মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:২৬ পি.এম
একসময় মডেল ও অভিনেত্রী আনিকা কবির শখ ছোট ও বড় পর্দায় সমানভাবে ব্যস্ত ছিলেন। সম্প্রতি একটি ফ্যাশন শোতে অংশ নিয়ে তিনি নতুন রূপে সকলকে চমকে দিয়েছেন। সাত মাসের মধ্যে ১৫ কেজি ওজন কমিয়ে বর্তমানে ৫৫ কেজিতে পৌঁছেছেন এই অভিনেত্রী।
শখের এই পরিবর্তনের পেছনে শুধুমাত্র নতুনভাবে নিজেকে উপস্থাপনের ইচ্ছা নয়, বরং স্বাস্থ্যগত কারণও রয়েছে। প্রায় আট মাস আগে চিকিৎসকের কাছে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, তিনি ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় ভুগছেন। এরপর থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি খাদ্যে নিয়ন্ত্রণ আনেন এবং নিয়মিত শরীরচর্চা শুরু করেন।
মা হওয়ার পর শখের ওজন প্রায় ৮০ কেজিতে পৌঁছেছিল। সন্তান জন্মের পর তা কমে ৭০ কেজিতে এলেও এরপর আর ওজন কমছিল না। এর আগে তিনি কয়েকবার খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ ও শরীরচর্চা শুরু করলেও নিয়মিতভাবে তা ধরে রাখতে পারেননি।
তবে এবার স্বাস্থ্যগত কারণে শখ জীবনযাপনে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছেন। তিনি খাবারের তালিকা থেকে গরুর মাংসের পরিমাণও কমিয়েছেন। অভিনেত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, এবারের কোরবানির ঈদে তিনি মাত্র দুই টুকরা গরুর মাংস খেয়েছেন।
বর্তমানে তার খাদ্য তালিকায় বেশি পরিমাণে সবজি, মুরগি ও ডিম রয়েছে। আলুও তিনি বাদ দিয়েছেন। পাশাপাশি, শখ বাড়িতে রান্না করা খাবার খাওয়ার চেষ্টা করছেন এবং নিয়মিত শরীরচর্চা করছেন।
ওজন কমানোর পাশাপাশি শখ অভিনয়ে ফেরার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন। বিয়ে, সংসার ও সন্তানের কারণে দীর্ঘদিন তিনি অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন। ইতোমধ্যে কয়েকজন চলচ্চিত্র পরিচালক তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। ভালো গল্প ও চরিত্র পেলে সিনেমায় নিয়মিত কাজ করার আগ্রহও প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী। তাই তিনি নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তোলার পাশাপাশি নতুন চরিত্রে পর্দায় ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকাল চারটায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেহেনা আক্তার।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর এমপি। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কাউখালী থানার ওসি মোঃ আনোয়ার হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস.এম. আহসান কবীর, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দীন মোহাম্মদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান মিয়া, সাবেক উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শাফিউল আজম দুলাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ সুব্রত কর্মকার, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সোমা সরকার, খাদ্য পরিদর্শক তামান্না জাহান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হান্নান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ শাহ আলম, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, প্রেস ক্লাবের সভাপতি রিয়াদ মাহমুদ সিকদার, সাবেক সভাপতি এনামুল হক প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর এমপি
বলেন,আমাদের সকলকে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে হবে। সত্যের পক্ষে থেকে সৎভাবে জীবন যাপন করাই আমাদের মূল অঙ্গীকার হওয়া উচিত। মাদকের ক্ষেত্রে কোনো আপস করা হবে না,মাদকের মূল হোতাদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে এবং সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে প্রতিটি ইউনিয়নে মাদকের বিরুদ্ধে উঠান বৈঠকের আয়োজন করতে হবে। জনগণ যেন শান্তিতে ও নিরাপদে বাস করতে পারে, তার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেহেনা আক্তার
বলেন,উপজেলার সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং সামাজিক অপরাধ দমনে প্রশাসন সর্বোচ্চ সচেষ্ট রয়েছে। প্রধান অতিথির নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি ইউনিয়নে মাদকের বিরুদ্ধে উঠান বৈঠক ও সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হবে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা শেষে প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশব্যাপী পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টার বিরুদ্ধে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
মিছিল শেষে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর এমপি বলেন, দেশের সার্বিক শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্ট করতে এবং পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে একটি গোষ্ঠী অপরাজনীতি ও সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। যেকোনো মূল্যে এই ধরনের চক্রান্ত প্রতিহত করার জন্য তিনি সর্বস্তরের সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ফুলপুর ও তারাকান্দা উপজেলার ৩টি উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করেন ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনের তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি নিলোফার চৌধুরী মনি। তিনি এ সময় সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সকলকে অবহিত করার আহ্বান জানান।
আজ মঙ্গলবার দুপুর ও বিকেলে পৃথক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নবনির্মিত উন্নয়ন কাজগুলোর উদ্বোধন করেন এই এমপি।
উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে- তারাকান্দায় ফজলুল হক চৌধুরী মহিলা কলেজের নবনির্মিত ভবনের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন, ডোহাতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন এবং ফুলপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন।
এছাড়া, তিনি তারাকান্দা উপজেলা প্রশাসনের অর্থায়নে নির্মিত মিনি লাইব্রেরির উদ্বোধন করেন এবং পুষ্পকানন পরিদর্শন করেন এমপি নিলোফার চৌধুরী মনি। পরে, তিনি ফুলপুর উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মউক) চেয়ারম্যান ও উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোতাহার হোসেন তালুকদার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আমিনুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাধনা ত্রিপুরা, ফজলুল হক চৌধুরী মহিলা কলেজের সভাপতি রাকিব তালুকদারসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রমজান কাদিরভ, যিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী, পঞ্চমবারের মতো রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় মুসলিম-অধ্যুষিত চেচনিয়া প্রজাতন্ত্রের নেতা নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি প্রায় ১০০ শতাংশ ভোট পেয়ে এই বিজয় অর্জন করেছেন।
রাশিয়ার নির্বাচন কমিশন সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার রাশিয়ায় জাতীয় সংসদ, আঞ্চলিক আইনসভা এবং গভর্নর নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরুর সাড়ে চার বছরেরও বেশি সময় পর, দেশটির কঠোর নিয়ন্ত্রিত রাজনৈতিক ব্যবস্থার জন্য এই নির্বাচনকে একটি পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছিল। ফলাফলে দেখা যায়, অধিকাংশ যুদ্ধবিরোধী প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পাননি, ফলে ক্রেমলিন-সমর্থিত দল ও প্রার্থীরা ব্যাপক জয় লাভ করেছে।
রাশিয়ার কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন জানায়, কাদিরভ চেচনিয়ায় ৯৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। ২০২১ সালের নির্বাচনে তার প্রাপ্ত ভোট ছিল ৯৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ। ছোট ও পাহাড়ি এই অঞ্চলের নির্বাচনের পরিচালনা নিয়ে অতীতে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের পক্ষ থেকে তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে।
কাদিরভ এসব সমালোচনাকে প্রত্যাখ্যান করে বলেন, এগুলো তার শাসনকে দুর্বল করার জন্য পশ্চিমা-সমর্থিত প্রচেষ্টা। তিনি নিয়মিতভাবে পুতিনের প্রতি নিজের আনুগত্য প্রকাশ করেন। ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তিনি কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন এবং দাবি করেন, ২০২২ সাল থেকে তার চেচেন বাহিনী সেখানে লড়াই করছে।
পুতিনের কাছ থেকে ব্যাপক স্বাধীনতা পেয়ে কাদিরভ চেচনিয়াকে অনেকটাই নিজের ব্যক্তিগত নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চল হিসেবে পরিচালনা করেন। এর বিনিময়ে তিনি ইসলামপন্থি ও রাশিয়াবিরোধী বিদ্রোহের পর ১৯৯০-এর দশকে অঞ্চলটিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার দায়িত্ব পালন করছেন।
কাদিরভের ক্ষমতায় উত্থান ঘটে তার বাবা আখমাত কাদিরভের মৃত্যুর পর। ২০০৪ সালে বিদ্রোহীদের চালানো এক বোমা হামলায় আখমাত নিহত হন। মানবাধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে কাদিরভের সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ করে আসছে।
এছাড়া সাংবাদিক ও সমকামী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিপীড়নের অভিযোগও রয়েছে। তবে কাদিরভ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাগুরা জেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত একটি মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী বলেন, "সরকারি কাজে আবেগ নয় বিবেক দিয়ে কাজ করতে হবে।" সভাটি মাগুরার আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সার্বিক সরকারি কার্যাবলী তদারকি ও সমন্বয়ের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মাগুরার জেলা প্রশাসক মোতাকাব্বীর আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য অ্যাড. নেওয়াজ হালিমা আরলী।
এছাড়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক আলী আহমেদ, পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. শামীম কবির, মাগুরা প্রেস ক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক সাইদুর রহমান, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, কায়সার হামিদ, নির্বাহী প্রকৌশলী (ওজোপাডিকো) পলাশ কুমার ঘোষ এবং জিপি মনজুরুল হাসান বক্তব্য রাখেন।
মন্ত্রী মহোদয় সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, "ব্যক্তিগত পছন্দের কারণে সরকার ক্ষতিগ্রস্ত হয় এমন কাজ করলে তাকে জবাবদিহিতার আওতায় আসতে হবে।" তিনি আরো বলেন, কাজের গুণগত মান অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করতে হবে এবং সৎ ও যোগ্য হলে সরকারি কর্মকর্তাদের কাউকে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, গুপ্ত ও সুপ্তরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে নানা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তার মধ্যে মাত্র কয়েক মাসে কৃষি ঋণ মওকুফ, ফ্যামিলি কার্ড, খাল খনন, কৃষক কার্ড ও ইমামদের ভাতা চালু করা হয়েছে। তিনি পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া কর্মসূচি বাস্তবায়নে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এবং গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার প্রকৃত কারণ জনগণকে অবহিত করার মাধ্যমে গুপ্ত ও সুপ্তদের ষড়যন্ত্রের সুযোগ করে দেওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেন।
সবাইকে তিনি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এই কথাটি স্মরণ রাখার আহ্বান জানান। মন্ত্রী পরে জেলা বিএনপির এক কর্মীসভায় অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ