শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:১৭ পি.এম
রাজধানীর মিরপুরে যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় গ্রেপ্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের ঢাকা মহানগর উত্তরের সহসম্পাদক মোতাহার হোসেন খান সুফলকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য মাইনুল হোসেন খান নিখিলের ছোট ভাই।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সিদ্দিক আজাদ এই আদেশ প্রদান করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী শামীম আল সোহাগ সাইফুল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। একই মামলায় আরেক আসামী আবু জাফর মোল্লাকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মো. দেলোয়ার হোসেন আদালতে দুই আসামীকে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মিরপুর-১ নম্বর বাসস্ট্যান্ডের ওভারব্রিজের নিচে টেকনিক্যালগামী অভিজাত পরিবহনের একটি বাসে দাহ্য পদার্থ নিক্ষেপ করে আগুন লাগানো হয়। এতে বাসটির পেছনের কয়েকটি সিট, ফ্যানসহ বিভিন্ন অংশ পুড়ে যায়। ওই সময় বাসে থাকা প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন যাত্রী দ্রুত নেমে নিজেদের জীবন রক্ষা করেন। পরে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থলে থাকা ব্যক্তিরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে দারুসসালাম ও শাহ আলী মাজারের দিকে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে অগ্নিসংযোগের শিকার বাসটি আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সুফলের হুকুম ও প্ররোচনা এবং অন্যান্য আসামিদের যোগসাজশের তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে কেউ অর্থের জোগান, কেউ ষড়যন্ত্র এবং কেউ সরাসরি কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার এজহারে বলা হয়েছে, গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে মিরপুর মডেল থানাধীন ৬০ ফিট ভাঙ্গাব্রিজ এলাকা থেকে সুফলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ২৬ সেপ্টেম্বর রাত আড়াইটার দিকে মিরপুর-১ নম্বর গোলচত্বর এলাকা থেকে আবু জাফরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুফল যুবলীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সহসম্পাদক এবং মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান। আবু জাফর যুবলীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সক্রিয় কর্মী।
সুফলের বিরুদ্ধে মিরপুর মডেল থানায় ২০২৪ সালে দায়ের হওয়া একাধিক মামলার তথ্য আদালতে দেওয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, বিস্ফোরক দ্রব্য এবং মারামারিসহ বিভিন্ন ধারায় মামলা রয়েছে। একটি হত্যা মামলায় ইতিমধ্যে অভিযোগপত্র দাখিল হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া একাধিক মামলায়ও সুফল এজাহারভুক্ত ও তদন্তে পাওয়া আসামি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারের পর আসামিদের মামলার ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখা প্রয়োজন। জামিনে মুক্তি পেলে তারা পলাতক হয়ে তদন্তে বিঘ্ন ঘটাতে পারেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ মামলায় আরো ৪০ থেকে ৫০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি রয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
“মাদকমুক্ত সমাজ, আমাদের অঙ্গীকার” এই প্রত্যয়ে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের বাড়বকুণ্ড হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে মাদকবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধি ও সামাজিক প্রতিরোধ জোরদারের লক্ষ্যে এক মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কমিউনিটি পুলিশ, বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার জনাব মো: মাসুদ আলম, বিপিএম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কমিউনিটি পুলিশের উপদেষ্টা জনাব জহুরুল আলম জহুর।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, মাদক ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য একটি মারাত্মক সামাজিক ব্যাধি। মাদকের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগ অপরিহার্য। তরুণ প্রজন্মকে মাদকের করালগ্রাস থেকে রক্ষা করতে পরিবার থেকেই সচেতনতা ও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
সমাবেশে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন জোরদার, তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখা, মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং মাদকবিরোধী আইন বাস্তবায়নে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার জনাব মো. মাসুদ আলম, বিপিএম বলেন, মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও সামাজিক প্রতিরোধকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। মাদক ব্যবসায়ী ও সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি মাদকাসক্তদের সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতেও পরিবার ও সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি মাদকবিরোধী কার্যক্রমে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, মাদকসংক্রান্ত যেকোনো তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করে মাদকবিরোধী অভিযানকে আরও কার্যকর করতে সকলকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে সন্তানদের চলাফেরা, সঙ্গ ও কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অভিভাবকদের আরও সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।
সমাবেশে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কমিউনিটি পুলিশের সদস্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি এবং সর্বস্তরের জনগণ অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের ডাসারে যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। শনিবার বিকেল ৫টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের কর্ণপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
হাইওয়ে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাবিবা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ঢাকা থেকে বরিশালের উদ্দেশে যাচ্ছিল। বিকেলে বাসটি ডাসার উপজেলার কর্ণপাড়া এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। এ সময় বাসটি মহাসড়কের ডান পাশে একটি গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা লাগে। এতে বাসের অন্তত ১৫ যাত্রী আহত হন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কাছাকাছি হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। এ সময় কিছুক্ষণ মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় আধা ঘণ্টা পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।
মাদারীপুরের কালকিনি ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার খোকন জমাদ্দার বলেন, অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনার হাত থেকে যাত্রীরা রক্ষা পেয়েছেন। কয়েকজন আহত হলেও তাদের সবাই শঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আমতলীর নতুন বাজার মাছ ও সবজি বাজারের সামনের ৫০০ মিটার সড়কে ছোট বড় অসংখ্য গতের্র সৃষ্টি হওয়ায় বাজারে আসা ও জেলা শহর যাতায়ত করা হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছে। সড়কটি আমতলী-পটুয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের আওতাভূক্ত হওয়ায় অন্য সংস্থাগুলো সংস্কার করছে না।
বরগুনা সড়ক ও জনপথ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আমতলী নতুন বাজার-বরগুনা আঞ্চলিক মহাসড়কটি ২০২০ সালে সংস্কার করা হয়। চলতি বছর পটুয়াখালী-কুয়াকাটা সড়কটি সংস্কার করা হলেও আমতলী নতুন বাজার থেকে বরগুনার সাথে সংযুক্ত আমতলী ফেরিঘাট পর্যন্ত ৮০০ মিটার সড়ক সংস্কার করা হয়নি। সড়কটি দীর্ঘ দিন ধরে সংস্কারের অভাবে আমতলী নতুন বাজার চৌরাস্তার পাশে সবজি ও মাছ বাজার সামনের অংশে ৫০০ মিটার সড়ক জুরে ছোট বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির সময় গর্তে পানি জমে কাঁদা সৃষ্টি হওয়ায় মানুষ পায়ে হেটেও চলাচল করতে পারে না।
এই সড়কটির পাশেই রয়েছে আমতলী পৌরসভার সবজি ও মাছ বাজার। প্রতিদিন শত শত মানুষ এই বাজারে আসে মাছ ও সবজি ক্রয়-বিক্রয় করতে। বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাইকারি বিক্রির জন্য পিকআপসহ বিভিন্ন যানবাহনে এই বাজারে আসে মাছ সবজি নিয়ে। তাছাড়া এই সড়ক দিয়েই জেলা শহর প্রতিদিন যাতায়ত করে হাজারো মানুষ। প্রতিদিন চলাচলের জন্য গুরুত্বপূর্ন একটি সড়ক সংস্কার বিহীন অবস্থায় পরে থাকায় চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছে হাজার হাজার মানুষ।
বৃহস্পতিবার সকালে সড়েজমিন ঘুরে দেখা গেছে, আমতলী নতুন বাজার চৌরাস্ত মোর থেকে মাছবাজার পর্যন্ত ৫০০ মিটার সড়কের পিচ উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গর্তের গভীরতা বড় হওয়ায় নীচের খোয়া উঠে কাদা মাটি উপরে চলে আসায় সড়ক জুরে কাঁদা পানিতে একাকার হয়ে গেছে পুরো সড়ক। বাজার করতে আসা অনেকেই হোচট খেয়ে সড়কে পরে কাঁদা পানিতে একাকার হয়ে বাসায় ফেরেন। এই সড়ক দিয়ে ব্যাটারি চালিত অটো রিকসা চলতে গিয়ে অনেক সময় গর্তে আটকা পরায় ঘন্টার পর ঘন্টা যানজটের সৃষ্টি হয়।
মাছ ও সবজি বাজারে আসা ক্রেতা হাসানুল বাননা বলেন, সড়ক বেহাল থাকায় বাজারে যাওয়ার সময় সড়কের কাঁদা পানিতে কাপর চোপর সব নষ্ট হয়ে যায়। তাই বাসায় ফিরে গোসল করতে হয়। পাইকারী মাছ বিক্রেতা মো. বারেক প্যাদা বলেন, সড়ক ভাঙ্গা থাকায় কোন পাইকার গাড়ি নিয়ে এই বাজারে আসতে চায় না।
মাছ বজারের পাশেই মুদি মনোহরি ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম বলেন, রাস্তা খারাপ থাহায় এই বাজারে কেউ আসতে চায় না। লোক না আসায় বিক্রি কমে গেছে অনেক।
বরগুনা সওজের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. বিল্লাল হোসেন বলেন, সপ্তাহখানেকের মধ্যে গর্ত মেরামত করা হবে। তিনি আরো বলেন, সড়কের পাশে মাছ এবং সবজি বাজার থাকায় অতিরিক্ত লোড এবং সব সময় পানির কারনে পিচ উঠে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এর স্থায়ী সমাধানের জন্য আগামী অর্থ বছরে আরসিসি ঢালাই দিয়ে সড়কটি সংস্কার করা হবে এ অর্থ বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের কচাকাটা থানার বল্লভেরখাস ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর পাটনীরপাড় পাতলীপাড়া এলাকা থেকে রুমি আক্তার (২৮) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী এনামুল হক ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী কুলসুম রুপাকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে ওই এলাকা থেকে রুমি আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এনামুল হকের সঙ্গে রুমি আক্তারের প্রথম বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুটি সন্তান রয়েছে। পরে এনামুল ঢাকায় কাজ করার সময় পার্শ্ববর্তী এলাকার কুলসুম রুপাকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর থেকেই প্রথম স্ত্রী রুমি আক্তারের সঙ্গে তার দাম্পত্য কলহ চলছিল বলে স্থানীয়রা জানান।
স্থানীয় গ্রাম পুলিশ নছিমউদ্দিন জানান, স্ত্রী ও সন্তান থাকা সত্ত্বেও এনামুল দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এ নিয়ে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল। একপর্যায়ে এনামুল প্রথম স্ত্রী ও সন্তানদের রেখে দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে বসবাস করছিলেন।
কচাকাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অর্পণ কুমার দাস জানান, গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী ও তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর রুমি আক্তারের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ