মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৫৫ পি.এম
বাংলাদেশ এখন এমআরপি ব্যবস্থা পুরোপুরি বন্ধ করে শতভাগ ই-পাসপোর্ট চালুর দিকে এগোচ্ছে। বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলোতে পাসপোর্ট সেবাগ্রহীতাদের প্রায় ৯৯ শতাংশ বর্তমানে ই-পাসপোর্ট গ্রহণ করছেন।
সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, যেসব মিশনে ই-পাসপোর্ট সেবা সম্পূর্ণরূপে চালু হয়েছে, সেখানে এমআরপি ইস্যু বন্ধ করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব মিশন থেকে এমআরপি সেবা গুটিয়ে আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শতভাগ ই-পাসপোর্ট চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যেসব মিশনে ই-পাসপোর্ট পুরোপুরি চালু হয়েছে, সেখানে অবিলম্বে এমআরপি বন্ধ হবে। পাশাপাশি, প্রবাসীদের ই-পাসপোর্টের তথ্য সংশোধনে এনআইডি বা জন্মনিবন্ধন সনদ ব্যবহারের সুযোগ আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাখা হয়েছে।
সৌদি আরবে অবস্থানরত বিপুলসংখ্যক প্রবাসীদের দ্রুত পাসপোর্ট সেবা প্রদানের জন্য জরুরি ভিত্তিতে আরো আটটি মোবাইল এনরোলমেন্ট কিট (এমইকে) পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভারতের দিল্লি ও কলকাতা মিশনেও দ্রুত ই-পাসপোর্ট সেবা চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পাসপোর্ট অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, নতুন করে এমআরপি ইস্যু করা সম্ভব নয়। তবে যাঁদের বৈধ এমআরপি রয়েছে, তাঁরা পরবর্তী সময়ে ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে এনআইডির তথ্যের সঙ্গে পাসপোর্টের তথ্যের সঙ্গতি থাকতে হবে।
ওই কর্মকর্তা বলেন, বিদেশে এমআরপি ব্যবহারের হার ৫ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। প্রবাসীদের ই-পাসপোর্ট সেবা সহজতর করতে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন মিশনে কনস্যুলার সার্ভিস সেন্টার ও প্রয়োজনীয় জনবল বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। তাহলেই এমআরপি পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হবে।
গত ২৩ মে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বিদেশের বাংলাদেশ মিশনগুলোতে এমআরপি, ই-পাসপোর্ট ও নাগরিকসেবার মানোন্নয়ন নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় দেশের ৭১টি পাসপোর্ট অফিস ও বিদেশের ৭১টি মিশনে ই-পাসপোর্ট চালুর অগ্রগতি তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। সভা শেষে এমআরপি সুবিধা পুরোপুরি বন্ধের নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
পাসপোর্ট অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক লাখ সাত হাজার একটি ই-পাসপোর্টের বিপরীতে মাত্র একটি এমআরপি ইস্যু হয়েছে। সেটিও বিদেশের একটি কনস্যুলেট থেকে। ফলে এমআরপির চাহিদা বর্তমানে প্রায় নেই বললেই চলে।
দেশে ২০২০ সালে ই-পাসপোর্ট চালু হলেও বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের একটি বড় অংশ এতদিন এমআরপির ওপর নির্ভরশীল ছিলেন। বিশেষ করে অনেক প্রবাসীর এনআইডি না থাকা এবং জন্মনিবন্ধন ও এনআইডির তথ্যে অমিলের কারণে হঠাৎ এমআরপি বন্ধ হলে ভিসা ও আকামার বৈধতা নিয়ে জটিলতার আশঙ্কা ছিল। এ কারণে প্রবাসীদের সুবিধার্থে এতদিন এমআরপি সেবা চালু রাখা হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অর্থমন্ত্রী বলেছেন, ব্যবসায়ীদের হয়রানি করে কর আদায় করা হবে না। তিনি জানান, করদাতাদের জন্য একটি স্বস্তিদায়ক পরিবেশ তৈরি করতে রাজস্ব আদায়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ব্যবসা পরিচালনায় বাধা সৃষ্টি করে কর আরোপ বা রাজস্ব আদায়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে না।
সরকার করদাতাদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি সুষ্ঠু, কার্যকর ও ব্যবসাবান্ধব করব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কার্যালয়ে এনবিআর ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ভ্যাট রিটার্ন মাসিকের পরিবর্তে এক মাস পরপর দাখিলের ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী জানান, রাজস্বসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। এছাড়া, করদাতাদের অনিষ্পন্ন রাজস্ব মামলা ও বিভিন্ন ইস্যুর দ্রুত সমাধানের বিষয়েও আলোচনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘করদাতাদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি সুষ্ঠু ও কার্যকর করব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।’ জুলাই মাসের রাজস্ব আদায় এবং টানা তিন মাসের ভ্যাট রিটার্ন নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতার বিষয়ে জানতে চাইলে আমির খসরু বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
অর্থমন্ত্রী ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বলেন, তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও ব্যবসা পরিচালনায় কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হবে না। ব্যবসায়ীদের ওপর এমন কোনো কর বা রাজস্ব আদায় প্রক্রিয়া চাপিয়ে দেওয়া হবে না, যাতে তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের অর্থনীতি অনেকাংশে ব্যবসায়ীদের দেওয়া করের ওপর নির্ভরশীল। তাই ব্যবসায়ীদের ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং হয়রানিমুক্ত পরিবেশে রাজস্ব আদায় করাই সরকারের উদ্দেশ্য।
এদিকে, অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ভ্যাট আদায় ২২ শতাংশ কমে যাওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী সরাসরি কোনো উত্তর দেননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইতালির ভেনিসে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠার পর মাদারীপুর সদর উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়নের খালাসীকান্দি গ্রামে মনিরুল হাওলাদারের বাড়িতে দেখা দিয়েছে নীরবতা। ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার পর হামলার আশঙ্কায় মনিরুলের মা, বড় ভাইসহ পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এদিকে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের একজন অভিনেত্রীর ওপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত মনিরুল হাওলাদারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন এলাকাবাসী। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে মনিরুলকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মনিরুল হাওলাদার সদর উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়নের খালাসীকান্দি এলাকার মৃত শাজাহান হাওলাদারের কনিষ্ঠ ছেলে। এলাকায় থাকা অবস্থায় তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং সংগঠনটির ধুরাইল ইউনিয়ন শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন বলে স্থানীয়দের দাবি। তিনি সাবেক নৌমন্ত্রী শাজাহান খান ও তাঁর ছেলে সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আসিবুর রহমান খানের ঘনিষ্ঠ ছিলেন বলেও জানান স্থানীয়রা।
প্রায় দেড় বছর আগে দালালের মাধ্যমে ২৮ লাখ টাকা খরচ করে লিবিয়া হয়ে ইতালি পাড়ি জমান মনিরুল। স্থানীয়দের ভাষ্য, বিদেশ যাওয়ার জন্য নেওয়া ঋণের টাকাও এখনো পুরোপুরি পরিশোধ করতে পারেননি তিনি।
গ্রামে মনিরুলের পরিবারের বসবাস একটি জরাজীর্ণ দোচালা ঘরে। সেখানে তাঁর বৃদ্ধা মা আলেয়া বেগম ও বড় ভাইয়ের পরিবার থাকতেন। তাঁর তিন বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। ভেনিসে বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকে মা ও ভাইয়ের পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে নেই বলে জানান স্থানীয়রা।
মনিরুলের সৎভাই ওবায়দুল হাওলাদার বলেন, “এখনো বাড়িঘর করতে পারেনি। ঋণের বোঝা মাথার ওপর। টাকা-পয়সা কামানো বাদ দিয়ে দল করা শুরু করেছে। আমি সৎভাই, আমাকে এক পয়সাও দেয় না। বিদেশে বসে এ দেশের মান-সম্মান নষ্ট করেছে। ওর বিচার হোক। আমরা ওর সঙ্গে নেই। ওর মা, বোন, ভাই—সবাই পালিয়েছে।”
এলাকাবাসীর কয়েকজন বলেন, বিদেশের মাটিতে এ ধরনের ঘটনায় দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্ত মনিরুলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
এদিকে ঘটনার পর এলাকায় যাতে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে জন্য পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কামাল আজাদ বলেন, “ঘটনাটি জানার পরই মনিরুলের বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। কেউ যেন বাড়িঘরে হামলা করতে না পারে, সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক রয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানকেও জানানো হয়েছে। তিনিও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করছেন।”
তবে ইতালির ভেনিসে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় মনিরুল হাওলাদারের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জের মাধবপুরে সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন Green Humanity-এর উদ্যোগে “Plant for the Future” শীর্ষক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টায় নোয়াপাড়ার সাহেববাড়ি রোড থেকে খড়কি বাজার পর্যন্ত সরকারি রাস্তার পাশে ফলজ গাছ রোপণের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
কর্মসূচির উদ্বোধন করেন মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মেহেদী হাসান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ৯ নম্বর মডেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ আতাউল মোস্তফা সোহেল, সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ জাবেদ এবং মাধবপুরের মানবিক ফাউন্ডেশন এর প্রধান সৈয়দ বোরহান উদ্দিন সহ এলাকার মুরুব্বি, গণ্যমান্য ব্যক্তি, সামাজিক নেতৃবৃন্দ এবং Green Humanity-এর সদস্যরা।
কর্মসূচির আওতায় রাস্তার পাশে আম, জাম, কাঁঠালসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ গাছ রোপণ করা হচ্ছে। শুধু গাছ লাগানো নয়, রোপণ করা গাছগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণের বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছে সংগঠনটি।
Green Humanity-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, পরিবেশ সংরক্ষণ, জনসচেতনতা, শিক্ষামূলক ও মানবিক কার্যক্রমের পাশাপাশি একটি সবুজ, সুন্দর ও বাসযোগ্য ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে তারা কাজ করে যাবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তাই সবাইকে বেশি বেশি গাছ লাগানোর পাশাপাশি রোপণ করা গাছের যত্ন নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
“আমরা শুধু গাছ লাগাচ্ছি না, আমরা ভবিষ্যৎ রোপণ করছি”— এই প্রত্যয় নিয়েই Green Humanity তাদের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শ্রীবরদী উপজেলার চান্দাপাড়া সীমান্তে চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় কসমেটিকস এবং একটি অটোভ্যান আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
মঙ্গলবার ভোরে বিজিবি এই অভিযান চালিয়ে ওই অবৈধ কসমেটিক পণ্য জব্দ করে। তবে, এ সময় কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
৩৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নুরুল আজিম বায়েজীদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবির একটি টহল দল সীমান্ত এলাকায় অভিযান শুরু করে। এ সময় চোরাকারবারীরা অভিনব কৌশলে ভারতীয় কসমেটিকস বাংলাদেশে পাচারের চেষ্টা করলে বিজিবি সদস্যরা তা প্রতিহত করেন। অভিযানের ফলস্বরূপ একটি অটোভ্যানসহ বিপুল পরিমাণ ভারতীয় কসমেটিকস আটক করা হয়।
তিনি আরও জানান, আটক পণ্য এবং অটোভ্যানের সিজারমূল্য প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ