ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে বাসের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত, ২০ জন আহত


ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে বাসের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত, ২০ জন আহত

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার পালকি পরিবহন এবং হানিফ পরিবহনের দুটি বাসের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে ঘটনাস্থলে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। এই দুর্ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

এটি ঘটে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ৩টার সময় বাখরেকান্দি পুনর্বাসন কেন্দ্রের মাদবরের কান্দি বাসস্ট্যান্ড এলাকায়।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে একজন বাবা এবং তার ছেলে রয়েছেন।

আরও পড়ুন: চাঁদা না পেয়ে শ্রমিকদের ওপর হামলা, গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি, থানায় অভিযোগ

বিস্তারিত আসছে...

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিশরের উপকূল থেকে ১৬০ বাংলাদেশি নাগরিক উদ্ধার, হেফাজতে কর্তৃপক্ষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


মিশরের উপকূল থেকে ১৬০ বাংলাদেশি নাগরিক উদ্ধার, হেফাজতে কর্তৃপক্ষ

ভয়ংকর সমুদ্রযাত্রার মাধ্যমে ইউরোপে ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় বের হওয়া বাংলাদেশিরা মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে অনিরাপদ রাবারের নৌকা ব্যবহার করে ভূমধ্যসাগর পার হওয়ার চেষ্টা করছেন। গত এক সপ্তাহের মধ্যে মিশরের বিভিন্ন উপকূল থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অন্তত ১৬০ বাংলাদেশি নাগরিককে উদ্ধার করেছে। বর্তমানে উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশিরা মিশরের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হেফাজতে অবস্থান করছেন।

বাংলাদেশ দূতাবাসের সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া ১৬০ বাংলাদেশির মধ্যে মাতরুহ উপকূল থেকে ৪৬ জন, পোর্ট সাইদ থেকে ৫৮ জন এবং দামিয়েত থেকে ৫৬ জন উদ্ধার করা হয়েছে। এসব অভিযানে বাংলাদেশিদের পাশাপাশি সুদান, মিশরসহ অন্যান্য দেশের অভিবাসনপ্রত্যাশীদেরও উদ্ধার করা হয়েছে।

উন্নত জীবনের আশায় ঘর ছাড়লেও ভূমধ্যসাগরের উত্তাল ঢেউ, অনিরাপদ নৌযান এবং অনিশ্চিত গন্তব্য তাদের যাত্রাকে চরম জীবনঝুঁকিতে পরিণত করছে। ইউরোপে পৌঁছানোর আগেই অনেকের স্বপ্ন সমুদ্রের মাঝপথে থেমে যাচ্ছে। উদ্ধার হওয়ার পর তাদের সামনে এখন দেশে ফেরার অপেক্ষা।

বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম উইংয়ের কর্মকর্তাদের ব্যস্ততা বেড়ে গেছে উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশিদের জন্য আইনি ও কনস্যুলার সহায়তা প্রদান করার কারণে। নিয়মিত দায়িত্বের পাশাপাশি তাদের অতিরিক্ত সময় দিতে হচ্ছে।

প্রথমে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের পরিচয় ও নাগরিকত্ব যাচাই করা হয়। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী আইনি সহায়তা, কনস্যুলার সেবা এবং দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। এই প্রক্রিয়ার জন্য মিশরের পুলিশ, কারা কর্তৃপক্ষ, অভিবাসন বিভাগ, আদালত এবং হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয় করতে হয়।

উদ্ধার হওয়া নাগরিকদের পরিচয় নিশ্চিত করা দূতাবাসের কাজের শেষ নয়। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইনি প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান এবং নিরাপদে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘ প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

একাধিক ঘটনায় বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি উদ্ধারের ফলে দূতাবাসের শ্রম উইংয়ের কাজের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশিদের প্রয়োজনীয় সহায়তা ও দ্রুত দেশে ফেরানোর জন্য মিশরের বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে যাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার এই ঝুঁকিপূর্ণ প্রবণতায় বাংলাদেশি আটকা পড়া বা উদ্ধারের ঘটনায় নিরাপদ অভিবাসনের গুরুত্ব আবারও সামনে এসেছে। পরিবারের স্বপ্ন পূরণের আশায় যাত্রা করা এসব মানুষের অনেকেই মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসছেন। তাদের সঙ্গে ফিরছে ভয়াবহ এক সমুদ্রযাত্রার স্মৃতি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সালাহ উদ্দিন আহমেদ তালুকদার: এক আলোকিত জীবনের অবসান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২০ পি.এম


সালাহ উদ্দিন আহমেদ তালুকদার: এক আলোকিত জীবনের অবসান
বরগুনার আমতলী-তালতলী জনপদের মানুষের কাছে সালাহ উদ্দিন আহমেদ তালুকদার ছিলেন একজন পরিচিত মুখ, মানবিক মানুষ এবং মেহনতী মানুষের আপনজন। তাঁর মৃত্যুতে দক্ষিণ জনপদের সামাজিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। তাঁর চলে যাওয়া শুধু একটি পরিবারের নয়, বরং অসংখ্য মানুষের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।
 
 
বিশেষ করে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের প্রতি তাঁর ছিল গভীর মমত্ববোধ। আমতলী ও আশপাশের এলাকার হাজারো মানুষ তাঁর কাছ থেকে চিকিৎসাসেবা ও সহযোগিতা পেয়েছেন। অসুস্থ, দরিদ্র ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো ছিল তাঁর জীবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। কারও কষ্টের কথা শুনলে সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া ছিল তাঁর স্বভাবের অংশ।
 
তাঁর ব্যক্তিত্বের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল সহজ-সরল জীবনযাপন, সাহসী মনোভাব এবং মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক। পদ-পদবি কিংবা রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশেছেন। তাই তাঁর পরিচয় কেবল একজন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে সীমাবদ্ধ ছিল না; তিনি হয়ে উঠেছিলেন মেহনতী ও সাধারণ মানুষের প্রাণপ্রিয় একজন নেতা।
 
তাঁর মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর আমতলী-তালতলীসহ বরগুনার বিভিন্ন এলাকার অসংখ্য মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ব্যক্তিগতভাবে শোক প্রকাশ করছেন। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের শোকবার্তায় ফুটে উঠেছে তাঁর প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা। যাঁরা তাঁর কাছ থেকে কোনো না কোনোভাবে উপকার পেয়েছেন, তাঁদের স্মৃতিতে আজ বারবার ফিরে আসছে তাঁর মানবিক মুখটি।
 
একজন মানুষের প্রকৃত মূল্যায়ন হয় তাঁর মৃত্যুর পর মানুষ তাঁকে কীভাবে স্মরণ করে, তার মধ্য দিয়ে। সেই বিচারে সালাহ উদ্দিন আহমেদ তালুকদার নিঃসন্দেহে একজন আলোকিত মানুষ। তাঁর সাহসী নেতৃত্ব, মানবিকতা, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা এবং পারিবারিক রাজনৈতিক আদর্শ তাঁকে দীর্ঘদিন মানুষের স্মৃতিতে বাঁচিয়ে রাখবে।
 
আল্লাহ তায়ালা তাঁর জীবনের সকল নেক আমল কবুল করুন, তাঁকে ক্ষমা করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন, সহকর্মী ও অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষীকে এই অপূরণীয় শোক সহ্য করার শক্তি দান করুন।
 
মানুষ চলে যায়, কিন্তু মানুষের জন্য করা ভালো কাজ থেকে যায়। সালাহ উদ্দিন আহমেদ তালুকদার—আপনি মানুষের হৃদয়েই বেঁচে থাকুন। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তানের জরুরি বৈঠক মক্কায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২০ পি.এম


সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তানের জরুরি বৈঠক মক্কায়

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা প্রদান করার লক্ষ্যে এক জরুরি বৈঠকে বসতে চলেছেন সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের চিফ অব স্টাফেরা। ইয়েমেন থেকে নতুন করে ধারাবাহিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়ার পর এই উদ্যোগ যৌথভাবে গ্রহণ করা হয়েছে।

সৌদি প্রেস এজেন্সি জানায়, নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে যৌথ সিদ্ধান্তের কথা জানান সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ, পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দার এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তবে, তিন দেশের সামরিক প্রধানদের বৈঠকটি কবে অনুষ্ঠিত হবে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মক্কাসহ সৌদি আরবের বিভিন্ন বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনার বিরুদ্ধে পরিচালিত সাম্প্রতিক হামলাগুলোর তীব্র নিন্দা জানান। নেতারা একই সঙ্গে জাতিসংঘের সনদের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সৌদি আরবের আত্মরক্ষার পূর্ণ অধিকার রয়েছে বলে পুনর্ব্যক্ত করেন।

এর আগে চলতি বছরের ৭ আগস্ট যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার ও সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করে এই তিন দেশ। ন্যাটোর ধাঁচে গঠিত এই চুক্তির মূল শর্ত অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটি দেশের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ হলে তা জোটভুক্ত বাকি সব দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে।

উল্লেখ্য, চুক্তির পর থেকেই তা বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে মিত্র দেশগুলো। গত ৩১ আগস্ট ইস্তাম্বুলে তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সামরিক প্রধানদের উপস্থিতিতে গঠিত হয় ‘কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটি’। এতে সৌদি আরবে একটি স্থায়ী সচিবালয় স্থাপনসহ কৌশলগত সহায়তা জোরদারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) তায়েফ ও ইয়ানবুর দিকে ছুড়ে মারা ৬টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করে সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চবির হলে ভোরের নীরবতায় মায়া হরিণের দেখা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২০ পি.এম


চবির হলে ভোরের নীরবতায় মায়া হরিণের দেখা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাস, যা পাহাড়, ঝরনা এবং সবুজের নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ঘেরা, সেখানে ভোরের নীরবতায় একটি মায়া হরিণের দেখা মিলেছে। ক্যাম্পাসের জীববৈচিত্র্যের এক অনন্য দৃশ্য হিসেবে হরিণটির এই বিচরণ এক শিক্ষার্থীর ক্যামেরায় ধরা পড়েছে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ভোর পৌনে ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হলের খোলা উঠোনে হরিণটিকে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। হলটির বাসিন্দা ও হল সংসদের নির্বাহী সদস্য উম্মে হাবিবা দৃশ্যটি ক্যামেরাবন্দি করেছেন।

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে উম্মে হাবিবা বলেন, "সকাল ৬টার দিকে জানালার পাশে দাঁড়িয়ে বাইরে তাকিয়ে ছিলাম। হঠাৎ দূরে হরিণের মতো একটি প্রাণী চোখে পড়ে। তবে তখনো স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছিল না। প্রাণীটি কিছু একটা খাচ্ছিল। প্রথমে মনে হয়েছিল কুকুর কিংবা বুনো ছাগল। পরে তার মাথা ওঠানো-নামানোর ধরন দেখে বুঝতে পারি, এটি সম্ভবত একটি হরিণ। এরপর কৌতূহল সামলাতে না পেরে হলের চতুর্থ তলা থেকে দ্রুত নিচে নেমে যাই।"

নিচে নেমে হরিণটিকে আরও কাছ থেকে দেখতে পান তিনি। সেই মুহূর্তের বর্ণনা দিয়ে উম্মে হাবিবা বলেন, "নিচে গিয়ে দেখি, মাঝারি আকৃতির একটি মায়া হরিণ দূরের ঝোপঝাড়ের পাশে দাঁড়িয়ে আছে। আমাকে দেখে সেটি ধীরে ধীরে এগিয়ে আসে। কিছুক্ষণ সে আমার দিকে অপলক তাকিয়ে ছিল। মুহূর্তটি এতটাই বিস্ময়কর ছিল যে, আমিও স্থির হয়ে গিয়েছিলাম।"

কিছুক্ষণ পর হরিণটি আবার পাহাড়ের দিকে চলে যায়। উম্মে হাবিবা বলেন, "এরপর হঠাৎ কী ভেবে যেন দৌড়ে পাহাড়ের দিকে চলে যায়। এত কাছ থেকে তাকে দেখেছি যে, আমার দিকে এগিয়ে আসা ও তাকিয়ে থাকার ভঙ্গি দেখে একসময় আমিই কিছুটা ভয় পেয়ে আর সামনে এগোতে পারিনি।"

ঘটনাটিকে বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, "ক্যাম্পাস জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় দৃশ্যগুলোর একটি হয়ে থাকবে এই মুহূর্তটি। মাঝে মাঝে ভাবি, ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে যাওয়ার সময় হয়েছে, অথচ চোখে পড়ার মতো তেমন কিছুই তো দেখলাম না। হয়তো আল্লাহ আমার সেই আক্ষেপটুকুও কবুল করে নিয়েছেন।"

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিস্তৃত পাহাড়ি ও বনাঞ্চলে বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণীর আবাস রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এসব প্রাণীর আবাস ও বিচরণস্থল নিরাপদ রাখা জরুরি।

চবির প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক ড. ফরিদ আহসান বলেন, "জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। হরিণগুলোর বিচরণস্থল অবাধ ও নিরাপদ রাখতে হবে। বিকেলে ক্যাম্পাসের গহিনে প্রাণীদের চলাচলের এলাকায় হাঁটাহাঁটি করা যাবে না।"

ক্যাম্পাসে আগে বিভিন্ন সময়ে মায়া হরিণের দেখা মিললেও বর্তমানে লোকালয়ের কাছাকাছি তাদের উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কম চোখে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে হরিণসহ বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক আবাসস্থল ও চলাচলের পথ রক্ষায় সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%