ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার


আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য বিশ্ব অর্থনীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে ক্রমাগত সম্প্রসারিত হচ্ছে। এই সম্প্রসারিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার ওঠানামা করছে।

গত মাসে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত বাস্তবায়নের জন্য পর্যায়ক্রমে ডলারের দাম বৃদ্ধি এবং টাকার মান হ্রাস করা হয়েছিল, যদিও বাজারে চাহিদার ভিত্তিতে বৈদেশিক মুদ্রার জোগান রয়েছে। বর্তমানে ডলারের দাম ওঠানামার মধ্যে রয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, কয়েক মাস আগে ডলারের দাম বেড়ে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৮২ পয়সায় পৌঁছেছিল। তবে বর্তমানে এটি ১২৩ টাকা ১০ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ইসলামি ব্যাংকিং ও ইসলামি অর্থায়ন ভিন্ন: বাংলাদেশ ব্যাংকের গবেষণা

বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী আজকের (০৬ অক্টোবর ২০২৬) সর্বনিম্ন মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—

মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা

ইউএস ডলার : ১২৩ টাকা ১০ পয়সা

ইউরো : ১৩৮ টাকা ১৩ পয়সা

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-চীন স্থলপথে সংযোগ: নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার উন্মোচন

পাউন্ড : ১৬২ টাকা ৭২ পয়সা

কানাডিয়ান ডলার : ৮৬ টাকা ৩০ পয়সা

অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৫ টাকা ৭৮ পয়সা

চায়নিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ৩৬ পয়সা

আরও পড়ুন: দেশের বাজারে সোনার নতুন দাম ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকা

সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৬ টাকা ১৭ পয়সা

ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৭ পয়সা

মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ০৭ পয়সা

সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৭৯ পয়সা

আরও পড়ুন: জাপান বাংলাদেশে ৬.৩৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে

কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৬৯ পয়সা

কুয়েতি দিনার : ৩৯৭ টাকা ২২ পয়সা

আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৪৬ পয়সা

*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।

আরও পড়ুন: ভারতের একক বৃহত্তম তেল শোধনাগার পরিদর্শনে রুবিও, কিন্তু কেন?

আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাস আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলাবাজার ও অফিসিয়াল রেটের মধ্যে ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে।

আইএমএফের শর্ত বাস্তবায়নের জন্য মাস খানেক আগে ডলারের দাম কিছুটা বেড়েছিল, তবে বর্তমানে সেটি কিছুটা কমে এসেছে। আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তিদায়ক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নীতিমালার অধীনে অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে : সড়কমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪৮ পি.এম


নীতিমালার অধীনে অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে : সড়কমন্ত্রী

সড়ক, রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, "নীতিমালার অধীনে অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে।" এ বিষয়ে দ্রুত একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর ধানমণ্ডি লেকের খনন ও উন্নয়নকাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ রবিউল আলম ধানমণ্ডি লেকের উন্নয়নকাজ সম্পর্কে জানান, লেকের খননসহ বিভিন্ন উন্নয়নকাজে ৮৩ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। প্রকল্পের আওতায় লেকের সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিবেশ উন্নয়নের পাশাপাশি নির্মাণ করা হবে ‘নজরুল মঞ্চ’। সেখানে লাইব্রেরি স্থাপনের পাশাপাশি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের সুযোগ থাকবে।

তিনি আরও বলেন, "ধানমণ্ডির মনোরম পরিবেশ সংরক্ষণ, এলাকাবাসীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং সামগ্রিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যেই লেকের উন্নয়ন ও খননকাজ করা হচ্ছে।"

এদিকে, ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধ বা নির্বিচারে ডাম্পিং করা হলে ঢাকা অবরুদ্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ব্যাটারিচালিত রিকশার মালিক-শ্রমিক নেতারা। তারা একই সঙ্গে অটোরিকশার চার্জিং পয়েন্টে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাওয়ের ঘোষণাও দিয়েছেন।

মালিক-শ্রমিকদের দাবি, ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধ না করে চালকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বৈধ লাইসেন্স ও রোড পারমিটের আওতায় আনতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করা মালিকদের গাড়ি যাচাই করে বৈধতার সুযোগ দেওয়ার দাবিও তারা জানিয়েছেন।

এর আগে সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ ও মিছিল করেন ব্যাটারিচালিত রিকশার চালকরা। পরে তারা বিভিন্ন দিক থেকে মিছিল নিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জড়ো হন। সেখানে প্রায় তিন ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এর ফলে প্রেস ক্লাব ও আশপাশের এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।

বিক্ষোভের সময় কাকরাইল মোড়ে সদরঘাট-গাজীপুর রুটে চলাচলকারী ভিক্টর ক্লাসিক গোল্ড সিটি নামের একটি বাসে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে বাসের যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং পথচারীরাও দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করেন।

এ সময় আন্দোলন ছেড়ে অটোরিকশা চালিয়ে সড়ক দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা কয়েকজন চালককে আন্দোলনকারীরা মারধর করেছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদ্যুৎ, অর্থ ও জলবায়ু সংকট: কপ-৩১ সম্মেলনের আলোচনায় থাকছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০৩ পি.এম


বিদ্যুৎ, অর্থ ও জলবায়ু সংকট: কপ-৩১ সম্মেলনের আলোচনায় থাকছে

ঢাকা, ৬ অক্টোবর, ২০২৬ : আগামী ৯ নভেম্বর তুরস্কের আনতালিয়ায় কপ-৩১ জলবায়ু সম্মেলন শুরু হতে যাচ্ছে, যেখানে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির রেকর্ড, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষয়ক্ষতি এবং জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে দ্রুত সরে আসার চাপের বিষয়গুলো আলোচনা হবে।

এএফপি’র খবর অনুযায়ী, এবারের সম্মেলনের আয়োজন করছে তুরস্ক, যেখানে দীর্ঘ আলোচনা ও দর-কষাকষির পরিকল্পনা রয়েছে। তবে সম্মেলনের কার্যক্রম পরিচালনায় নেতৃত্ব দেবে অস্ট্রেলিয়া। দুই দেশই বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জলবায়ু সম্মেলন আয়োজনের জন্য প্রার্থী হওয়ার পর একটি নজিরবিহীন সমঝোতার মাধ্যমে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

আলোচনায় বড় কোনো নতুন বিষয় তুলনামূলকভাবে কম থাকবে। বরং স্বেচ্ছাভিত্তিক জলবায়ু উদ্যোগগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আয়োজক দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানো এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর উপায় হিসেবে ‘বিদ্যুতায়ন’ এর ওপর জোর দিচ্ছে।

তবে চলতি বছরে ভয়াবহ জলবায়ু দুর্যোগ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা সম্মেলনের ভেতরে ও বাইরে আলোচনা প্রভাবিত করবে।

জীবাশ্ম জ্বালানি নিয়ে অচলাবস্থা

জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার বন্ধে সুনির্দিষ্ট বৈশ্বিক লক্ষ্য বা পথনকশা নির্ধারণের প্রচেষ্টা দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে। এই বিষয়টি কপ-৩১-এর আনুষ্ঠানিক আলোচ্যসূচির অংশ নয়।

বৈশ্বিক ঐকমত্যের অভাবে ব্রাজিল এবার একটি স্বেচ্ছাভিত্তিক ‘রোডম্যাপ’ প্রকাশ করতে পারে। গত বছরের কপ সম্মেলনে কয়লা, তেল ও গ্যাস থেকে সরে আসার প্রক্রিয়া নিয়ে দেশগুলো কোনো ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি।

জীবাশ্ম জ্বালানি নিয়ে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা আনতালিয়ায় আবারও উত্তেজনা তৈরি করতে পারে। চলতি বছর জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার দ্রুত কমানোর দাবি জানানো প্রায় ৬০টি দেশ জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার বাইরে নিজেদের একটি সম্মেলন করেছে।

কপ-৩১-এ এসব দেশকে কীভাবে সম্পৃক্ত করা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে তুরস্ক ও অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছেন, তারা সম্মেলনের আলোচনায় পূর্বানুমানযোগ্যতা বজায় রাখতে চান এবং শেষ মুহূর্তে কোনো চমক দিতে চান না।

বিদ্যুতায়নে জোর

তুরস্ক ও অস্ট্রেলিয়া ‘বিদ্যুতায়ন’-এর ওপর বেশি গুরুত্ব দিতে চায়। এর অর্থ হলো ডিজেলচালিত গাড়ি বা গ্যাসে ঘর গরম করার মতো সরাসরি জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো প্রযুক্তির পরিবর্তে বৈদ্যুতিক বিকল্প ব্যবহার করা।

আনতালিয়ায় আয়োজকদের প্রধান উদ্যোগগুলোর একটি হলো, দেশগুলোকে একটি স্বেচ্ছাভিত্তিক লক্ষ্যে সম্মত করা। এর আওতায় ২০৩৫ সালের মধ্যে মোট চূড়ান্ত জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিদ্যুতের অংশ বর্তমানের প্রায় ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ শতাংশে নেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।

আয়োজক দেশগুলোর দাবি, বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ালে তাপ আটকে রাখা গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমতে পারে এবং ব্যয়বহুল জীবাশ্ম জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে বড় ধাক্কার পর বিষয়টি অনেক দেশের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তবে বিশ্বের মোট বিদ্যুতের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এখনও কয়লা থেকে উৎপাদিত হয়। ফলে বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর লক্ষ্যে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ কীভাবে উৎপাদন করা হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় এই উদ্যোগের বাস্তবতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

স্বেচ্ছাভিত্তিক জলবায়ু উদ্যোগ

বিদ্যুতায়নের মূল উদ্যোগের পাশাপাশি তুরস্ক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মিথেন নিঃসরণ, বর্জ্য কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তন সহনশীল শহর গড়ে তোলাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বেশ কিছু স্বেচ্ছাভিত্তিক উদ্যোগ নিচ্ছে।

এসব বাধ্যতামূলক নয় এমন অঙ্গীকার আনুষ্ঠানিক কপ আলোচনার পাশাপাশি পৃথক একটি ‘অ্যাকশন এজেন্ডা’-তে থাকবে।

আনুষ্ঠানিক আলোচনায় সিদ্ধান্ত নিতে সব দেশের ঐকমত্য প্রয়োজন এবং চূড়ান্ত নথির প্রতিটি বাক্য নিয়েও দেশগুলোকে একমত হতে হয়।

এবারের আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বড় কোনো শিরোনাম তৈরি করার মতো বিষয় তুলনামূলকভাবে কম। বেশিরভাগ আলোচনাই আগের সম্মেলনগুলো থেকে চলে আসা কারিগরি বিষয় নিয়ে হবে।

জলবায়ু মোকাবিলায় অর্থ

কপ সম্মেলনগুলোর অন্যতম পুরোনো বিরোধের বিষয় হলো—ধনী দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় দরিদ্র দেশগুলোকে কত অর্থ দেবে। নেপালে জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত ভয়াবহ বন্যার পর আনতালিয়ায় আবারও এই বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর আর্থিক সহায়তার আবেদন নতুন করে দীর্ঘদিনের দাবি সামনে এনেছে।

দরিদ্র দেশগুলোকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং দুর্যোগের পর পুনরুদ্ধারে সহায়তার জন্য ঐতিহাসিকভাবে বেশি দূষণকারী ধনী দেশগুলোর আরও অর্থ দেওয়ার দাবি উঠেছে।

তুরস্ক নিজেকে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে তুলে ধরেছে। কপ-৩১-এর নতুন সভাপতি মুরাত কুরুম বলেছেন, জলবায়ু অর্থায়নের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ‘বিরাট ব্যবধান’ কমানো আনতালিয়া সম্মেলনের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেটা লঙ্ঘন হলেই জানাতে হবে, নতুন নিয়মে সায় দুই সংস্থার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০৪ পি.এম


ডেটা লঙ্ঘন হলেই জানাতে হবে, নতুন নিয়মে সায় দুই সংস্থার

অপেনএআই এবং অ্যানথ্রপিক, দুইটি প্রতিষ্ঠান, এআই এজেন্টের মাধ্যমে কোনো ডেটা লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে কর্তৃপক্ষকে বাধ্যতামূলকভাবে জানানোর নিয়মে সমর্থন প্রদান করেছে। অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টের এক শুনানিতে প্রতিষ্ঠান দুটির প্রতিনিধিরা এই বিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন।

মঙ্গলবার সিডনিতে অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাবিষয়ক যৌথ কমিটির শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন ওপেনএআইয়ের চিফ স্ট্র্যাটেজি অফিসার জেসন কউন এবং অ্যানথ্রপিকের অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড বিষয়ক নীতিপ্রধান ডেভিড মাস্টার্স।

রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

শুনানির সময় জেসন কউন মন্তব্য করেন, এআই কোম্পানিগুলোর জন্য ডেটা লঙ্ঘনের ঘটনা জানানো বাধ্যতামূলক হলে তারা সেটিকে সমর্থন করবেন। তার মতে, কর্তৃপক্ষকে কোন ধরনের ঘটনায় জানানো প্রয়োজন, সে বিষয়ে আইনের মাধ্যমে স্পষ্ট নির্দেশনা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার সরকারি স্বাস্থ্যসেবা পোর্টালে একটি এআই এজেন্টের মাধ্যমে অননুমোদিত প্রবেশের ঘটনা নিয়ে সমালোচনার সৃষ্টি হয়। অভিযোগটি জানার প্রায় তিন মাস পর ওপেনএআই অস্ট্রেলিয়া সরকারকে বিষয়টি অবহিত করে। দেশটির আরও তিনটি সরকারি ওয়েবসাইটে এ ধরনের অনুপ্রবেশের ঘটনা পর্যালোচনার আওতায় এসেছে।

ওপেনএআইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি সম্পর্কে জানার পর প্রতিষ্ঠানটি কীভাবে বিষয়টি জানানো হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে কী প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে, তা নির্ধারণের চেষ্টা করছিল। জেসন কউন স্বীকার করেছেন, কোম্পানির ভেতরে ঘটনাটি সম্পর্কে তথ্য ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়াটি আরও উন্নত করার প্রয়োজন ছিল।

অ্যানথ্রপিকও বাধ্যতামূলক ডেটা লঙ্ঘন রিপোর্টিংয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিরা জানান, এআই এজেন্টের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের হ্যাকিংয়ের ঘটনা নিয়ে তারা তদন্ত করেছে। তবে অ্যানথ্রপিকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়া সরকারের কোনো সিস্টেমে তাদের পণ্য লঙ্ঘন করেছে—এমন প্রমাণ তারা তদন্তে পায়নি।

এদিকে অস্ট্রেলিয়ায় এআই নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আরও কয়েকটি বিষয় আলোচনায় এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে এআই ডেটা সেন্টার এবং কপিরাইট সুরক্ষা। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অস্ট্রেলিয়ায় বড় ডেটা সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা করছে, যেখানে ওপেনএআই ও অ্যানথ্রপিককে সম্ভাব্য প্রধান গ্রাহক হিসেবে ধরা হচ্ছে।

এআই মডেল প্রশিক্ষণে কপিরাইটযুক্ত কনটেন্ট ব্যবহারের বিষয়েও বিতর্ক চলছে। অস্ট্রেলিয়ার কিছু কনটেন্ট নির্মাতা ও গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান এমন নিয়মের বিরোধিতা করছে, যাতে স্বত্বাধিকারীরা আলাদাভাবে আপত্তি না জানালে এআই কোম্পানিগুলো তাদের কনটেন্ট ব্যবহার করতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং করপোরেশনের (এবিসি) কনটেন্ট ও লিগ্যাল অপারেশনের প্রধান কেট গিলক্রিস্ট মন্তব্য করেন, এ ধরনের ব্যবস্থা কপিরাইট মালিকদের ওপর অতিরিক্ত দায়িত্ব চাপাবে।

অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টের এই শুনানি আগামী ৯ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন ৩০ নভেম্বর প্রকাশিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রলারে চড়ে ধানমন্ডি লেকের পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন সেতুমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০৪ পি.এম


ট্রলারে চড়ে ধানমন্ডি লেকের পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন সেতুমন্ত্রী

রাজধানীর ধানমন্ডি লেকের পুনঃখনন ও সার্বিক উন্নয়নকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন সড়ক পরিবহন, রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে তিনি লেকে গিয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

উন্নয়নকাজের জন্য প্রায় ৮৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ধানমন্ডি লেকের সংস্কার, পুনঃখনন, সৌন্দর্যবর্ধন ও নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় লেকের জলাশয় পুনঃখননের পাশাপাশি পরিবেশ উন্নয়ন, সৌন্দর্যবর্ধন এবং নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে।

উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে লেক এলাকায় নতুন করে একটি নজরুল মঞ্চ নির্মাণ করা হবে। সেখানে একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি স্থাপনের উদ্যোগও রয়েছে। এর মাধ্যমে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের জন্য নতুন পরিসর তৈরির পাশাপাশি ধানমন্ডি লেককে আরও জনবান্ধব করে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

গত জুলাইয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধানমন্ডি ও গুলশান লেকের সংস্কার ও উন্নয়নকাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। ওই বৈঠকে ধানমন্ডি লেক পুনর্নির্মাণ, নজরুল সরোবর নির্মাণ এবং ঢাকার পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা আধুনিকায়নে স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপনের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ধানমন্ডি লেককে শুধুমাত্র বিনোদনকেন্দ্র নয়, বরং একটি প্রকৃতিনির্ভর ও শান্তিপূর্ণ জনপরিসর হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম পূর্বে জানিয়েছিলেন, লেকে কোনো ধরনের বাণিজ্যিক নিয়ন্ত্রণ বা অতিরিক্ত বাণিজ্যিকীকরণ হতে দেওয়া হবে না। লেকের পানির মান, পরিবেশ ও স্বাভাবিক সৌন্দর্য রক্ষায়ও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

এদিকে, ধানমন্ডি এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে ৩৫০ কোটি টাকার একটি পৃথক প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগের কথাও জানিয়েছেন সেতুমন্ত্রী। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, লেক পুনঃখনন ও উন্নয়নকাজের পাশাপাশি জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ধানমন্ডি এলাকার পানি নিষ্কাশনব্যবস্থায়ও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%