শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২৩ পি.এম
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক এবং এর আশেপাশের এলাকায় টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণের ফলে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অবিরাম বৃষ্টিতে অনেক নিচু এলাকা সম্পূর্ণরূপে পানির নিচে তলিয়ে গেছে। শহরের রাস্তাগুলো এখন খালের মতো রূপ নিয়েছে, যেখানে যানবাহন চলাচলের পরিবর্তে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যা কবলিত মানুষ চরম দুর্ভোগে দিন পার করছেন।
ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ব্যাংককের একটি আবাসিক এলাকার প্রধান সড়কটি সম্পূর্ণভাবে বন্যার পানির নিচে। পানির গভীরতা এতটাই বেশি যে, পার্ক করে রাখা বেশ কয়েকটি প্রাইভেট কার এবং পিকআপ ট্রাক প্রায় অর্ধেক ডুবে আছে। কিছু কিছু গাড়িকে পুরোপুরি তলিয়ে যেতেও দেখা গেছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, নিষ্কাশন ব্যবস্থা সঠিকভাবে কাজ না করায় বন্যার পানি দ্রুত বাড়ছে, যার ফলে এই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।
শহরের বহু বাসিন্দা তাদের বাড়ির ভিতরেই আটকা পড়েছেন। তাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এবং আসবাবপত্র নষ্ট হচ্ছে। বিশেষ করে নিচতলার ফ্ল্যাটে থাকা মানুষেরা চরম বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছেন। খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকটের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন হয়েছে বহু এলাকায়। এই পরিস্থিতি শিশুদের জন্য আরও বেশি ভীতিজনক, কারণ তারা এই প্রবল বন্যা সম্পর্কে কম অবগত।
থাইল্যান্ডের আবহাওয়া দফতর জানিয়েছেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া জুড়ে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এই অতিবৃষ্টির ঘটনা ঘটছে। আরও কয়েক দিন এই ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে বলে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতি মোকাবিলায় থাইল্যান্ডের সরকার কাজ শুরু করেছে। বন্যা কবলিত এলাকা থেকে সাধারণ মানুষকে উদ্ধার করার জন্য জরুরি পরিষেবা টিম পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়দের আশ্রয় দিতে অস্থায়ী শিবির স্থাপন করা হয়েছে। তবে, পানির স্তর এখনও না কমার কারণে অনেক জায়গায় ত্রাণ পৌঁছাতে কষ্ট হচ্ছে।
স্থানীয় প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করার জন্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং আরও অনেক মানুষের ত্রাণ ব্যবস্থা করার জন্য কাজ করছেন। তারা জরুরি পরিষেবাগুলি কার্যকর রাখতে ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নিচ্ছে। ব্যাংককের পরিস্থিতি আরও ভালো হওয়ার জন্য আমাদের সবাইকে সাহায্য করতে হবে। আমরা সবাই এই চরম পরিস্থিতিতে স্থানীয়দের জন্য প্রার্থনা করি এবং আশা করি তারা শীঘ্রই এই বিপদ থেকে মুক্ত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এর আয়োজনে সনাতন শিক্ষার্থীদের বৈদিক নবীন বরণ—১৪৩৩ জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ার তৃতীয় তলায় এ নবীন বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন সনাতন শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে নবীনদের স্বাগত জানানোর পাশাপাশি ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক চর্চা, পারস্পরিক সম্প্রীতি এবং সনাতন ঐতিহ্যের সঙ্গে নতুন শিক্ষার্থীদের পরিচিত করার নানা আয়োজন ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যাচের সনাতন শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
সনাতন বিদ্যার্থী সংসদের সভাপতি কাকলী রায় বলেন, “এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো আমাদের নিজস্ব ধর্মীয় সংস্কার, ঐতিহ্য ও মূল্যবোধকে ধরে রাখা এবং নতুন প্রজন্মের মাঝে তা ছড়িয়ে দেওয়া। পাশাপাশি আমরা বিশ্বাস করি, নিজ ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার পাশাপাশি অন্য সব ধর্মের প্রতিও সম্মান প্রদর্শন করা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শুভ কর্মকার বলেন, “আমরা সবাইকে একটি পরিবারের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে এগিয়ে যেতে চাই। জুনিয়রদের ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক চর্চা এবং ধর্ম পালনের ক্ষেত্রে সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর সবসময় তাদের পাশে থাকবে। একই সঙ্গে আমরা সব ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে এগিয়ে যেতে চাই।”
আয়োজকরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে সনাতন শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, ঐক্য, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক চর্চা জোরদার করার পাশাপাশি সব ধর্মের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে সুন্দর ও ইতিবাচকভাবে এগিয়ে যেতে সংগঠনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার হুমকির প্রেক্ষাপটে ইরানের সঙ্গে বিমান চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে ইরাক। বাগদাদ, নাজাফ, এরবিল ও সুলাইমানিয়াহ বিমানবন্দরে ইরানি বিমান সংস্থাগুলোর ফ্লাইট এবং গ্রাউন্ড সার্ভিস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের প্রভাব বাগদাদকে আরও চাপে ফেলেছে।
ইরানপন্থি ইরাকি রাজনীতিকরা যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে সরকারের পক্ষ থেকে তাদের আহ্বানে সাড়া দেওয়া হয়নি। মার্কিন চাপ উপেক্ষা করার ফলে নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে, এবং ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হলে অর্থনৈতিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে ইরাকের।
ইরাকের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে গভীর বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক বিদ্যমান। দেশটির সংসদে ইরানপন্থি গোষ্ঠীগুলোর শক্তিশালী অবস্থানও রয়েছে। খাদ্য ও বিভিন্ন পণ্য আমদানির পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ইরানের গ্যাসের ওপর ইরাকের বড় ধরনের নির্ভরতা রয়েছে।
ইরানি বিমান সংস্থাগুলোকে গ্রাউন্ড সার্ভিস, জ্বালানি, অবতরণ ও অন্যান্য সুবিধা প্রদান করলে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এই কারণে ইরাকের বিমানবন্দরগুলোতে ইরানি উড়োজাহাজের সেবা বন্ধ করা হয়েছে। ফলে ইরান পাল্টা পদক্ষেপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ইরাকের অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি হচ্ছে তেল। দেশটির সরকারি আয়ের প্রায় ৮৮ শতাংশ তেল খাত থেকে আসে। কিন্তু আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে তেল উৎপাদন ও রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ায় তেল পরিবহনেও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
ইরানের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধ হওয়া ছাড়াও তেল রপ্তানিতে বাধা এবং জ্বালানি সরবরাহের ঝুঁকি ইরাকের অর্থনীতিতে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা, অন্যদিকে ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা পদক্ষেপ—এই দুই চাপের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা বাগদাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সতর্ক করে বলেছেন, পাকিস্তানের পানির ন্যায্য হিস্যা বন্ধ, বাধাগ্রস্ত করা বা অন্যদিকে সরিয়ে নেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টা ‘যুদ্ধ’ হিসেবে গণ্য হবে। তিনি উল্লেখ করেন, পানিকে কখনো অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়। শুক্রবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে তিনি এই সতর্কবার্তা প্রদান করেন।
শাহবাজ ভারত কর্তৃক ১৯৬০ সালের সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি দাবি করেন, চুক্তি স্থগিত রাখার ভারতের সিদ্ধান্তের কোনো আইনি ভিত্তি নেই। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের অবস্থান এবং সংশ্লিষ্ট সালিশি আদালতের সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের অবস্থানকে সমর্থন করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, সিন্ধু নদীব্যবস্থা দেশের অর্থনীতি ও জনগণের জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সতর্ক করেন যে, পানির প্রবাহ নিয়ে একতরফা কোনো পদক্ষেপ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। ভারতকে এ বিষয়ে কোনো ভুল না করার আহ্বান জানান তিনি।
শাহবাজ তার ভাষণে ২০২৫ সালের মে মাসে ভারত-পাকিস্তানের চার দিনের সামরিক সংঘাতের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। তিনি পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং ওই সংঘাতের সমাধানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতাকে স্বাগত জানান।
কাশ্মীরের বিষয়েও জাতিসংঘের মাধ্যমে অবাধ ও নিরপেক্ষ গণভোট আয়োজনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন শাহবাজ। তিনি বলেন, কাশ্মীরিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত পাকিস্তান তাদের কূটনৈতিক, রাজনৈতিক ও নৈতিক সমর্থন অব্যাহত রাখবে।
ভাষণের শেষ পর্যায়ে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। তিনি ভারতের সঙ্গে বিরোধগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ম্যানচেস্টার সিটি থেকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগদান করেছেন ১৭ বছর বয়সী মিডফিল্ডার করিম কাসিম। প্রিমিয়ার লিগের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পাওয়ার পর, তিনি এখন ক্লাবের একাডেমি ম্যাচে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।
গত আগস্ট মাসে, যখন কাসিমের বয়স ছিল ১৬ বছর, তিনি ইউনাইটেডের অনূর্ধ্ব-১৮ দলের প্রিমিয়ার লিগ কাপ ম্যাচে চার্লটন অ্যাথলেটিকের বিরুদ্ধে দর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বর্তমানে, তিনি ড্যারেন ফ্লেচারের দলের নিয়মিত সদস্য হয়ে উঠবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
ক্লাবের সূত্রে জানা গেছে, কাসিম একজন উদ্যমী বক্স-টু-বক্স মিডফিল্ডার এবং ইংল্যান্ড যুব দলের খেলোয়াড়। তাকে ভবিষ্যতে প্রথম দলের সম্ভাব্য খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তার সাইনিং ইউনাইটেডের যুব পর্যায়ে নিবিড় নিয়োগ কার্যক্রমের প্রতিফলন।
এছাড়া, গত মৌসুমে ফ্লেচারের দলে উজ্জ্বল পারফরম্যান্স করা ১৭ বছর বয়সী উইঙ্গার নোয়া আজায়ির সঙ্গে প্রথম পেশাদার চুক্তি সম্পন্ন করেছে ওল্ড ট্রাফোর্ডের দলটি।
আরও তিন তরুণকে আনার পথে ইউনাইটেড
কাসিম ছাড়াও, ইউনাইটেড শিগগিরই সিটির ১৬ বছর বয়সী ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার ডেভিড এজে এবং লিভারপুলের ১৬ বছর বয়সী উইঙ্গার আইজ্যাক কন্ডের সাইনিং ঘোষণা করতে যাচ্ছে। দুজনকেই সিনিয়র দলে উন্নতির লক্ষ্য নিয়ে ক্যারিংটনে আনা হচ্ছে।
যুব নিয়োগে নতুন গতি
কাসিমের সাইনিং প্রত্যাশিত ছিল, তবে প্রিমিয়ার লিগের অনুমোদন পাওয়ায় ইউনাইটেড স্বস্তি অনুভব করছে। একাডেমি পর্যায়ে সমস্ত ট্রান্সফার নিয়ম মেনে হচ্ছে কিনা তা তদন্ত করা হয়।
আইনিওসের বিনিয়োগের পর থেকে ইউনাইটেড যুব খেলোয়াড় নিয়োগে আরও সতর্কভাবে মনোযোগী হয়েছে। কাসিমের সঙ্গে এজে ও কন্ডের আগমন সেই ধারাবাহিকতার অংশ। সাধারণত ১৬ বছর বয়সে একাডেমি চুক্তি শেষ হওয়ায় খেলোয়াড়রা নতুন ক্লাবে যোগ দিতে পারে।
এই তিনজনকে উচ্চ সম্ভাবনাময় প্রতিভা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে যেকোনো সাইনিংয়ের মতোই সময়ই বলে দেবে তারা কতটা সফল হবে।
বিদায় নিতে চলেছেন জেজে গ্যাব্রিয়েল
এদিকে, ১৫ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড জেজে গ্যাব্রিয়েল ক্লাব ছাড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তার বিদায়ের প্রক্রিয়া এগোচ্ছে। তবে কাসিম, এজে ও কন্ডের সাইনিং গ্যাব্রিয়েলের পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, বরং অনেক আগে থেকেই পরিকল্পনায় ছিল।
ইউনাইটেড এর আগেও সিটির একাডেমি থেকে খেলোয়াড় এনেছে—টাইলার ও জ্যাক ফ্লেচার এবং চার্লি ম্যাকনিল সাম্প্রতিক উদাহরণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ