শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২৯ পি.এম
কোচ আসেন, কোচ যান। তবে পর্তুগাল দলের জন্য একটি নাম চিরকাল অম্লান—ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। প্রায় দুই দশক ধরে পর্তুগালের একাদশের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে রয়েছেন এই কিংবদন্তি।
হোর্হে জেসুসের অধীনে এটি ব্যতিক্রম নয়। আজ নেশনস লিগের জন্য দল ঘোষণা করেছেন পর্তুগিজ কোচ, যেখানে রোনালদোকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে পর্তুগালের যাত্রা থেমে গেলে অনেকেই ধারণা করেছিলেন যে রোনালদো অবসরের ঘোষণা দেবেন। কারণ, বয়স তো কম হয়নি। ৪১ বছর বয়সেও রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক স্ট্রাইকার এখনও দৌড়াচ্ছেন।
এখনও দৌড় থামাননি, তবে তিনি এ বছরই অবসরের ইঙ্গিত দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বাধিক ১৪৬ গোলের মালিক রোনালদো বলেছেন, “হয়তো ফুটবলে এটাই আমার শেষ বছর। আর আমি চাই নিজের একটা দারুণ ছাপ রেখে যেতে।”
বিশ্বকাপের একাদশ থেকে জেসুস ৪টি পরিবর্তন করেছেন। জোসে সা, নেলসন সেমেদো, স্যামুয়েল কস্তা ও গনসালো গেদেসের পরিবর্তে সুযোগ পেয়েছেন স্যামুয়েল সোয়ারেস, নুনো তাভারেস, জোয়াও পলহিনহা ও ফাবিও সিলভা।
নেশনস লিগের ‘ডি’ গ্রুপে রয়েছে পর্তুগাল। তাদের প্রথম ম্যাচ হবে ২৪ সেপ্টেম্বর ওয়েলসের বিরুদ্ধে। ২৭ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় ম্যাচে প্রতিপক্ষ নরওয়ে। অন্যদিকে ১ অক্টোবর ডেনমার্কের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের পর ৪ অক্টোবর আবারো নরওয়ের বিপক্ষে মুখোমুখি হবে তারা।
পর্তুগালের দল:
গোলকিপার : দিয়োগো কস্তা, রুই সিলভা, স্যামুয়েল সোয়ারেস।
ডিফেন্ডার : রুবেন দিয়াস, তমাস আরাউহো, দিয়োগো দালোত, রেনাতো ভেইগা, গনসালো ইনাসিও, জোয়াও কানসেলো, নুনো মেন্দেস ও নুনো তাভারেস।
মিডফিল্ডার : ব্রুনো ফার্নান্দেজ, বের্নার্দো সিলভা, জোয়াও নেভেস, রুবেন নেভেস, ভিতিনিয়া ও জোয়াও পলহিনহা।
ফরোয়ার্ড : ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, গনসালো রামোস, জোয়াও ফেলিক্স, ফ্রান্সিসকো ত্রিনকাও, রাফায়েল লিয়াও, পেদ্রো নেতো, ফাবিও সিলভা ও ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লামিন ইয়ামালের বক্তব্যের পর এবার ইংলিশ তারকা হ্যারি কেইন নিজের ব্যালন ডি’অর পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেছেন। রয়টার্স -এর বরাতে শুক্রবার স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মার্কা’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বায়ার্ন মিউনিখের এই স্ট্রাইকার গত মৌসুমের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
কেইন জানান, তিনি নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে বেশি আলোচনা করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। তিনি বলেন, “নিজের সম্পর্কে বেশি কথা বলা আমার কখনোই পছন্দ নয়। তবে এটুকুই বলব, ব্যক্তিগত ও দলীয় দুই দিক থেকেই গত মৌসুমটা দুর্দান্ত কেটেছে।”
ক্যারিয়ারের সেরা মৌসুম কোনটি—এমন প্রশ্নের জবাবে কেইন কোনো দ্বিধা করেননি। তিনি বলেন, “বিনা দ্বিধায় বলা যায়, এটিই ছিল আমার ক্যারিয়ারের সেরা মৌসুম।”
গত মৌসুমে ৭৩ গোল করার সুবাদে কেইনের নাম স্বাভাবিকভাবেই ব্যালন ডি’অরের আলোচনায় উঠে এসেছে। ২০০১ সালে মাইকেল ওয়েনের পর আর কোনো ইংলিশ ফুটবলার এই পুরস্কার জিততে পারেননি। বর্তমানে কেইনের সঙ্গে আলোচনায় রয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালও।
তবে কেইন মনে করেন, দুর্দান্ত ব্যক্তিগত পরিসংখ্যান থাকা সত্ত্বেও ব্যালন ডি’অর জয়ের বিষয়টি তার নিয়ন্ত্রণে নেই। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এই গোল সংখ্যা নিয়ে আমি সত্যিই দারুণ গর্বিত... তবে ব্যালন ডি’অর পাওয়ার বিষয়টি তো আর আমার হাতে নেই। এটি পুরোটাই নির্ভর করছে ভোটারদের ওপর। আমার কাছে গত মৌসুম এখন অতীত।”
কেইনের মতে, আগের মৌসুমের সাফল্য নিয়ে পড়ে না থেকে নতুন লক্ষ্যেই মনোযোগ দেওয়া উচিত। তিনি বলেন, “আমি এখন নতুন মৌসুম নিয়ে ভাবছি এবং সামনে আর কী কী অর্জন করা যায়, সেদিকেই নজর দিচ্ছি।”
আগামী ২৬ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যালন ডি’অরজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে। তার আগে কেইনকে নিয়ে আলোচনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত পুরস্কারটি কার হাতে উঠবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন ভোটাররাই। এমবাপ্পে ও ইয়ামালও এরই মধ্যে পুরস্কার জয়ের বিষয়ে নিজেদের আত্মবিশ্বাসের কথা জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ফার্মগেইট অঞ্চলের তেজগাঁও কলেজের মসজিদ থেকে পুলিশ ২৩ জনকে জঙ্গি সন্দেহে আটক করেছে। আজ শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তাদের আটক করা হয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা গোপন বৈঠক করছিল। তাদের বিরুদ্ধে সন্দেহ করা হচ্ছে যে, তারা জঙ্গি কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত। তাদের বর্তমানে তেজগাঁও থানার হেফাজতে রাখা হয়েছে।
ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, এটিইউ ও সিটিটিসির কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছেন। তারা বিষয়টি যাচাই-বাছাই করছেন। পরে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উখিয়া এলাকায় ছিনতাই এবং অপরাধ সংঘটনের প্রস্তুতির খবর পাওয়ার পর অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ একটি পুরাতন আগ্নেয়াস্ত্র (পিস্তল) পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থলে থাকা অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ব্যক্তি দ্রুত পালিয়ে যায়।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দের রাত আনুমানিক ১টা ৫০ মিনিটের দিকে উখিয়া থানাধীন পালংখালী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের পালংখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ছিনতাইকারী ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে—এমন সংবাদ পুলিশ পায়।
সংবাদের ভিত্তিতে তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বালুখালী ক্যাম্পের পুলিশ ঘটনাস্থলের নিকটবর্তী এলাকায় পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সেখানে অবস্থানরত অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা দ্রুত পালিয়ে যায়।
পুলিশ পরবর্তীতে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে একটি পুরাতন আগ্নেয়াস্ত্র (পিস্তল) পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে জব্দতালিকামূলে অস্ত্রটি জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা আগ্নেয়াস্ত্রটির মালিকানা এবং ঘটনাস্থলে ফেলে যাওয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার জন্য তদন্ত চলছে। পলাতক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্রের বিষয়ে অস্ত্র আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য (এমপি) এটিএম আজহারুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন যে, লং মার্চে যদি কোনো বাধা সৃষ্টি হয়, তবে তারা তা গ্রহণ করবেন না। সেই বাধাকে উপেক্ষা করে তারা রংপুরের দিকে অগ্রসর হবেন। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার যেন জনগণের দাবি সম্মানের সঙ্গে গ্রহণ করে। অন্যথায়, তারা ফ্যাসিস্ট সরকারের চরিত্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করে তা জনগণের ওপর চাপিয়ে দিয়ে ক্ষমতায় থাকার দিন শেষ হয়ে গেছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রংপুর মহানগরীর শাপলা চত্বরে দলীয় কার্যালয়ে ঢাকা টু রংপুর লং মার্চের জন্য আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ ২৬৫ আসন পেয়েছিল এবং তাদের বন্ধু দেশ নিয়ে গর্ব করতো। পুলিশ ও আর্মিসহ সকলকে ব্যবহার করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা ক্ষমতায় থাকতে পারেনি এবং দেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। জনগণ বলছে, আওয়ামী লীগ পালিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে আশ্রয় নিয়েছে, কিন্তু বিএনপি কোথায় পালাবে? এজন্য সরকারকে বলবো, জনগণের কথা শুনুন এবং দেওয়ালগুলোর দিকে তাকান, জনগণ কি লিখছে।
তিনি আরও বলেন, হাসিনার মতো বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে অবহেলা করে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না। দাবি না মানলে জনগণের আকাঙ্ক্ষিত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি দেশবাসীকে জানাতে চান, আসুন দাবিগুলোর প্রতি সমর্থন দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে লং মার্চ সফল করি। সরকারের কাছে দাবি জানাতে চান যে, জনগণের চাওয়াকে উপলব্ধি করে আগামী সংসদে সংবিধান সংস্কারের শপথ নিন, অথবা সংবিধান সংস্কারে ঐক্যমতের ভিত্তিতে উদ্যোগ গ্রহণ করুন।
এটিএম আজহারুল ইসলাম আরও বলেন, দেশে তেলের সংকট দেখা দিয়েছিল। সরকারি দল এবং বিরোধীদল মিলে মিটিং করে আমরা দুই দিনের মধ্যে তা সমাধান করেছি। বিদ্যুতের সংকটের সময় জামায়াতের আমির সরকারি দল ও বিরোধীদল মিলে সংকট সমাধানের কথা বলেছিল, কিন্তু সরকারি দল কোনো কর্ণপাত করেনি। সংসদে সম্পত্তি হস্তান্তর আইন পাস হয়েছে, যা ইসলামী শরিয়াহ বিরোধী। সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণ করেছে। এছাড়া চাঁদাবাজি, দখলবাজিসহ নানা ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ড বেড়ে চলেছে। লং মার্চের দাবিগুলো জামায়াতের নয়, এটি জনগণের। তাই জনগণ এ কর্মসূচিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলাল, রংপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম রব্বানী, জামায়াতে ইসলামীর দিনাজপুর-রংপুর অঞ্চলের পরিচালক মাওলানা মমতাজ উদ্দিন, মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির এটিএম আজম খান, সেক্রেটারি আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক অ্যাডভোকেট কাওছার আলী, এনসিপির জেলা আহ্বায়ক আল মামুন, মহানগর ছাত্রশিবিরের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক সামসুল হকসহ অন্যান্যরা।
উল্লেখ্য, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলবাজি বন্ধ করা, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইন বাতিলের দাবিতে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টায় ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন এগারো দলীয় ঐক্যের ঢাকা টু রংপুর লং মার্চ শুরু হবে এবং সন্ধ্যা ৭টায় রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
সমাবেশ সফল করতে রংপুর জিলা স্কুলে মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া জেলাজুড়ে মাইকিং, তোরণ নির্মাণ, দেওয়াল ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ব্যানার-পোস্টার টানিয়ে প্রচার-প্রচারণা চালানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ