ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শিশু রামিসা হত্যা: আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিল হাইকোর্টের কার্যতালিকায়


শিশু রামিসা হত্যা: আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিল হাইকোর্টের কার্যতালিকায়

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের মৃত্যুদণ্ড রেফারেন্স এবং আপিল শুনানির জন্য হাইকোর্টের কার্যতালিকায় এসেছে।

বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে মামলাটি আগামী রোববারের (১৬ আগস্ট) কার্যসূচির (কজ লিস্ট) ২২ নম্বর ক্রমিকে রাখা হয়েছে।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, নিহত রামিসা তার মা-বাবার সঙ্গে পল্লবীর একটি বাসায় থাকত এবং স্থানীয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ত। একই বাসার অন্য একটি ফ্ল্যাটে সপরিবারে বাস করতেন আসামি সোহেল রানা এবং স্বপ্না আক্তার।

আরও পড়ুন: ঝিনাইদহের ৪টি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র আট বছরেও চালু হয়নি

গত ১৯ মে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর ঘরের জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান প্রধান আসামি সোহেল রানা। এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ স্বপ্নাকে তাদের হেফাজতে নেয়। পরবর্তী সময়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় সোহেল রানাকে।

এ ঘটনায় রামিসার বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা করেন। ২১ মে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন আসামি সোহেল রানা। তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান, ২৫ মে সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন।

বিচারিক প্রক্রিয়ায় ধারাবাহিকতার মধ্যে ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। পরের দিন রাষ্ট্রপক্ষে ১৬ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

অভিযোগ গঠনের মাত্র এক সপ্তাহের মাথায়, গত ৭ জুন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। অর্থাৎ হত্যাকাণ্ডের মাত্র ১৯ দিনের মাথায় মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন হয়।

আরও পড়ুন: রাজশাহীতে সাঁওতাল শিশুদের মাতৃভাষায় শিক্ষাদান দেখে মুগ্ধ নরওয়ের প্রতিনিধি দল

রায়ে ট্রাইব্যুনাল আসামিদের মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আদেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রধান আসামি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এই জরিমানার অর্থ রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীদের দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। রায়ে বলা হয়, জরিমানার টাকা অনাদায়ে জেলা কালেক্টরকে আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রি করে তা রামিসার পরিবারের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আইন অনুযায়ী, বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার পর তা অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। সেই অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট নথি হাইকোর্টে পৌঁছানোর পর দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিও রায়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটের বিশ্বনাথে লোহার খাঁচায় আটকা পড়ল মেছো বাঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:২৩ পি.এম


সিলেটের বিশ্বনাথে লোহার খাঁচায় আটকা পড়ল মেছো বাঘ

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার হাঁস রক্ষা করতে গিয়ে খামার মালিকের পাতা লোহার খাঁচার ফাঁদে আটকা পড়েছে একটি মেছো বাঘ। ১৪ আগস্ট শুক্রবার উপজেলার লামাকাজী ইউনিয়নের দুর্লভপুর গ্রামে এ ঘটনার অবতারণা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রের মাধ্যমে জানা যায়, দুর্লভপুর গ্রামের সাহিদ আলী দীর্ঘ সময় ধরে একটি হাঁসের খামার পরিচালনা করে আসছেন। বেশ কিছুদিন আগে থেকে খামার থেকে মাঝেমধ্যেই হাঁস নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছিল। মেছো বাঘের আক্রমণের কারণে হাঁসগুলো গায়েব হচ্ছে বুঝতে পেরে খামার রক্ষায় তিনি খামার ঘরের পেছনে একটি লোহার খাঁচার ফাঁদ পেতেন। বৃহস্পতিবার রাতে নিয়মিতভাবে পাতা সেই ফাঁদে শিকারের খোঁজে এসে শুক্রবার সকালে বাঘটি আটকা পড়ে।

সকালে বাঘ আটকের খবরটি পরিবেশিত হলে সাহিদ আলীর খামারে কৌতূহলী লোকজনের উপচে পড়া ভিড় জমে।

খামার মালিক সাহিদ আলী জানান, 'মেছো বাঘের কারণে আমার বেশ কয়েকটি হাঁস খোয়া গেছে, যা আমার জন্য বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি বয়ে এনেছে। বাধ্য হয়েই খাঁচার ফাঁদ পেতেছিলাম। অবশেষে সেটি আটক হয়েছে। বন বিভাগ বা সরকারের কোনো প্রতিনিধি চাইলে আমি বাঘটি তাঁদের কাছে হস্তান্তর করতে প্রস্তুত আছি।'

এদিকে বাঘ উদ্ধার করার বিষয়টি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় এবং সিলেট বিভাগীয় বন বিভাগকে অবহিত করেছেন স্থানীয়রা। বন বিভাগের প্রতিনিধি এসে প্রাণীটিকে উদ্ধার করে বনে অবমুক্ত করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের স্বাধীনতা দিবসে হিলি সীমান্তে বিএসএফ-কাস্টমসের মিষ্টি উপহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:২৫ পি.এম


ভারতের স্বাধীনতা দিবসে হিলি সীমান্তে বিএসএফ-কাস্টমসের মিষ্টি উপহার

ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে, দিনাজপুরের হিলি সীমান্তে বাংলাদেশের হিলি কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন পুলিশকে মিষ্টি উপহার দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায়, হিলি সীমান্তের শূন্যরেখায় ভারতের হিলি কাস্টমসের পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) পঙ্কজ কুমার বাংলাদেশের হিলি কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা রাশেদুজ্জামানের হাতে মিষ্টির প্যাকেট তুলে দেন। একই সময়ে, হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়ার হাতেও স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা হিসেবে মিষ্টি উপহার দেওয়া হয়।

সীমান্তে দায়িত্বরত দুই দেশের বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে বিদ্যমান প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুই দেশের জাতীয় দিবস এবং বিভিন্ন প্রধান ধর্মীয় উৎসবগুলোতে পরস্পরের মাঝে মিষ্টি বিনিময় ও শুভেচ্ছা জানানোর এই শুভ রেওয়াজ হিলি সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরে চলমান রয়েছে।

হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ওসি মো. জাকারিয়া জানিয়েছেন, 'ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ভারতের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আজ আমাদের মিষ্টি উপহার দিয়ে শুভেচ্ছা ও শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। আমাদের দুই দেশের সম্পর্কের এই ধারাবাহিকতা সৌহার্দ্যপূর্ণ। ঠিক একইভাবে বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতীয় দিবসেও আমরা তাদের মিষ্টি উপহার দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে থাকি।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিথ্যা মামলায় পুরুষের নির্যাতন: আইনের অপব্যবহার বন্ধ হোক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:২৬ পি.এম


মিথ্যা মামলায় পুরুষের নির্যাতন: আইনের অপব্যবহার বন্ধ হোক

ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো গুরুতর অভিযোগ নিঃসন্দেহে সমাজের ভয়াবহ বাস্তবতা। প্রকৃত ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ পুরুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ বা সাজানো মামলা করা হলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। কারণ একটি মিথ্যা মামলা একজন মানুষের সম্মান, পরিবার, চাকরি, সামাজিক অবস্থান এবং মানসিক শান্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

বাংলাদেশে ধর্ষণের অভিযোগের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যান রয়েছে। ২০২৫ সালে পুলিশ সদর দপ্তরের হিসাবে সারা দেশে ৭,০৬৮টি ধর্ষণ মামলা নথিভুক্ত হয়েছিল। (Constitution Watchdog⁠) তবে এসব মামলার কত শতাংশ শেষ পর্যন্ত মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে—এমন নির্ভরযোগ্য জাতীয় হিসাব পাওয়া যায় না।

সম্প্রতি পিবিআইয়ের ২০১৬–২০২৩ সালের ১১ হাজারের বেশি ধর্ষণ মামলা তদন্তের তথ্য নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, ৪,২৪৮টি মামলা তদন্তে প্রমাণিত হয়নি। কিন্তু পিবিআই স্পষ্ট করেছে, প্রমাণিত না হওয়া মানেই মামলা মিথ্যা নয়। প্রমাণের অভাব, তদন্তের সীমাবদ্ধতা, মেডিকেল বা ফরেনসিক প্রমাণ না পাওয়া এবং অন্যান্য কারণেও কোনো অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত নাও হতে পারে। (Prothom Alo⁠)

আবার পুলিশের একটি পুরোনো গবেষণায় ২০১০–২০১৮ সালের ১৫টি থানার ৪০,৮৭৩টি তদন্ত-সমাপ্ত মামলার মধ্যে ৬২২টি, অর্থাৎ প্রায় ১.৫২ শতাংশ অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছিল। এই তথ্য অবশ্য শুধু ওই গবেষণার আওতাভুক্ত মামলাগুলোর; এটিকে বাংলাদেশের সব নারী নির্যাতন বা ধর্ষণ মামলার জাতীয় হার বলা যাবে না। (Prothom Alo⁠)

এখানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—‘মামলা প্রমাণিত হয়নি’ এবং ‘মামলা মিথ্যা’—এই দুটি বিষয় এক নয়। একটি অভিযোগ সত্য হলেও পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে আসামি খালাস পেতে পারেন। আবার কোনো অভিযোগ তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হলে সেটি সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। (Prothom Alo⁠)

তাই নারীকে হেয় করা বা সব ধর্ষণ অভিযোগকে সন্দেহের চোখে দেখা যেমন অন্যায়, তেমনি কোনো নিরপরাধ পুরুষকে মিথ্যা অভিযোগে হয়রানি করাও ভয়াবহ অন্যায়। আইনের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত—প্রকৃত অপরাধীর শাস্তি এবং নিরপরাধ ব্যক্তির সুরক্ষা—দুটিই নিশ্চিত করা।

কোনো নারী যদি ব্যক্তিগত শত্রুতা, প্রতিশোধ, অর্থনৈতিক বিরোধ বা অন্য কোনো কারণে জেনে-শুনে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করেন, তদন্তে তা প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইনে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। একইভাবে কোনো পুরুষের বিরুদ্ধে সত্যিকারের ধর্ষণের অভিযোগ থাকলে যথাযথ তদন্ত ও প্রমাণের ভিত্তিতে তারও বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

ন্যায়বিচার কখনো নারী বা পুরুষের পক্ষ নেবে না; ন্যায়বিচার সত্যের পক্ষ নেবে।
দিলশান আরা অনিমা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিনা পারিশ্রমিকে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার ঘোষণা দিলেন মুকিত স্যার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:২৯ পি.এম


বিনা পারিশ্রমিকে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার ঘোষণা দিলেন মুকিত স্যার

এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের হতাশ না হয়ে নতুন উদ্যমে ঘুরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষক এম.এ মুকিত (পান্নু) স্যার। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় তিনি তাদের ব্যর্থতাকে ব্যক্তিগত ব্যর্থতা হিসেবে না দেখে শিক্ষা ব্যবস্থা ও জাতির সামগ্রিক ব্যর্থতার অংশ হিসেবে দেখার আহ্বান জানান। কোন প্রকার পারিশ্রমিক ছাড়াই শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে গাইড করার ঘোষণাও দেন তিনি।
মুকিত স্যার বলেন, “আমার সন্তানতুল্য এসএসসি অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা, তোমরা দুঃখ করো না। তোমাদের এই ব্যর্থতা তোমাদের নয়, এটা জাতির ব্যর্থতা, শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যর্থতা। বর্তমান পরিস্থিতিতে হতাশ না হয়ে আগামী দিনের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষামন্ত্রীকে নিয়ে কোনো নেতিবাচক মন্তব্য না করারও অনুরোধ জানান তিনি। তাঁর ভাষায়, শিক্ষামন্ত্রী একজন জ্ঞানী ও একনিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব; তাঁকে প্রয়োজনীয় সময় দিতে হবে।”
আগামী ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষাকে সামনে রেখে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়তার আশ্বাসও দিয়েছেন মুকিত স্যার।
তিনি বলেন, “আমি তোমাদের ১০০ শতাংশ নিশ্চয়তা দিচ্ছি যে, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার এই অল্প সময়ে তোমাদেরকে (বিজ্ঞান গ্রুপ) এ-প্লাস পাইয়ে দেবো। তোমাদের কোনো পয়সা দিতে হবে না, কারণ আমি জাতির কাছে ঋণী।”
নিজের দীর্ঘদিনের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, জীবনে অনেক শিক্ষার্থীকে শূন্য থেকে সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দিয়েছেন তিনি। তাই এবারও অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে সহযোগিতা করতে চান।
হতাশার পরিবর্তে আত্মবিশ্বাস, অধ্যবসায় ও নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। যোগাযোগের সময়: সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা। Facebook: M.A. Moquit, Facebook Page: M.A.Moquit, WhatsApp: 01754295949, YouTube Channel: M.A.Moquit

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%