সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:২৭ পি.এম
কুমিল্লার তিতাস উপজেলা প্রেস ক্লাবের ২৫ সদস্যের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রেস ক্লাবের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ত্রিবার্ষিক কাউন্সিলে সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে দৈনিক ইত্তেফাকের তিতাস সংবাদদাতা নাজমুল করিম ফারুককে সভাপতি এবং দৈনিক কালের কণ্ঠের তিতাস-হোমনা প্রতিনিধি তাসীন তিহামীকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আগামী তিন বছরের জন্য নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
নবগঠিত কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি পদে দৈনিক খবরের সামসুদ্দিন আহমেদ সাগর নির্বাচিত হয়েছেন। সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন দৈনিক দিন প্রতিদিনের মো. জহিরুল ইসলাম পাশা এবং দৈনিক আলোকিত সকালের মো. মাহবুবুর রহমান।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দৈনিক যায়যায়দিনের তোফাজ্জল হোসেন শাকিল ও দি বিজনেস টাইমসের মো. শরিফুল ইসলাম শিকদার। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার মো. বিল্লাল মোল্লা এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের মো. তাজুল ইসলাম মুন্সী।
কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক বাংলাদেশ সমাচারের আব্দুর রহিম, দপ্তর সম্পাদক পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদের আহনাফ তিহামী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক গড়ব বাংলাদেশের মো. রমিজ মিয়া, শিক্ষা ও সাহিত্যবিষয়ক সম্পাদক পদে রয়েছেন শিক্ষা বার্তার মো. শাহজামান শুভ, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন দৈনিক তরুণ কণ্ঠের সাইফুল ইসলাম নাজমুল, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে রয়েছেন দৈনিক প্রথম বাংলার সঞ্জয় চন্দ্র দাস, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন দৈনিক আজকের খবরের মো. হানিফ মিয়া এবং তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক পদে রয়েছেন দৈনিক আমার শহরের খন্দকার ফরমুজ আহমেদ।
কমিটির সাধারণ সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন সাপ্তাহিক বাংলা বার্তার মো. কামরুল হাসান সরকার, দি বাংলা ইন্ডিপেনডেন্টের মোহাম্মদ শাহজাহান, দৈনিক গণমানুষের আওয়াজের বাবুল আহমেদ, এনটিভি অনলাইনের মো. হাবিবুর রহমান, কুমিল্লার পেপারের কাজী মো. নাহিদ, দৈনিক কুমিল্লার জমিনের সম্রাট শাহজাহান, কুমিল্লা প্রকাশের মো. এমরান হোসেন এবং সাফা নিউজের মো. আনিছুর রহমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড ফেরান তোরেস ছয় ম্যাচে ৩২৫ মিনিট মাঠে থেকে সাত গোল করেছেন; মার্শেইয়ের বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমে গোল করে পিএসজিকে জয় এনে দিয়েছেন।
প্যারিস সাঁ জার্মাঁতে যোগ দেওয়ার পর থেকে গোলের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন ফেরান তোরেস। ২০২৬-২৭ মৌসুমে, তিনি ছয় ম্যাচে মাত্র ৩২৫ মিনিট খেলে সাত গোল করেছেন। এর মানে প্রতি ৪৬.৪ মিনিটে তিনি একটি করে গোল করেছেন।
তোরেসের সাত গোলের মধ্যে রেনের বিপক্ষে দুটি, স্লোভান ব্রাতিস্লাভার বিপক্ষে তিনটি, ব্রেস্টের বিপক্ষে একটি এবং সর্বশেষ মার্শেইয়ের বিপক্ষে একটি রয়েছে। স্লোভানের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে তিনি হ্যাটট্রিক করেছেন এবং ব্রেস্ট ও মার্শেইয়ের বিপক্ষে টানা গোল করেছেন।
একটি চমকপ্রদ বিষয় হলো, তোরেস ছয় ম্যাচের মধ্যে সবগুলোতে শুরু থেকে খেলেননি। তিনি তিনবার শুরু করে মোট ৩২৫ মিনিট মাঠে ছিলেন। এই সময়ের মধ্যে সাত গোল করার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতি গোলের জন্য তার সময় লাগে মাত্র ৪৬.৪ মিনিট।
পিএসজির হয়ে তোরেসের বর্তমান পরিসংখ্যান হলো: ৬ ম্যাচ | ৩২৫ মিনিট | ৭ গোল | প্রতি গোলে ৪৬.৪ মিনিট।
মার্শেইয়ের বিপক্ষে ম্যাচে তোরেসের প্রভাব ছিল স্পষ্ট। প্রথমার্ধে গোলশূন্য থাকার পর, ম্যাচের ৫৯ মিনিটে খভিচা কাভারাত্সখেলিয়ার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন তিনি। মাত্র সাত মিনিট পরেই গোল করে পিএসজিকে এগিয়ে দেন।
৬৬ মিনিটে দেজিরে দুএর বাঁ দিক থেকে ভেতরে কাটা ক্রস প্রথম পোস্টে পেয়ে যান তোরেস। ছয় গজের কাছ থেকে হেডে বল জালে পাঠান তিনি। পিএসজির হয়ে সেটিই ছিল তাঁর ম্যাচের একমাত্র শট, যা গোল হয়ে যায়।
তোরেসের গোলের পর ম্যাচের গতিপথ পরিবর্তিত হয়। ৭২ মিনিটে আনহেল গোমেস মার্শেইকে সমতা ফেরান। কিন্তু দুই মিনিট পর মারকিনিওস আবার পিএসজিকে এগিয়ে দেন। শেষ দিকে তিমোথি ওয়েয়া দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে মার্শেই ১০ জনের দলে পরিণত হয়। শেষ পর্যন্ত পিএসজি ২-১ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
ম্যাচে তোরেস শুধু গোলই করেননি, বদলি হিসেবে নেমে অল্প সময়ের মধ্যে ম্যাচের গতিপথ বদলে দিয়েছেন। পিএসজির অফিসিয়াল ম্যাচ রিপোর্টে তাঁকে ম্যাচসেরা নির্বাচিত করা হয়েছে।
এটি কোনো একক ম্যাচের পারফরম্যান্স নয়, বরং ছয় ম্যাচের মধ্যে তাঁর পাঁচটি গোল এসেছে শেষ তিন ম্যাচে—স্লোভান ব্রাতিস্লাভার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক, ব্রেস্টের বিপক্ষে একটি এবং মার্শেইয়ের বিপক্ষে একটি।
বার্সেলোনা থেকে পিএসজিতে আসার পর তোরেসকে নিয়ে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তার শুরুতেই জবাব দিচ্ছেন তিনি। মাত্র ৩২৫ মিনিটে সাত গোলের পরিসংখ্যান বলছে, পিএসজির আক্রমণভাগে নিয়মিত শুরুর একাদশে জায়গা পাওয়ার দাবিটা ক্রমেই জোরালো করছেন এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজনীতির ক্ষেত্রে মতভেদ থাকা একটি স্বাভাবিক ব্যাপার, কিন্তু শহরের উন্নয়নের বিষয়টি সামনে রেখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি একত্রে বসতে চলেছেন। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে মেয়রের সরকারি বাসভবন ‘গ্র্যাসি ম্যানশন’-এ।
হোয়াইট হাউস এবং নিউ ইয়র্ক মেয়র কার্যালয় উভয় পক্ষই বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। মেয়র কার্যালয় জানিয়েছে, নিউ ইয়র্ক শহরের বিভিন্ন সমস্যা এবং উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে দুই নেতার মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
রাজনৈতিক আদর্শের দিক থেকে ট্রাম্প এবং মামদানি সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর প্রতিনিধিত্ব করেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প রিপাবলিকান দলের শীর্ষ নেতা, অন্যদিকে মামদানি ডেমোক্রেটিক দলের একজন পরিচিত মুখ এবং সমাজতন্ত্রী। তবে রাজনৈতিক ভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক বেশ আন্তরিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ।
এর আগে তাদের মধ্যে বেশ ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এ বছরের শুরুতে হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে দুই নেতা মুখোমুখি ছিলেন। বৈঠক শেষে মামদানি জানান, নিউ ইয়র্ক সিটির উভয়ের জন্মস্থান হওয়ায় ট্রাম্পের সাথে সাধারণ মানুষের জন্য নতুন আবাসন গড়ে তোলার বিষয়ে তার আলোচনা খুবই ইতিবাচক হয়েছে।
একসময় পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল। নির্বাচনের আগে ট্রাম্প মামদানিকে ‘কম্যুনিস্ট’ বলে সমালোচনা করেছিলেন। তবে নির্বাচনে মামদানি চমক দেখিয়ে জয়ী হওয়ার পর পরিস্থিতি পাল্টে যায়। গত নভেম্বরে ওভাল অফিসে মামদানিকে পাশে বসিয়ে ট্রাম্প তার প্রশংসা করেন।
সেদিন ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছিলেন, এখানে রাজনৈতিক দল বা মতাদর্শের কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। মামদানি যদি ভালো কাজ করেন, তাহলে তিনি সবচেয়ে বেশি খুশি হবেন এবং নিউ ইয়র্ককে নিরাপদ করার লক্ষ্যে মেয়রকে সব ধরনের সহযোগিতা করবেন।
মামদানির রাজনৈতিক উত্থান পুরো যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে এক নতুন প্রবাহ সৃষ্টি করেছে। তিনি দ্রুত দেশের প্রভাবশালী ডেমোক্র্যাট নেতাদের একজন হয়ে উঠেছেন। রাজনৈতিক বিরোধীদের চোখ রাঙানি থাকলেও, নিউ ইয়র্কের মানুষের কল্যাণের জন্য ট্রাম্প ও মামদানির এক টেবিলে বসা মার্কিন রাজনীতিতে একটি ইতিবাচক বার্তা প্রদান করছে।
সূত্র: দ্য হিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকাগামী ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ ট্রেনের একটি বগি চট্টগ্রামের পটিয়ায় লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে কক্সবাজারের সঙ্গে ঢাকা ও চট্টগ্রামের রেল যোগাযোগ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেছে।
রেলওয়ে সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি পটিয়া স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে একটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এর ফলে ওই লাইনে ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে। তবে এই ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
বিস্তারিত আসছে...
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হাম উপসর্গে সারা দেশে (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) গত ২৪ ঘণ্টায় ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ২২১ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৮৪ জন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৯৬২ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ১০১ জন।
গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮১ হাজার ৩৫ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার ৬৪৬ জন।
গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম নিয়ে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৫৮৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হন এবং চিকিৎসা শেষে ১ লাখ ৫২ হাজার ২২৫ জন রোগী ছাড়পত্র পেয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।
গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি সন্দেহজনক মোট হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮০৪ জন। আর হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়া মোট রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৪৮ জন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ