বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৩২ পি.এম
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মন্তব্য করেছেন, ‘ষড়যন্ত্র করে কখনো মানুষের হৃদয় জয় করা যায় না। পলাতক স্বৈরাচারী চক্র দেশে ফেরার চেষ্টা করলেও বাংলাদেশের জনগণ তাদের প্রতিহত করবে।’
তিনি বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম হামিদুল হক মোহনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ আমাদের দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছেন। যারা জনগণকে হত্যা করেছে, গুলি করেছে এবং পালিয়ে গেছে, তারা আবার বলছে দ্বিগুণ ভয়ংকর হয়ে বাংলাদেশে আসবে। বাংলাদেশের জনগণই তাদের প্রতিরোধ করবে, প্রতিহত করবে। তাদের যে বিচার হয়েছে, জনগণ সেই বিচার কার্যকর করবে, ফাঁসির রায় কার্যকর করবে, ইনশাআল্লাহ।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘দেশের মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রেখেছে। দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বেই দেশের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা সম্পূর্ণ নিরাপদ। স্বাধীনতাবিরোধী, একাত্তরের রাজাকার কিংবা নব্য ফ্যাসিবাদী শক্তি—কারো কাছেই দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিরাপদ নয়।’
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘একটি দল স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কাজ করেছে, তাদের রাজাকার বলা হয়। আরেকটি দল নব্য ফ্যাসিবাদ হিসেবে বিদায় নিয়েছে। তারা অসংখ্য মানুষকে হত্যা করেছে, কিন্তু তাদের কোনো অনুশোচনা নেই। একইভাবে একাত্তরে যারা রাজাকার ছিল, তাদেরও কোনো অনুশোচনা নেই। তারা দেশে ষড়যন্ত্র করলেও সফল হতে পারবে না। কারণ, ষড়যন্ত্র করে কখনো মানুষের হৃদয় জয় করা যায় না।’
জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশপ্রেমকে বুকে ধারণ করে সবাইকে পথ চলতে হবে। বাংলাদেশকে বুকে ধারণ করে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে এগিয়ে যেতে হবে। দেশের মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছে। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ ও সজাগ থাকি, তাহলে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে পরাজিত করার মতো কোনো শক্তি নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে দেশকে আত্মনির্ভরশীল করেছিলেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাদের ধারাবাহিকতায় জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে বিএনপি দেশকে একটি উন্নত ও স্বনির্ভর রাষ্ট্র হিসেবে এগিয়ে নিয়ে যাবে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন। সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক সানু। এ সময় আরো বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পাহেলী ও সফিকুর রহমান খান সফিক, টাঙ্গাইল সদর থানা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ ইয়েমেনে রক্তক্ষয়ী সংঘাত ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। চলমান সামরিক সংঘাতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে গত আগস্ট মাসের শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে ৮,৫১৩ জন হতাহত হয়েছেন। এই ভয়াবহ চিত্রটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডাব্লিউএইচও) সর্বশেষ প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
ডাব্লিউএইচও জানিয়েছে, আগস্টের শুরু থেকে চলমান এই সংঘাতে অন্তত ১,৫৭৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং ৬,৯৩৯ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
সংস্থাটির সর্বশেষ আট দিনের প্রতিবেদনে কেবল ২৯২ জন নিহত এবং ১,০৪৮ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। দীর্ঘ তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে চলমান এই প্রাণঘাতী সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। তবে হতাহতদের মধ্যে সাধারণ নাগরিক এবং সামরিক বাহিনীর সদস্যদের সংখ্যা সম্পর্কে নির্দিষ্ট কিছু জানায়নি সংস্থাটি।
বর্তমানে দেশটির সংকটময় পরিস্থিতি এবং চিকিৎসাসেবার তীব্র ঘাটতি নিয়ে জাতিসংঘ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের হিমছড়ি সৈকতে বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এস এম নাফিসুর রহমান নিবিড়ের (২৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় মোট ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার হলো।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে হিমছড়ি ভাঙার মোড় এলাকার এক্সোটিকা সাম্পান সংলগ্ন সৈকত পয়েন্টে সাগরের জোয়ারের পানিতে তার মরদেহ ভেসে ওঠে। পরে স্থানীয় লোকজন এবং উদ্ধারকারী দল মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত নাফিসুর রহমান নিবিড় রাজধানীর আজমপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইয়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE) বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২১ অক্টোবর (বুধবার) বিকেলে ঢাকা থেকে আসা একদল পর্যটক হিমছড়ির পেঁচারদ্বীপ জাদুঘর সংলগ্ন সৈকত পয়েন্টে গোসল করতে নামে। সাগরের প্রবল স্রোত ও উত্তাল ঢেউয়ের তোড়ে তারা ভেসে যেতে থাকলে তাৎক্ষণিকভাবে কয়েকজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও নিবিড়সহ কয়েকজন নিখোঁজ হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার শাজাহানপুরের জালশুকা পশ্চিমপাড়া গ্রামের কৃষক রানা মিয়া (৩২) মাত্র ২৭ শতক জমিতে হাইব্রিড মরিচ চাষ করে এখন লাখপতি হয়ে উঠেছেন। তিনি কৃষক নুরুল ইসলামের ছেলে। তাঁর সফলতার গল্প এবং বাম্পার ফলন হওয়া মরিচ খেতটি একনজর দেখার জন্য প্রতিদিন আশপাশের এলাকার উৎসুক কৃষকেরা জালশুকা পশ্চিমপাড়া গ্রামে ভিড় করছেন।
কৃষক রানা মিয়া জানান, তাঁর এলাকায় প্রায় দুই যুগ ধরে হাইব্রিড মরিচের চাষ হয়ে আসছে। তিনি নিজেও কয়েক বছর ধরে এই চাষ করছেন। ফলনের মাত্রা হাইব্রিড মরিচের জাতের ওপর নির্ভরশীল। কিছু জাতের ফলন কম, আবার কিছু জাতের ফলন বেশি হয়। রোগবালাইও জাতের ওপর নির্ভর করে। এবারে ওই এলাকার কৃষকরা টাইগার হট, কারিশমা, গ্রিন সুপার, কোরিয়ান ডিজি, গোল্ডেন কিং, ডিজি-১৮১৮, গোল্ডেন প্লাস, পেট্রোল প্রভৃতি জাতের হাইব্রিড মরিচ চাষ করেছেন। তবে রানা মিয়া ২৭ শতক জমিতে টাইগার হট জাতের মরিচ চাষ করেছেন। চারা রোপণের ২ মাসের মধ্যে মরিচ ধরতে শুরু করে। বর্তমানে তাঁর মরিচ খেতের বয়স ৩ মাস। ইতোমধ্যে ৩ দফায় ৩৮ মণ মরিচ আহরণ করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য ১ লাখ ১০ হাজার টাকা। অপরদিকে, ২৭ শতক জমিতে মরিচ আবাদ করতে তাঁর খরচ হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। মরিচের ফলন পাওয়া যাবে আরও ৬ মাস পর্যন্ত। কৃষক রানা মিয়া আশা প্রকাশ করেন যে, ২৭ শতক জমি থেকে আরও ২ লাখ টাকার মরিচ তুলতে পারবেন।
পার্শ্ববর্তী মোস্তাইল গ্রামের বাসিন্দা মাওলানা শাহজাহান আলী জানান, তিনি বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে মরিচ চাষে কৃষক রানা মিয়ার সফলতার গল্প শুনতে এবং বাম্পার ফলন হওয়া মরিচ খেতটি দেখতে জালশুকা পশ্চিমপাড়া গ্রামে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি আরও অনেক উৎসুক কৃষককেও দেখতে পান। তিনি বলেন, "রানা মিয়ার মরিচ খেতের ফলন সত্যিই অবাক করার মতো। প্রতিটি গাছ থেকে এক তোলাতেই অর্ধকেজি মরিচ পাওয়া যাচ্ছে। এমন বাম্পার ফলন কৃষকের জন্য অত্যন্ত লাভজনক হবে।" একই সাথে বাজারে মরিচের চাহিদা পূরণেও এটি ভূমিকা রাখবে।
শাজাহানপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনা খাতুন জানান, উচ্চমূল্যের ফসলের মধ্যে হাইব্রিড মরিচ অন্যতম। শাজাহানপুরের কৃষকরা হাইব্রিড মরিচ চাষের পাশাপাশি মরিচের চারা উৎপাদনেও এগিয়ে রয়েছেন। উপজেলার শাহনগর গ্রামে মরিচের চারা উৎপাদনে নার্সারি পল্লী গড়ে উঠেছে। ধীরে ধীরে আশপাশের গ্রামেও ছড়িয়ে পড়ছে চারা উৎপাদনের কার্যক্রম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কবি, অনুবাদক ও সাংবাদিক রথো রাফি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৫১ বছর।
এহতেশাম, তার ভাই, মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন।
রথো রাফি গত সোমবার থেকে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুস ও কিডনির জটিলতায় ভুগছিলেন।
বাংলা কবিতায় রথো রাফি ছিলেন এক স্বতন্ত্র কণ্ঠ—নিরাভরণ, মিতভাষী অথচ নিজস্ব কাব্যভাষা নির্মাণে সচেষ্ট। কবিতা ও অনুবাদে তিনি গড়ে তুলেছিলেন আলাদা এক জগৎ। তার অকাল প্রয়াণে বাংলা সাহিত্য হারাল এমন এক কবিকে, যিনি দীর্ঘ সময় বই প্রকাশের আড়ালে থেকেও সমকালীন কবিতার পরিসরে নিজের অবস্থান তৈরি করেছিলেন। তিনি রেখে গেছেন একমাত্র কাব্যগ্রন্থ অক্ষর ও বালির পৃথিবী, বিশ্বসাহিত্যের বিভিন্ন কবির কবিতার অনুবাদ এবং তার নিবিড় পাঠকসমাজ।
১৯৭৫ সালের ৩১ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলায় রথো রাফির জন্ম হয়। পেশায় সাংবাদিক হলেও তার প্রধান পরিচয় ছিল কবি হিসেবে। রসায়নশাস্ত্রে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নিলেও কবিতা এবং বিশ্বসাহিত্যের অনুবাদ তার মনন ও সৃজনশীলতার বড় অংশজুড়ে ছিল। নব্বইয়ের দশকে কবি হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর তিনি দীর্ঘ সময় ছোটকাগজ আন্দোলন ও প্রতিষ্ঠানবিরোধী সাহিত্যিক পরিমণ্ডলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি প্রতিষ্ঠানবিরোধী ছোটকাগজ গাণ্ডীব-এর নিয়মিত লেখক ছিলেন। সাময়িকীটির ক্রমশ ক্ষয়িষ্ণু সময়েও সেই সম্পর্ক অটুট ছিল।
রথো রাফির সাহিত্যিক জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য ছিল বই প্রকাশে অনীহা। দীর্ঘ সময় কোনো কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ না করেও তিনি সমকালীন কবিতায় নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান গড়ে তোলেন। অবশেষে ২০২০ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত হয় তার প্রথম ও একমাত্র কাব্যগ্রন্থ অক্ষর ও বালির পৃথিবী। ৪৩২ পৃষ্ঠার বইটিতে সংকলিত হয়েছে দুই শতাধিক কবিতা, যেগুলো তিনি ১৯৯৯ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দুই দশকে লিখেছিলেন।
তার কবিতার বিষয়বৈচিত্র্যও ছিল বিস্তৃত। মানুষের জন্ম ও মৃত্যুর দর্শন থেকে শুরু করে কৃষ্ণের বাঁশি কিংবা যিশুর ক্রুশযাত্রা—বিভিন্ন ধর্মীয়, দার্শনিক ও সাংস্কৃতিক অনুষঙ্গ তার কবিতায় উঠে এসেছে নিজস্ব ভাষা ও বোধের মধ্য দিয়ে। প্রচলিত আবেগের প্রকাশের বাইরে গিয়ে কবিতায় চিন্তার গভীরতা নির্মাণের চেষ্টা ছিল তার লেখার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
কবিতার পাশাপাশি অনুবাদক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন রথো রাফি। তিনি এরিখ ফ্রাইড, চার্লস বুকোস্কি, মুহাম্মদ আল-মাঘুত ও ইয়ারোস্লাভ সাইফার্টের মতো আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত কবিদের কবিতা বাংলায় অনুবাদ করেছেন। মূল কবিতার আবেগ, ভাবনা ও দার্শনিক অনুষঙ্গ বাংলা ভাষায় তুলে ধরার ক্ষেত্রে তার অনুবাদে ছিল নিজস্বতা। এসব কাজের মাধ্যমে বাংলা ভাষার পাঠকদের কাছে বিশ্বকবিতার বিভিন্ন ধারা ও কণ্ঠ পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তিনি।
রথো রাফির কবিতাভাবনার কেন্দ্রে ছিল বৌদ্ধিক অন্বেষণ। তার বিশ্বাস ছিল, কবিতায় কেবল আবেগতাড়িত সাড়া নয়, বুদ্ধিবৃত্তিক অর্জনও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এই দৃষ্টিভঙ্গি, নিজস্ব ভাষাভঙ্গি এবং প্রকাশনার প্রতি অনীহা তাকে সমকালীন কবিদের ভিড়ে আলাদা করে রেখেছিল। তার মৃত্যুতে বাংলা কবিতার এমন এক স্বর থেমে গেল, যার পরিচয় গড়ে উঠেছিল প্রচারের চেয়ে সৃষ্টির গভীরতায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ