মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ)
শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২০ পি.এম
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে চায়ের কাপে বইছে আগাম ভোটের ঝড়। হাট-বাজারে কিংবা মোড়ের আড্ডায়-সবখানেই এখন মুখ্য আলোচনা আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। ভোটারদের আস্থা অর্জন ও দোয়া প্রার্থনায় দিন-রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। এরই ধারাবহিকতায় কুলিয়ারচর উপজেলার ৬নং সালুয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন স্থানীয় রাজনীতিতে ক্লিন ইমেজের নেতা ও সালুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মো. দেলোয়ার হোসেন।
গত ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার উপজেলার ডুমরাকান্দা বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় শেষে মুসল্লিদের দোয়া নিয়ে পুরোদমে নির্বাচনী প্রচারণায় নেমে গণসংযোগ করেন তিনি।
এর আগে গত ১২ সেপ্টেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় ডুমরাকান্দা বাজারে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে তিনি আসন্ন সালুয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন। পরে নেতাকর্মী ও বিপুল সংখ্যক সমর্থকদের সাথে নিয়ে তিনি ডুমরাকান্দা বাজারের প্রধান প্রধান সড়কে গণসংযোগ করে সকলের দোয়া, ভালোবাসা ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। সুধী সমাবেশ ও গণসংযোগকালে সালুয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগের দিন ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজ ওয়ার্ডের নেতাকর্মী ও নিজ গ্রাম উত্তর সালুয়ার বাসিন্দাদের নিয়ে এলাকায় এক মতবিনিময় সভা করে উপস্থিত সকলের সম্মতিক্রমে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
আলহাজ্ব মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, "ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আমার ব্যক্তিগত কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। মহান আল্লাহর রহমতে আমার যা আছে, তা নিয়েই আমি সন্তুষ্ট। সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে আমি সর্বদা সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। সালুয়া ইউনিয়নের শোষিত, বঞ্চিত ও অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে একটি দুর্নীতি, অনিয়ম, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত মডেল ইউনিয়ন গঠন করাই আমার মূল লক্ষ্য।"
সালুয়া ইউনিয়নের উত্তর সালুয়া গ্রামের প্রয়াত মুছলেহ উদ্দিনের ছেলে বিশিষ্ট সমাজ সেবক আলহাজ্ব মো. দেলোয়ার হোসেন ১৯৯১ সালে সালুয়া ইউনিয়ন ছাত্র দলের ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালনের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)'র রাজনীতিতে সক্রিয় হন। পরবর্তীতে তিনি অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও যুবদলের সহ-সভাপতি এবং উপজেলা বিএনপির অর্থ বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সাথে নিবিড় সম্পর্ক ও দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ দল তাঁকে সালুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির মূল দায়িত্ব প্রদান করেন। বর্তমানে তিনি সালুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হিসেবে অত্যান্ত দক্ষতার সাথে দ্বায়িত্ব পালন করে আসছেন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে সালুয়া ইউনিয়নের ডুমরাকান্দা বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সভাপতি, সালুয়া ঈদগাহের সাধারণ সম্পাদক, এমাদ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি ও নিজ গ্রাম উত্তর সালুয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সভাপতির দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি ঢাকায় 'এনডিএন ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন ওয়ার্কস'-এর স্বত্বাধিকারী হিসেবে সফলভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।
এলাকাবাসীর মতে, দেলোয়ার হোসেন এলাকার একজন সুশিক্ষিত, সৎ, ধার্মিক ও পরোপকারী ব্যক্তিত্ব। বিপদে-আপদে কিংবা যেকোনো প্রয়োজনে তাঁর কাছে গিয়ে কেউ কখনো খালি হাতে ফিরে আসেনি। তাঁর এই পরিচিতি ও ক্লিন ইমেজ নির্বাচনে তাঁকে বেশ শক্ত অবস্থানে রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কোচ আসেন, কোচ যান। তবে পর্তুগাল দলের জন্য একটি নাম চিরকাল অম্লান—ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। প্রায় দুই দশক ধরে পর্তুগালের একাদশের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে রয়েছেন এই কিংবদন্তি।
হোর্হে জেসুসের অধীনে এটি ব্যতিক্রম নয়। আজ নেশনস লিগের জন্য দল ঘোষণা করেছেন পর্তুগিজ কোচ, যেখানে রোনালদোকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে পর্তুগালের যাত্রা থেমে গেলে অনেকেই ধারণা করেছিলেন যে রোনালদো অবসরের ঘোষণা দেবেন। কারণ, বয়স তো কম হয়নি। ৪১ বছর বয়সেও রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক স্ট্রাইকার এখনও দৌড়াচ্ছেন।
এখনও দৌড় থামাননি, তবে তিনি এ বছরই অবসরের ইঙ্গিত দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বাধিক ১৪৬ গোলের মালিক রোনালদো বলেছেন, “হয়তো ফুটবলে এটাই আমার শেষ বছর। আর আমি চাই নিজের একটা দারুণ ছাপ রেখে যেতে।”
বিশ্বকাপের একাদশ থেকে জেসুস ৪টি পরিবর্তন করেছেন। জোসে সা, নেলসন সেমেদো, স্যামুয়েল কস্তা ও গনসালো গেদেসের পরিবর্তে সুযোগ পেয়েছেন স্যামুয়েল সোয়ারেস, নুনো তাভারেস, জোয়াও পলহিনহা ও ফাবিও সিলভা।
নেশনস লিগের ‘ডি’ গ্রুপে রয়েছে পর্তুগাল। তাদের প্রথম ম্যাচ হবে ২৪ সেপ্টেম্বর ওয়েলসের বিরুদ্ধে। ২৭ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় ম্যাচে প্রতিপক্ষ নরওয়ে। অন্যদিকে ১ অক্টোবর ডেনমার্কের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের পর ৪ অক্টোবর আবারো নরওয়ের বিপক্ষে মুখোমুখি হবে তারা।
পর্তুগালের দল:
গোলকিপার : দিয়োগো কস্তা, রুই সিলভা, স্যামুয়েল সোয়ারেস।
ডিফেন্ডার : রুবেন দিয়াস, তমাস আরাউহো, দিয়োগো দালোত, রেনাতো ভেইগা, গনসালো ইনাসিও, জোয়াও কানসেলো, নুনো মেন্দেস ও নুনো তাভারেস।
মিডফিল্ডার : ব্রুনো ফার্নান্দেজ, বের্নার্দো সিলভা, জোয়াও নেভেস, রুবেন নেভেস, ভিতিনিয়া ও জোয়াও পলহিনহা।
ফরোয়ার্ড : ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, গনসালো রামোস, জোয়াও ফেলিক্স, ফ্রান্সিসকো ত্রিনকাও, রাফায়েল লিয়াও, পেদ্রো নেতো, ফাবিও সিলভা ও ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লামিন ইয়ামালের বক্তব্যের পর এবার ইংলিশ তারকা হ্যারি কেইন নিজের ব্যালন ডি’অর পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেছেন। রয়টার্স -এর বরাতে শুক্রবার স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মার্কা’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বায়ার্ন মিউনিখের এই স্ট্রাইকার গত মৌসুমের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
কেইন জানান, তিনি নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে বেশি আলোচনা করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। তিনি বলেন, “নিজের সম্পর্কে বেশি কথা বলা আমার কখনোই পছন্দ নয়। তবে এটুকুই বলব, ব্যক্তিগত ও দলীয় দুই দিক থেকেই গত মৌসুমটা দুর্দান্ত কেটেছে।”
ক্যারিয়ারের সেরা মৌসুম কোনটি—এমন প্রশ্নের জবাবে কেইন কোনো দ্বিধা করেননি। তিনি বলেন, “বিনা দ্বিধায় বলা যায়, এটিই ছিল আমার ক্যারিয়ারের সেরা মৌসুম।”
গত মৌসুমে ৭৩ গোল করার সুবাদে কেইনের নাম স্বাভাবিকভাবেই ব্যালন ডি’অরের আলোচনায় উঠে এসেছে। ২০০১ সালে মাইকেল ওয়েনের পর আর কোনো ইংলিশ ফুটবলার এই পুরস্কার জিততে পারেননি। বর্তমানে কেইনের সঙ্গে আলোচনায় রয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালও।
তবে কেইন মনে করেন, দুর্দান্ত ব্যক্তিগত পরিসংখ্যান থাকা সত্ত্বেও ব্যালন ডি’অর জয়ের বিষয়টি তার নিয়ন্ত্রণে নেই। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এই গোল সংখ্যা নিয়ে আমি সত্যিই দারুণ গর্বিত... তবে ব্যালন ডি’অর পাওয়ার বিষয়টি তো আর আমার হাতে নেই। এটি পুরোটাই নির্ভর করছে ভোটারদের ওপর। আমার কাছে গত মৌসুম এখন অতীত।”
কেইনের মতে, আগের মৌসুমের সাফল্য নিয়ে পড়ে না থেকে নতুন লক্ষ্যেই মনোযোগ দেওয়া উচিত। তিনি বলেন, “আমি এখন নতুন মৌসুম নিয়ে ভাবছি এবং সামনে আর কী কী অর্জন করা যায়, সেদিকেই নজর দিচ্ছি।”
আগামী ২৬ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যালন ডি’অরজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে। তার আগে কেইনকে নিয়ে আলোচনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত পুরস্কারটি কার হাতে উঠবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন ভোটাররাই। এমবাপ্পে ও ইয়ামালও এরই মধ্যে পুরস্কার জয়ের বিষয়ে নিজেদের আত্মবিশ্বাসের কথা জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ফার্মগেইট অঞ্চলের তেজগাঁও কলেজের মসজিদ থেকে পুলিশ ২৩ জনকে জঙ্গি সন্দেহে আটক করেছে। আজ শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তাদের আটক করা হয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা গোপন বৈঠক করছিল। তাদের বিরুদ্ধে সন্দেহ করা হচ্ছে যে, তারা জঙ্গি কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত। তাদের বর্তমানে তেজগাঁও থানার হেফাজতে রাখা হয়েছে।
ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, এটিইউ ও সিটিটিসির কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছেন। তারা বিষয়টি যাচাই-বাছাই করছেন। পরে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উখিয়া এলাকায় ছিনতাই এবং অপরাধ সংঘটনের প্রস্তুতির খবর পাওয়ার পর অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ একটি পুরাতন আগ্নেয়াস্ত্র (পিস্তল) পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থলে থাকা অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ব্যক্তি দ্রুত পালিয়ে যায়।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দের রাত আনুমানিক ১টা ৫০ মিনিটের দিকে উখিয়া থানাধীন পালংখালী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের পালংখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ছিনতাইকারী ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে—এমন সংবাদ পুলিশ পায়।
সংবাদের ভিত্তিতে তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বালুখালী ক্যাম্পের পুলিশ ঘটনাস্থলের নিকটবর্তী এলাকায় পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সেখানে অবস্থানরত অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা দ্রুত পালিয়ে যায়।
পুলিশ পরবর্তীতে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে একটি পুরাতন আগ্নেয়াস্ত্র (পিস্তল) পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে জব্দতালিকামূলে অস্ত্রটি জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা আগ্নেয়াস্ত্রটির মালিকানা এবং ঘটনাস্থলে ফেলে যাওয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার জন্য তদন্ত চলছে। পলাতক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্রের বিষয়ে অস্ত্র আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ