১২:৫০ এম
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ইয়াং এন্টারপ্রেনার্স সোসাইটির আয়োজনে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় মার্কেটিং ও বিজ্ঞাপন প্রতিযোগিতা ‘অ্যাড মেকার বাংলাদেশ ২০২৬’-এর গ্র্যান্ড ফিনালে, চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইবিএ-এর ‘অ্যাডভেঞ্জার্স’। প্রথম রানার্সআপ হয়েছেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের টিম ‘আর্ক ক্রু’ এবং দ্বিতীয় রানার্সআপ হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিম ‘মাথা নষ্ট’।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর র্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনে গ্র্যান্ড ফিনাল অনুষ্ঠিত হয়।
আরও পড়ুন: সাত মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল চীনের তিব্বত
আয়োজকরা জানায়, এটি বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের আয়োজিত অন্যতম বৃহৎ মার্কেটিং প্রতিযোগিতা। তরুণদের মধ্যে মার্কেটিং, বিজ্ঞাপন ও ব্র্যান্ড যোগাযোগের ক্ষেত্রে সৃজনশীল চিন্তা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা ছড়িয়ে দিতে এটি আয়োজন করা হয়েছে। শিল্পখাতের অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সরাসরি কাজের সুযোগ তৈরি করে ভবিষ্যৎ মার্কেটার ও ব্যবসায় নেতৃত্ব তৈরিতে প্রতিযোগিতাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তারা জানায়, এবারের একাদশতম আসরে সারা দেশের ৩৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯০০টির বেশি দল অংশ নেয়। কয়েকটি ধাপে প্রতিযোগিতা শেষে ছয়টি দল গ্র্যান্ড ফিনালে অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়। চ্যাম্পিয়ন দলকে তিন লাখ, প্রথম রানার্সআপকে দুই লাখ এবং দ্বিতীয় রানার্সআপকে এক লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
প্রতিযোগিতাটির প্রেজেন্টিং পার্টনার ছিল ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি।
মায়া ছিল কো-স্পনসর এবং এসকিউ অ্যাগ্রিকালচার লিমিটেড অ্যাসোসিয়েট পার্টনার হিসেবে যুক্ত ছিল। মিডিয়া পার্টনার হিসেবে যুক্ত ছিল দৈনিক কালের কণ্ঠ।
আরও পড়ুন: নিছিদ্র নিরাপত্তায় দুর্গাপূজা, ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি পরিদর্শন করলেন শতাধিক মণ্ডপ
অতিথি হিসেবে উপলব্ধ ছিলেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী, ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসান ও. রশিদ, একাত্তর মিডিয়া লিমিটেডের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সেলস স্ট্র্যাটেজির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মোস্তাফিজুর রহমান, ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা শফিক মুশাররফ, প্রাইম ব্যাংক ফিনটেক লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ আমিনুর রহমান ও পারটেক্স স্টার গ্রুপের হেড অব বিজনেস সৈয়দুল আজহার সারওয়ার।
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী বলেন, অ্যাড মেকার প্রতিযোগিতা একটি ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন। এখানে ক্লাসরুমের বাহিরে এসে শিক্ষার্থীরা বাস্তব জীবনের ব্যবহারিক জ্ঞান সম্পর্কে ধারণা নিতে পারছেন।
পণ্যের বিপণন কৌশল, ভোক্তার চাহিদা, বাজার পরিস্থিতি, সৃজনশীলতা ও কৌশলগত চিন্তার সমন্বয় ঘটাচ্ছেন। এর ফলে তাদের সমস্যা সমাধানের দক্ষতা, দলগতভাবে কাজ করার সক্ষমতা এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিজ্ঞতা তৈরি হচ্ছে। ভবিষ্যতে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে ধরনের জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে, এ ধরনের আয়োজন সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আরও পড়ুন: ঢাকায় আগামী শনিবার অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ইমাম সম্মেলন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন