বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১০:২১ এম
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় চট্টগ্রামে ওয়াসিমসহ ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় অনুষ্ঠিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে আজ থেকে সাক্ষ্যগ্রহণের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনার মাধ্যমে এই কার্যক্রম শুরু হবে।
২২ আসামির বিরুদ্ধে গত ৩০ জুন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে মামলার বিচারের শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করা হয়। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আজ প্রথম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে।
এ মামলায় মোট পাঁচজন গ্রেপ্তার রয়েছেন। তারা হলেন— চট্টগ্রাম-৬ আসনের সাবেক এমপি ফজলে করিম চৌধুরী, যুবলীগ নেতা আজিজুর রহমান, তৌহিদুল ইসলাম, মো. ফিরোজ ও দেবাশীষ পাল দেবু।
এই মামলার পলাতক অন্য আসামির মধ্যে আছেন— সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাসির উদ্দীন, রেজাউল করিম, মহিউদ্দিন বাচ্চু, হেলাল আকবর, নুরুল আজিম রনি, শৈবাল দাশ সুমন, আবু ছালেক, এসবারুল হক, এইচএম মিঠু, নূর মোস্তফা টিনু, জমির উদ্দিন, ইমরান হাসান মাহমুদ, জাকারিয়া দস্তগীর, মহিউদ্দিন ফরহাদ ও সুমন দে।
এর আগে, ৭ এপ্রিল, অন্তত তিনটি অভিযোগের ভিত্তিতে ২২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২। ৫ এপ্রিল ফরমাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন।
প্রসিকিউশনের প্রথম অভিযোগের অধীনে, ওয়াসিম আকরাম, ফয়সাল আহমেদ শান্ত ও মো. ফারুককে হত্যার দায় নির্দিষ্ট করা হয়েছে। দ্বিতীয় অভিযোগে, তানভীর সিদ্দিকী, সায়মন ওরফে মাহিম ও হৃদয় চন্দ্রকে শহীদ করার দায় উল্লেখ করা হয়েছে। তাছাড়া, জাহিদ হাসান, আবদুল কাদের, আছিয়া খাতুন, সানজিদা সুলতানা, আবদুল্লাহসহ শতাধিক ছাত্র-জনতাকে গুরুতর আহত করার বিষয়ে তিন নম্বর অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরে সন্ত্রাসবিরোধী এবং বিস্ফোরক মামলায় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতাকে কারাগারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিচারক।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে জেলার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আতিকুল ইসলাম ভূঁইয়া এই আদেশটি প্রদান করেন।
এর আগে একই দিনে দুপুরে সদর উপজেলার ঘটকচর বাজার থেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দুয়া ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন ফরাজীকে (৪০) গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত ইকবাল ফরাজী কেন্দুয়া ইউনিয়নের দত্তেরহাট গ্রামের ইস্রাফিল ফরাজীর ছেলে।
এ বিষয়ে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইকবাল হোসেন ফরাজীকে আটক করা হয়। পরে তাকে পুলিশ কর্তৃক দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী এবং বিস্ফোরক মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। শুনানি শেষে আদালতের বিচারক ইকবালকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এদিকে, নির্দিষ্ট কোন মামলার এজাহারে গ্রেফতার ইকবালের নাম না থাকলেও পুলিশ জানায়, সন্দেহভাজন হিসেবে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে স্বর্ণের সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। এইবার ভরিতে ২৯২ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখন ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন দামটি আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে বেড়েছে তেজাবি রুপার (পিওর সিলভার) মূল্য। সেহেতু সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের রুপার দাম হচ্ছে ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত করার কারণে গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের পূর্বের নিয়ম বজায় থাকবে।
পূর্বে, গত ২৮ জুলাই রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। সে সময় ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫৯ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ৬০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম ছিল ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৮৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এই দামও সকাল ১০টায় কার্যকর হয়েছিল।
এবার চলতি বছর ৬১ দফায় রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে দাম ৩১ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং কমানো হয়েছে ৩০ দফা। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, এর মধ্যে দাম বেড়েছিল ১০ বার এবং কমেছিল ৩ বার।
এদিকে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৯ হাজার ৮৫৬ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাজুস। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ বছরের এখন পর্যন্ত দেশে ৯৮ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে ৪৮ দফা বাড়ানো হয়েছে, ৪৯ দফা কমানো হয়েছে এবং ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। ২০২৫ সালে বাজারে ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাইজেরিয়ায় গোয়েন্দা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ অভিযানে অপহৃত ৩০৮ জন নাগরিক উদ্ধার করা হয়েছে। এই তথ্য দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্টের বিশেষ উপদেষ্টা বায়ো ওনানুগা এক বিবৃতির মাধ্যমে জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সফলভাবে নাইজার ও কোয়ারা রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে অপহৃত ৩০৮ জনকে উদ্ধার করেছে। এই ঘটনাকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট বোলা আহমেদ টিনুবু।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ১৬৩ জনকে কোয়ারা রাজ্যের কাইয়ামা এলাকার ওরো সম্প্রদায় থেকে এবং ১৪৫ জনকে নাইজার রাজ্য থেকে অপহরণ করা হয়েছিল, বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, সমন্বিত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে নাইজার রাজ্যের নিউ বুসা এলাকার কাইঞ্জি লেক জাতীয় উদ্যানের বনাঞ্চল থেকে অপহৃতদের উদ্ধার করা হয়। এই অভিযান দেশটির জাতীয় সন্ত্রাস দমন কেন্দ্রের নেতৃত্বে পরিচালিত হয় এবং সেনাবাহিনী, পুলিশ ও রাষ্ট্রীয় সেবা বিভাগের সদস্যরা এতে অংশ নেন।
সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, নাইজেরিয়ার যৌথ নিরাপত্তা বাহিনীর এক দিনের অভিযানে এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় উদ্ধার অভিযান।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি কোয়ারা রাজ্যের কাইয়ামা এলাকায় সশস্ত্র হামলা চালিয়ে বহু বাসিন্দাকে অপহরণ করা হয়েছিল। তাদের উদ্ধারের ঘটনায় প্রেসিডেন্ট, নিরাপত্তা বাহিনী এবং অভিযানে অংশ নেওয়া সকলকে কোয়ারা রাজ্য সরকার অভিনন্দন জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মুক্তিপণের জন্য অপহরণ নাইজেরিয়ায় বড় ধরনের নিরাপত্তা সংকট সৃষ্টি করেছে। অপরাধী চক্র, বোকো হারাম-সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠী এবং দস্যুরা নিয়মিত অপহরণের ঘটনা ঘটাচ্ছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল, সেখানে এই সংকট আরও ভয়াবহ হয়ে পড়েছে। স্কুল, গির্জা ও মসজিদের মতো স্থানও হামলার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে।
এর আগে গত ১৮ জানুয়ারি কাদুনা রাজ্যের একটি গ্রামের তিনটি গির্জা থেকে ১৭৭ জনকে অপহরণ করা হয়। এছাড়া গত মাসে দক্ষিণাঞ্চলীয় ওয়ো রাজ্য থেকে মে মাসে অপহৃত অন্তত ৪০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষককে উদ্ধার করে নিরাপত্তা বাহিনী।
গত জুনে প্রেসিডেন্ট বোলা আহমেদ টিনুবু জানান, গত এক বছরে দেশের সেনাবাহিনী ১৩ হাজারের বেশি সন্ত্রাসীকে নিষ্ক্রিয় করেছে। একই সময়ে সেনাবাহিনী বোকো হারামের হাতে অপহৃত ৩৬০ জনকে উদ্ধার করেছে বলেও জানানো হয়।
এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট বলেন, এই সফল অভিযান দেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর ক্রমবর্ধমান দক্ষতা ও পারস্পরিক সমন্বয়ের একটি প্রমাণ। একই সঙ্গে নাগরিকদের জীবন রক্ষায় নিরাপত্তা বাহিনীর সাহসিকতা ও দৃঢ়তার তিনি প্রশংসা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে সামরিক হামলা চালালে, উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা এবং মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা চালানোর কথা জানিয়ে সতর্ক করেছে তেহরান। একই সঙ্গে, সম্ভাব্য সংঘাত এড়াতে আঞ্চলিক পর্যায়ে কূটনৈতিক তৎপরতাও শক্তিশালী করেছে দেশটি।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে গত ২৮ জুলাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোর বিরুদ্ধে হামলার হুমকি দেওয়ার পর, তেহরান উচ্চপর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ শুরু করে।
দুইজন জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা, দুটি উপসাগরীয় সূত্র এবং আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক আঞ্চলিক কূটনীতিকের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সৌদি আরব, তুরস্ক এবং কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের পাশাপাশি পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছেন।
সূত্রগুলোর দাবি করছে, এসব আলোচনায় আরাঘচি উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান তারা যেন ওয়াশিংটনের ওপর প্রভাব খাটিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন সামরিক অভিযান থেকে বিরত রাখে। তিনি সতর্ক করেন যে, ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা হলে, সে ক্ষেত্রে উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনা এবং গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালানো হবে।
এক জ্যেষ্ঠ আঞ্চলিক কূটনীতিকের ভাষ্য অনুযায়ী, আরাঘচির বার্তা ছিল স্পষ্ট—ইরান প্রতিশোধ নিতে প্রস্তুত, তবে বৃহত্তর সংঘাত থেকে বাঁচতে কূটনৈতিক সমাধানই সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
আরেকটি উপসাগরীয় সূত্র জানাচ্ছে, ইরানের সতর্কবার্তা মূলত সৌদি আরব ও কাতারের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হলেও, তা উপসাগরীয় অঞ্চলের সব দেশের জন্য ছিল।
এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ স্থগিত রেখে আলোচনা চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি যুদ্ধবিরতি এবং কূটনৈতিক সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার অনুরোধ করেন।
এ ছাড়া কাতার, ওমান এবং সৌদি আরবও ওয়াশিংটনকে তেহরানের সঙ্গে পুনরায় আলোচনায় বসার জন্য আহ্বান জানিয়েছে বলেও সূত্রগুলোর দাবি। তাদের আশঙ্কা, নতুন করে সামরিক হামলা হলে, পুরো মধ্যপ্রাচ্য আরও বড় সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে।
অন্যদিকে সৌদি আরব জানিয়েছে, তারা কূটনৈতিক সমাধানকে সমর্থন করলেও নিজেদের নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপস করবে না। দেশটির ভূখণ্ডে হামলা হলে, তাও সামরিক জবাব দেওয়া হবে বলে রিয়াদ স্পষ্ট করে বলেছে। সূত্র: রয়টার্স।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ