইটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। কিছুক্ষণ পর টিএসসি এলাকায় আরও একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর ঢাবি ক্যাম্পাসে একটি থমথমে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
তাৎক্ষণিকভাবে ককটেল বিস্ফোরণে জড়িত কাউকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে, ঘটনার তদন্তে পুলিশ ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে।
এছাড়া, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় দুর্বৃত্তরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। ওই দিন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পরপরই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির গেটের সামনে এই ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের আগে দক্ষিণ আফ্রিকা একটি বড় ধাক্কা খেয়েছে। দলের অভিজ্ঞ ডানহাতি পেসার লুঙ্গি এনগিডি এই সিরিজে খেলতে পারবেন না, কারণ তিনি চোটে আক্রান্ত হয়েছেন। তার ডান হ্যামস্ট্রিংয়ে সমস্যা দেখা দিয়েছে।
এনগিডি ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির একটি ম্যাচের সময় হ্যামস্ট্রিংয়ে অস্বস্তি অনুভব করেন। পরবর্তীতে স্ক্যান করানোর পর জানা যায়, তাকে চোট থেকে সেরে উঠতে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। এর আগে ইনজুরির কারণে কাগিসো রাবাদা ও ওটনেইল বার্টমানও অস্ট্রেলিয়া সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে আগামী ৯ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সিরিজ রয়েছে। সেই ম্যাচের আগে এনগিডিকে ফেরানোর জন্য তার পুনর্বাসন ও ফিটনেসের ওপর নজর রাখবে দলীয় ম্যানেজমেন্ট।
এনগিডির পরিবর্তে তরুণ পেসার এনকোবানি মোকোয়েনাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নামিবিয়ার বিপক্ষে সাম্প্রতিক সিরিজে তার ওয়ানডে অভিষেক ঘটে। এখন পর্যন্ত তিনি দুটি ওয়ানডে খেলেছেন এবং একটি উইকেট নিয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ২৪ সেপ্টেম্বর ডারবানে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ২৭ সেপ্টেম্বর জোহানেসবার্গে দ্বিতীয় ম্যাচ এবং সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ৩০ সেপ্টেম্বর পচেফস্ট্রুমে অনুষ্ঠিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ভাটারা এলাকা থেকে বিদেশি মদ ও বিয়ারসহ গ্রেপ্তার মো. আবু বক্কর সিদ্দিক (৫৪) নামের এক ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলায় শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার একটি আদালত এই আদেশ প্রদান করে।
শুক্রবার বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। এদিন আবু বক্করকে আদালতে হাজির করে ভাটারা থানার উপপরিদর্শক আসাদুজ্জামান তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
আসামির পক্ষে আইনজীবী জান্নাতুল বর্ণা জামিনের আবেদন করেন। আদালত জামিনের শুনানির জন্য ২০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ১৭ সেপ্টেম্বর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভাটারা থানার ১০০ ফিট ফ্যামিলি বাজারের সামনে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে নূরেরচালা সমতা এলাকার ১১২৬ নম্বর বাসার চতুর্থ তলায় অভিযান চালিয়ে আবু বক্করকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের দাবি, তার শয়নকক্ষের আলমারি থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ ও বিয়ার জব্দ করা হয়েছে। এসব মাদকের আনুমানিক মূল্য ৩৮ হাজার ৫০০ টাকা।
জব্দ করা মাদকের মধ্যে ২০টি বোতলে মোট ৬ হাজার মিলিলিটার হান্টার বিয়ার, যার মূল্য ২০ হাজার টাকা; ৯০০ মিলিলিটারের এক বোতল ব্ল্যাক ক্লিয়ার বিয়ার, মূল্য ৮ হাজার টাকা; ৩৫০ মিলিলিটারের এক বোতল ম্যাকডাওয়েলস মদ, মূল্য ৫০০ টাকা এবং ৬০০ মিলিলিটারের এক বোতল নিক্কা উইলকিনসন ভদকা, মূল্য ১০ হাজার টাকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে যে, আবু বক্কর ভাটারা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ মাদকদ্রব্য কেনাবেচা করে আসছিলেন। এই ঘটনায় ভাটারা থানার এসআই মো. হাফিজুর রহমান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান মন্তব্য করেছেন যে, গণতান্ত্রিক সমাজে কোনো ব্যক্তি বা দলের সকল বক্তব্যের সঙ্গে একমত হওয়া প্রয়োজন নয়। একইভাবে, যদি কোনো সমালোচনা পছন্দ না হয়, তবে তা প্রত্যাখ্যান করাও সঠিক নয়। অন্যের মতামত ও সমালোচনা গ্রহণ করার মানসিকতা গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর লেকশোর গ্র্যান্ড হোটেলে অনুষ্ঠিতব্য ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক রচিত ‘বাংলাদেশ জামায়াত-ই-ইসলামী: ইটস হিস্ট্রি অ্যান্ড পলিটিকস’ বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্যানেলিস্ট হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাকের বইটি তার কাছে শুধুমাত্র সাহিত্য বা গবেষণাধর্মী গ্রন্থ নয়, বরং এটি একজন মানুষের জীবনদর্শন, চিন্তা, চেতনা এবং একটি সমাজকে দেখার অভিজ্ঞতার প্রতিফলন। বইটিতে আবদুর রাজ্জাকের চিন্তা ও দর্শনের প্রতিফলন ঘটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বইটির আলোচনায় আবদুর রাজ্জাকের রাষ্ট্র ও সমাজচিন্তার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, ইসলামিক শাসনব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়া নয়; বরং ইসলামিক মূল্যবোধের আলোকে সমাজ থেকে একটি রাষ্ট্র গড়ে তোলা এবং রাষ্ট্র পরিচালনা করাই ইসলামিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সঠিক পথ।
নতুন প্রজন্মের প্রসঙ্গে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সামনে এগিয়ে যেতে হলে সমাজকে পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান একটি প্রজন্মের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষাকে সামনে এনেছে। আবদুর রাজ্জাকের বইয়ে পরিবর্তন ও রাজনৈতিক চিন্তার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন রয়েছে।
বইটিতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং সে সময়ের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে আবদুর রাজ্জাকের মূল্যায়নের প্রসঙ্গ তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে তার অবস্থান এবং জাতির কাছে দেওয়া বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ। তার সেই অবস্থান যদি আরও আগে স্পষ্টভাবে সামনে আসত, তবে এ বিষয়ে অনেক প্রশ্নের অবসান হতে পারত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আবদুর রাজ্জাকের সাংগঠনিক ভূমিকা প্রসঙ্গে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, তিনি জামায়াতে ইসলামীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল পদে দায়িত্ব পালন করলেও, তার কর্ম, চিন্তা, দর্শন ও আদর্শের কারণে তিনি নিজস্ব একটি অবস্থান তৈরি করেছিলেন। সমাজ ও আন্তর্জাতিক পরিসরে তার প্রতি যে শ্রদ্ধা ছিল, তা তাঁর সাংগঠনিক পদমর্যাদার চেয়েও বড় ছিল।
আবদুর রাজ্জাক মানবাধিকারের দৃষ্টিকোণ থেকে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রচারণা চালানোর জন্য উৎসাহিত করতেন উল্লেখ করে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পরিসরে মানবাধিকারের বিষয়কে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে কথা বলার একটি মাধ্যম হিসেবে তিনি বিবেচনা করেছিলেন।
আবদুর রাজ্জাকের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত স্মৃতিচারণ করে আইনমন্ত্রী বলেন, লন্ডনে গেলে কখনো তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে চা পান করেছেন, কখনো টেলিফোনে কথা বলেছেন। জীবনের শেষ দিকে হাসপাতালে থাকা অবস্থায় আবদুর রাজ্জাক বাংলাদেশের মাটিতে দাফন হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তার সেই ইচ্ছা পূরণ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে বইটির গুরুত্ব তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াত-ই-ইসলামী: ইটস হিস্ট্রি অ্যান্ড পলিটিকস’ বিশেষ করে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের জন্য পাঠ করা উচিত।
ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক রচিত বইটি প্রকাশ করেছে ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড।
অনুষ্ঠানে প্যানেলিস্ট হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির ডিপার্টমেন্ট অব পলিটিক্স অ্যান্ড গভর্নমেন্টের ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর আলী রিয়াজ, ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক রাইট টু ফ্রিডমের প্রেসিডেন্ট ও সাবেক মার্কিন কূটনীতিক জন ড্যানিলোভিচ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী এবং দ্য ডেইলি স্টারের কনসালটিং এডিটর ও বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে গঠিত মিডিয়া রিফর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোর, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন যে, জেলার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রকে ধাপে ধাপে ৫০ শয্যার হাসপাতালে রূপান্তরিত করা হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, ২০ শয্যার প্রতিষ্ঠানটি প্রথমে ৩০ শয্যায় উন্নীত হবে এবং পরবর্তীতে ৫০ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আজ শুক্রবার, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সিজারিয়ান সেকশন সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, যশোরের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র চত্বরে ২০২৮ সালের জুন মাসের মধ্যে নয়তলা ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হবে। তিনি একনেকে অপেক্ষমাণ প্রকল্প পাশ করানোর ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, অতীতে এই কেন্দ্রে সিজারিয়ান অপারেশন ও ধাত্রী সেবার সুযোগ ছিল না।
চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যেন-তেন কায়দায় সেবা প্রদান করা যাবে না। মানুষের জন্য মানসম্মত, নিরাপদ ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে।
এর আগে, প্রতিমন্ত্রী যশোর নগর বিএনপির ১ নম্বর ওয়ার্ড শাখার ডেঙ্গু প্রতিরোধ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করেন এবং যশোর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ডকোলজিস্ট অ্যাপ উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু এবং সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খান খোকন। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক দিলদার হোসেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ