ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শ্রমিকের অধিকার ও শোভন কাজ নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতিশ্রুতি: শ্রমমন্ত্রী


শ্রমিকের অধিকার ও শোভন কাজ নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতিশ্রুতি: শ্রমমন্ত্রী

শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, শ্রমিকদের জন্য একটি ন্যায্য ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা, শ্রমিকের অধিকার রক্ষা করা, সামাজিক সংলাপকে জোরদার করা এবং শোভন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

তিনি বুধবার (৭ অক্টোবর) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশন (আইটিইউসি) এবং ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অব এমপ্লয়ার্সের (আইওই) উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এসব কথা বলেন।

প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন— আইটিইউসির মহাসচিব লুক ট্রায়াঙ্গল, আইওইর ভাইস-চেয়ার কাইজার মোয়ানে, আইএলও গভর্নিং বডির সদস্য জেস ভোগট এবং আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুনুনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন: ঘোষণা দিয়েও নিরাপত্তার কারণে ঢাকা-রিয়াদ সরাসরি ফ্লাইট চালু করতে পারল না সৌদি এয়ারলাইন্স

শ্রমমন্ত্রী প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের শ্রমিক, নিয়োগকর্তা এবং সরকারের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় সংলাপ এবং আইএলও রোডম্যাপ বাস্তবায়নে দেশের অগ্রগতি ও যৌথ কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে এই সফর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার শোভন কাজ, শ্রমিক কল্যাণ এবং উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই বাংলাদেশ শ্রম আইন সংশোধন করেছে। পাশাপাশি, বাংলাদেশ সম্প্রতি আইএলওর ১৫৫, ১৮৭ ও ১৮৯ নম্বর কনভেনশন অনুমোদন করেছে। সামাজিক সংলাপ, বিরোধ নিষ্পত্তি এবং শ্রম প্রশাসনকে শক্তিশালী করার জন্যও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বর্তমানে মূল লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে সংশোধিত শ্রম আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা এবং সরকারের অঙ্গীকারগুলোকে শ্রমিকদের জন্য বাস্তব ও দৃশ্যমান উন্নয়নে রূপ দেওয়া।

তিনি উল্লেখ করেন, শ্রমিকের অধিকার রক্ষা এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা—দুটিই একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। শিল্পে শান্তি ও টেকসই উন্নয়নের জন্য শক্তিশালী ত্রিপক্ষীয় সংলাপ এবং সামাজিক অংশীদারত্ব অপরিহার্য।

আরও পড়ুন: সরকারের সমালোচনা করলেই গ্রেপ্তার মানবাধিকারের লঙ্ঘন: আখতার হোসেন

আলোচনায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেন, শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। প্রতিনিধিদলের সুচিন্তিত পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে সরকার যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী।

সাক্ষাতে আইটিইউসি ও আইওইর প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের শ্রম আইন সংশোধন, ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধন সহজীকরণ, পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা এবং ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তারা ইপিজেডের জন্য পৃথক আইনের পরিবর্তে দেশের সামগ্রিক শ্রম আইনের আওতায় ইপিজেডকে আনার অনুরোধও জানান।

সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুর রহিম খান, শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুছ সামাদ আল আজাদসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ডেভিড ইমনকে ৭ দিনের রিমান্ডে পাঠাল আদালত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা চেম্বার ও ইআরএফের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৬ পি.এম


ঢাকা চেম্বার ও ইআরএফের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এবং অর্থনীতি বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) ইন্সটিটিউটের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং যৌথভাবে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়েছে।

৭ অক্টোবর বুধবার মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অডিটোরিয়ামে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ এবং ইআরএফ সভাপতি দৌলত আক্তার মালা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এতে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে ঢাকা চেম্বারের ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী উল্লেখ করেন, "স্থানীয় ও বৈশ্বিক পরিবর্তনশীল অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশীয় উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি সরকারের নীতিনির্ধারকদের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে গণমাধ্যমে প্রকাশিত অর্থনৈতিক বিষয়ক সংবাদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ঢাকা চেম্বার ও ইআরএফের যৌথ উদ্যোগে প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, সেমিনার, গবেষণা ও জ্ঞান বিনিময় কার্যক্রম অর্থনীতি বিষয়ক সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

ইআরএফ সভাপতি দৌলত আক্তার মালা জানান, "দেশের বাণিজ্য সংগঠনগুলোর মধ্যে ঢাকা চেম্বারই প্রথম সংগঠন, যার সঙ্গে ইআরএফ এ ধরনের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে।" তিনি ঢাকা চেম্বারের গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনায় দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও সুনামের কথা উল্লেখ করে বলেন, এ সমঝোতা স্মারকের আওতায় দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি, বিশেষ করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বিষয়ে যৌথভাবে গবেষণা কর্মসূচি পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তিনি আরও বলেন, "এ ধরনের গবেষণা কার্যক্রম সরকারের নীতিমালা প্রণয়ন, প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং বেসরকারি খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।"

সমঝোতা স্মারকের আওতায় দুই প্রতিষ্ঠান প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, সেমিনার ও গবেষণাসহ বিভিন্ন জ্ঞান বিনিময় কার্যক্রমে সহযোগিতা করবে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন যে, এর মাধ্যমে অর্থনীতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বিষয়ে তথ্যভিত্তিক গবেষণা এবং দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা চেম্বারের মহাসচিব ড. এ কে এম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী, ইআরএফের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাসেমসহ ইআরএফের নির্বাহী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি আরবের রক্ষায় পাকিস্তান ও তুরস্কের সহযোগিতায় ত্রিদেশীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২২ পি.এম


সৌদি আরবের রক্ষায় পাকিস্তান ও তুরস্কের সহযোগিতায় ত্রিদেশীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা

সউদী আরব হুতিদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিরুদ্ধে নিজেদের প্রধান শহর, তেল স্থাপনাগুলি এবং পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গত ৫ অক্টোবর রিয়াদে অনুষ্ঠিত জরুরি বৈঠকে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ কার্যকর করা হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় পাকিস্তানকে নিয়ে যৌথ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে রিয়াদ, যেখানে তুরস্কও যুক্ত হতে যাচ্ছে।

পাকিস্তানের প্রায় এক স্কোয়াড্রন (১৬টি) 'জেএফ-১৭ থান্ডার' যুদ্ধবিমান সউদী আরবের পূর্বাঞ্চলীয় ধারানের কিং আব্দুলআজিজ বিমানঘাঁটিতে অবস্থান নিয়েছে। বিশেষ করে জেএফ-১৭ ব্লক থ্রি সংস্করণে উন্নত এইএসএ রাডার এবং পিএল-১৫ দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, যা তেল স্থাপনাগুলি ও আকাশসীমার সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি পাকিস্তান তাদের সর্বাধুনিক চীনানির্দেশিত 'এইচকিউ-৯' সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম এবং একাধিক ড্রোন স্কোয়াড্রন মোতায়েন করেছে। সউদী আরবে ইতোমধ্যে বিদ্যমান আমেরিকার 'পেট্রিয়ট' এবং 'থাড' ব্যবস্থার সঙ্গে এই এইচকিউ-৯ মিসাইল যুক্ত হয়ে বহুমাত্রিক ও স্তরীভূত আকাশ প্রতিরক্ষা বলয় তৈরি করবে।

প্রতিরক্ষা সহায়তা বাড়াতে প্রস্তুত আঙ্কারাও। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানিয়েছেন, তারা মূলত কারিগরি সহায়তা, ড্রোন বিরোধী ব্যবস্থা এবং ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম নিয়ে রিয়াদের পাশে দাঁড়াচ্ছে।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের ড্রোন ধ্বংসে তুরস্কের 'করকুত' স্মার্ট গান সিস্টেম এবং 'হিসার' সিরিজের মিসাইল ব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। তবে তুর্কি বিমান বা সেনা মোতায়েনের বিষয়টি দেশটির পার্লামেন্টের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করছে।

সউদী প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান এই পদক্ষেপকে সামূহিক প্রতিরোধ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যদিও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ স্পষ্ট করেছেন যে মূল লড়াই সউদী আরবই করবে। বন্ধুরাষ্ট্রগুলোর মূল ভূমিকা হবে নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ ও আকাশসীমা রক্ষা করা।

তবে এই বহুজাতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো বিভিন্ন দেশের প্রযুক্তি ও কমান্ড কাঠামোর মধ্যে সঠিক সমন্বয় ঘটানো। আমেরিকান পেট্রিয়ট এবং চীনা এইচকিউ-৯ কিংবা তুর্কি প্রযুক্তির সমন্বিত পরিচালনা একটি অত্যন্ত জটিল কাজ।

তা সত্ত্বেও, লোহিত সাগর সংলগ্ন ইস্ট-ওয়েস্ট ওয়েল পাইপলাইন, গুরুত্বপূর্ণ শহর ও ধর্মীয় স্থানগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাকিস্তান ও তুরস্কের এই সমর্থন সউদী আরবের সার্বিক প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে নতুন এক মাত্রায় নিয়ে গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসির বিপক্ষে কত গোল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৬ পি.এম


মেসির বিপক্ষে কত গোল

লিওনেল মেসি, আর্জেন্টিনার সুপারস্টার, তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ২০৮টি ম্যাচে ১২৬টি গোল করেছেন। বলিভিয়ার বিরুদ্ধে মেসির পারফরমেন্স ছিল অসাধারণ, যেখানে তিনি সর্বাধিক ১১ গোল করেছেন।

মেসি মোট ৬৪টি ভিন্ন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খেলেছেন এবং ৪৬টি দলের বিরুদ্ধে গোল করেছেন। তবে, ১৮টি দলের বিরুদ্ধে তিনি গোল করতে পারেননি, যা তার ক্যারিয়ারের একটি উল্লেখযোগ্য পরিসংখ্যান।

প্রতিপক্ষ            ম্যাচ        গোল

বলিভিয়া            ১২        ১১

ইকুয়েডর            ১১        ৭

ভেনেজুয়েলা            ১৩        ৭

উরুগুয়ে            ১৩        ৬

এস্তোনিয়া             ১        ৫

আলজেরিয়া            ২        ৫

গুয়াতেমালা             ২        ৫

চিলি                ১৩        ৫

ব্রাজিল                ১৪        ৫

প্যারাগুয়ে            ১৪        ৫

পানামা                ২        ৪

মেক্সিকো            ৬        ৪

কুরাসাও            ১        ৩

হাইতি                ১        ৩

ফ্রান্স                ৩        ৩

ক্রোয়েশিয়া            ৪        ৩

নাইজেরিয়া            ৪        ৩

সুইজারল্যান্ড            ৪        ৩

পেরু                ১০        ৩

কলম্বিয়া            ১৩        ৩

অস্ট্রিয়া                ১        ২

হংকং                ১        ২

নিকারাগুয়া            ১        ২

হন্ডুরাস                ২        ২

জ্যামাইকা            ২        ২

অস্ট্রেলিয়া            ৩        ২

স্পেন                ৪        ২

আলবেনিয়া            ১        ১

বসনিয়া             ১        ১

কেপ ভার্দে            ১        ১

মিশর                ১        ১

ইরান                 ১        ১

জর্ডান                ১        ১

সার্বিয়া                ১        ১

স্লোভেনিয়া            ১        ১

সংযুক্ত আরব আমিরাত        ১        ১

জাম্বিয়া                ১        ১

অ্যাঙ্গোলা            ২        ১

কানাডা                ২        ১

আইসল্যান্ড            ২        ১

পর্তুগাল                ২        ১

সৌদি আরব            ২        ১

নেদারল্যান্ডস            ৩        ১

জার্মানি                ৪        ১

যুক্তরাষ্ট্র                ৪        ১

বেলজিয়াম            ১        ০

কোস্টারিকা             ১        ০

ইংল্যান্ড                ১        ০

গ্রিস                ১        ০

হাঙ্গেরি                ১        ০

ইতালি                ১        ০

জাপান                ১        ০

মৌরিতানিয়া            ১        ০

নরওয়ে                ১        ০

পোল্যান্ড            ১        ০

পুয়ের্তো রিকো             ১        ০

রিপাবলিক অব আয়ারল্যান্ড    ১        ০

রোমানিয়া            ১        ০

রাশিয়া                 ১        ০

দক্ষিণ কোরিয়া            ১        ০

সুইডেন             ১        ০

ত্রিনিদাদ ও টোবাগো        ১        ০

কাতার                ২        ০

বেনিন                ১        ১

মোট                ২০৮        ১২৬

একটি আকর্ষণীয় পরিসংখ্যান হলো, ব্রাজিলের বিরুদ্ধে মেসির গোল সংখ্যা ১৪ ম্যাচে মাত্র ৫টি, অন্যদিকে এস্তোনিয়ার বিরুদ্ধে এক ম্যাচে তিনি একাই ৫ গোল করেছেন।

২০৮ ম্যাচে, মেসি বিশ্বকাপে ৩৪ ম্যাচে ২১ গোল, কোপা আমেরিকায় ৩৯ ম্যাচে ১৪ গোল, বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ৭২ ম্যাচে ৩৬ গোল এবং প্রীতি ম্যাচে ৬১ ম্যাচে ৫৭ গোল করেছেন, যার মোট সংখ্যা ১২৮ গোল।

সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ ও জার্মানি সম্পর্ক গভীর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৭ পি.এম


বাংলাদেশ ও জার্মানি সম্পর্ক গভীর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জলবায়ু পরিবর্তন, সংস্কৃতি এবং অভিবাসন ও গতিশীলতা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে উভয় দেশ।

বুধবার (৭ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বাংলাদেশের জন্য নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লটজের সৌজন্য সাক্ষাতে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

জার্মান রাষ্ট্রদূত সাক্ষাতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি বাংলাদেশ-জার্মানি সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসও প্রকাশ করেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে জার্মানির দীর্ঘমেয়াদি সম্পৃক্ততা ও উন্নয়ন সহযোগিতার প্রশংসা করেন। তিনি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জলবায়ু কার্যক্রম, সংস্কৃতি এবং অভিবাসন ও জনচলাচলসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেন।

দুই পক্ষ সাক্ষাতে দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন। বাংলাদেশ-ইউরোপীয় ইউনিয়ন অংশীদারত্বকে আরো বিস্তৃত করার বিষয়েও আলোচনা হয়। তারা সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোতে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডিগার লটজ বাংলাদেশ-জার্মানি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে জার্মানির প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) দ্রুত সম্পন্ন করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা বাড়ানো এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশের নির্বাচন-পরবর্তী স্থিতিশীলতার বিষয়টি তুলে ধরে জার্মান রাষ্ট্রদূত বলেন, দেশের বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের প্রতি জার্মান কোম্পানিগুলোর আগ্রহ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই পক্ষই আশা প্রকাশ করে যে, উচ্চপর্যায়ের ধারাবাহিক যোগাযোগ বাংলাদেশ ও জার্মানির দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বকে আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%