সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৪১ এম
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) নতুন ছাত্র উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ। উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান আগামী এক বছরের জন্য তাকে এ পদে নিয়োগ দেন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশ সূত্রে জানানো হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলামের মেয়াদ ২৭ সেপ্টেম্বর (২০২৬) শেষ হওয়ায় তার স্থলে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদকে ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে এক বছরের জন্য ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান।
অফিস আদেশ অনুযায়ী, নতুন ছাত্র-উপদেষ্টা বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
এদিকে, দীর্ঘদিন নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলামকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।
নবনিযুক্ত ছাত্র উপদেষ্টা বলেন, "আমি চিঠি পেয়েছি। কর্তৃপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞ। সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা এবং বেশকিছু পরিকল্পনা নিয়ে সামনে আগাবো ইনশাআল্লাহ।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নারী সদস্যের ছবি ও ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহার করার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে নারী পরিচয়ে ইতালি প্রবাসী এক তরুণের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে প্রায় ৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
পিবিআই জানিয়েছে, ‘লেডি সোলজার/নারী যোদ্ধা’ নামে একটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে নারী সেজে এক ইতালি প্রবাসীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন টিটু। পরে বিভিন্ন কৌশলে তার কাছ থেকে প্রায় ৭ লাখ টাকা নেওয়া হয়।
গত ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকার দারুস সালাম এলাকা থেকে তোফায়েল আলম টিটুকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই ঢাকা জেলা। এ সময় তার কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিকাশ ও নগদ অ্যাকাউন্টের সিমসহ তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) পিবিআই ঢাকা জেলা কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার এম. এন. মোর্শেদ।
এম. এন. মোর্শেদ বলেন, কেরানীগঞ্জ মডেল থানার বারিশুর বাঘবাড়ি এলাকার শাহনাজ বেগমের (৪৬) ইতালি প্রবাসী ছেলে শাহাদাত খান (২২)। ফেসবুকে ‘লেডি সোলজার/নারী যোদ্ধা’ নামে একটি পেজের মাধ্যমে তার সঙ্গে ওই ব্যক্তির পরিচয় হয়। পেজটিতে সেনাবাহিনীর নারী সদস্যের পোশাক পরা ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করা হতো।
পিবিআইয়ের এই কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, পরে নারী সেজে নারীসূলভ কণ্ঠে শাহাদাতের সঙ্গে ফোন ও ইমোতে কথা বলে তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলা হয়।
তিনি বলেন, পরে বিভিন্ন কৌশলে শাহাদাত ও তার মায়ের কাছ থেকে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে প্রায় ৭ লাখ টাকা নেওয়া হয়। আসামি নিজের মায়ের অসুস্থতার কথা বলেও বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন বলে তদন্তে জানা গেছে।
এ ঘটনায় প্রথমে আদালতে সিআর মামলা করেন ভুক্তভোগীর মা। মামলাটি তদন্তের সময় পিবিআই প্রতারণার বিভিন্ন তথ্য পায়। পরে বিকাশ ও নগদের লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এর ভিত্তিতে ১০ সেপ্টেম্বর কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করা হয়। ১৩ সেপ্টেম্বর মামলাটি স্বউদ্যোগে তদন্তের জন্য নেয় পিবিআই ঢাকা জেলা।
পিবিআই জানায়, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. মনজুর রহমান তথ্য ও বিভিন্ন নথি বিশ্লেষণ করে তোফায়েল আলম টিটুর সম্পৃক্ততার তথ্য পান। পরে ২০ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিটের দিকে দারুস সালাম এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর ২১ সেপ্টেম্বর তোফায়েল আলম টিটুকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে ২৩ সেপ্টেম্বর তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পিবিআই।
তদন্তের তথ্য জানিয়ে পিবিআই কর্মকর্তা বলেন, তোফায়েল নারীর মতো কণ্ঠে কথা বলতে পারেন। ফেসবুক মেসেঞ্জারে শাহাদাতের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে ইমোতে নারী কণ্ঠে কথা বলার মাধ্যমে সম্পর্ক বজায় রাখতেন তিনি। শাহাদাতের মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেও বিভিন্ন সময়ে টাকা নেওয়া হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
পিবিআইয়ের পিসিপিআর যাচাইয়ে তোফায়েলের বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ আদালতে একটি সিআর মামলা থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। ওই মামলার তদন্ত শেষে আদালত তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করেছেন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
পিবিআই বলছে, প্রতারণার ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না এবং আত্মসাৎ করা অর্থের বিষয়ে আরও কোনো তথ্য পাওয়া যায় কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের চকরিয়ায় অপহৃত ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ ইসফাতুল ইসলাম জিসানের (২৪) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের খুটাখালী কচ্ছপিয়া ঢালা এলাকা থেকে তাঁর নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত জিসান কাকারা ইউনিয়নের লোটনী এলাকার বাসিন্দা এবং ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, রবিবার সাড়ে ১১টার দিকে কাকারা ইউনিয়নের লোটনী এলাকার সাবের সওদাগরের দোকানের সামনে থেকে একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাসে করে কয়েকজন ব্যক্তি জিসানকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। অপহরণের প্রায় চার ঘণ্টা পর চট্টগ্রাম - কক্সবাজার মহাসড়কের পাশে জিসানের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
জানা যায়, জিসান চকরিয়া পৌর শহরের আনোয়ার শপিং কমপ্লেক্সে একটি কাপড়ের দোকান পরিচালনা করতেন। অন্যান্য সময়ের মতো রাত ১১টায় দোকান বন্ধ করে বাড়ি যাচ্ছিলেন। বাড়ির কাছেই রাস্তার ওপর থেকে জিসানকে অপহরণ করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, জিসানকে অপহরণের পর চকরিয়া পৌরসভার সবুজবাগ আবাসিক এলাকার ‘কবির টাওয়ার’-এ নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে নির্মমভাবে তাঁর মরদেহ মহাসড়কের নির্জন স্থানে ফেলে রেখে যায় ঘাতকরা।
এদিকে ঘটনার প্রেক্ষাপটে জিসানের বড় ভাই কায়সারের সঙ্গে কবির টাওয়ারের মালিক জকরিয়া-র ছোট ভাই মিজানের একটি অডিও কথোপকথন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। অপহরণের মাত্র দুই ঘণ্টা আগের ওই অডিওতে মিজানকে বলতে শোনা যায়, "আমরা অপারগ হয়ে একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এজাহার লিখেছি। কালকে দিনের মধ্যে আপনার ভাইকে (জিসানকে) নিয়ে যদি সমাধানে না বসেন, তাহলে আমি আমার মতো সমাধানের রাস্তা খুঁজে নেব। আপনার ভাইকে খুঁজতে ৫০ জন লোক রেডি আছে।"
এ খবর পেয়ে স্থানীয় জনতা সবুজবাগ এলাকার কবির টাওয়ারের পার্কিংয়ে সন্দেহভাজন একটি সাদা রঙের এক্স-নোহা (X-Noah) গাড়ি শনাক্ত করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চাইলে ভবন মালিকের পরিবার নানা অজুহাতে ফুটেজ দেখাতে অস্বীকৃতি জানায়।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন এবং এর পেছনের কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহসহ ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোপালগঞ্জের মধুমতী নদীর শাখা খাল থেকে পুলিশ একটি অজ্ঞাত নারীর (প্রায় ৩৫ বছর) গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে। রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর সদর উপজেলার উরফি ইউনিয়নের বাড়াইল গ্রামের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত মধুমতী নদীর শাখা খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) মো. সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রবিবার সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় এক রাখাল খালে ভাসমান অবস্থায় নারীর মরদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরবর্তীতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে, মরদেহটি মধুমতী নদী থেকে ভেসে ওই শাখা খালে এসে থাকতে পারে। তবে মরদেহ পচে যাওয়ার কারণে নিহত নারীর পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তার পরও পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : অধিকৃত পশ্চিম তীরে অবস্থানরত ডাচ কর্মকর্তাদের কূটনৈতিক স্বীকৃতি বাতিল করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে ইসরাইল। নেদারল্যান্ডস যখন ইসরাইলি বসতি থেকে আসা পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে শুরু করে, তখনই ইসরাইল এই পদক্ষেপ নেয়। রোববার ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই তথ্য জানান।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট ডাচ কূটনীতিকদের সাত দিনের মধ্যে ইসরাইল সরকারের প্রদত্ত কূটনৈতিক নথিপত্র ফেরত দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ওই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর ইসরাইল সরকার তাদের যে কূটনৈতিক সুবিধা ও দায়মুক্তি প্রদান করেছে, তা আর কার্যকর থাকবে না।
সার জানান, নেদারল্যান্ডস সরকার গোলান মালভূমি, পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত ইসরাইলি বসতি থেকে আসা পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করায় ইসরাইল এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
১৯৬৭ সালের আরব-ইসরাইল যুদ্ধের সময় ইসরাইল এসব এলাকা দখল করে এবং এরপর থেকে সেগুলো দখল করে রেখেছে। আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে এসব এলাকায় স্থাপিত ইসরাইলি বসতিগুলো অবৈধ বলে বিবেচিত।
চলতি মাসে ডাচ কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দেয়, ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ইসরাইলি বসতি থেকে আসা পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। এই নিষেধাজ্ঞা বাণিজ্যিক চালানের পাশাপাশি যাত্রীদের ব্যক্তিগত লাগেজের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ডাচ ও ইসরাইলি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইসরাইল থেকে নেদারল্যান্ডসে যাওয়া যাত্রীদের লাগেজে নিষিদ্ধ পণ্য রয়েছে কি না তা যাচাই করতে আমস্টারডামের শিফল বিমানবন্দরে তল্লাশি করা হয়েছে।
নেদারল্যান্ডসের এই নিষেধাজ্ঞা চলতি মাসের শুরুতে ব্রিটেন ও ফ্রান্সসহ ১২টি পশ্চিমা দেশের সমন্বিত পদক্ষেপের পর এসেছে। ওই দেশগুলো ইসরাইলি বসতি থেকে আসা পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
পূর্ব জেরুজালেম বাদ দিলে পশ্চিম তীরে প্রায় ৫ লাখ ইসরাইলি বসতিস্থাপনকারী বসবাস করে। একই এলাকায় প্রায় ৩০ লাখ ফিলিস্তিনি বসবাস করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ