বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৪৪ পি.এম
দুর্নীতির মামলায় পাবনা-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্সের মালিকানাধীন ১৩ দশমিক ৯৯ একর জমি ও দুটি গাড়ি জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি, তার নামে থাকা ১৪টি ব্যাংক হিসাবও অবরুদ্ধ করার আদেশ জারি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির এ আদেশ প্রদান করেন।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ বিষয়ে নিশ্চিত করে জানান, এসব জমির মূল্য এক কোটি ৭৬ লাখ ৬৪ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ব্যাংক হিসাবগুলিতে ৭৪ লাখ ১০ হাজার ৪৯৫ টাকা রয়েছে। তবে আবেদনে গাড়ির মূল্য উল্লেখ করা হয়নি।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক পাপন কুমার সাহা জমি ও গাড়ি জব্দ এবং ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার জন্য আবেদন করেন।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স একজন সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে ও অসৎ উদ্দেশ্যে ৯ কোটি ৯১ লাখ ৭৪ হাজার ৪৩৪ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। তিনি নিজ নামে ৩৬টি ব্যাংক হিসাবে ২১২ কোটি ৬৭ লাখ ৭২ হাজার ১০০ টাকা জমা এবং ২১২ কোটি ৬৬ লাখ ৭৩ হাজার ৮৯৭ টাকা উত্তোলন করেছেন, যার ফলে মোট ৪২৫ কোটি ৩৪ লাখ ৪৫ হাজার ৯৯৭ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে। এই লেনদেনের মাধ্যমে মানিলন্ডারিংয়ের সাথে জড়িত অপরাধ ‘দুর্নীতি ও ঘুষ’ গ্রহণের উদ্দেশ্যে অর্থ বা সম্পত্তির অবৈধ উৎস গোপন করার চেষ্টা করা হয়েছে।
এ অভিযোগে দুদক মামলা দায়ের করে।
তদন্তকালে রেকর্ডপত্র পর্যালোচনার সময় দেখা যায়, আসামির নামীয় ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এসব স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার প্রচেষ্টা চলছে। মামলা নিষ্পত্তির পূর্বে যদি এসব সম্পত্তি হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে যায়, তবে ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। এই কারণে তার স্থাবর সম্পদ জব্দ করা এবং অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর জিরো পয়েন্ট থেকে বঙ্গভবন এবং বাইতুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের স্বর্ণ গলি এলাকায় ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করায় উচ্ছেদ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।
আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে ডিএসসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানকালে ফুটপাত অবৈধভাবে দখল করে ব্যবসা পরিচালনা এবং ডিএসসিসির ট্রেড লাইসেন্সবিহীন/মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স ব্যবহার করে ব্যবসা পরিচালনার দায়ে ৩ জন ব্যবসায়ীকে স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯ অনুযায়ী মোট ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া মানুষের/সেবা গ্রহীতাদের জন্য অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য ও পানি সরবরাহের দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী একজন ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালীন হোটেলে সরবরাহকৃত পানি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আধুনিক পরীক্ষাগারে পরীক্ষার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। অভিযানে সর্বমোট ৩২ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
এ সময় সংশ্লিষ্ট এলাকার সড়ক ও ফুটপাত থেকে অবৈধ দোকানপাট, স্থাপনা ও অবৈধভাবে রাখা যানবাহন অপসারণ করা হয়।
জনস্বার্থে নগরীর সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা, জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের ক্রীড়াঙ্গনে বয়স জালিয়াতির ভয়াবহ চিত্র আবারও সামনে এসেছে। গত জুন মাসে দেশের অনূর্ধ্ব-১৭ কুস্তি চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে বয়স লুকানোর অপরাধে অন্তত ৫০০ জন কুস্তিগিরকে বহিষ্কার করা হয়েছে। উত্তর প্রদেশের গোন্ডায় অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতাটি ক্রীড়াক্ষেত্রে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, নিষিদ্ধ ড্রাগ নেওয়ার বিরুদ্ধে যেভাবে লড়াই করা হয়, ঠিক একইভাবে বয়স জালিয়াতির বিরুদ্ধেও রুখে দাঁড়ানো প্রয়োজন।গোন্ডায় অনুষ্ঠিত ওই প্রতিযোগিতার এক বছরেরও কম সময় আগে, ভারতের অন্যতম সেরা স্কুল ফুটবল টুর্নামেন্ট সুব্রতো কাপেও বয়স জালিয়াতির কারণে ২০টি দলকে টুর্নামেন্ট থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল।অ্যাশেজ সিরিজের টিকিটের দাম বৃদ্ধির সমালোচনায় সাবেক ক্রিকেটার ও ভক্তরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।এই বিষয়ে একটি গবেষণা প্রবন্ধের লেখক এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় স্পোর্টস আইনজীবী আহনা মেহরোত্রাবলেন, “এটি এখন একটি মহামারী রূপ নিয়েছে।”যেসব খেলায় বয়স ভিত্তিক প্রতিযোগিতা রয়েছে, তার প্রায় সবখানেই বয়স জালিয়াতির প্রবণতা দেখা যায়। বিশেষ করে সাব-জুনিয়র এবং জুনিয়র স্তরে এই সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। কারণ এই স্তরে ভালো করলে সুযোগ-সুবিধা বা পুরস্কার অনেক বেশি পাওয়া যায়, কিন্তু সেই তুলনায় খেলোয়াড়দের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই বা নজরদারি করা হয় খুবই কম, যোগ করেন এই আইনজীবী।ভারতের বিশৃঙ্খল জন্মনিবন্ধন ব্যবস্থা এবং ক্রীড়াবিদদের জন্য কোনো একক ডিজিটাল ডাটাবেস (তথ্যভাণ্ডার) না থাকার সুযোগটি দীর্ঘদিন ধরে কাজে লাগাচ্ছে কিছু অসাধু অভিভাবক ও কোচ। তারা নিজেদের স্বার্থে এই দুর্বল ব্যবস্থার অপব্যবহার করছে।
চার বছরেই বিশ্বরেকর্ড গড়ল এলেনা
ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা ক্রিকেটের ক্ষেত্রে, বয়স কম উদীয়মান ক্রিকেটারদের অন্যদের চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে রাখে। এটি তাদের ভবিষ্যৎ জীবন বদলে দেওয়া এবং কোটি টাকার আইপিএলে দল পাওয়ার চুক্তির দৌড়ে অনেক বড় সুবিধা এনে দেয়।ইন্ডিয়ান ফেডারেশন অব স্পোর্টস মেডিসিনের সভাপতি পিএসএম চন্দ্রন বলেন, “আধুনিক খেলাধুলার অন্যতম বড় অভিশাপ ডোপিংয়ের মতোই এই অপরাধেরও শাস্তি হওয়া উচিত।”ভারতে রোনালদোর বোন, হানিমুন নিয়ে জল্পনা চলছে।বয়স জালিয়াতি ব্যাপকভাবে চলছে এবং বর্তমান ব্যবস্থায় এটি বন্ধ করার জন্য একেবারেই পর্যাপ্ত নয়। বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশনগুলো এই সমস্যা ঠেকাতে যথেষ্ট পদক্ষেপ নেয়নি। ক্রিকেট বোর্ড সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা উদ্যোগী হলেও, অন্যান্য ফেডারেশনগুলোর কাছ থেকে আমাদের আরো জোরালো ভূমিকা দরকার। ডোপিংয়ের জন্য আমাদের এত কঠোর শাস্তি রয়েছে; তাহলে বয়স জালিয়াতির জন্যও কেন একই রকম শাস্তির ব্যবস্থা থাকবে না, যোগ করেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ইউরোপের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ‘টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং প্যারিস ২০২৬’-এ অংশগ্রহণ করেছে।
৩১ আগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফ্রান্সের প্যারিসের লা-বুর্জ্যে অনুষ্ঠিত মেলার ৫৯তম আসরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উৎপাদক, ক্রেতা ও শিল্পসংশ্লিষ্ট পেশাজীবীরা অংশ নেন। এই মেলা আন্তর্জাতিক টেক্সটাইল ও ফ্যাশন শিল্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।
‘মেসে ফ্রাঙ্কফুর্ট’ আয়োজিত এবারের মেলায় প্রায় ৩৫টি দেশের ১ হাজার ৩০০টিরও বেশি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে। বাংলাদেশ, চীন, ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, মিয়ানমার, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও ইতালির মতো বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন ও সোর্সিং বাজারের প্রতিনিধিরা এতে উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশের টেক্সটাইল ও পোশাক শিল্পের উৎপাদন সক্ষমতা, পণ্যের গুণগত মান, উদ্ভাবন এবং টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থার সক্ষমতা আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সামনে তুলে ধরা হয়।
মেলায় অংশ নেওয়া বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সর্বাধুনিক পণ্য ও উৎপাদন সক্ষমতা আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের সামনে উপস্থাপন করে। এর পাশাপাশি নতুন ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থাপন, সম্ভাবনাময় নতুন বাজার অনুসন্ধান এবং রপ্তানি সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হয়।
অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা জানান, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে গঠনমূলক বৈঠক এবং নতুন ব্যবসায়িক যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে মেলায় অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ হয়েছে।
তারা বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল পণ্যের চাহিদা এবং সম্ভাবনা তুলে ধরার ক্ষেত্রে এ ধরনের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডকে আরও শক্তিশালী করার সুযোগ সৃষ্টি হয়।
মেলায় রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্যাভিলিয়নেরও প্রশংসা করেন অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা। তাদের মতে, ইপিবি প্যাভিলিয়ন বাংলাদেশের বিভিন্ন পণ্যকে সমন্বিতভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে উপস্থাপনের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে বাংলাদেশের পোশাক ও টেক্সটাইল পণ্যের দৃশ্যমানতা এবং ব্র্যান্ড ইমেজ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন, টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং প্যারিসের মতো আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকলে দেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল খাতের নতুন বাজার সম্প্রসারণ এবং রপ্তানি বৃদ্ধিতে তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনী, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : নতুন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ‘মাই ফেনী’ চালু করা হয়েছে, যা ফেনী পৌরসভার নাগরিকদের সমস্যা সমাধান ও সকল সেবাসমূহ এক ক্লিকে তাদের হাতের মুঠোয় পৌঁছে দেবে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেনী পৌর মিলনায়তনে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম এই অ্যাপটির উদ্বোধন করেন।
প্রধান অতিথি বক্তব্যে উল্লেখ করেন, পৌরবাসীকে দ্রুততম সময়ে সেবা প্রদান করা বর্তমান প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। ‘মাই ফেনী’ অ্যাপের মাধ্যমে নাগরিকদের সমস্যা ও সেবাসমূহ ডিজিটালাইজড করার উদ্যোগটি অত্যন্ত সময়োপযোগী। তিনি বলেন, নাগরিকদের অভিযোগ জানানোই যথেষ্ট নয়, বরং সেগুলোর দ্রুত ও গুণগত সমাধান নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, "প্রযুক্তি আমাদের কাজকে সহজ করেছে, তবে এর সুফল পেতে হলে সেবাদাতাদের সদিচ্ছা ও দায়িত্বশীলতা জরুরি।" অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি পৌর সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। তিনি বিশ্বাস করেন, একটি আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত ও স্মার্ট ফেনী গঠনে এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ‘মাই ফেনী’ অ্যাপটি পৌরসভার ডিজিটাল সেবা প্রসারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে পৌরবাসীগণ এক ক্লিকেই তাদের নাগরিক সমস্যার কথা জানাতে পারবেন এবং দ্রুত সেবা পাবেন।
ফেনী পৌর প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. দিদারুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা নাসরিন কান্তা, ফেনী জেলা আইসিটি অফিসার সাইফ মো. জুলকার নাঈন চৌধুরী, ফেনী সদর উপজেলা আইসিটি অফিসার মো. রাশেদুল আলম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে কারিগরী সহায়তায় সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন ইনোভেশন আইটি’র সিইও খুরশিদ আলম।
পৌরসভা কর্তৃপক্ষের আয়োজনে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফেনী পৌর সভার নির্বাহী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জাকির উদ্দিন, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামছুদ্দিন, মেডিকেল অফিসার ডা. কৃষ্ণ পদ সাহা, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস.এম. শরফত উল্যাহ চৌধুরীসহ ফেনী পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে অ্যাপটির ব্যবহারবিধি এবং বিভিন্ন ফিচার প্রদর্শন করা হয়। এই অ্যাপের মাধ্যমে ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ময়লা নিষ্কাশন, সড়ক বাতি মেরামতসহ পৌরসভার বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা সরাসরি আবেদন ও তদারকি করা যাবে।
এ অনুষ্ঠানে ৩৬ বছর চাকুরি শেষে বিদায় নেয়া এক পরিচ্ছন্নতা কর্মীকে সম্মাননা প্রদান এবং কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও সম্মাননা তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ