ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

দেশের ৬৪ জেলায় পারফর্মিং আর্টস কলেজ করার উদ্যোগ


দেশের ৬৪ জেলায় পারফর্মিং আর্টস কলেজ করার উদ্যোগ

‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ প্রোগ্রামের আওতায় দেশের ৬৪টি জেলায় একটি করে পারফর্মিং আর্টস কলেজ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী দিনাজপুর সংগীত কলেজে এক শিক্ষক সমাবেশে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত হয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. আমানুল্লাহ এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানান।

সমাবেশে ড. আমানুল্লাহ আপনাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘একটি জাতির বিকাশ কেবল অর্থনৈতিক অগ্রগতির উপর নির্ভর করে না; এর প্রকৃত ভিত্তি তৈরী হয় সুস্থ সংস্কৃতি, মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিক শিক্ষা এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনের মাধ্যমে। সুস্থ সংস্কৃতির চর্চা ও গুণগত শিক্ষার সমন্বয়ই পারে একটি মেধাভিত্তিক, মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে।’

আরও পড়ুন: এনসিপির কমিটিতে ৩০ বছরের নিচে কাউকে রাখা হবে না

শিক্ষার বর্তমান পরিস্থিতি ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে ভিসি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নানা প্রতিবন্ধকতা, মব কালচার, দলীয় কোন্দল ও শিক্ষকদের অপমানজনক পরিস্থিতির মতো সংকট কাটিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শ্রেণিকক্ষে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে এনেছে।

বিশ্ববাজারে টিকে থাকার উপযোগী দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির দিকে জোর দিতে গিয়ে তিনি জানান, প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে বিদেশে যাওয়া কর্মীদের দক্ষ করে গড়ে তোলা একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যগামী কর্মীদের আরবি ভাষা এবং অন্যান্য দেশে গমনকারীদের জন্য মান্দারিন, জাপানি ও কোরীয় ভাষায় প্রশিক্ষণ দিলে রেমিট্যান্স আয়ের পরিমাণ বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব। গালফ রাষ্ট্রগুলো থেকে আসা বর্তমান ১০-১২ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স কর্মীদের ভাষাগত দক্ষতার মাধ্যমে ২৪-২৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. আমানুল্লাহ বলেন, আমরা এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা পেয়েছি, যেখানে সংস্কার অত্যন্ত জরুরি। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর শিক্ষা খাতে জাতীয় বাজেটের ২ শতাংশ বরাদ্দ প্রদান নিশ্চিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: দেশ মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে: নাহিদ ইসলাম

দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা চালুর মাধ্যমেই উচ্চশিক্ষায় আমূল পরিবর্তন আনার সুযোগ রয়েছে।

আলোচনাসভা শেষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘গ্রিন ক্যাম্পাস’ ও ‘ওয়ান স্টুডেন্ট, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির আওতায় কলেজ প্রাঙ্গণে একটি বনজ ও একটি ফলদ গাছের চারা রোপণ করেন ভিসি। পরবর্তী সময়ে স্থানীয় শিল্পী ও কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনাও অনুষ্ঠিত হয়।

দিনাজপুর সংগীত ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) শিক্ষক প্রফেসর ড. নওশের ওয়ানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর সদর আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম।

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক সমন্বয় দপ্তরের পরিচালক মো. আমিনুল আক্তার, প্রধান প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান এবং কলেজের অধ্যক্ষ মো. হাছান মাহমুদসহ স্থানীয় শিক্ষাবিদ ও সুধীজন।

আরও পড়ুন: ‘জুলাইয়ের আন্দোলনে শেখ হাসিনা ও জাতীয় মসজিদের খতিব পালিয়ে গেছেন’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাছ পড়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১০ পি.এম


গাছ পড়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন

 

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বৈরি আবহাওয়ার কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ওপরে একটি গাছ পড়ে যান চলাচলে সাময়িকভাবে বিঘ্ন সৃষ্টি করে। খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে গাছটি অপসারণ করে যান চলাচলকে স্বাভাবিক করে ফায়ার সার্ভিস।

মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে গজারিয়া ফায়ার স্টেশনে খবর আসে, উপজেলার আনারপুরা এলাকাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে একটি গাছ পড়ে গিয়ে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে।

খবর পাওয়ার পর গজারিয়া ফায়ার স্টেশনের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে এবং চেইন স'রের সাহায্যে অল্প সময়ের মধ্যে গাছটিকে কেটে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে ফেলে। এর ফলে চট্টগ্রামমুখী লেনে যান চলাচল দ্রুত আবার স্বাভাবিক হয়ে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের কারণে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় নি এবং সম্ভাব্য দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বেশিরভাগভাবে এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশ-ইন চেষ্টা, সতর্ক অবস্থানে বিজিবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১০ পি.এম


চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশ-ইন চেষ্টা, সতর্ক অবস্থানে বিজিবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) সাতজন ব্যক্তিকে নিয়ে। তবে বিজিবির তাৎক্ষণিক তৎপরতা এবং কঠোর অবস্থানের কারণে তাদের বাংলাদেশের ভেতরে প্রবেশ করানো সম্ভব হয়নি।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে, নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি)-এর অধীন চাড়ালডাঙ্গা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ২১৯/২৪-আর সংলগ্ন শূন্য লাইনে এই ঘটনা ঘটে।

নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম জানান, ভারতের ১২ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের টিলাশন ক্যাম্পের সদস্যরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করানোর জন্য সাতজন ব্যক্তিকে নিয়ে প্রবণতা প্রকাশ করে। খবর পেয়ে চাড়ালডাঙ্গা বিওপির একটি টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে এবং সীমান্তের শূন্য লাইনের ভারতীয় অংশে অবস্থানরত ওই সাতজনকে শনাক্ত করে। তারা বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা দেয়।

তিনি আরও জানান, বিজিবির কঠোর অবস্থানের ফলে বিএসএফের পুশ-ইন চেষ্টাটি ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে, সীমান্তের নিকটবর্তী কাঁটাতারবিহীন অংশ দিয়ে ওই সাতজনকে পুনরায় ভারতীয় ভূখণ্ডে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করা হয়।

বিজিবি জানিয়েছে, বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বিজিবি সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত দিয়ে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ বা পুশ-ইনের অপচেষ্টা সফল হতে দেওয়া হবে না। তাই, এই ধরনের যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সীমান্তজুড়ে টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জার্মানির প্রধান কোচ হিসেবে আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব নিলেন ক্লপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১২ পি.এম


জার্মানির প্রধান কোচ হিসেবে আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব নিলেন ক্লপ

বিশ্বকাপ ফুটবলে জার্মানির হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর জুলিয়ান নাগেলসম্যান পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগের পর জার্মানির জাতীয় দলের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ইয়ুর্গেন ক্লপ।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সময়ে একটি সংবাদ সম্মেলনে জার্মান ফুটবল ফেডারেশন জানায়, ক্লপ ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত জাতীয় দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

ক্লপ দায়িত্ব গ্রহণের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে জানিয়েছেন, "জাতীয় দল আমাদের জার্মানদের যেভাবে এক সুতোয় বেঁধে রাখে, তা আর অন্যকিছু দিয়ে সম্ভব নয়। আর এ বিষয়টিই এই দায়িত্বকে আমার কাছে এতটা বিশেষ করে তুলেছে।"

২০২৪ সালে লিভারপুল ছাড়ার পর ক্লপ কোচিংয়ে ছিলেন না। তবে কোনও জাতীয় দলে প্রথম দায়িত্ব পেয়ে শুরুতেই কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হচ্ছে তাকে। সেপ্টেম্বর মাসের শেষ থেকে অক্টোবরের শুরুতে নেশন্স লিগে নেদারল্যান্ডস, গ্রিস ও সার্বিয়ার বিপক্ষে ১১ দিনের মধ্যে ম্যাচ খেলতে হবে।

লিভারপুলকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও প্রিমিয়ার লিগ জেতানো ক্লপ ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে রেড বুলস হেড অব সকারের দায়িত্ব নেন। তিনি বিশ্বকাপ চলাকালে ম্যাজেন্টা টিভির বিশ্লেষক হিসেবেও কাজ করেছেন।

জার্মানি টানা দুটি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পড়েছে, তবে এবার তারা নকআউটে পৌঁছেছিল। কিন্তু শেষ ৩২ এ প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিদায় নেয়। এরপর নাগেলসম্যান পদত্যাগ করেন। তার অধীনে জার্মানি তিন বছরের বেশি খেলেছে।

এই সময়ে ২০২৪ ইউরোর কোয়ার্টার ফাইনাল ছিল তাদের সেরা সাফল্য। স্পেনের কাছে অনুষ্ঠিত ম্যাচে তারা হেরে গিয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগের ৫ জেলায় প্রাণিসম্পদ খাতে ৭৭ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১২ পি.এম


বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগের ৫ জেলায় প্রাণিসম্পদ খাতে ৭৭ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি

সাম্প্রতিক বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় প্রাণিসম্পদ খাতে ৭৭ কোটি ১৫ লাখ ২ হাজার ২৪০ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

অপরদিকে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে চট্টগ্রাম জেলায়। সেখানে প্রাণিসম্পদ খাতে ক্ষতির পরিমাণ ৬০ কোটি ৬ লাখ ৮১ হাজার ১৪০ টাকা।

বন্যায় মৃত্যু ঘটেছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৩৯৪টি গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩৩ লাখ ৩৩ হাজার ৬৪২টি গবাদিপশু এবং ১০ হাজার ৯৯১টি খামার। চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার ৪৫টি উপজেলার ১৯১টি ইউনিয়নে এই ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

জেলাভিত্তিক হিসাবে, কক্সবাজারে ক্ষতির পরিমাণ ১৩ কোটি ৫৩ লাখ ৯১ হাজার ১১০ টাকা, রাঙামাটিতে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮২ হাজার টাকা, খাগড়াছড়িতে ৩৭ লাখ ১ হাজার টাকা এবং বান্দরবানে ১৭ লাখ ৪৭ হাজার টাকা হয়েছে।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০ হাজার ৯৯১টি খামারের মধ্যে ৪ হাজার ৭৫৬টি গবাদিপশুর খামারে ১৭ কোটি ৫৫ লাখ ৭২ হাজার টাকার এবং ৬ হাজার ২৩৫টি হাঁস-মুরগির খামারে ১৯ কোটি ৭২ লাখ ৯৬ হাজার ৫০০ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এছাড়া, ৯১০ টন দানাদার পশুখাদ্যে ৫ কোটি ১৭ লাখ ৯২ হাজার টাকা, ১৪ হাজার ২৬৫ টন খড়ে ২১ কোটি ৫৬ লাখ ৮৫ হাজার টাকা এবং ৯ হাজার ১২৯ টন ঘাসে ৮ কোটি ২৬ লাখ ১৪ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। মৃত গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ৪ কোটি ৮৫ লাখ ৪২ হাজার ৭৪০ টাকা।

শুধু চট্টগ্রাম জেলাতেই ১৫টি উপজেলার ১০৮টি ইউনিয়নে ৪ হাজার ২১৮টি গবাদিপশুর খামারে ১২ কোটি ৬৫ লাখ ৪০ হাজার টাকার এবং ৫ হাজার ৬৭৪টি হাঁস-মুরগির খামারে ১৭ কোটি ২ লাখ ২০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এছাড়া, ১৬২ টন পশুখাদ্যে ৯২ লাখ ২০ হাজার টাকা, ৬ হাজার ৯৬০ টন ঘাসে ৬ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং মৃত গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগিতে ৩ কোটি ৮৬ লাখ ৭৬ হাজার ১৪০ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

বন্যার পানিতে চট্টগ্রামের ১ হাজার ১ একর, কক্সবাজারের ৭ হাজার ৮৪০ একর, বান্দরবানের ৫১০ একর এবং রাঙামাটির ১ হাজার ১২৯ একর চারণভূমি প্লাবিত হয়েছে।

এতে মৃত্যু ঘটেছে ৭১টি গরু, ১৬৫টি ছাগল, ৫০টি ভেড়া, ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬০০টি মুরগি এবং ২ হাজার ৫০৮টি হাঁস। এর মধ্যে শুধু চট্টগ্রামেই মারা গেছে ৩৯টি গরু, ৯৫টি ছাগল, ৪২টি ভেড়া, ১ লাখ ৪২ হাজার ১৩৭টি মুরগি এবং ১ হাজার ৩০০টি হাঁস।

এদিকে, বন্যার কারণে পাঁচ জেলায় ২ লাখ ২৩ হাজার ৩৯০টি গরু, ৪ হাজার ৭৫৫টি মহিষ, ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৭টি ভেড়া, ২৮ লাখ ৪৫ হাজার ৮২৮টি মুরগি এবং ৭০ হাজার ৩৭০টি হাঁস অসুস্থ হয়েছে।

এ পর্যন্ত ১১ হাজার ৮৯৭টি পশু এবং ৮৪ হাজার ৬৫০টি হাঁস-মুরগিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১০ হাজার ৬৮৯টি পশু ও ১৯ হাজার ২৭টি হাঁস-মুরগিকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

বন্যার পানিতে চট্টগ্রামের তিনটি, কক্সবাজারের একটি এবং বান্দরবানের চারটি প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উপ-পরিচালক (ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ) ডা. মুহাম্মদ ইজমাল হাসান জানান, মাঠ পর্যায় থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে ৭৭ কোটি ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পাওয়া গেছে। তিনি জানান, তথ্য সংগ্রহের কাজ এখনও চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%