বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৪৯ পি.এম
হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। চলতি বছরে নিশ্চিত হামে মৃতের সংখ্যা ১০০ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৯৪৪ জনে পৌঁছেছে। সব মিলিয়ে, হামে ও হামের উপসর্গের কারণে মোট ১ হাজার ৪৪ শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বুলেটিনে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় (মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সিলেট বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে তিনজন মারা গেছে। এই সময়ের মধ্যে হাম ও উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ৩২০ জন শিশু দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৫০৯ জন, রাজশাহীতে ২৯, সিলেটে ১৯৪, চট্টগ্রামে ২৮৬, বরিশালে ১২৫, ময়মনসিংহে ৬৩, খুলনায় ৯৭ এবং রংপুরে ১৭ জন রয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৫৪ হাজার ৪২০ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪৬৫ জন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানায়, গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে সন্দেহজনক হামের রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৭৫ হাজার ১৯৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে ২০ হাজার ২৮২ শিশু নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এর শহিদ ফেলানী হলের শিক্ষার্থীদের উন্নত সুবিধা নিশ্চিত করতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আধুনিক রিডিং রুম ও সেমিনার রুমের আধুনিকীকরণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে শহিদ ফেলানী হলের নিচ তলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাসহ আধুনিকায়ন করা রিডিং রুম ও সেমিনার রুমের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী।
উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী বলেন, “শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে আমরা বদ্ধপরিকর। শহিদ ফেলানী হলের বিভিন্ন সমস্যা আমরা ধাপে ধাপে সমাধান করছি। গরমের দিনে বা পরীক্ষার সামনে শিক্ষার্থীরা যেন কোনো প্রকার বিঘ্ন ছাড়াই পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেন, সেজন্য এসি রুম ও পর্যাপ্ত আধুনিক সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে।”
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মোঃ ফেরদৌস রহমান এবং শহিদ ফেলানী হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. মোছাঃ সিফাত রুমানা। এছাড়াও হলের সহকারী প্রভোস্টবৃন্দ, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টলিপাড়ায় বিয়ের গুঞ্জন চলছে। পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী, যিনি ‘দুষ্টু কোকিল’ নামে পরিচিত, শিগগিরই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন বলে খবর ছড়িয়েছে। এই খবরটি ভক্তদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। তবে, মিমি এখনও বিয়ে বা প্রেম নিয়ে কোনো কিছু প্রকাশ্যে বলেননি।
তবে, অভিনেত্রী একেবারে নীরবও থাকেননি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে তাঁর পোস্টে বিশেষ একজনের উপস্থিতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। সেই ব্যক্তির পরিচয় তিনি বরাবরই গোপন রেখেছেন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে, মিমি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ কিছু সেলফি প্রকাশ করেন। ছবিগুলোর মধ্যে মেকআপ ছাড়া এবং মেকআপ করা—দুই ধরনের ছবি ছিল।
ছবিগুলোর সঙ্গে মিমি লিখেছেন, ‘সেলফি কুমারী। বিনা মেকআপেরগুলো আমার পছন্দ, আর মেকআপওয়ালাগুলো ওনার।’
মিমির এই ‘ওনার’ শব্দটি নতুন কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। মিমির ঘনিষ্ঠ বন্ধু অঙ্কুশ হাজরা বন্ধুর সঙ্গে মজা করার সুযোগ হাতছাড়া করেননি। তিনি মন্তব্যে প্রশ্ন করেছেন, ‘এই ওনার-টা কে?’
মিমির প্রশ্নের জবাবে তিনি অবশ্য বন্ধুকে ছাড় দেননি। মিমি লিখেছেন, ‘মাইন্ড ইয়োর ওন বিজনেস।’
মিমি ও অঙ্কুশের এই খুনসুটি নতুন নয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রায়ই একে অপরের পোস্টে মজার মন্তব্য করতে দেখা যায় তাঁদের।
তবে, এবার মিমির ‘ওনার’ শব্দটি আলাদা করে নজর কেড়েছে। কারণ, এরই মধ্যে অভিনেত্রীর বিয়ের খবর নিয়ে জোর আলোচনা চলছে।
শোনা যাচ্ছে, নভেম্বরেই বাগদান ও আইনি বিয়ে সম্পন্ন করতে পারেন মিমি। এরপর ডিসেম্বর মাসে আনুষ্ঠানিক বিয়ের আয়োজন হতে পারে। এই বিয়ের স্থান হতে পারে পাহাড়ি শহর কালিম্পং, অর্থাৎ ডেস্টিনেশন ওয়েডিংয়ের আয়োজনেই চার হাত এক হওয়ার কথা রয়েছে। মিমির শিকড়ও জলপাইগুড়িতে।
এদিকে, বিভিন্ন সূত্রের দাবি, মিমির হবু বর চলচ্চিত্র জগতের কেউ নন। তিনি ভারতীয় নৌবাহিনীতে কর্মরত এবং তাঁর নাম সিদ্ধার্থ। তবে, তাঁর পরিচয় বা মিমির সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়ার মঞ্চে আলো ঝলমলে র্যাম্প, ফটো শুট এবং মুকুটের লড়াইয়ের পর উমাঙ্গা কুমাওয়াত আবারও তাঁর পরিচিত জীবনে ফিরে এসেছেন। মডেলিংয়ের মঞ্চ থেকে সরাসরি বেঙ্গালুরুর গুগল অফিসে ফিরে তিনি ল্যাপটপ খুলে কাজে বসেছেন।
হিন্দুস্তান টাইমসের একটি প্রতিবেদন এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
মধ্যপ্রদেশের প্রতিনিধিত্ব করে ‘মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়া-২০২৬’-এর সেরা ২০-তে স্থান অর্জন করেছিলেন উমাঙ্গা। প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার কিছু সপ্তাহ পর ১৪ সেপ্টেম্বর ইনস্টাগ্রামে তিনি নিজের কর্মদিবসের একটি ভিডিও শেয়ার করেন।
ভিডিওতে দেখা যায়, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পোশাক বেছে নিয়ে ল্যাপটপ, ব্যাকপ্যাক এবং ইয়ারবাড নিয়ে গুগলের বেঙ্গালুরু ক্যাম্পাসের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে আসছেন তিনি।
অফিসে পৌঁছানোর পর সরাসরি ডেস্কে বসেননি উমাঙ্গা। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি প্রথমে কোম্পানির ওয়েলনেস সুবিধায় চলে যান। সেখানে ট্রেডমিলে হাঁটার পাশাপাশি স্ট্রেচিং এবং লেগ লিফট করতে দেখা যায় তাঁকে।
এরপর পোশাক ঠিক করে কাজে মনোনিবেশ করেন তিনি। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শুরু হয় তাঁর নিয়মিত অফিসের কাজ। ল্যাপটপে কাজ করার পাশাপাশি নোটবুক এবং বিভিন্ন নথি নিয়ে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায় তাঁকে।
দুপুর ২টা ১০ মিনিটে আসে লাঞ্চের সময়। গুগলের ক্যান্টিনে খাবারের বিশাল আয়োজনের মধ্যে বিরিয়ানি, ফল এবং ডেজার্ট ছিল। তবে উমাঙ্গা বেছে নেন সবজি দিয়ে তৈরি এক বাটি গরম নুডলস স্যুপ।
বিকেল ৩টার দিকে তিনি আবার ডেস্কে ফিরে কাজে বসেন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কাজের জায়গা বদলে ক্যাম্পাসের একটি শান্ত লাউঞ্জে চলে যান। বড় কাচের জানালার পাশে বসে সেখান থেকেই ল্যাপটপে কাজ চালিয়ে যান।
বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কফি বিরতির সময় আসে। গুগলের চা-কফি কর্নারে একটি ইন্টার্যাকটিভ কিয়স্ক ব্যবহার করে উমাঙ্গা গরম পানীয় গ্রহণ করেন।
এরপর দিনের কাজ শেষ করে লিফটে করে অফিস থেকে বেরিয়ে যান তিনি। মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়ার মঞ্চের ঝলমলে পরিবেশের সঙ্গে তাঁর এই সাধারণ অফিসজীবনের পার্থক্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজর কেড়েছে।
সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মঞ্চে অংশগ্রহণের পাশাপাশি নিজ পেশাগত জীবনও সমানভাবে চালিয়ে যাওয়া যায়, উমাঙ্গার এই ভিডিওতে সেটিই প্রতিফলিত হয়েছে। মুকুটের লড়াই শেষ করে তিনি আবার ফিরে গেছেন নিজের পরিচিত জগতে—একজন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে গুগলের অফিসে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী মহানগরীর পৃথক দুই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর) মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে শাহমখদুম থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় নগরীর ভুগরইল মধ্যপাড়া এলাকা থেকে ইমন আলী (২৬) নামের এক যুবককে পাঁচটি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আটক করা হয়। তিনি ওই এলাকার মোঃ হোসেন আলীর ছেলে।
পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট রাখার অভিযোগে ইমন আলীকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, একই দিন বিকালে সোয়া ৩টার দিকে চন্দ্রিমা থানা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালায় পুলিশ। মেহেরচন্ডি মোড় এলাকায় মাদক সেবন ও সংরক্ষণের অভিযোগে মোঃ রুবেল ইসলাম (২২) নামের এক যুবককে আটক করা হয়। তিনি মেহেরচন্ডি কড়াইতলা এলাকার মোঃ কেতাবুল ইসলামের ছেলে।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে বুবেল ইসলামকে চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।#
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ