মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:০৯ পি.এম
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সকল বিতরণ ও সরবরাহকারী কোম্পানির গত তিন বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পুনরায় পরীক্ষা ও নিরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ উদ্দেশ্যে দ্রুত একটি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (সিএ) ফার্ম নিয়োগ দেওয়া হবে।
বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানিয়েছেন, নিরীক্ষার মাধ্যমে কোম্পানিগুলোর আর্থিক সক্ষমতা, আয়-ব্যয় এবং বিভিন্ন প্রকল্পে বিনিয়োগের আর্থিক যৌক্তিকতা যাচাই করা হবে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিইআরসি কার্যালয়ের সেমিনার কক্ষে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশের (এফইআরবি) সদস্যদের জন্য আয়োজিত দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বিইআরসি এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে।
অনুষ্ঠানে বিইআরসির সদস্য (গ্যাস) মো. মিজানুর রহমান, সদস্য (পেট্রোলিয়াম) ড. সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া, সদস্য (বিদ্যুৎ) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ শাহিদ সারওয়ার (অব.) ও সচিব মো. নজরুল ইসলাম সরকার উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া এফইআরবির চেয়ারম্যান এম আজিজুর রহমান, নির্বাহী পরিচালক সেরাজুল ইসলাম সিরাজসহ সংগঠনের সদস্যরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
জালাল আহমেদ জানান, কমিশনের অনুরোধে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংশ্লিষ্ট সব কোম্পানি গত তিন বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এসব প্রতিবেদন পর্যালোচনার জন্য একটি সিএ ফার্ম নিয়োগ দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, “নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রতিটি কোম্পানির আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে কমিশনের একটি স্পষ্ট ধারণা তৈরি হবে। আমাদের নিজেদের সক্ষমতা এই মুহূর্তে নেই। তাই একটি সিএ ফার্ম নিয়োগ করে কোম্পানিগুলোর নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনগুলো পুনরায় পরীক্ষা ও নিরীক্ষা করা হবে।”
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিইআরসি আইনের ২২ ধারা অনুযায়ী কমিশনের পূর্বানুমোদন নেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে এখনো সব প্রকল্পে এ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে না বলে জানান বিইআরসির চেয়ারম্যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করতে পেট্রোবাংলা, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি), বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি), জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বিদ্যুৎ বিভাগকে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
জালাল আহমেদ বলেন, “এনার্জি সেক্টরের যেকোনো প্রকল্প অনুমোদনের দায়িত্ব বিইআরসির। সরকারি অনুমোদন প্রক্রিয়ার পাশাপাশি বিইআরসির এই অনুমোদনও প্রয়োজন। কারণ একটি প্রকল্পের বিনিয়োগ শেষ পর্যন্ত ট্যারিফের সঙ্গে যুক্ত হবে।”
সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) প্রকল্পের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, এই প্রকল্পে প্রায় আট হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। এই বিনিয়োগের ব্যয় শেষ পর্যন্ত ট্যারিফের সঙ্গে যুক্ত হবে। তাই প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে বিনিয়োগের আর্থিক সক্ষমতা, বিনিয়োগ থেকে অর্থ ফেরত আসার প্রক্রিয়া এবং পে-ব্যাক পিরিয়ড যাচাই করা প্রয়োজন।
তিনি আরো বলেন, কোনো প্রকল্পের ব্যয় ট্যারিফে যুক্ত করার সময় কমিশন প্রশ্ন তুলতে পারে—ওই বিনিয়োগ সম্পর্কে তারা আগে অবগত ছিল কি না। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বিভিন্ন চুক্তি ও প্রকল্পের ক্ষেত্রেও একই বিষয় প্রযোজ্য। তাই প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে বিইআরসির অনুমোদন নেওয়া প্রয়োজন।
দেশে এলপিজি সংকট এবং আসন্ন শীত মৌসুম নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিইআরসির চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় এলপিজির সংকটের খবর পাওয়া যাচ্ছে। সামনে শীত মৌসুমে ইউরোপে গ্যাসের চাহিদা অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে পারে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ ও দামের ওপর চাপ তৈরি হতে পারে।
জালাল আহমেদ বলেন, “এ পরিস্থিতিতে দেশে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।”
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে তরল জ্বালানি নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে বলেও জানান তিনি। তার ভাষ্য, গত বছরের নভেম্বর থেকে এলপিজি নিয়ে সংকট শুরু হয়েছিল। পরে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া যুদ্ধের পর আবারও সমস্যা দেখা দিয়েছে।
গ্যাসের মিটারযুক্ত ও মিটারবিহীন গ্রাহকদের ব্যবহারের পার্থক্য নিরূপণে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মাধ্যমে গবেষণা পরিচালনার কথাও জানান বিইআরসির চেয়ারম্যান।
তিনি বলেন, গবেষণার মাধ্যমে মিটারযুক্ত ও মিটারবিহীন গ্রাহকেরা কী পরিমাণ গ্যাস ব্যবহার করেন, সে বিষয়ে একটি বাস্তব চিত্র পাওয়া যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের লাহোরে ২০ বছর বয়সী এক আজারবাইজানি নারীকে গণধর্ষণের অভিযোগে তিন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করেছে পাঞ্জাব পুলিশ। এই ঘটনার সঙ্গে সহায়তার অভিযোগে প্রধান সন্দেহভাজনের কয়েকজন আত্মীয়কেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আদালতের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওই নারী সোমবার স্থানীয় ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে তার জবানবন্দি প্রদান করেন। পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগী আজারবাইজানের রাজধানী বাকুর অধিবাসী। তিনি ব্যবসার কাজে পাকিস্তানে আসেন দুই সপ্তাহেরও বেশি আগে এবং লাহোরের রাইউইন্ড এলাকায় অবস্থান করছিলেন।
তার অভিযোগ, ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে দুই নারী তাকে ডিফেন্স হাউজিং অথরিটি (ডিএইচএ) এলাকার একটি ক্যাফেতে নিয়ে যান। সেখানে তিনজন পুরুষ তাদের সঙ্গে যোগ দেন। পরে ওই পুরুষেরা তাকে ও আরো দুই নারীকে গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেন।
কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, তারা তাকে একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। সেখানে মদ্যপানের পর তাকে একটি নেশাজাতীয় দ্রব্য দেওয়া হয়। ওই নারী অভিযোগ করেছেন, তিনজন পুরুষ তাকে গণধর্ষণ করে এবং পরে গাজী ইন্টারচেঞ্জ এলাকার কাছে ফেলে রেখে যায়।
ভুক্তভোগী আরো অভিযোগ করেন, পালিয়ে যাওয়ার সময় সন্দেহভাজনরা তার মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। ডিআইজি অপারেশনস ফয়সাল কামরান জানিয়েছেন, তিন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশ দল কাজ করছে। তারা হলেন আহমেদ তানভীর, আলী ও মহসিন। পুলিশের মতে, তানভীর প্রধান সন্দেহভাজন। তাকে সহায়তার অভিযোগে তার দুই আত্মীয়কে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ঘটনার পরপরই সন্দেহভাজনরা লাহোর থেকে পালিয়ে যায়। তাদের একজনের সর্বশেষ অবস্থান লাহোর থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরের শিয়ালকোট এলাকায় শনাক্ত করা হয়েছে।
পাঞ্জাব পুলিশের আরেকটি সূত্র জানায়, ঘটনার পরপরই সন্দেহভাজনরা লাহোর থেকে পালিয়ে যায়। তাদের একজনের সর্বশেষ অবস্থান শিয়ালকোটে শনাক্ত করা হয়েছে, যা লাহোর থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে। তাদের নামও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রাখা হয়েছে।
এদিকে, ওই নারী এর আগে পাকিস্তানে কেন এবং কতবার এসেছিলেন, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পুলিশের এক সূত্রের মতে, চলতি বছর তিনি এর আগে দুইবার পাকিস্তানে এসেছিলেন। ঘটনার সময় এটি ছিল তার তৃতীয় সফর।
সূত্রটি আরো জানায়, ওই নারী টেক্সটাইল ব্যবসার কাজে লাহোর ও ফয়সালাবাদের মধ্যে যাতায়াত করতেন এবং উর্দু বুঝতে ও বলতে পারতেন। সন্দেহভাজনদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে কথিত যৌন নির্যাতনের ঘটনাটিও তদন্ত করা হচ্ছে। গত চার মাসে লাহোরে কোনো বিদেশি নারীকে গণধর্ষণের অভিযোগে এটি দ্বিতীয় ঘটনা।
এর আগে জুন মাসে এক ডাচ ও এক ভেনেজুয়েলীয় নারীকে চার ব্যক্তি ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ ওঠে। অভিযুক্তদের মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ও ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সংসদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি আগামী দুই বছরের জন্য অনুমোদন করা হয়েছে। সভাপতি পদে আবু বাকের মজুমদার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তাহমীদ আল মুদ্দাসসির চৌধুরী নিযুক্ত হয়েছেন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি প্রকাশ করা হয়।
কমিটিতে সিনিয়র সহসভাপতি হিসেবে আহসান লাবিব ও রাফিয়া রেহনুমা হৃদিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সহসভাপতি পদে লিমন মাহমুদ হাসান, নিরব হাসান সুজন, এস এম আমিনুল ইসলাম, জাহেদ হাসান ফরহাদ, আহনাফ জামান, সাব্বির আহমেদ, আশরাফুল ইসলাম আরিফ, ফারহান হাসান বর্ন, আল শাহরিয়ার মেহেরাজ মিথুন, মঞ্জুরুল ইসলাম পাভেল, তানভীর আহমদ চৌধুরী, রাইয়ান রহমান ইরাত ও মো. সামির সাদিক রয়েছেন।
এছাড়া, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে খান তালাত মাহমুদ রাফি ও মো. সাইফুল্লাহ দায়িত্ব পেয়েছেন।
নতুন কমিটিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে আরও বেশ কয়েকজনকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সংসদের পূর্ণাঙ্গ কাঠামো এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) কেন্দ্রীয় কার্যালয়কে ঘিরে ২৬ সেপ্টেম্বর যুবদলের নেতাকর্মীদের অবস্থান এবং এর পরবর্তী ঘটনাবলী নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জিএম কাদের)।
মঙ্গলবার তিনি এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যালয় ঘেরাও করা, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা সৃষ্টি করা অথবা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার মতো অভিযোগ গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। যদি কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে, তাহলে রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রচলিত আইন অনুসরণ করে তার প্রতিকার করা উচিত।
জিএম কাদের বলেন, ২৬ সেপ্টেম্বর জাসদ কার্যালয়ে একটি সভা চলাকালীন যুবদলের নেতাকর্মীরা ওই কার্যালয়টি ঘিরে অবস্থান নেন, এমন খবর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। পরে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে সংবাদপত্রের তথ্য অনুযায়ী ২৭৮ জনকে পুলিশি হেফাজতে নেয়। এর পর ২৭ জনকে কোনো সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া বিশেষ ক্ষমতা আইনের আওতায় আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়।
জাসদ নেতাদের বক্তব্য অনুযায়ী, সভাটি একটি দলীয় গতানুগতিক কর্মসূচির অংশ ছিল এবং এটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমোদন নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
জিএম কাদের আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে যদি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে, তবে শুধুমাত্র তারাই এ ধরনের বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার রাখেন। তিনি একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অনুরোধ জানান যে তারা ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করে নিশ্চিত করুন যে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি হয়রানির শিকার না হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে স্পষ্ট ভাষায় সতর্ক করে ইরানের সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, "ইরানের নিরাপত্তা যদি নিশ্চিত করা না হয়, তবে এই অঞ্চলের কোনো অবকাঠামোই নিরাপদ থাকবে না।"
সংসদের এক অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি উল্লেখ করেন, "যে অঞ্চলে ইরান তেল বিক্রি করতে পারবে না, সে অঞ্চলে অন্য কেউও তেল বিক্রি করতে পারবে না।" তিনি জানান, মার্কিন জবরদস্তি ও হুমকির দিন এখন ফুরিয়ে এসেছে এবং কোনো ধরনের আগ্রাসন বা উসকানিমূলক কাজের জবাব ইরান অত্যন্ত কঠোর ও দ্রুততার সঙ্গেই দেবে।
এ সময় তিনি হিজবুল্লাহর সাবেক প্রধান শহীদ হাসান নাসরুল্লাহকে স্মরণ করে বলেন, "শত্রুরা প্রতিরোধ আন্দোলনের শীর্ষ নেতাদের হত্যা করে আন্দোলন থামিয়ে দিতে চেয়েছিল।" তবে তিনি জানান, এটি ব্যক্তিবিশেষের ওপর নির্ভর করে না, বরং একটি সুদৃঢ় কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে আছে যা শত্রুকে সবসময়ই বেকায়দায় ফেলে দিয়েছে। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, মার্কিন ব্লকেড বা ফাঁকা হুমকির মুখে ইরানের বীর জাতি কখনোই পিছু হটবে না।
সূত্র: মেহের নিউজ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ