ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দিনাজপুরে আগাম জাতের আলু চাষে কৃষকদের স্বপ্ন


দিনাজপুরে আগাম জাতের আলু চাষে কৃষকদের স্বপ্ন

দিনাজপুর, ৬ অক্টোবর, ২০২৬ : জেলার ১৩টি উপজেলায় কৃষকরা আগাম জাতের আলু চাষের মাধ্যমে স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছেন। দিনাজপুর জেলায় এ পর্যন্ত সাড়ে ৩ হাজার হেক্টর জমিতে আলুর বীজ রোপণ সম্পন্ন হয়েছে।

অগ্রহায়ণ মাসের প্রথমদিকে বাজারে নতুন আলু বিক্রির উদ্দেশ্যে আলুর বীজ রোপণ এবং ক্ষেতের পরিচর্যায় কৃষকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। দিনাজপুর কৃষি অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো. আফজাল হোসেন গতকাল সোমবার বাসস’কে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, এবারে জেলায় ৪৮ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে আগাম জাতের আলু চাষ হবে ১২ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে। গতকাল সোমবার (৫ অক্টোবর) পর্যন্ত জেলার ১৩টি উপজেলায় প্রায় সাড়ে ৩ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম জাতের আলু বীজ রোপণ সম্পন্ন করেছেন কৃষকরা। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে আলুর বীজ রোপণের লক্ষ্যমাত্রা সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: শীতের আগমনে গফরগাঁওয়ে প্রস্তুতির ধুম, বাজারে শীতকালীন পণ্য আসছে

তিনি আরও বলেন, ভালো দাম পাওয়ার আশায় কৃষকরা আশ্বিন মাসের মাঝামাঝি সময়ে আগাম জাতের আমন ধান কেটে ওই জমিতে পুনরায় আলু চাষের জন্য জমি প্রস্তুত করেছেন। এবার কৃষকরা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আগাম জাতের আলু চাষের জন্য জমি প্রস্তুত শেষে আলুর বীজ রোপণ কার্যক্রম শুরু করেছেন।

উপ পরিচালক মো. আফজাল হোসেন জানান, ইতোমধ্যে অনেক কৃষকের আলুর বীজ লাগানোর সময় প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন হয়ে গেছে। তাদের লাগানো আলুর বীজ থেকে গাছ ফুটতে শুরু করেছে। সারিবদ্ধভাবে গাছের গোড়া মাটি দিয়ে বেঁধে দেওয়া হচ্ছে। বাংলা নবান্নের অগ্রহায়ণের প্রথমেই নতুন আলু দিয়ে নবান্ন উৎসব হবে বলে অনেক আলু চাষি আশা করছেন।

দিনাজপুর সদর উপজেলার মহব্বতপুর গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম বাসস’কে বলেন, এবারে আলুর বীজ, সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরির দাম বেড়ে যাওয়ায় আগাম জাতের আলু চাষে ব্যয় বেড়ে গেছে। তবুও কৃষকরা আগাম জাতের আলু চাষে ভালো লাভের স্বপ্ন দেখছেন।

তিনি বলেন, চাষাবাদে ব্যয় বাড়লেও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় স্বল্পমেয়াদি আগাম আমন ধান কেটে ঘরে তোলার পর ওই জমিতে আলু রোপণের জন্য জমি প্রস্তুত করা হচ্ছে। আলু লাগানোর জমি পরিচর্যা, সার প্রয়োগ, হিমাগার থেকে বীজ সংগ্রহ ও রোপণে কৃষকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।

আরও পড়ুন: সৌরবিদ্যুতে সেচকাজে সাশ্রয়ের নতুন দিগন্ত দেখছেন চাষিরা

জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার মাহানপুর গ্রামের কৃষক মো. আব্দুর রহিম বাসস’কে জানান, তিনিসহ অধিকাংশ কৃষক প্রস্তুতকৃত জমিতে আলুর বীজ রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তারা এবার অ্যাস্টেরিক ও কার্টিনাল জাতের বীজ আলু জমিতে রোপণ করছেন।

ফুলবাড়ী উপজেলার কৃষক মো. মাহামুদ আলী বলেন, এ বছর ক্ষেতে উৎপাদিত আগাম জাতের আলুর ভালো দাম পাওয়ার আশা করছেন।

তিনি এবার আলু চাষে বেশি মনোযোগী হয়েছেন। গত বছর তিনি সাড়ে ৮ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছিলেন। এ বছর ১২ বিঘা জমিতে আলুর চাষ শুরু করেছেন। তবে বীজের দাম বেশি থাকায় এবং শ্রমিকের মজুরি বাড়ায় গতবারের তুলনায় এবার আলু চাষের খরচ বেড়ে গেছে বলে তিনি জানান।

জেলার একাধিক চাষি জানান, প্রতি বছর অতিরিক্ত মুনাফার লক্ষ্যে তারা আগাম জাতের আলু চাষ করেন। তবে চলতি বছর আলুর বীজের দাম তুলনামূলকভাবে একটু বেশি। তারপরও কৃষকরা হিমাগার থেকে বীজ কিনে আলু চাষ শুরু করছেন।

আরও পড়ুন: গাংনীর একাঙ্গী চাষিরা পচন রোগে নিঃস্ব, ৫০ কৃষক দিশেহারা

বিরামপুর উপজেলার শ্রমিকরা জানান, এ উপজেলার বেপারীটোলা গ্রামের আদর্শ কৃষক মো. শহিদুর রহমানের ১০ বিঘা জমিতে অ্যাস্টেরিক জাতের আলু রোপণের কাজ করছেন। শ্রমিকরা এক বেলা খাবারসহ ৫শ’ টাকা করে মজুরি পাচ্ছেন। এ মুজরির ইনকাম দিয়ে তাদের সংসার চলে।

কৃষি বিভাগ জানায়, জেলার বিরল, চিরিরবন্দর ও বীরগঞ্জ উপজেলায় প্রতি বছর আলুর চাষ ও উৎপাদন বেশি হয়ে থাকে। চাষিরা তাদের আবাদের জমিগুলো ফেলে না রেখে আগেভাগেই আলু চাষ শুরু করেছেন। আগাম জাতের আলু উত্তোলন করে ওই জমিতে আবার বিভিন্ন ধরনের রবি মৌসুমের শাক-সবজি চাষ করবেন। কৃষি বিভাগের মাঠকর্মীদের পরামর্শে আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারে উঁচু জমিতে বছরের ৩ থেকে ৪টি ফসল উৎপাদন করতে সক্ষম হচ্ছেন কৃষকরা। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সবজি জাতীয় ফসল চাষ করে এ অঞ্চলের কৃষকরা অধিক মুনাফা অর্জন করে সাবলম্বী হচ্ছেন।

কৃষি বিভাগ আরো জানায়, বর্তমানে বাজার থেকে কৃষকরা লাল পাকরি আলুর বীজ কিনছেন প্রতি কেজি ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়, আর কার্ডিনাল জাতের বীজ প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৫৫ টাকায়।

জেলার বিরল উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকর্তা মিজ রুম্মান আক্তার বাসস’কে বলেন, উপজেলার বিভিন্ন এলাকার উঁচু জমিতে আগাম জাতের আলু চাষ শুরু হয়েছে। আগাম জাতের অ্যাস্টেরিক, কার্টিনাল, লাল পাকড়ি, রোমানা ও ডায়মন্ড আলু রোপণের ৫৫ থেকে ৬৫ দিনের মধ্যে তা বিক্রির উপযোগী হয়ে থাকে। অধিক পুষ্টিকর এ আলু চাষ করে তুলনামূলক কম সময়ের ব্যবধানে সহজেই লাভবান হওয়া যায়। যেসব চাষি সঠিকভাবে আলুর জমিতে যত্ন ও পরিচর্যা করতে পারবেন, তাদের ভালো ফলন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি হয়ে থাকে।

আরও পড়ুন: গোদাগাড়ীতে পদ্মার তীব্র ভাঙনে দুই শতাধিক বিঘা ফসলি জমি ও ডিপটিউবওয়েল ঘর নদীগর্ভে বিলীন

তিনি বলেন, গত বছরের মতো এবারও আগাম আলু চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা। আলু চাষের জন্য বেলে ও দোঁ-আশ মাটি সবচেয়ে উপযোগী। আগের মতো এখন আর চাষিরা জমি ফেলে রাখেন না। মৌসুমের ভারসাম্য অনুযায়ী বিভিন্ন সবজি আবাদের পর তারা এবারও আগাম আলু চাষ করছেন। আগাম জাতের অ্যাস্টেরিক ও কার্টিনাল আলুতে অতিরিক্ত মুনাফা হওয়ায় চাষিরা বেশ আকৃষ্ট হয়েছেন।

বিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কমল কৃষ্ণ রায় বাসস’কে বলেন, শুকনো মাটির জমি আলু চাষের জন্য উপযোগী। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তুলনামূলক উঁচু জমিতে আলু চাষ শুরু হয়েছে। অতিরিক্ত লাভের আশায় অনেকেই তাদের জমিতে আলু চাষ শুরু করেছেন। আমন ধান কাটার পর এসব জমিতে একযোগে আলুর আবাদ শুরু হয়েছে।

দিনাজপুর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন বাসস’কে বলেন, বৃহত্তর দিনাজপুর অঞ্চলে প্রতিবছর আলুর অধিক উৎপাদন হয়। এ অঞ্চলের উৎপাদিত আলু অর্ধেকেরও বেশি এখান থেকে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার চাহিদা পূরণে সরবরাহ করা হয়। চলতি বছর সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আলু চাষে কৃষকদের উৎসাহ দেয়া হচ্ছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে।

আরও পড়ুন: শিবগঞ্জে কৃষি বিভাগের অভিযানে ১৬৯ বস্তা রাসায়নিক সার জব্দ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’-এর জন্য মনোনীত রুয়েটের ৭ শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৭ পি.এম


‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’-এর জন্য মনোনীত রুয়েটের ৭ শিক্ষার্থী

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) প্রবর্তিত ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ সালের জন্য প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) সাত (৭) শিক্ষার্থী স্থান পেয়েছেন। এই তিন বছরে বিশ্ববিদ্যালয়টি থেকে যথাক্রমে তিন, এক ও তিনজন শিক্ষার্থী এ স্বীকৃতির জন্য মনোনীত হয়েছেন।

ইউজিসির প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ সালের প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে প্রাপ্ত প্রার্থীদের আবেদন যাচাই-বাছাই করে প্রাথমিক তালিকা তৈরি করা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মাধ্যমে তালিকা পুনরায় যাচাই শেষে মোট ৪৬৯ শিক্ষার্থীর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। ইউজিসির ওয়েবসাইটে সম্মাননা সেবা অংশে ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ তালিকাটি প্রকাশ করা হয়েছে।

চূড়ান্ত তালিকায় রুয়েটের সাতজনের মধ্যে ২০২১ সালের জন্য মনোনীত হয়েছেন ২০১৫–১৬ শিক্ষাবর্ষের তিন সাবেক শিক্ষার্থী। তারা হলেন—মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মো. শাহীনুর আলম, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের জাহিদ হাসান এবং তড়িৎ ও তড়িৎকৌশল বিভাগের মো. মায়েনুল ইসলাম।

এছাড়া ২০২০ সালের জন্য মনোনীত হয়েছেন ২০১৪–১৫ শিক্ষাবর্ষের স্থাপত্য বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী তামান্না সুলতানা স্বর্ণা। ২০১৯ সালের জন্য মনোনীত হয়েছেন ২০১৩–১৪ শিক্ষাবর্ষের তিন সাবেক শিক্ষার্থী। তারা হলেন—যন্ত্রকৌশল বিভাগের মিফতাহুল মবিন চৌধুরী, পুরকৌশল বিভাগের সুমাইয়া তাবাসসুম এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের মহিউদ্দিন আহমেদ।

উল্লেখ্য, পেশাগত জীবনে রুয়েটের এসব সাবেক শিক্ষার্থী সাফল্যের সঙ্গে এগিয়ে চলেছেন। তাদের অধিকাংশই বর্তমানে শিক্ষকতা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। মো. শাহীনুর আলম বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ফার্ম পাওয়ার অ্যান্ড মেশিনারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি বর্তমানে শিক্ষা ছুটিতে যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয়েস বিশ্ববিদ্যালয় আরবানা-শ্যাম্পেইনের কৃষি ও জৈব প্রকৌশল বিভাগে পিএইচডি করছেন।

জাহিদ হাসান রুয়েটের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। তবে বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব প্ল্যানিং অ্যান্ড পাবলিক অ্যাফেয়ার্সে মাস্টার অব সায়েন্স প্রোগ্রামে অধ্যয়ন করছেন।

এদিকে, মিফতাহুল মবিন চৌধুরী রুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস এঅ্যান্ডএম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর পর্যায়ের গবেষণা সহকারী হিসেবে কাজ করছেন।

অন্যদিকে, মহিউদ্দিন আহমেদ রুয়েটের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ, সুমাইয়া তাবাসসুম পুরকৌশল বিভাগ, মো. মায়েনুল ইসলাম তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগ এবং তামান্না সুলতানা স্বর্ণা স্থাপত্য বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।

ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ থেকে ২০২১—এই তিন বছরে প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মোট ৪৬৯ শিক্ষার্থী চূড়ান্তভাবে মনোনীত হয়েছেন। এর মধ্যে রুয়েটের সাতজন, যা মোট মনোনীতদের প্রায় ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

তালিকায় দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও রয়েছেন। একই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩২, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮ এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ শিক্ষার্থী স্থান পেয়েছেন। এই ছয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই মোট ১৪৩ জন শিক্ষার্থী তালিকায় রয়েছেন। এছাড়াও দেশের বেশ কয়েকটি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও এ তালিকায় নিজেদের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছেন।

পাশাপাশি অন্যান্য প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে ১১, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) থেকে আট, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) থেকে ছয় এবং ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট) থেকে ছয়জন মনোনীত হয়েছেন। সব প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোট ৩৮ জন শিক্ষার্থী তালিকায় রয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক ইউজিসির প্রবর্তিত একটি জাতীয় পর্যায়ের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে এ পুরস্কারের জন্য পৃথক সম্মাননা সেবা ও নীতিমালা রয়েছে। ২০২২ সালে ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ সালের জন্য মনোনয়ন আহ্বান করা হয়েছিল এবং পরবর্তী যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। রুয়েট শিক্ষার্থীদের এ স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়টির একাডেমিক সাফল্যের পাশাপাশি সাবেক শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও শিক্ষকতায় অবদানেরও একটি উল্লেখযোগ্য প্রতিফলন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শব্দদূষণ কমাতে ১ লাখ ৩৯ হাজার মানুষ প্রশিক্ষিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৮ পি.এম


শব্দদূষণ কমাতে ১ লাখ ৩৯ হাজার মানুষ প্রশিক্ষিত

ঢাকা, ০৬ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশের উচ্চশব্দের ক্ষতিকর প্রভাব হ্রাস করার লক্ষ্যে সরকারি প্রকল্পের আওতায় ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৪০ জনকে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের (ঢাকা মহানগর) পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদ বাসস-কে জানিয়েছেন, প্রকল্পের শুরু থেকে ২০২৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সচেতনতামূলক কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের মধ্যে ৫০ হাজার শিক্ষার্থী, ৭২ হাজার ২০০ জন পরিবহনচালক ও শ্রমিক, ৮ হাজার ১৪০ জন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, ১ হাজার ৯২০ জন কারখানা ও নির্মাণশ্রমিক, ১ হাজার ৮০০ জন সাংবাদিক এবং ৫ হাজার ৫৮০ জন পেশাজীবী, ব্যবসায়ী, ইমাম, শিক্ষক ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

ফরিদ আহমেদ জানিয়েছেন, প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা এখন শব্দদূষণ সম্পর্কে সচেতন এবং তারা তাদের পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদেরও সচেতন করছেন।

তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা তাদের সহপাঠী ও পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শব্দদূষণ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করছেন এবং ইমামরা মুসল্লিদেরকে এ বিষয়ে সচেতন করছেন।

শহরাঞ্চলে শব্দের মাত্রা কমানোর জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশগ্রহণমূলক প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করছে। অতিরিক্ত যানবাহনের হর্ন ও পরিবেশগত শব্দ নিয়ন্ত্রণে দেশব্যাপী উদ্যোগে জনসচেতনতামূলক প্রচার, অংশীজনদের প্রশিক্ষণ, নীরব এলাকা ঘোষণা ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।

শব্দদূষণ প্রতিরোধ ও কমাতে তাদের ভূমিকা বিবেচনায় নিয়ে এসব জনগোষ্ঠীর মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি প্রকল্পের অন্যতম প্রধান কার্যক্রম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ফরিদ আহমেদ জানিয়েছেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আরো ৩৬ হাজার ১২০ জনকে শব্দদূষণের ব্যাপারে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

শব্দদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে মানুষকে অবহিতকরণ ও দায়িত্বশীল আচরণে উৎসাহিত করতে প্রকল্পের আওতায় ব্যাপক প্রচার ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রচারণার অংশ হিসেবে সরকারি ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের পাশাপাশি রেডিওতে নিয়মিত শব্দদূষণবিষয়ক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।

ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া, মোবাইল এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শব্দদূষণবিষয়ক টেলিভিশন বিজ্ঞাপন (টিভিসি), খুদে বার্তা ও বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হচ্ছে।

শারীরিক সচেতনতামূলক উপকরণের মাধ্যমে প্রকল্পটির জনসম্পৃক্ততা আরও জোরদার করা হয়েছে। শব্দদূষণ বিষয়ক সচেতনতামূলক বার্তা প্রচারের জন্য মোট ১২৮টি বিলবোর্ড ও ২১০টি সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে।

এছাড়া ৭ লাখ লিফলেট, ৭ লাখ অন্যান্য উপকরণ ও ১ হাজার প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল ছাপিয়ে বিতরণ করা হয়েছে।

সচেতনতা ও প্রচারণামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সারা দেশে প্রায় ২ হাজার ৫০০টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। ৭ হাজার ২৯৭টি মামলার মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ ১ কোটি ৮ লাখ ১৩ হাজার ১৫৭ টাকা জরিমানা আদায় করেছে এবং ৬ হাজার ৯৮৬টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করে ধ্বংস করেছে।

প্রকল্পের আওতায় জনসচেতনতামূলক বেশকিছু উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছে।

শব্দদূষণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ২০২৩ সালের ১৫ অক্টোবর ঢাকায় ‘এক মিনিট নীরবতা’ পালন করা হয়।

নির্ধারিত নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো নিরুৎসাহিত করতে ২০২৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ধারাবাহিকভাবে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

পরিবেশ সচেতনতামূলক কার্যক্রমে তরুণদের সম্পৃক্ত করতে ডিওই ‘যুব উৎসব’ উদযাপনের অংশ হিসেবেও বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

ফরিদ আহমেদ বলেন, প্রশিক্ষণ, গণমাধ্যমে প্রচারণা, জনসম্পৃক্ততা ও আইন প্রয়োগের মাধ্যমে প্রকল্পটি জনসচেতনতা আরো বাড়াতে এবং বাংলাদেশের সর্বত্র শব্দদূষণ কমাতে সহায়ক আচরণ গ্রহণে মানুষকে উৎসাহিত করতে কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কারেন্ট ও খুনা জাল জব্দ: বিশ্বম্ভরপুরে ইউএনওর বিশেষ অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​শাহানুর আলম, বিশ্বম্ভরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৮ পি.এম


কারেন্ট ও খুনা জাল জব্দ: বিশ্বম্ভরপুরে ইউএনওর বিশেষ অভিযান

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বাদাঘাট দক্ষিণ ইউনিয়নের জামের তলা নদীর একশো মিটার ব্রিজের পাশে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী আজ এই অভিযান পরিচালনা করেন বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজ সখিনা আক্তার।
অভিযানকালে নদী থেকে কারেন্ট জাল ও ক্ষতিকর খুনা জালসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ জাল জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ, আনসার সদস্য এবং এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে জব্দকৃত এসব জাল ঘটনাস্থলেই পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
অভিযান শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ সখিনা আক্তার জানান, জনস্বার্থে এবং দেশীয় মৎস্য সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। নদী-নালায় কেউ যাতে অবৈধ বা নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার করতে না পারে, সেজন্য কোনো অনিয়ম চোখে পড়লেই তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করার জন্য তিনি সর্বস্তরের জনগণকে আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘পিচ্চি রাজা’ কাণ্ডে সিনেমার গল্পকেও হার মানালো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:০৯ পি.এম


‘পিচ্চি রাজা’ কাণ্ডে সিনেমার গল্পকেও হার মানালো

এটি যেন একটি সিনেমার দৃশ্যের মতো। ব্যস্ত সড়কের পাশে অপেক্ষমাণ একটি প্রাইভেটকারের কাছে প্রিজনভ্যান থেকে একজন দুর্ধর্ষ আসামিকে নামিয়ে কিছুদূর হাঁটানো হলো। এরপর পুলিশের একজন কর্মকর্তা নিজেই সেই আসামিকে গাড়িতে তুলে দিলেন। তবে এটি কোনো সিনেমার কাহিনী নয়—ঘটনাটি ঘটেছে রাজধানীর বংশালে।

ঘটনাটি ঘটে গত ২৭ সেপ্টেম্বর, রোববার বিকেল ৫টা ৫৮ মিনিটে। একটি প্রিজনভ্যান বংশালের প্রধান সড়কে উঠেছিল, যেখানে ২৯ জন আসামি ছিলেন। তাদের গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে নেওয়া হচ্ছিল।

বংশাল রোডের পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে এসে যানজটে আটকে যায় প্রিজনভ্যানটি। আর তখনই ঘটে চাঞ্চল্যকর ঘটনা।

অভিযোগ উঠেছে, প্রিজনভ্যানের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এসআই প্রবীর কুমার নিজ হাতে ভ্যানটির গেট খুলে দেন। এরপর মুখে মাস্ক পরা অবস্থায় গাড়ি থেকে নামিয়ে আনেন দুর্ধর্ষ আসামি ও শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত পিচ্চি রাজাকে। একই সময়ে গাড়ি থেকে নামেন ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের মালিক খায়রুল বাসারও।

প্রিজনভ্যান থেকে নেমে পিচ্চি রাজা সামনে হাঁটতে থাকেন। তার পেছনে এসআই প্রবীর কুমার ছিলেন। অন্যদিকে খায়রুল বাসার তাদের সঙ্গে না গিয়ে প্রিজনভ্যানের সামনের অংশে, চালকের পাশের আসনে উঠে বসেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে গাদাগাদি করে যাওয়ার পরিবর্তে খায়রুল বাসারকে চালকের পাশের আসনে এসির মধ্যে আরাম করে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়। এ সময় পুলিশের একটি দলও সেখানে দায়িত্ব পালন করছিল।

প্রিজনভ্যান থেকে নামার পর পিচ্চি রাজা ও এসআই প্রবীর প্রায় দুই মিনিট বংশালের মোড়ের দিকে হাঁটতে থাকেন। এর মধ্যে সেখানে একটি প্রাইভেটকার নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন পিচ্চি রাজার বোন তাসলিমা।

একপর্যায়ে এসআই প্রবীর নিজেই পিচ্চি রাজাকে ওই প্রাইভেটকারের কাছে নিয়ে যান এবং তাকে গাড়িতে তুলে দেন। এরপর তিনি প্রিজনভ্যানে ফিরে যান।

ঘটনাটি নিয়ে ইতোমধ্যে পুলিশের দায়িত্ব ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গাজীপুর মহানগর পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার ইসরাইল হাওলাদার জানিয়েছেন, কী কারণে এমন একজন দুর্ধর্ষ আসামিকে প্রিজনভ্যান থেকে নামিয়ে দেওয়া হলো, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি আরও গভীরভাবে তদন্তের চেষ্টা চলছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ঘটনায় এসআই প্রবীর কুমার ও তার টিমের বিরুদ্ধে শুধু একজন আসামিকে প্রিজনভ্যান থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগই নয়, বরং আরও গুরুতর দায়িত্বহীনতার অভিযোগ উঠেছে।

এর মধ্যে প্রথমটি হলো— ব্যস্ত সড়কে প্রকাশ্যে প্রিজনভ্যানের দরজা খুলে দেওয়া। এতে ভেতরে থাকা অন্য আসামিরাও সুযোগ নিয়ে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পালিয়ে যেতে পারতেন। দ্বিতীয়ত, ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের মালিক খায়রুল বাসারকে হাতকড়া ছাড়াই কিছু সময়ের জন্য একা ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টদের মতে, ওই সময় খায়রুল বাসারও যদি পালিয়ে যেতেন, তাহলে তাকে আটকানোর মতো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা পুলিশের হাতে থাকত না।

ফলে একজন দুর্ধর্ষ আসামিকে প্রিজনভ্যান থেকে নামিয়ে ব্যক্তিগত গাড়িতে তুলে দেওয়ার ঘটনাটি শুধু পুলিশের দায়িত্ব পালনের প্রশ্নই তুলছে না, বরং প্রিজনভ্যানে থাকা অন্য আসামিদের নিরাপত্তা ও তাদের পালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%