শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:১২ এম
দেশের ১৫টি খাতের ৭৬৭টি ডোমেইনের পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, প্রায় সবগুলোর ক্রেডেনশিয়াল ওয়েবে পাওয়া গেছে। অন্তত ১৭ হাজার ৩৬২ জন ব্যবহারকারীর লগইন তথ্য এবং ১৮ লাখের বেশি ব্যবহারকারীর রেকর্ড ছড়িয়ে পড়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার বিকালে ব্রেইন স্টেশন ২৩ এর উদ্যোগে রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা উপলক্ষে ‘বাংলাদেশ সাইবার রেজিলিয়েন্স ব্রিফিং ২০২৬’ শীর্ষক সেমিনারে এ পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়। সেমিনারে ব্যাংকিং, টেলিযোগাযোগ, প্রযুক্তি, সরকার ও শিক্ষাঙ্গণের প্রায় ১৫০ জন জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি, নিয়ন্ত্রক সংস্থার কর্মকর্তা এবং সাইবার নিরাপত্তা পেশাজীবী অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা বলেন, “সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে সাইবারস্টেশন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছে। তাদের তৈরি প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ আমার হয়েছে। এটি সাইবার ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি কার্যকর প্রতিরোধ ও মোকাবিলার কৌশল তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”
এছাড়া, বাংলাদেশের ডার্ক ওয়েবে তথ্য উন্মুক্ত হওয়ার ঝুঁকি এবং তা মোকাবিলার উপায় নিয়ে একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এই আলোচনায় অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) পরামর্শক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহরিয়ার রহমান, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) স্পেশাল রেসপন্স ইউনিটের প্রধান মোহাম্মদ শামসুল হক, বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম সচিব (আইসিটি) মো. ইমরান খান এবং টেক স্পেশালিস্ট মাহতাব উদ্দিন আহমেদ। আলোচনায় তথ্যের অপব্যবহার প্রতিরোধ এবং এ ধরনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সাইবারস্টেশনের সাইবার নিরাপত্তা সেবাবিষয়ক প্রধান মোহিব্বুল মোক্তাদীর তানিম বলেন, “যে ঝুঁকি আমরা দেখতে পাই না, তা আমরা সামলাতে পারি না। আমাদের লক্ষ্য, প্রতিষ্ঠানগুলো যেন বুঝতে পারে কোন তথ্য উন্মুক্ত হয়েছে এবং অপরাধীরা অপব্যবহার করার আগেই ব্যবস্থা নিতে পারে।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উপলক্ষে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান একটি বিবৃতি প্রদান করেছেন।
বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এই বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতা উল্লেখ করেন, "সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল উদাহরণ আমাদের ৫৫ হাজার বর্গমাইলের এই প্রিয় বাংলাদেশ।" তিনি আরও বলেন, "এখানে অনেক আগে থেকেই আমরা সব সম্প্রদায়ের মানুষ নিজ নিজ রীতিতে নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও উৎসব পালন করে আসছি।" আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজায় তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, হিন্দু সম্প্রদায়ের সব মানুষ পূর্ণ নিরাপত্তার সঙ্গে তাদের উৎসব পালন করবেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "আমাদের সুন্দর অতীত ঐতিহ্যের আলোকে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ এবারও যেন পূর্ণ নিরাপত্তা ও স্বস্তির সাথে তাদের পূজা উদযাপন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, "বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল ও জনবান্ধব সংগঠন হিসেবে নিজস্ব অবস্থান থেকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে।" তিনি বলেন, "আমাদের এ দেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের বসবাস। তারা নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করবেন।" জামায়াতের নেতাকর্মীরা হিন্দু সম্প্রদায়সহ সব ধর্মের মানুষের প্রতি সামাজিক দায়বদ্ধতা বজায় রাখবেন এবং সহযোগিতার হাত প্রসারিত করবেন বলে তিনি জানান। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এই উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগের অনুসন্ধান এখনও চলমান রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মহাপরিচালক মোহাম্মদ নাজমুল হাসান সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে এই তথ্য প্রকাশ করেন।
সূত্রে জানা গেছে, আসিফ মাহমুদসহ মোট ১৬ জনের বিরুদ্ধে নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে দুই কোটি ২৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে গত ২ সেপ্টেম্বর থেকে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক।
এরপর গত ১৩ সেপ্টেম্বর আসিফের বিরুদ্ধে আরো ১৩ হাজার ২০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধানের তথ্য প্রকাশ করা হয়। উভয় অভিযোগের অনুসন্ধান এখনও অব্যাহত রয়েছে।
দুদক মহাপরিচালক উল্লেখ করেন, দুদকের বড় বড় মামলাগুলোর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যৌথ অনুসন্ধান দল (জিট) কাজ করছে। তাদের কার্যক্রমের উপর সার্বক্ষণিক তদারকি করা হচ্ছে।
সাংবাদিকদের অন্য একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে। এই প্রক্রিয়ায় স্বরাষ্ট্র এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও যুক্ত রয়েছে। তিনি আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মামলার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা বা অভিযোগ সংক্রান্ত কোনো ফাইল আটকানো হয়নি এবং কাজের গতি মন্থর হয়নি।
বর্তমান কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তাদের কার্যক্রমের বিষয়ে জানানো হয়েছে যে, ২০ আগস্ট থেকে ২৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ১২১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে, ৬১টি চার্জশিট প্রদান করা হয়েছে, ৬১টি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালিত হয়েছে এবং ১টি ফাঁদ মামলা করা হয়েছে। আদালত দুদকের ৬৮টি আবেদনের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ক্রোক ফ্রিজ করার নির্দেশ দিয়েছে। একই সময়ে ২২ জন অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিদেশ ভ্রমণ নিষিদ্ধ করার আদেশও দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মহাষষ্ঠী উপলক্ষে আজ শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) শুরু হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা। দেশের পূজামণ্ডপগুলো ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ অক্টোবর মহালয়ার মাধ্যমে দেবীপক্ষের সূচনা হয়েছে। এর পর থেকে দেবী দুর্গার আগমনের অপেক্ষায় ছিলেন ভক্তরা। রাজধানীসহ সারা দেশের মন্দির ও পূজামণ্ডপগুলোতে প্রতিমা নির্মাণ, মণ্ডপ সাজানো, আলোকসজ্জা এবং অন্যান্য প্রস্তুতির কাজ নিয়ে আয়োজকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। বেশির ভাগ মণ্ডপে প্রস্তুতির কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গেছে।
কিছু স্থানে চলছে শেষ মুহূর্তের সাজসজ্জা, অন্যদিকে আলোকসজ্জা ও দর্শনার্থীদের চলাচলের ব্যবস্থা তৈরির কাজ চলছে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আজ মহাষষ্ঠীর মাধ্যমে দুর্গাপূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। সকালে ষষ্ঠীপূজা এবং সন্ধ্যায় দেবী দুর্গার বোধন অনুষ্ঠিত হবে। বোধন শব্দের অর্থ হলো জাগরণ বা চৈতন্যপ্রাপ্তি।
শাস্ত্রীয় বিধান অনুসারে, শরৎকালের দুর্গাপূজায় দেবীর বোধন করা হয়। প্রচলিত পৌরাণিক কাহিনীর ভিত্তিতে, রাবণবধের উদ্দেশ্যে ভগবান রামচন্দ্র শরৎকালে দেবী দুর্গার আরাধনা করেছিলেন। অসময়ে এই পূজা করা হয়েছিল বলে এটি অকালবোধন নামে পরিচিত। বসন্তকালের পূজায় বোধনের বিধান নেই।
পঞ্জিকা অনুযায়ী, এবারের দেবী দুর্গা স্বর্গ থেকে ঘোড়ায় চড়ে মর্ত্যে আগমন করবেন এবং নৌকায় চড়ে স্বর্গলোকে ফিরে যাবেন।
প্রতিবছর পাঁচ দিন পূজা হলেও এবারে ছয় দিন পূজা অনুষ্ঠিত হবে। তিথির কারণে মহাসপ্তমীর পূজা শনিবার ও রবিবার দুদিন অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সোমবার মহা অষ্টমী, মঙ্গলবার মহানবমী এবং বুধবার বিজয়া দশমীর মাধ্যমে পূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে। পূজার দিনগুলোতে মণ্ডপগুলোতে দেবীদর্শন, অঞ্জলি, প্রসাদ বিতরণ, আরতি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকবে।
দুর্গাপূজার প্রস্তুতির মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে মন্দির ও প্রতিমায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পূজার প্রস্তুতির পাশাপাশি এসব ঘটনার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ এবং মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির পক্ষ থেকে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শুভাশীষ কুমার বিশ্বাস (সাধন)। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর, সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী ও কাজল দেবনাথ, সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা প্রমুখ।
লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, পূজার আগে দেশের ৩৪টি স্থানে হামলা ও প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় করা ১১টি মামলায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সিলেট, রাজবাড়ী, পঞ্চগড়, নেত্রকোনা ও টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন জেলায় দুর্গাপ্রতিমা ও মন্দিরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। ফরিদপুরে ঐতিহ্যবাহী কালীমন্দিরে চুরি এবং সুনামগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরবাড়ি, দোকানপাট ও মন্দিরে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগও তুলে ধরা হয়েছে। নওগাঁয় ডাকাতির খবর পাওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ এবং পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত হবে— এটাই তাদের প্রত্যাশা। ঈদ, পূজা, বড়দিন, বুদ্ধপূর্ণিমাসহ সব ধর্মীয় উৎসব যেন ভয়ভীতি ছাড়াই উদযাপন করা যায়, এমন অসাম্প্রদায়িক সমাজ গড়ে তোলার ওপরও তাঁরা গুরুত্ব দিয়েছেন।
এদিকে, পূজা উপলক্ষে বিপণিবিতান ও স্থানীয় বাজারগুলোতেও মানুষের আনাগোনা বেড়েছে। ক্রেতারা নতুন পোশাক, জুতা, প্রসাধনী ও শিশুদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনছেন। পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে বিভিন্ন মণ্ডপে ঘুরে উৎসব উদযাপনের পরিকল্পনা করছেন অনেকে। ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি দুর্গোৎসব বাঙালির সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সামাজিক মিলনমেলার উপলক্ষ হিসেবেও পরিচিত। এবারের দীর্ঘ ছুটির কারণে উৎসবে মানুষের অংশগ্রহণ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর সারা দেশে ৩৩ হাজার ৮৫১টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৩৩ হাজার ৩৫৫টি। সেই হিসেবে এবারে মণ্ডপের সংখ্যা বেড়েছে ৪৯৬টি। ঢাকা মহানগরে এবারে ২৫৮টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ২৬১টি।
পূজা উদযাপন পরিষদ জানিয়েছে, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ২২ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সার্বক্ষণিক স্বেচ্ছাসেবী মোতায়েন, সম্ভব হলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জাম রাখা এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির নামে এক সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের তেলনজিয়া বাজার এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির বেসরকারি আইপিটিভি চ্যানেল ‘রূপসী বাংলা’র নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ‘ডিটেকটিভ আর্টিকেল’ নামে একটি ফেসবুক পেজ পরিচালনা করতেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের সুনই গ্রামে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে তেলনজিয়া বাজার এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হন আলিফ ফকির। পরে তাঁকে উদ্ধার করে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
একজন সাংবাদিকের এমন মৃত্যুতে স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ ও এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। তবে কী কারণে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে এবং কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত, হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার বিষয়টি এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
প্রকাশের আগে: পুলিশের বক্তব্য, মামলা ও সর্বশেষ তদন্তের তথ্য নিশ্চিত করে যুক্ত করলে প্রতিবেদনটি আরও তথ্যসমৃদ্ধ হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ