রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:১২ পি.এম
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য পর্যাপ্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োগ করা হবে। সংসদ নির্বাচনের সময় যেভাবে মনিটরিং সেল কার্যকর ছিল, ঠিক একইভাবে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে তারা কাজ করবে।’
আজ রবিবার সকালে আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে তিনি এসব তথ্য জানান।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন ভালো নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নির্বাচনি মাঠের পরিবেশ ভালো রয়েছে।’
এর আগে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাঠে সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন। তফসিল অনুযায়ী, আজ মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। বাছাইয়ের তারিখ ২৯ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সময় ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তির তারিখ ৬ অক্টোবর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় ৭ অক্টোবর এবং প্রতীক বরাদ্দ হবে ৮ অক্টোবর। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২৯ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টালিউডের ‘বুম্বাদা’ খ্যাত অভিনেতা প্রসেনজিৎ এবং ঋদ্ধি সেনের অভিনীত ‘ডাক্তার কাকু’ সিনেমাটি নির্মাণের পর পারিপার্শ্বিক জটিলতার কারণে মুক্তি পেতে দেরি হচ্ছিল। সম্প্রতি সিনেমাটি অবশেষে মুক্তি পেয়েছে।
পাভেল পরিচালিত এই সিনেমায় প্রসেনজিৎ ও ঋদ্ধি সেনের অসামান্য মেলবন্ধন প্রদর্শিত হয়েছে। সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন এনা সাহা ও রজতাভ দত্তের মতো অভিনেতা। অতিথি শিল্পী হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি।
এদিকে, ‘ডাক্তার কাকু' সিনেমাটি প্রযোজনা করেছেন এনা সাহা। প্রযোজনার পাশাপাশি সিনেমায় তাকে প্রসেনজিতের সহকর্মী হিসেবে অভিনয় করতে দেখা যাবে। প্রসেনজিৎ সাধারণত জুনিয়র সহকর্মীদের সঙ্গে স্নেহের সম্পর্ক বজায় রাখেন, এনার ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম নেই। অন্যদিকে, এনা সাহাও প্রসেনজিৎকে সম্মানের চোখে দেখেন।
বয়সে ছোট সহকর্মীদের ছোট ছোট ভুল কিভাবে ধরিয়ে দেন, তার একটি উদাহরণ সম্প্রতি ভিডিওতে ধরা পড়েছে। ‘ডাক্তার কাকু’ সিনেমার হল ভিজিট চলাকালে সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এনা ইংরেজিতে কথা বলেন। ইংরেজিতে ধন্যবাদ বলার পর প্রসেনজিৎ মন্তব্য করেন— বাংলা সিনেমা বাংলায় কথা বলো।
প্রসেনজিতের কথায় একটুও রাগ না করে অভিনেত্রী এনা নিজের ভুল স্বীকার করেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি বলেন, সরি! থ্যাঙ্ক ইউ নয়, অনেক ধন্যবাদ। এই ছোট্ট মুহূর্তটি প্রমাণ করে যে, বাংলা এবং বাংলা ভাষাকে সম্মান করা প্রতিটি বাঙালির প্রধান উদ্দেশ্য হওয়া উচিত।
ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজেনদের একাংশ প্রসেনজিতের শিক্ষণীয় কথার প্রশংসা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদী দখল করে অবৈধভাবে বালু ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে বালু সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে। দীর্ঘদিন ধরে তারা বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) অনুমোদন না নিয়ে নদী দখল করে বালুর ব্যবসা করে আসছেন। এর ফলে সেতুর নিচের পিলারের মাটি সরে গিয়ে সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এলাকাবাসী এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সিদ্ধিরগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর পশ্চিম পাড় থেকে শুরু করে নদীর মধ্য অংশ পর্যন্ত ড্রেজারের ভাসমান ঘাট বসিয়ে ট্রলার দিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। ড্রেজারের কারণে নদী সংকুচিত হয়ে গেছে। এই সংকোচনের ফলে নদীতে ড্রেজার বসানো ওই অংশ দিয়ে নৌযান চলাচল করতে পারছে না। সেতুর নিচে ড্রেজার বসিয়ে বালু ব্যবসা করার কারণে সেতুর পিলারে মাটি ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে, ফলে সেতুটি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সালের জুন মাসে শীতলক্ষ্যা নদীসহ আশপাশের নদীর দূষণ ও অবৈধ দখলদারমুক্ত করতে হাইকোর্ট জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেন। এর ধারাবাহিকতায় বিআইডব্লিউটিএর অধীনস্থ নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসন শীতলক্ষ্যার তীর দখলমুক্ত করতে অভিযান পরিচালনা করে।
নদীর পাড় থেকে অবৈধ দখলদারমুক্ত হওয়ার পর বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান একাধিকবার শীতলক্ষ্যার পাড় পরিদর্শন করেছেন। এ সময় নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরের অধীন ৫৫ কিলোমিটার নদীর পাড়ে ওয়াকওয়ে ও ইকোপার্ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এই কর্মসূচির আওতায় শীতলক্ষ্যা নদীর সিদ্ধিরগঞ্জ অংশে ৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ওয়াক-ওয়ে ও বনায়ন করা হয়। বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএর নির্মিত ওয়াক-ওয়ের কিছু অংশ জুড়েও অবৈধভাবে চলছে বালু ও পাথরের ব্যবসা। এর ফলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ওয়াকওয়ে ও বনায়ন এখন নষ্ট হওয়ার পথে।
জানা গেছে, কাঁচপুর সেতুর পশ্চিম পার্শ্বে মাহবুব মিয়া, হারুন মিয়া, কবির হোসেন, সাজ্জাদ মিয়া, মোহাম্মাদ আলী, সেলিম মিয়া, হিরা মিয়া, ও আফজাল মিয়াসহ একটি সিন্ডিকেট এসব অবৈধভাবে বালু ব্যবসা পরিচালনা করলেও কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। ফলে তারা দিন দিন আরো বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ড্রেজারে কর্মরত এক শ্রমিক জানান, বিআইডব্লিউটিএর লোকজনকে ম্যানেজ করেই তারা এ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। পরে সেই বালু ট্রাক দিয়ে আশপাশের এলাকায় বিক্রি করা হয়।
শীতলক্ষ্যা নদী দখল করে অবৈধ বালু ব্যবসা। ছবি : কালের কণ্ঠ
স্থানীয় বাসিন্দা ত্ববারক ইসলাম জানান, শীতলক্ষ্যা নদীতে ড্রেজার বসিয়ে বালুর ব্যবসা পরিচালনা করায় সেতুটি মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। অবৈধ ড্রেজারসহ নদীর তীরে গড়ে ওঠা এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হলে কিছুদিনের মধ্যেই তা আগের রূপ ফিরে পাবে।
সেনপাড়া গ্রামের শহিদুল ইসলাম এর আগে কাঁচপুর সেতুর নিচে নদী দখল করে বালুর ব্যবসা করতেন। প্রশাসন তা বন্ধ করে দেওয়ার পর জাকির তার সহযোগীদের নিয়ে রায়েরটেক গ্রামের পাশে নদী দখল করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রশাসন নিষেধাজ্ঞা দিলেও প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি কারো কথা শুনছেন না। নদীর জায়গায় বালুর বস্তা ফেলে তা দখল করে বিভিন্ন স্থান থেকে জাহাজে করে বালু এনে শ্রমিকরা নদীর তীরে জমা করে রাখছেন। সেখান থেকে ট্রাকে করে এসব বালু অন্য জায়গায় নিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে।
নদী দখল করে ব্যবসা করার অভিযোগ এনে স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠন ও এলাকাবাসী গত সপ্তাহে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগ পেয়ে ইউএনওর নির্দেশে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দখল করা স্থান থেকে বালু সরানোর নির্দেশ দেয়। এ ছাড়া স্থানীয় ভূমি অফিসও জাকির হোসেনকে বালুর ব্যবসা বন্ধ রাখার জন্য নোটিশ দেয়।
জাকির হোসেন বলেন, ‘আমি ব্যক্তি মালিকানার জমিতে বালুর ব্যবসা করছি। এখানে ব্যবসা করতে গিয়ে নদীর সামান্য জায়গা ভরাট করা হয়েছে। তবে দখল করা হয়নি।’
এদিকে, কবির হোসেন, সাজ্জাদ মিয়া, হারুন মিয়া জানান, যে সরকার ক্ষমতায় থাকে সেই সরকারের লোকজনই নদীর তীরে বালু ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে। আমরাও দলের জন্য জেল জুলুম খেটেছি। নেতাকর্মীদের খরচ পরিচালনা করার জন্য বালু ব্যবসা করছি।
নারায়ণগঞ্জ বিআইডব্লিউ টিআইএর যুগ্ম পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, ‘যেসব অবৈধ দখলদার বালু ব্যবসা পরিচালনা করছে, খুব শিগগিরই তাদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত ও নেপালের বিভিন্ন অঞ্চলে মারাত্মক বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে, যা টানা ভারি বৃষ্টি ও ঝড়ের ফলে সৃষ্টি হয়েছে। এই পৃথক দুর্যোগগুলোর কারণে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া, নেপালের একটি বেস ক্যাম্পে তুষারধসে চাপা পড়ে ১০ জন শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছে। উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে দুই দেশের প্রধান নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ৪৮ ঘণ্টায় প্রবল বৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে ১৫ জন নিহত এবং ৫ জন আহত হয়েছেন। এই দুর্যোগের ফলে ১১৭টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজ্যের ৬৩টি জেলা এই দুর্যোগের কবলে পড়েছে এবং ২৪ ঘণ্টার হিসাবে স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ১৯ গুণ বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় পানি কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, গঙ্গা, কোসি ও নর্মদাসহ বেশ কিছু বড় নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করায় সাতটি রাজ্যের ৩০টি নদী পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, নেপালের বাগ্লুং জেলায় রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় ভূমিধসে ঘর চাপা পড়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। মানাং জেলায় হিমলুং হিমালের বেস ক্যাম্পে তুষারধসের ঘটনায় ১০ জন নেপালি কর্মী নিখোঁজ রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে, নেপাল কর্তৃপক্ষ দেশের ৪৯টি জেলায় আকস্মিক বন্যার সতর্কতা জারি করেছে। দেশটির রাহুগঙ্গা নদীর বন্যায় একটি ৪০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পুনরুদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় তানিয়া বেগম (২৫) নামের সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীর পেটে লাথি মারার অভিযোগ তিন বখাটের বিরুদ্ধে উঠেছে। স্বজনদের অভিযোগ, হামলার ফলে গুরুতর আহত ওই নারীর গর্ভপাত ঘটে এবং নবজাতক শিশুটির মৃত্যু হয়। শনিবার রাত আটটার দিকে উপজেলার চাকামাইয়া ইউনিয়নের মুন্সী বাড়ি স্ট্যান্ড এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে। এ সময় ওই নারীর স্বামী হাবিব পাহলান (৪৫) ও বাবা দুলাল হাওলাদারকেও (৫৫) মারধর করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পেশায় অটোরিকশাচালক হাবিব, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী তানিয়া এবং শ্বশুর দুলালকে নিয়ে হাসপাতালে যাচ্ছিলেন। মুন্সী বাড়ি স্ট্যান্ড সংলগ্ন সড়কের ওপর বখাটে সোহাগ (২০), মামুন (২৩) ও শাওন সিকদার (২২) দাঁড়িয়ে থাকায় অটোরিকশার চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয়। হাবিব তাদের সরে দাঁড়াতে বললে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে বখাটেরা হাবিব ও তার শ্বশুরকে মারধর করতে শুরু করে। স্বামীকে রক্ষা করতে তানিয়া এগিয়ে গেলে বখাটেরা তার পেটে সজোরে লাথি মারে। পরে আহতদের অন্তত দেড় ঘণ্টা সেখানে আটকে রাখা হয়।
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রবেশের সময় তানিয়ার গর্ভপাত ঘটে এবং কিছুক্ষণের মধ্যে নবজাতকটির মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
হাসপাতালের কর্তব্যরত জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা এহসান জানান, পেটে আঘাতজনিত কারণে প্রচণ্ড রক্তক্ষরণের ফলে গর্ভপাত ঘটে। নবজাতকটিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু স্বজনেরা দ্রুত নিয়ে যেতে না পারায় শিশুটির মৃত্যু হয়। ভুক্তভোগী নারী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
কলাপাড়া থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ