মাছুদুর রহমান আসলাম স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল
০৯:০৮ পি.এম
দেশের সব জায়গায় মাদকবিরোধী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকার এবং বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাদকবিরোধী অভিযান সাফল্য পেলেও বরিশাল নগরীর রাজ্জাক স্মৃতি কলোনি সংলগ্ন কেডিসি বালুর মাঠ এলাকায় ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, সেখানে মাদকের কেনাবেচা কখনোই থামানো যাচ্ছে না। মাঝে মাঝে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে পরিস্থিতি সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণে আসলেও কোনো স্থায়ী সমাধান মেলেনি।
সর্বশেষ দুই দিন আগে ওই কেডিসি বালুর মাঠে এক অভিযান চালিয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। কিন্তু অভিযানের সময় মূল হোতা হিসেবে পরিচিত মাদক ব্যবসায়ী নিলু বেগম কৌশলে পালিয়ে যায়। এই ঘটনার পর মামলা দায়ের করা হলেও থানা পুলিশ কিংবা ডিবি এখনও পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
সফল অভিযানের পরও মূল হোতা গ্রেপ্তার না হওয়ার কারণে এলাকায় নানা গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবি করছে যে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু অসাধু সদস্যের সঙ্গে ওই মাদক ব্যবসায়ীর গোপন যোগাযোগ রয়েছে। আরও অভিযোগ উঠেছে যে, ডিবি পুলিশের একজন উপ-পরিদর্শক (এসআই) পদ মর্যাদার কর্মকর্তা নিলু বেগমকে আদালতে আত্মসমর্পণ করতে এবং কিছু দিন 'সেফ জোনে', অর্থাৎ কারাগারে অবস্থান করার পরামর্শ দিয়েছেন।
এদিকে, সম্প্রতি বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আশিক সাঈদ নগরীকে কিশোর গ্যাং, মাদক এবং আবাসিক হোটেল কেন্দ্রিক অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে মুক্ত করতে কঠোর নির্দেশনা দেন। পুলিশ কমিশনারের পরস্পর পরস্পরের সঙ্গে এমন স্পষ্ট অবস্থানের পরও মাঠপর্যায়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশের কারণে মাদক কারবারিরা পার হয়ে যাচ্ছে, এমন অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসনের অভিযানগুলোর আগের তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার ফলে মাদক ব্যবসায়ী এবং নগরীর নানা অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিরা সহজেই সতর্ক হয়ে যায়। এ কারণে অভিযানের কার্যকারিতা অনেকাংশে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ছে।
পুলিশ কমিশনারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি যেখানে সুস্পষ্ট, সেই পরিস্থিতিতে কিছু অসাধু কর্মকর্তার কারণে কেন এই শুদ্ধি অভিযান ভেস্তে যাবে—এমন প্রশ্ন জনগণের মনে উঠছে। এখন দেখা যাবে, বিএমপি কমিশনার আশিক সাঈদ এ অভিযোগগুলো তদন্ত করে সংশ্লিষ্টদের চিহ্নিত করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে কী ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য ডিসি (দক্ষিণ) সুশান্ত সরকার, পিপিএম-এর হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে খুদে বার্তা পাঠানো হলেও রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্তগুলোকে ‘ভুয়া’ আখ্যা দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই তিনি তেহরানের ওপর তীব্র সমালোচনা করেছেন।
অবশ্য স্থানীয় সময় শুক্রবার (১২ জুন) সকালে নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া পোস্টে ট্রাম্প জানান, সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি নিয়ে প্রকাশিত শর্তগুলো ‘ভুয়া খবর’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি বলেন, লিখিতভাবে উভয় পক্ষ যেসব শর্তে সম্মত হয়েছে, তার সঙ্গে এর ‘কোনো সম্পর্ক নেই’ বলে মন্তব্য করেন।
এছাড়া ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন, ‘তাদের সঙ্গে কাজ করা অত্যন্ত অসম্মানজনক। তাদের সঙ্গে সৎ উদ্দেশ্যে কাজ করার কোন সুযোগ নেই।’
ট্রাম্পের এই মন্তব্য এসেছে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের স্থায়ী অবসানের লক্ষ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মধ্যে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকে এই অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়ে গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট দাবি করেছেন, একটি চুক্তি ‘অনুমোদিত’ হয়েছে এবং একাধিক দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর হতে পারে, তবে ট্রাম্পের এই বক্তব্য ইঙ্গিত করছে যে সম্ভাব্য সমঝোতা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
পোস্টে ট্রাম্প নির্দিষ্ট করে কোন প্রতিবেদনের কথা বলেছেন তা তিনি উল্লেখ করেননি। তবে তার মন্তব্যের কিছুক্ষণ আগে, ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ সম্ভাব্য চুক্তির সাতটি মূল বিষয় প্রকাশ করেছে।
আইআরএনএ’র প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে অচলাবস্থার মধ্যে থাকা কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে ইরান কোনো বড় ধরনের ছাড় দেয়নি। প্রতিবেদনে বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর নতুন কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি, শুধুমাত্র একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ৬০ দিন পর নতুন পারমাণবিক আলোচনা শুরু হবে বলেই জানা গেছে।
এছাড়া, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ছাড়ার বিষয়েও ইরান কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি বলে দাবি করা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, প্রাথমিক সমঝোতা শুধুমাত্র জলপথে স্বাভাবিক চলাচল ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে এবং এ বিষয়ে ওমানের সঙ্গে আলোচনা করবে তেহরান।
প্রতিবেদনে ইরানের জব্দ করা সম্পদের একটি অংশ মুক্ত করার কথা উল্লেখ রয়েছে চুক্তি স্বাক্ষরের পর। বাকি সম্পদ মুক্ত করা, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং যুদ্ধজনিত ক্ষতিপূরণ নিয়ে পরবর্তী সময়ে আলোচনা হবে বলেও জানান হয়েছে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র লেবাননে ইসরাইলের চলমান সামরিক অভিযান বন্ধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা ইরানকে যেমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, অন্যদিকে একটি সমঝোতা চুক্তি কাছাকাছি আসার ইঙ্গিতও দিয়েছেন।
এই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পরস্পরের বিরুদ্ধে টানা দুই দিন ধরে হামলা চালিয়েছে। এরপর বৃহস্পতিবার ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র একটি প্রাথমিক চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। এর আগে, সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হামলা বাতিল করার কথাও জানান তিনি।
তবে এর কিছু ঘণ্টা পরেই যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে, হরমুজ প্রণালির কাছে জাহাজ লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টা করা দুটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প মন্তব্য করেন, ‘এটি সম্পূর্ণরূপে অগ্রহণযোগ্য।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করেছেন তিনজন প্রতিমন্ত্রী। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাতের নেতৃত্বে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শরিফুল আলম এবং ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন পরিদর্শনে অংশ নেন।
শুক্রবার বিকালে কক্সবাজারের বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট তারা পরিদর্শন করেন।
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কলাতলী থেকে শুরু করে সুগন্ধা পয়েন্ট ধরে লাবণী পয়েন্ট পর্যন্ত ব্যাপক এলাকা জুড়ে পর্যটকদের সাথে আলাপ করেন তিন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তারা পর্যটকদের সুবিধা এবং অসুবিধার ব্যাপারে জানতে চান।
নারী, শিশু এবং বয়স্ক পর্যটকসহ বিভিন্ন স্থান থেকে আগত সকল স্তরের পর্যটকদের নিরাপত্তা, বিচের পরিচ্ছন্নতা, টুরিস্ট পুলিশের কার্যকারিতা, এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের তৎপরতা সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে তারা আলোচনা করেন। এ সময় পর্যটকরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করে বিচ ম্যানেজমেন্ট ও নিরাপত্তাসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা অনুরোধ করেন যে সমুদ্র সৈকতের বর্তমান ব্যবস্থাপনা অব্যাহত রেখে আরও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা হোক।
জবাবে, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ভবিষ্যতে কক্সবাজারকে একটি পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এছাড়া বাংলাদেশের অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে অত্যাধুনিক হোটেল-মোটেল নির্মাণ করার উদ্যোগ নেয়া হবে। পরিদর্শনের সময় পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পরিচালক, টুরিস্ট পুলিশের এসপি এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে ‘সাফ বিচ গেমস’ আয়োজন হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সাথে আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে ফুটবলের পাশাপাশি অন্যান্য খেলা নিয়েও এই বিচ গেমস অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি জানান।
শুক্রবার কক্সবাজারের কলাতলী বিচে আয়োজিত অনূর্ধ্ব-১৫ বিচ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, কিছুদিন আগে চীন’র সানিয়াতে এশিয়ান বিচ গেমস উদ্বোধনে গিয়ে দেখেছি তারা কৃত্রিম সৈকত তৈরি করেছে। অথচ আমাদের রয়েছে পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত। আমরা এটিকে কাজে লাগাতে চাই। তিনি উল্লেখ করেন, মাদকমুক্ত ও সুস্থ জাতি গঠনে এবং তরুণ প্রজন্মকে ডিভাইস থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। এই বিষয়ে তিনি দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বক্তব্যে তিনি তৃণমূল পর্যায়ের ক্রীড়া উৎসব ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ নিয়েও কথা বলেন। তিনি জানান, চলমান আসরের ফাইনাল রাউন্ড আগামী জুলাইয়ের মধ্যে শেষ হবে এবং পরবর্তী ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ ২০২৬ সালের ১লা সেপ্টেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আবার শুরু হবে, যা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন করবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মো. হেলাল উদ্দিন, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
এছাড়া উল্লেখ্য, টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচে বালক ও বালিকা-উভয় বিভাগেই ময়মনসিংহ জেলাকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে চট্টগ্রাম বিভাগ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শুক্রবার বিকেলে পঞ্চগড় জেলা কার্যালয়ে দোয়া অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম।
তিনি মন্তব্য করেছেন, পুশ ইন করে ভারত আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন ও মানবতাবিরোধী কাজ করছে। আজ শুক্রবার বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলা কার্যালয়ে এ কথা বলেন তিনি।
এ সময় তিনি বলেন, তারা মানুষকে অমানুষিক নির্যাতনের পরিবেশ তৈরি করে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে। বিজিবি ও সীমান্ত এলাকার মানুষের ভূমিকার জন্য তিনি ধন্যবাদ জানান।
ভারতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, এটি বন্ধ করে আপনারা দুই দেশ বসতে পারেন, প্রয়োজনে জাতিসংঘেও আলোচনা হতে পারে। পুশ ইনের কারণে দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট হচ্ছে।
বাজেট সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘বাজেট নিয়ে আমরা আগাম গোলটেবিল বৈঠক করেছিলাম। সেখানে আমরা বলেছি, যদি রক্ষক ভক্ষক হয় তাহলে যত বড় বাজেটই হোক না কেন, কোনো লাভ হবে না। এখানে জবাবদিহিতা থাকতে হবে। পরিচ্ছন্নতা থাকতে হবে।
কোন খাতে কিভাবে অর্থ ব্যয় হয়, তা জাতির সামনে পরিষ্কার করতে হবে। বাজেটের সুফল যেন তৃণমূল পর্যন্ত ভোট করতে পারে, সেই অনুরোধ জানান তিনি।’
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন পঞ্চগড়ের সভাপতি আব্দুল হাই, সহসভাপতি ক্বারী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ