০৩:০২ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে দুই অবরোধের মাঝখানে গত চার সপ্তাহে ৮০ মিলিয়ন ব্যারেলেরও বেশি অপরিশোধিত তেল এবং পরিশোধিত পণ্যের রপ্তানি করেছে ইরান। বর্তমান বাজার মূল্যের দিক থেকে এটি প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের।
সোমবার (১৩ জুলাই) সামুদ্রিক ট্রাফিক পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা 'ট্যাংকারট্যাকার্স' এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
এই সংস্থা জানিয়েছে, এখনো কয়েক মিলিয়ন ব্যারেল তেল রপ্তানির জন্য অপেক্ষা করছে।
আরও পড়ুন: ১২৪ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ মামলা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে
ট্র্যাকিং গ্রুপটি জানিয়েছে, মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ ব্যবস্থা পুনরায় কার্যকর হতে যাওয়ার এক মাসেরও বেশি আগে, ইরানের প্রায় ৩০ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রপ্তানির অপেক্ষায় রয়েছে।
সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, তবে যদি ইরান তেল উৎপাদন কমাতে বাধ্য হয়, সেক্ষেত্রে ৬০ مليون ব্যারেলেরও বেশি তেল ভাসমান অবস্থায় মজুদ রাখার সক্ষমতা কিংবা জায়গা রয়েছে।
এদিকে, হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাত আবারও মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। সোমবার দুই দেশ একে অপরের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলাও চালিয়েছে।
এর ধারাবাহিকতায় আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত ২টা থেকে (২০:০০ জিএমটি) ইরানের বন্দরগুলোতে পুনরায় কঠোর নৌ-অবরোধ আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই সংঘাতে এপ্রিল মাসে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু গত সপ্তাহে হরমুজে তিনটি জাহাজে হামলার পরে পরিস্থিতি আবার পাল্টে গেছে। গত রবিবার রাত থেকে শুরু হওয়া দুই দেশের পাল্টাপাল্টি হামলায় অন্তত তিনজন ইরানী নিহত হয়েছেন। এর জবাবে কুয়েত, বাহরাইন, ওমান এবং জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি করেছে ইরান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন