আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
০৫:১৪ পি.এম
মধুপুরে উপজেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে নিষিদ্ধ চায়না জাল ধ্বংস করেছে। টাঙ্গাইলের মধুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের একটি অভিযানে ২০টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। রবিবার(১৯ জুলাই) দুপুরে মধুপুর পৌর শহরের ৭ নং ওয়ার্ডের পুন্ডুরা কুমুরিয়া বিলের চরপাড়া দক্ষিণ পাড়া সেতু-সংলগ্ন এলাকায় এই অভিযান কার্যক্রম পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি ও এক্সিকিউটিভ মেজিস্ট্রেট নঈম উদ্দীন। পরে, জব্দকৃত নিষিদ্ধ জালগুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আতিয়ার রহমান সহ অন্যান্য কর্মকর্তা। মধুপুর থানা পুলিশ অভিযানে সহযোগিতা করেন। উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি ও এক্সিকিউটিভ মেজিস্ট্রেট নঈম উদ্দীন জানান, চায়না জাল জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি স্বরূপ। সেজন্য নদী-বিল ও প্রাকৃতিক জলাশয়ের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশের সময় ঘটে যাওয়া হত্যাযজ্ঞে নিহত ৫৮ জনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
রোববার (১৯ জুলাই) তিনি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।
এ সময় চিফ প্রসিকিউটর বলেন, শাপলা চত্বরের নারকীয় হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। তদন্ত শেষ হওয়ার পর চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে একটি খসড়া প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, এই প্রতিবেদনটি এখন চূড়ান্ত যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। যাতে একটি সঠিক তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে স্বচ্ছ বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হয় এবং প্রকৃত আসামিরা বিচার কার্যোবন্ধনে নিয়ে আসা যায়।
আমিনুল ইসলাম বলেন, হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে আজ খসড়া প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা করা হয়েছে। তিনি আশাবাদী যে শিগগিরই পূর্ণ প্রতিবেদন পাওয়া যাবে।
এই মামলায় আসামিদের নাম সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক পুলিশ প্রধান ও বিজিবি প্রধান সহ কয়েকজনের নাম প্রতিবেদন এ উঠে এসেছে। তাদের নাম যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং যাচাই-বাছাইয়ের পরে আসামিদের নাম পরিবর্তন হতে পারে।
শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞে নিহতদের বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, এই পর্যন্ত নিহত ৬১ জনের একটি তালিকা পাওয়া গেছে। তবে ৫৮ জনের পরিচয় ইতিমধ্যেই শনাক্ত করা হয়েছে।
আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র নায়েবে আমির আব্দুল হামিদ, মাওলানা মামুনুল হক, মুফতি হারুন ইজহার ও মুফতি মীর ইদ্রিসসহ অনেকেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মাঠে উপস্থিত থাকবেন। তার উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। স্টেডিয়ামের নিরাপত্তায় এফ ১৬ যুদ্ধবিমান, সামরিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্নাইপার এবং হাজারো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
রোববার দিবাগত রাতে নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা ও স্পেন মুখোমুখি হবে শিরোপার লড়াইয়ে। ম্যাচটিকে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা শ্রেণির বিশেষ অনুষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
নিরাপত্তার অংশ হিসেবে স্টেডিয়ামের আশপাশের আকাশসীমায় অস্থায়ী উড্ডয়ন নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। নিষিদ্ধ আকাশসীমা পর্যবেক্ষণে থাকবে এফ ১৬ যুদ্ধবিমান এবং স্টেডিয়ামের ছাদে অবস্থান নেবেন স্নাইপাররা। নিরাপত্তা কার্যক্রমে সহযোগিতা করবে এফবিআইসহ একাধিক ফেডারেল সংস্থা।
হোয়াইট হাউস দর্শকদের ম্যাচ শুরুর অন্তত চার ঘণ্টা আগে স্টেডিয়ামে পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছে। অতিরিক্ত নিরাপত্তা তল্লাশির কারণে প্রবেশে সময় লাগতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
হোয়াইট হাউসের ফিফা টাস্কফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি বলেন, এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের নিরাপত্তার সমপর্যায়ের। তার মতে, এটি সুপার বোলের চেয়েও বড় আয়োজন।
নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশ করা একটি ছোট বেসামরিক বিমানকে যুক্তরাষ্ট্রের এফ ১৬ যুদ্ধবিমান বাধা দিয়েছে। এছাড়া টুর্নামেন্ট চলাকালে স্টেডিয়ামের আশপাশে উড়তে থাকা শত শত অননুমোদিত ড্রোনও জব্দ করেছে কর্তৃপক্ষ।
ম্যাচ শেষে ট্রাম্প ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন দলের হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি তুলে দেবেন বলেও আয়োজকরা জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের মধ্যে ফলের ক্যারেটের মাঝে বিশেষ কৌশলে লুকানো ১৬ কেজি সোনার বার উদ্ধার করা হয়েছে মহানিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (ডিজিএফআই) ও ঢাকা কাস্টমস হাউজের যৌথ প্রচেষ্টায়।
রোববার (১৯ জুলাই) তারা একটি যৌথ অভিযান চালিয়ে বড়সড় এই সোনার চালান জব্দ করতে সক্ষম হয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, একটি চোরাচালান চক্র বিদেশ থেকে আমদানি করা ফলের চালানের আড়ালে সোনা পাচারের চেষ্টায় ছিল।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানাচ্ছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা কার্গো ভিলেজে অভিযান চালায় এবং ফলের ক্যারেটের ভিতরে বিশেষভাবে লুকানো সোনার বারগুলো উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। উদ্ধার করা সোনার মোট পরিমাণ অন্তত ১৬ কেজি।
এ ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্তকরণ ও গ্রেপ্তারের অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি চালানটির প্রকৃত মালিক, উৎস এবং এর সাথে জড়িত চোরাচালান চক্রের ব্যাপারে তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে জানানো হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির সুযোগে ইরান প্রায় ৭ কোটি ব্যারেল তেল রফতানি করেছে। এই তেলের বাজারমূল্য আনুমানিক ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি ডলার বলে মনে করা হচ্ছে। তবে বর্তমানে ওই যুদ্ধবিরতি কার্যত শেষ হয়ে গেছে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। নতুন হামলায় ইরানের প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে। এছাড়াও, জর্ডানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত এবং একজন নিখোঁজ রয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে, ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল বেসরকারি সংস্থা ইউনাইটেড অ্যাগেইনস্ট নিউক্লিয়ার ইরানের তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে।
এটি জানাচ্ছে যে যুদ্ধবিরতি চলাকালে ইরান প্রায় ৭ কোটি ব্যারেল তেল রফতানি করতে সক্ষম হয়েছে। জুন মাসের মাঝামাঝি থেকে জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে, ইরানের প্রায় ২০টি তেলবাহী ট্যাংকার এশিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে।
পুনরায়, ২২ জুন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রনালয়ের অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল একটি নথি প্রকাশ করেছে। ওই নথিতে দেখা যায়, ইরানের তেল ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের উৎপাদন, সরবরাহ এবং বিক্রির জন্য একটি সাধারণ লাইসেন্স জারি করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে ৭ জুলাই ওই সাধারণ লাইসেন্স বাতিল করা হয়। এই লাইসেন্সটি ২১ আগস্ট পর্যন্ত ইরানের তেল খাতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছিল।
এদিকে, ইরানের সঙ্গে নতুন সংঘাত শুরুর পর মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সেনা, রিফুয়েলিং বিমান এবং এফ-১৬ ও স্টেলথ এ-৩৫ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র।
ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল এই তথ্য জানিয়েছে যে জার্মানির স্পাংডাহলেম বিমানঘাঁটি থেকে এফ-১৬ এবং ব্রিটেন থেকে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান এই অঞ্চলে পাঠানো হয়েছে। এসব বিমান প্রয়োজনে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সহায়তা করতে পারে এমন রাডার ধ্বংসের মিশনও করতে পারে।
একইসঙ্গে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে এবং পরে বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা সতর্কতা প্রকাশ করেছে। ওয়াশিংটনের মতে, নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত অনিশ্চিত এবং যেকোনো সময় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ