মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫৭ পি.এম
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান মন্তব্য করেছেন, ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের সঙ্গে প্রতিশোধের কোনো সম্পর্ক নেই।’
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘সরকার এ রায়কে স্বাগত জানায় এবং তারা সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চায়।’
ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে আদালতের মৃত্যুদণ্ডের আদেশের বিষয়ে সরকারের অবস্থান জানতে চাইলে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আমাদের সরকারের কিছু বলার নেই। এ মামলায় নিশ্চিতভাবে আমাদের যারা প্রসিকিউশন টিম আছেন, তারা কাজ করছেন। আমরা জনগণ। সুতরাং আমরা যেটা দেখতে চাই, অনেকে বলেন, ফাঁসির রায় দেখে আমরা ভীষণ খুশি হয়ে গেছি। কারো ফাঁসির রায় দেখে ভীষণ খুশি হওয়ার চেয়ে যে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, সেটা হলো আমরা আমাদের সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছি কি না।’
জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, ‘তারা যেহেতু ছিলেন না, থাকলে আরো ভালো হতো, তারা এগুলো কনটেস্ট করতেন। সেটার ভিত্তিতে আমরা বিশ্বাস করি বা ধারণা করি যে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া সম্ভব। এসব শাস্তিকে সরকার স্বাগত জানায়। তবে এর সঙ্গে প্রতিশোধস্পৃহার কোনো সম্পর্ক নেই।’
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা আমাদের সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই। আমরা মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্রে বলেছিলাম আমরা সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই। সেটা নিশ্চিত হচ্ছে কি না, আমরা সেটা দেখতে চাই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম নগরীর পশ্চিম খুলশী-জালালাবাদ এলাকায় ‘অনলাইন স্ক্যামিংয়ের’ অভিযোগে গ্রেপ্তার ৬৩ বিদেশি নাগরিকের জন্য আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। একই সঙ্গে মামলার তদন্তকারী সংস্থা কাউন্টার টেররিজম ইউনিটকে (সিটিইউ) ২০ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (এসিএমএম) মুহিদুল ইসলাম এই আদেশ প্রদান করেন।
এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি-প্রসিকিউশন, ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ হাসান ইকবাল চৌধুরী। তিনি জানান, ৬৩ জন বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদালত তাদের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। একই সঙ্গে তদন্তকারী সংস্থা কাউন্টার টেররিজম ইউনিটকে আগামী ২০ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে পুলিশ পাহারায় ৬৩ বিদেশি নাগরিককে আদালতে হাজির করা হয়। রিমান্ড আবেদনের শুনানির সময় তারা এজলাসে উপস্থিত ছিলেন।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার ওই আবেদনের শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুর রহিম জানান, গ্রেপ্তার ৬৩ বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে আটক মহসিনের সম্পৃক্ততা রয়েছে। মহসিন তাদের থাকার জন্য একটি আটতলা ভবন ভাড়া করে দিয়েছিলেন।
কয়েক দিন আগে মহসিন কুরিয়ারের মাধ্যমে ১১৮ গ্রাম কোকেন ঢাকার এক ব্যক্তির কাছে পাঠিয়েছিলেন। পরে কোকেনের চালানটি ফেরত আসে। ওই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ ৬৩ বিদেশি নাগরিকের অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেসির পর আর্জেন্টিনার কী হবে?
কিছু খেলোয়াড় শুধুমাত্র দলের হয়ে মাঠে নামেন না, বরং তারা দলের পরিচয় হয়ে ওঠেন। যেমন পেলে ব্রাজিলের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন, তেমনি ডিয়েগো ম্যারাডোনা এবং লিওনেল মেসি আর্জেন্টিনার আত্মা হয়ে গেছেন।
যখন এমন একজন খেলোয়াড় বুট খুলে রাখেন, তখন কেবল একটি ক্যারিয়ার শেষ হয় না, বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে — এরপর কী হবে? পেলে ১৯৭০ সালের বিশ্বকাপ জেতার পর ব্রাজিলকে আবার শিরোপার জন্য ২৪ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছিল। ম্যারাডোনার যুগ শেষ হওয়ার পর আর্জেন্টিনাকেও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে তারা আবার শিরোপা জিতেছে। এখন, মেসি আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন, ফলে সেই একই অনিশ্চয়তা আবার সামনে এসেছে।
ম্যারাডোনার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষটা ছিল নাটকীয়। ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে নাইজেরিয়ার বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে তিনি শেষবার আর্জেন্টিনার হয়ে মাঠে নামেন। দলে ফিরে এসে তিনি প্রাণ ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। গ্রিসের বিরুদ্ধে ৪-০ জয়ের পর নাইজেরিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে আর্জেন্টিনা টুর্নামেন্টের শীর্ষ দাবিদার হয়ে উঠেছিল।
বিশ্বকাপের আগে ম্যারাডোনা বলেছিলেন, "আর্জেন্টিনা আমাকে চাইবে।" সেই ডাক এসেছিল। কলম্বিয়ার কাছে ৫-০ গোলে হারের পর কোচ আলফিও বাসিলে তাকে ডেকেছিলেন এবং তিনি সাড়া দিয়েছিলেন। দলে তখন ডিয়েগো সিমিওনে, ফার্নান্দো রেডোন্দো, ক্ল Claudio কানিজিয়া এবং গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতার মতো উঠতি তারকা ছিলেন। সেই দল ১৯৯১ এবং ১৯৯৩ সালের কোপা আমেরিকাও জিতেছিল।
কিন্তু বিশ্বকাপে এসে ম্যারাডোনার পুনরুত্থান হঠাৎ থেমে যায়। নিষিদ্ধ পদার্থ ব্যবহারের কারণে তিনি বাদ পড়েন। সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারেনি দল। রাউন্ড অব ১৬-তে রোমানিয়ার কাছে হেরে বিদায় নেয় আর্জেন্টিনা। এটি ছিল ম্যারাডোনার শেষ বিশ্বকাপ।
ম্যারাডোনার পর দশ নম্বর জার্সির ভার পড়ে রিভার প্লেটের তারকা আরিয়েল অর্তেগার কাঁধে। কিন্তু ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে একটাই মুহূর্তে তার ক্যাম্পেইন শেষ হয়ে যায়। ডাচ গোলকিপার এডউইন ভ্যান ডার সারকে মাথা দিয়ে গুঁতো মেরে লাল কার্ড দেখেন তিনি। আর্জেন্টিনা ২-১ গোলে হেরে বিদায় নেয়।
ম্যারাডোনার পরের বছরগুলোতে সমস্যা ছিল কেবল দশ নম্বর জার্সির নয়। দলে একজন দীর্ঘমেয়াদী নেতার অভাব ছিল, যিনি মাঠে এবং ড্রেসিংরুমে একইসঙ্গে প্রভাব ফেলতে পারেন। ১৯৯৮ সালে সিমিওনে অধিনায়ক হন। ২০০২ সালের বিশ্বকাপে হুয়ান সেবাস্তিয়ান ভেরন এবং বাতিস্তা দায়িত্ব ভাগ করে নেন। ২০০৬ সালে হুয়ান পাবলো সোরিন এবং ২০১০ সালে হাভিয়ের মাশ্চেরানো অধিনায়কত্ব পান। অধিনায়কের বাহুবন্ধনি এভাবে এক হাত থেকে অন্য হাতে ঘুরতে থাকে।
২০০৬ সালের বিশ্বকাপে কোচ হোসে পেকারম্যানের পছন্দের দশ নম্বর ছিলেন হুয়ান রোমান রিকেলমে। আর এক কিশোর মেসি ১৯ নম্বর জার্সি পরে মাঠে নেমে দুনিয়াকে প্রথমবার দেখাচ্ছিলেন তার জাদু।
২০১০ সালের বিশ্বকাপে বড় পরিবর্তন আসে। ম্যারাডোনা নিজেই তখন কোচ। আর মেসির গায়ে উঠে আসে সেই আইকনিক দশ নম্বর জার্সি। ক্লাবে অসাধারণ পারফরম্যান্সের পর মেসির কাঁধে চাপ ছিল জাতীয় দলেও একই কীর্তি গড়ার প্রত্যাশা। কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মানির কাছে হেরে বিদায় হলেও সেই বিশ্বকাপই ছিল মেসি যুগের সত্যিকার সূচনা।
এখন একটি নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছে। আর্জেন্টিনা এখনও ভালো ফুটবলার তৈরি করে। কিন্তু সেই একই পুরনো চ্যালেঞ্জ আবার সামনে এসেছে। এমন একজনকে ছাড়া মানিয়ে নেওয়া, যাকে একসময় অপরিহার্য মনে করা হতো। ম্যারাডোনার পরের বছরগুলো একটি পথ দেখায়। আর্জেন্টিনা হয়তো আরেকজন মেসি পাবে না। তবে ইতিহাস বলছে, তারা মূল তারকা ছাড়াও নিজেদের নতুনভাবে গড়তে সক্ষম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছরের ব্যালন ডি’অর কে জিতবে, তা নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে আলোচনা চলছে তুঙ্গে। সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে বেশ কয়েকজনের নাম সামনে এলেও বিখ্যাত ফুটবল এজেন্ট হোর্হে মেন্দেজ মনে করেন, লামিন ইয়ামালই সবার চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।
ফুটবল ট্রান্সফার বিশেষজ্ঞ ফাব্রিজিও রোমানোর ‘এক্স’ অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত মেন্দেজের বক্তব্য অনুযায়ী, ইয়ামালকে ব্যালন ডি’অরের জন্য তিনি স্পষ্টভাবে পছন্দ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার ভাষায়, এবারের পুরস্কারটি ইয়ামালেরই প্রাপ্য।
ইয়ামালের শ্রেষ্ঠত্বের বিষয়ে আরও দৃঢ় অবস্থান জানিয়ে মেন্দেজ বলেন, ইয়ামালই সেরা এবং অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে তার ব্যবধানও বেশ স্পষ্ট। ফুটবলপ্রেমীরাও বিষয়টি জানেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এবারের ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকায় ইয়ামালের সঙ্গে জায়গা করে নিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের কিলিয়ান এমবাপ্পে, পিএসজির ফাবিয়ান রুইজ ও উসমান দেম্বেলে। যদিও পুরস্কার জয়ের লড়াইয়ে একাধিক তারকা থাকলেও মেন্দেজের বিচারে ইয়ামালই সবচেয়ে বড় দাবিদার।
এদিকে, বার্সেলোনার একাধিক খেলোয়াড়ের এজেন্ট হিসেবে কাজ করা মেন্দেজ ১৪ সেপ্টেম্বর ক্লাবটির সভাপতি হোয়ান লাপোর্তার সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে বার্সেলোনাকে ঘিরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভোর প্রতিবেদনে ক্লাবটির ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, বৈঠকটির সঙ্গে আসন্ন ট্রান্সফার উইন্ডোর সরাসরি কোনো সম্পর্ক ছিল না। গ্রীষ্মকালীন দলবদলের বাজার বন্ধ হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই লাপোর্তার সঙ্গে মেন্দেজের এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সূত্র: গোল ডটকম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের সরকারি জমিতে অবৈধ দখল ও স্থাপনা এবং মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় গড়ে ওঠা অস্থায়ী দোকানপাট উচ্ছেদে অভিযান চালানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে প্রশাসনের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে সরকারি জায়গা দখল করে নির্মিত বিভিন্ন স্থাপনা ও অস্থায়ী দোকানপাট সরিয়ে দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের সামনে থেকে এ অভিযান শুরু হয়। পরে সওজের আওতাধীন বিভিন্ন স্থানে সরকারি জমিতে অবৈধ দখল ও স্থাপনা এবং হাসপাতাল এলাকার অস্থায়ী দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়।
জেলা প্রশাসনের এনডিসি শাকিব রহমান আকাশের নেতৃত্বে এবং ফরিদপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শফিকুল ইসলামের সমন্বয়ে অভিযানটি পরিচালিত হয়। অভিযানে র্যাব, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও আনসার সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করেন।
অভিযান চলাকালে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বরের বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠা অস্থায়ী দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়। পাশাপাশি সওজের সরকারি জমি দখল করে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা ও বিভিন্ন ধরনের কাঠামো সরিয়ে দেওয়া হয়। উচ্ছেদকাজে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতাল ও সড়কের আশপাশের সরকারি জায়গা দখল করে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের অস্থায়ী দোকানপাট ও স্থাপনা গড়ে উঠেছিল। এসব দোকান ও স্থাপনার কারণে হাসপাতাল এলাকায় রোগী, রোগীর স্বজন, চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাধারণ মানুষের চলাচলে বিভিন্ন সময় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছিল। একই সঙ্গে সড়কের পাশে জায়গা সংকুচিত হওয়ায় যানবাহন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছিল বলে অভিযোগ ছিল।
বিশেষ করে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে ও আশপাশে অস্থায়ী দোকান বসায় হাসপাতালের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথের আশপাশে ভিড় তৈরি হতো। এতে জরুরি প্রয়োজনে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচলে সমস্যার সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। সরকারি জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টিও প্রশাসনের নজরে আসে।
উচ্ছেদ অভিযানের ফলে হাসপাতাল চত্বর ও সড়কের পাশের বেশ কিছু জায়গা দখলমুক্ত করা হয়েছে। এতে রোগী ও স্বজনদের চলাচলের পথ প্রশস্ত হওয়ার পাশাপাশি সড়কসংলগ্ন এলাকায় যানবাহন চলাচলও স্বাভাবিক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
অভিযান পরিচালনাকারী প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, সরকারি সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করে কোনো ধরনের স্থাপনা বা দোকানপাট স্থাপনের সুযোগ নেই। জনসাধারণের চলাচল ও সরকারি সম্পত্তির সুরক্ষার স্বার্থে অবৈধ দখল উচ্ছেদে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, উচ্ছেদ করা জায়গাগুলোতে যাতে পুনরায় দোকানপাট বা অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়ে নজরদারি করা হবে। কেউ সরকারি জায়গা পুনরায় দখলের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে উচ্ছেদ অভিযানে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, রোগী ও তাদের স্বজনরা। তাদের মতে, হাসপাতাল এলাকায় অস্থায়ী দোকানপাট ও অবৈধ স্থাপনা থাকায় চলাচলে যে ভোগান্তি তৈরি হচ্ছিল, অভিযানটির মাধ্যমে তা অনেকটাই কমবে। একই সঙ্গে সড়কের পাশের সরকারি জায়গা দখলমুক্ত থাকলে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল আরও নিরাপদ ও স্বাভাবিক হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ