বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:৩৬ এম
ঢাকা, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ : আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতের একটি আদেশের ফলে এক পরিবারের একাধিক সদস্য সারের ডিলার হওয়ার সুযোগ পাবেন না।
‘সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ সংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা-২০২৬’ এর ৩ (১১) ধারার প্রেক্ষিতে একটি রিটের স্থিতাবস্থা হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ আজ আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত স্থগিত করেছে। এই আদেশের ফলে একাধিক সদস্য সারের ডিলার হতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
সারের কৃত্রিম সংকট নিরসন, ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতি এবং পারিবারিক একচেটিয়া প্রভাব (মনোপলি) রোধ করার উদ্দেশ্যে সরকার আগের নীতিমালায় সংশোধন এনেছে। গত ২৭ আগস্ট ‘সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ সংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা-২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়।
নীতিমালার ৩ (১১) ধারা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ‘সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে একই পরিবারের একজনের ডিলারশিপ বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত খুচরা বিক্রেতার আইডি কার্ড থাকলে পরিবারের অপর কেউ ডিলারশিপের বা খুচরা বিক্রেতার আইডি কার্ডের জন্যে আবেদন করতে বা খুচরা বিক্রেতা হতে পারবেন না। এক্ষেত্রে পরিবারের সদস্য বলতে পিতা, মাতা, স্বামী বা স্ত্রী, পুত্র, পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্র ও তাদের স্ত্রী, অবিবাহিত কন্যা ও নির্ভরশীল ভাই ও বোন যারা এক খানায় খাদ্য গ্রহণ করে তাদের বুঝানো হয়েছে।’
নীতিমালা এই ধারাটি চ্যালেঞ্জ করে ঠাকুরগাঁওয়ের রওশন আরা বেগম ও তার স্বামী হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। সেই রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে গত ৫ অক্টোবর হাইকোর্ট এই দুজনের ক্ষেত্রে নীতিমালার ৩ (১১) ধারাটিতে স্থিতাবস্থা দিয়ে রুল জারি করে। তবে রাষ্ট্রপক্ষ হাইকোর্টের এই আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করে। আজ বিচারপতি মো. রেজাউল হকের চেম্বার আদালত হাইকোর্টের স্থিতাবস্থার আদেশ স্থগিত করেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। অন্যদিকে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. ইকরামুল হক টুটুল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মন্তব্য করেছেন, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে বাংলাদেশের মানুষের পরিচয় এক ও অভিন্ন-আমরা সবাই বাংলাদেশি। দেশের মানুষের নিরাপত্তা, নাগরিক অধিকার ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় দেশপ্রেম ও জাতীয় ঐক্যের চেতনাকে ধারণ করে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
আজ ঢাকায় সাভার উপজেলা পরিষদ হলরুমে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে সাভার উপজেলার পূজামণ্ডপসমূহের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে আয়োজিত বিশেষ সভায় প্রধান অতিথির বক্তবে তিনি এসব কথা বলেন।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ঢাকা জেলার আইনশৃঙ্খলা ও অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে রয়েছেন। সরকারের এক তথ্যবিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সবার আগে বাংলাদেশ-এই চেতনাকে ধারণ করে আমরা পথ চলতে চাই। বাংলাদেশকে বুকে ধারণ করে, দেশপ্রেমকে শক্তি হিসেবে নিয়ে আমরা দেশ গড়তে চাই। এই দেশ আমাদের সবার; তাই দেশকে রক্ষা করার দায়িত্বও আমাদের সবার।
দুর্গাপূজায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ দেশে সব ধর্মের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে আসছে। এই সম্প্রীতি নষ্ট করার জন্য কেউ যাতে কোনো ধরনের অপতৎপরতা চালাতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আসন্ন দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপনে পূজা উদযাপন কমিটি, স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাজনৈতিক দল এবং সাধারণ মানুষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা করা সবার দায়িত্ব।
প্রতিটি পূজামণ্ডপ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে মণ্ডপগুলোতে মনিটরিং টিম গঠন করে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
মাদক প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু আইন প্রয়োগের মাধ্যমে মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়। সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে হবে। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও জনপ্রতিনিধিদেরও এ কাজে সম্পৃক্ত হতে হবে।
কিশোর অপরাধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কিশোরদের অপরাধের দিকে ঠেলে দেওয়া হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই কিশোরদের মাদক, অপরাধ ও সংঘবদ্ধ অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পরিবার ও সমাজকে এখনই কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।
দুর্গাপূজার সময় স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে পূজামণ্ডপ ও এর আশপাশের এলাকা পরিষ্কার রাখতে হবে। কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে সবাইকে নজর দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা যদি যার যার জায়গা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখি, তাহলে স্বাস্থ্যঝুঁকি ও ডেঙ্গুর ঝুঁকি দুটোই কমবে।
দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে জনগণের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ সব সময় অন্যায় ও অধিকারহরণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। ভবিষ্যতেও দেশের স্বার্থে জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকবে।
তিনি বলেন, আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি, তাহলে এমন কোনো শক্তি নেই, যারা ষড়যন্ত্র করে এই দেশের ক্ষতি করতে পারে। তাই সবাইকে সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনে সরকার সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে। প্রতিটি পূজামণ্ডপ ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হবে এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় রাখা হবে।
তিনি বলেন, পূজা উদযাপনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের পাশাপাশি পূজা উদযাপন কমিটি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় জনগণেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদ্যাপন করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, আশুলিয়া থানা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি আশীষ কুমার নাগ ও সাধারণ সম্পাদক শম্ভু চন্দ্র সরকার এবং সাভার উপজেলা পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি বরুণ ভৌমিক নয়নসহ অন্যরা বক্তব্য রাখেন।
এ সময় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাবৃন্দ, পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুর, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ : রংপুর মহানগরীর অবকাঠামোগত উন্নয়ন সংক্রান্ত দুটি প্রকল্প একনেক সভায় অনুমোদিত হয়েছে, যার মোট ব্যয় ১,৮১৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা। এ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রংপুর সিটি কর্পোরেশনের (আরপিসিসি) প্রশাসক।
একনেক সভায় আজ রংপুর সিটি এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ১,৬০২ কোটি ৭৯ লাখ টাকা এবং ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা সংস্কারের জন্য ২১০ কোটি ৪৯ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রকল্প দুটি অনুমোদনের পর আরপিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী ডন মুঠোফোনে বাসস’কে জানান, প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন ও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি মন্তব্য করেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ- রংপুরের উন্নয়নে এটি একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক।’
আরপিসিসি প্রশাসক আরও বলেন, ‘এ দুটি প্রকল্প রংপুর মহানগরীর দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধান, সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর বাস্তবায়ন রংপুর সিটি কর্পোরেশনকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, সুপরিকল্পিত ও নাগরিকবান্ধব শহরে রূপান্তরের পথ সুগম করবে।’
তিনি নগরবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান, রংপুরের মানুষের উন্নয়ন ও এই অঞ্চলের অগ্রগতির জন্য বড় প্রকল্প অনুমোদন দেওয়ার জন্য। প্রশাসক আশা প্রকাশ করেন, সবার যৌথ প্রচেষ্টায় প্রকল্পগুলোর সুষ্ঠু বাস্তবায়নের মাধ্যমে রংপুর মহানগরীর উন্নয়নে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।
রংপুরকে দেশের অন্যতম সেরা মহানগরে রূপান্তরের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রশাসক বলেন, বরাদ্দকৃত অর্থের ব্যবহারে শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। তিনি নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন এসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে।
এদিকে, রংপুর মহানগরীর জন্য ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এত বিশাল অঙ্কের আর্থিক বরাদ্দ আসায় সর্বস্তরের মানুষ আনন্দ প্রকাশ করেছেন। তারা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
রিকশাচালক মমতাজ হোসেন মন্তব্য করেন, ‘আগের কোনো সরকার রংপুর শহরের উন্নয়নকে এভাবে অগ্রাধিকার দেয়নি। অবশেষে সড়ক মেরামতসহ সার্বিক উন্নয়নের এই উদ্যোগ নেওয়ায় বর্তমান সরকারের ওপর আমি খুশি।’
কলেজছাত্র মুহাইমেনুল ইসলাম বলেন, ‘১,৮১৩ কোটি ২৮ লাখ টাকার দুটি প্রকল্প বরাদ্দের মাধ্যমে রংপুরের প্রতি সরকারের দৃঢ় উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি ও আন্তরিকতার প্রমাণ মিলেছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
৩০ গোডাউন-সেলফি রোডসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অভিযান; নেতৃত্বে ডিসি সুশান্ত সরকার
মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য নিয়ন্ত্রণে বরিশাল মহানগরীতে আকস্মিক সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। বুধবার (৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে নগরীর ৩০ গোডাউন, সেলফি রোডসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও অপরাধপ্রবণ এলাকায় একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) জনাব সুশান্ত সরকার, পিপিএমের নেতৃত্বে কোতোয়ালি মডেল থানার বিশেষ আভিযানিক টিম এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশের উপস্থিতি বাড়ানো হয় এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে নজরদারি জোরদার করা হয়।
বিএমপি মিডিয়া সেল সূত্রে জানা যায়, মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা, সন্ত্রাসী কার্যক্রম এবং বিভিন্ন ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য, সন্ত্রাসী ও সন্দেহভাজন অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য যাচাই এবং প্রয়োজনীয় তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
নগরীর ৩০ গোডাউন ও সেলফি রোডসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে সন্ধ্যার পর বিভিন্ন বয়সী মানুষের চলাচল ও আড্ডাকে কেন্দ্র করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরি হতে পারে—এমন বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
অভিযান চলাকালে পুলিশের বিশেষ টিম বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে সন্দেহজনক গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে। একই সঙ্গে মাদক ও অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুধু একটি নির্দিষ্ট এলাকায় নয়, বরিশাল মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও অপরাধপ্রবণ এলাকায় পর্যায়ক্রমে এ ধরনের আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করা হবে। মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে পুলিশের অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
বিএমপি আরও জানিয়েছে, নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের টহল, চেকিং ও বিশেষ অভিযান জোরদার করা হচ্ছে। বিশেষ করে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে মাঠপর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের সক্রিয় থাকার নির্দেশনা রয়েছে।
এদিকে আকস্মিক এ অভিযানে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখলে নগরবাসীর মধ্যে নিরাপত্তাবোধ আরও বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
অভিযানকালে আরও উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) জনাব বেলাল হোসাইন, পিপিএম; সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) জনাব অলক কান্তি শর্মাসহ কোতোয়ালি মডেল থানার অন্যান্য কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা।
বিএমপি মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বরিশাল মহানগরজুড়ে মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষার জন্য কূটনীতির গুরুত্ব তুলে ধরেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উল্লেখ করেছেন, ইরান নিজের আত্মরক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ থাকার পাশাপাশি দেশের স্বার্থ এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কূটনীতির পথ অবলম্বনে তারা যথেষ্ট আন্তরিক।
নিজের টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত একটি বার্তায় আরাগচি জানান, সম্প্রতি নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণকারী ইরানি প্রতিনিধিদল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একটি সাত দিনের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছে। মূলত হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর উদ্দেশ্যে এই পরিকল্পনাটি প্রস্তাব করা হয়েছিল।
তবে, এই প্রস্তাব পেশ করার পরের দিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের প্রস্তাবটি নাকচ করে দেন। এরপর যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে নতুন আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করার জন্য মার্কিন কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে একটি পাল্টা প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ