ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গণতান্ত্রিক সমাজে মত ও সমালোচনা গ্রহণের মানসিকতা গুরুত্বপূর্ণ: আইনমন্ত্রী


গণতান্ত্রিক সমাজে মত ও সমালোচনা গ্রহণের মানসিকতা গুরুত্বপূর্ণ: আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান মন্তব্য করেছেন যে, গণতান্ত্রিক সমাজে কোনো ব্যক্তি বা দলের সকল বক্তব্যের সঙ্গে একমত হওয়া প্রয়োজন নয়। একইভাবে, যদি কোনো সমালোচনা পছন্দ না হয়, তবে তা প্রত্যাখ্যান করাও সঠিক নয়। অন্যের মতামত ও সমালোচনা গ্রহণ করার মানসিকতা গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর লেকশোর গ্র্যান্ড হোটেলে অনুষ্ঠিতব্য ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক রচিত ‘বাংলাদেশ জামায়াত-ই-ইসলামী: ইটস হিস্ট্রি অ্যান্ড পলিটিকস’ বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্যানেলিস্ট হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাকের বইটি তার কাছে শুধুমাত্র সাহিত্য বা গবেষণাধর্মী গ্রন্থ নয়, বরং এটি একজন মানুষের জীবনদর্শন, চিন্তা, চেতনা এবং একটি সমাজকে দেখার অভিজ্ঞতার প্রতিফলন। বইটিতে আবদুর রাজ্জাকের চিন্তা ও দর্শনের প্রতিফলন ঘটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন: গোমস্তাপুরে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীকে মারধর ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

বইটির আলোচনায় আবদুর রাজ্জাকের রাষ্ট্র ও সমাজচিন্তার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, ইসলামিক শাসনব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়া নয়; বরং ইসলামিক মূল্যবোধের আলোকে সমাজ থেকে একটি রাষ্ট্র গড়ে তোলা এবং রাষ্ট্র পরিচালনা করাই ইসলামিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সঠিক পথ।

নতুন প্রজন্মের প্রসঙ্গে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সামনে এগিয়ে যেতে হলে সমাজকে পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান একটি প্রজন্মের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষাকে সামনে এনেছে। আবদুর রাজ্জাকের বইয়ে পরিবর্তন ও রাজনৈতিক চিন্তার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন রয়েছে।

বইটিতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং সে সময়ের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে আবদুর রাজ্জাকের মূল্যায়নের প্রসঙ্গ তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে তার অবস্থান এবং জাতির কাছে দেওয়া বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ। তার সেই অবস্থান যদি আরও আগে স্পষ্টভাবে সামনে আসত, তবে এ বিষয়ে অনেক প্রশ্নের অবসান হতে পারত বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আবদুর রাজ্জাকের সাংগঠনিক ভূমিকা প্রসঙ্গে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, তিনি জামায়াতে ইসলামীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল পদে দায়িত্ব পালন করলেও, তার কর্ম, চিন্তা, দর্শন ও আদর্শের কারণে তিনি নিজস্ব একটি অবস্থান তৈরি করেছিলেন। সমাজ ও আন্তর্জাতিক পরিসরে তার প্রতি যে শ্রদ্ধা ছিল, তা তাঁর সাংগঠনিক পদমর্যাদার চেয়েও বড় ছিল।

আরও পড়ুন: এমপিপুত্র নুরুজ্জামান মিন্টুকে যুবদল থেকে বহিষ্কার, ওসি আব্দুল হান্নান প্রত্যাহার

আবদুর রাজ্জাক মানবাধিকারের দৃষ্টিকোণ থেকে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রচারণা চালানোর জন্য উৎসাহিত করতেন উল্লেখ করে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পরিসরে মানবাধিকারের বিষয়কে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে কথা বলার একটি মাধ্যম হিসেবে তিনি বিবেচনা করেছিলেন।

আবদুর রাজ্জাকের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত স্মৃতিচারণ করে আইনমন্ত্রী বলেন, লন্ডনে গেলে কখনো তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে চা পান করেছেন, কখনো টেলিফোনে কথা বলেছেন। জীবনের শেষ দিকে হাসপাতালে থাকা অবস্থায় আবদুর রাজ্জাক বাংলাদেশের মাটিতে দাফন হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তার সেই ইচ্ছা পূরণ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে বইটির গুরুত্ব তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াত-ই-ইসলামী: ইটস হিস্ট্রি অ্যান্ড পলিটিকস’ বিশেষ করে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের জন্য পাঠ করা উচিত।

ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক রচিত বইটি প্রকাশ করেছে ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড।

আরও পড়ুন: ‘ক্ষমতা বাড়লো বা কমলো, তার চেয়ে জরুরি শিক্ষা-স্বাস্থ্যের সংস্কার ও কর্মসংস্থান’

অনুষ্ঠানে প্যানেলিস্ট হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির ডিপার্টমেন্ট অব পলিটিক্স অ্যান্ড গভর্নমেন্টের ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর আলী রিয়াজ, ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক রাইট টু ফ্রিডমের প্রেসিডেন্ট ও সাবেক মার্কিন কূটনীতিক জন ড্যানিলোভিচ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী এবং দ্য ডেইলি স্টারের কনসালটিং এডিটর ও বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে গঠিত মিডিয়া রিফর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যশোরে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র ৫০ শয্যায় উন্নীত হবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৯ পি.এম


যশোরে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র ৫০ শয্যায় উন্নীত হবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত

যশোর, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন যে, জেলার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রকে ধাপে ধাপে ৫০ শয্যার হাসপাতালে রূপান্তরিত করা হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, ২০ শয্যার প্রতিষ্ঠানটি প্রথমে ৩০ শয্যায় উন্নীত হবে এবং পরবর্তীতে ৫০ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আজ শুক্রবার, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সিজারিয়ান সেকশন সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, যশোরের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র চত্বরে ২০২৮ সালের জুন মাসের মধ্যে নয়তলা ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হবে। তিনি একনেকে অপেক্ষমাণ প্রকল্প পাশ করানোর ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, অতীতে এই কেন্দ্রে সিজারিয়ান অপারেশন ও ধাত্রী সেবার সুযোগ ছিল না।

চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যেন-তেন কায়দায় সেবা প্রদান করা যাবে না। মানুষের জন্য মানসম্মত, নিরাপদ ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

এর আগে, প্রতিমন্ত্রী যশোর নগর বিএনপির ১ নম্বর ওয়ার্ড শাখার ডেঙ্গু প্রতিরোধ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করেন এবং যশোর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ডকোলজিস্ট অ্যাপ উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু এবং সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খান খোকন। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক দিলদার হোসেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিউইয়র্ক সিটিতে ১৭টি নতুন আধুনিক পাবলিক টয়লেট চালু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৯ পি.এম


নিউইয়র্ক সিটিতে ১৭টি নতুন আধুনিক পাবলিক টয়লেট চালু

নিউইয়র্ক শহরে দীর্ঘদিন ধরে চলমান পাবলিক টয়লেট সংকটের সমাধানে নগর কর্তৃপক্ষ একটি নতুন পরীক্ষামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে চার মিলিয়ন ডলার। মেয়র জোহরান মামদানির নেতৃত্বে এই প্রকল্পটি এক বছরের জন্য চালু হচ্ছে এবং শহরের পাঁচটি বরোতে ১৭টি অত্যাধুনিক পাবলিক টয়লেট স্থাপন করা হবে। তবে, এই টয়লেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি বিশেষ নিয়ম রাখা হয়েছে—ব্যবহারকারীরা ভেতরে প্রবেশ করার পর সর্বোচ্চ ১০ মিনিট সময় পাবেন, সময় শেষ হলেই দরজা স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যাবে।

নিউইয়র্কের অধিবাসীদের জন্য এই টয়লেটগুলো সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সেবা প্রদান করবে এবং এগুলো প্রতিবন্ধীবান্ধব। প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে এই ইউনিটগুলো, যেখানে ফ্লাশ টয়লেট, রানিং ওয়াটার, স্বয়ংক্রিয় তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং শিশুদের ডায়াপার পরিবর্তনের সুবিধা রয়েছে। ব্যবহারকারীরা মোবাইল ফোনে খুদে বার্তা পাঠিয়ে, কিউআর কোড স্ক্যান করে, বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমে অথবা স্থানীয় প্রবীণ ও দুস্থদের জন্য নির্ধারিত ট্যাপ কার্ড ব্যবহার করে প্রবেশ করতে পারবেন। ‘থ্রোন বাথরুম নেটওয়ার্ক’ অ্যাপের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা টয়লেট খালি আছে কি না এবং সর্বশেষ কখন পরিষ্কার করা হয়েছে, তা সরাসরি দেখতে পারবেন।

১০ মিনিটের সময়সীমা সম্পর্কে জানা যায়, ভেতরে প্রবেশের পর পাঁচ মিনিট ও আট মিনিটের মাথায় ব্যবহারকারীকে অডিও সতর্কবার্তা দেওয়া হবে। যখন ১০ মিনিট পূর্ণ হবে, তখন আলো জ্বলে উঠবে এবং অডিও বার্তার মাধ্যমে দরজার লক খুলে দেওয়া হবে। প্রায় ৩০ সেকেন্ডের একটি চূড়ান্ত সতর্কবার্তা শেষে স্প্যানিশ ও ইংরেজি ভাষায় ঘোষণা দিয়ে দরজা স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যাবে। মূলত দীর্ঘ সময় ধরে অহেতুক টয়লেট দখল বা অনৈতিক কার্যক্রম প্রতিরোধের জন্য এই কঠোর নিয়ম প্রবর্তন করা হয়েছে।

টয়লেট পরিচালনাকারী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘থ্রোন ল্যাবস’ জানিয়েছে, গবেষণায় দেখা গেছে প্রায় ৮১ শতাংশ মানুষ পাঁচ মিনিটের মধ্যে টয়লেটের কাজ শেষ করেন। লস অ্যাঞ্জেলেসে চালুর পর প্রায় ৯৫ শতাংশ মানুষই ১০ মিনিটের আগে বের হয়ে এসেছেন, তাই অধিকাংশ ব্যবহারকারীর জন্য এই সময়সীমা যথেষ্ট বলে মনে হচ্ছে।

ম্যানহাটনের কুপার স্কয়ার, ব্রুকলিনের কলম্বাস পার্ক, কুইন্সের অ্যাস্টোরিয়া বুলেভার্ড ও ব্রঙ্কসের ইয়াঙ্কি স্টেডিয়াম এলাকার মতো ম্যানহাটন, ব্রুকলিন, কুইন্স, ব্রঙ্কস ও স্ট্যাটেন আইল্যান্ডের মোট ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল স্থানে এই আধুনিক ইউনিটগুলো স্থাপন করা হচ্ছে। এগুলো মূল ভূগর্ভস্থ পানি বা পয়োনিষ্কাশন লাইনের সঙ্গে সংযোগ করার প্রয়োজন নেই, ফলে দ্রুত স্থাপন করা সম্ভব এবং প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো স্থানে স্থানান্তরও করা যাবে।

মামদানি প্রশাসনের আশা, এই ১৭টি পরীক্ষামূলক টয়লেটের সফলতার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে নিউইয়র্ক শহরজুড়ে একটি শক্তিশালী ও সুপরিচ্ছন্ন পাবলিক টয়লেট নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে ৮ মাসে আকরিক লোহা উৎপাদন বাড়ল ২০ শতাংশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০০ পি.এম


ভারতে ৮ মাসে আকরিক লোহা উৎপাদন বাড়ল ২০ শতাংশ

ভারতে লোহা উৎপাদনের এক নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। চলতি ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে দেশটি রেকর্ড ২৩ কোটি টন আকরিক লোহা উত্তোলন করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ওড়িশা, ছত্তিশগড় এবং বিশেষ করে মহারাষ্ট্র রাজ্যে খনি থেকে লোহা উত্তোলনের পরিমাণ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে। বিগমিন্ট-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বছরের শেষে ভারতে লোহা উৎপাদনের পরিমাণ ৩৫ কোটি টন ছাড়িয়ে যেতে পারে।

এই উল্লেখযোগ্য সফলতার পেছনে রয়েছে মুক্ত বাজারের বাণিজ্যিক খনি মালিকদের অবদান। বছরের মধ্যে তাদের উৎপাদন প্রায় ২৮ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে, ইস্পাত কারখানাগুলোর নিজস্ব খনিগুলো থেকে উৎপাদন মাত্র ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে দেশে নতুনভাবে যুক্ত হওয়া লোহারের তিন ভাগের দুই ভাগই এসেছে বাণিজ্যিক খনিগুলো থেকে।

সরকারি প্রতিষ্ঠান এনএমডিসি উৎপাদনে বরাবরের মতো নেতৃত্ব দিচ্ছে। তারা একাই প্রায় পৌনে চার কোটি টন লোহা উত্তোলন করেছে। মহারাষ্ট্রে নতুন পাইপলাইন ও খনির কাজ বৃদ্ধি করায় লয়েডস মেটালস নামের একটি প্রতিষ্ঠান চমকপ্রদ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছে, যেখানে তাদের উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ১৪৭ শতাংশ। টাটা স্টিল ও সেইল-এর মতো বড় কোম্পানিগুলোর উৎপাদন বৃদ্ধি পেলেও, নিলাম থেকে উচ্চ দামে খনি কেনার কারণে জেএসডব্লিউ স্টিল ও জিন্দাল স্টিলের মতো কিছু প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কিছুটা কমেছে।

যদিও খনি কোম্পানিগুলো অতিরিক্ত খরচ ও উচ্চ রয়্যালটির কারণে চাপে রয়েছে, তবুও ভারতীয় বাজারে এই শিল্পের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা স্পষ্ট। তবে দেশে রেকর্ড পরিমাণ লোহা উৎপাদন হওয়া সত্ত্বেও উন্নতমানের লোহার ঘাটতি এবং বর্ষাকালের খরচের কারণে বিদেশ থেকে লোহা আমদানি কমছে না, বরং তা বাড়তেই চলেছে।

সূত্র: জিএমকে সেন্টার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানের কোহাটে পুলিশ লাইনে বিস্ফোরণে ১৬ জন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০০ পি.এম


পাকিস্তানের কোহাটে পুলিশ লাইনে বিস্ফোরণে ১৬ জন নিহত

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কোহাট পুলিশ লাইনে ঘটে যাওয়া বিস্ফোরণে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। এই ঘটনায় ৫০ জনেরও বেশি আহত হয়েছে।

খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) জুলফিকার হামিদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবরটি প্রকাশ করেছে ডন।

টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, বিস্ফোরণের ফলে একটি ভবনের দেয়াল ভেঙে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা সেখানে জড়ো হয়ে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে হতাহতদের উদ্ধারে সহযোগিতা করছেন।

আইজি হামিদের প্রাথমিক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, কোহাট পুলিশ লাইনের একটি মসজিদে বিস্ফোরণটি ঘটেছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ধারণা করা হচ্ছে, বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি ভবনটিতে আঘাত করেছে।

তবে পরবর্তীতে দেয়া বিবৃতিতে আইজি জানান, স্পেশাল ব্রাঞ্চ ভবনের কাছে এক আত্মঘাতী হামলাকারী নিজের শরীরে থাকা বিস্ফোরক দিয়ে বিস্ফোরণ ঘটায়। এর পর সেখানে ‘ফিতনা আল খাওয়ারিজ’ সন্ত্রাসীদের সঙ্গে পুলিশের গুলি বিনিময় শুরু হয়।

জুলফিকার হামিদ বলেন, ‘ফিতনা-উল-খাওয়ারিজকে পুরোপুরি নির্মূল না করা পর্যন্ত অভিযান চলবে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, পুলিশের মনোবল অটুট রয়েছে।

‘ফিতনা আল খাওয়ারিজ’ শব্দটি পাকিস্তান সরকার নিষিদ্ধ তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) সদস্যদের বোঝাতে ব্যবহার করে।

এদিকে, কেপির মুখ্যমন্ত্রী সোহাইল আফ্রিদি ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন চেয়েছেন। তার দপ্তর থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরপরাধ মানুষকে লক্ষ্য করে হামলা ‘গভীরভাবে দুঃখজনক ও অগ্রহণযোগ্য’।

তিনি আহতদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।

কেপির গভর্নর ফয়সাল করিম কুন্দিও বিস্ফোরণের নিন্দা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সন্ত্রাস নির্মূলে নিরাপত্তা বাহিনীর পাশে পুরো জাতি ঐক্যবদ্ধ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%