ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ওজন কমাতে রাতে খেতে পারেন ৩ খাবার


ওজন কমাতে রাতে খেতে পারেন ৩ খাবার

ওজন কমানোর জার্নিতে অনেকেই যে ভুলটি সবচেয়ে বেশি করেন, তা হলো রাতের খাবার বা ডিনার পুরোপুরি বাদ দেওয়া।

ভাবেন, না খেয়ে থাকলেই বুঝি দ্রুত মেদ ঝরবে! চিকিৎসাবিজ্ঞান কিন্তু বলছে ভিন্ন কথা।

রাতের খাবার একদম বন্ধ করে দিলে শরীরের মেটাবলিজম বা বিপাক প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়,

আরও পড়ুন: বুধবার ১২ রাশির অর্থভাগ্যে সতর্কতা, জেনে নিন রাশিফল

যা ওজন কমানোর প্রক্রিয়াকে আরও কঠিন করে তোলে। আসল রহস্য লুকিয়ে আছে না খেয়ে থাকায় নয়,

বরং সঠিক খাবার বেছে নেওয়ায়। রাতে এমন কিছু খাবার খাওয়া উচিত যা একদিকে ক্যালোরিতে কম,

অন্যদিকে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখতে সাহায্য করবে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, রাতের খাবারের তালিকায় কোন তিনটি খাবার রাখলে ক্ষুধার কষ্ট ছাড়াই ওজন কমানো সম্ভব—

আরও পড়ুন: ৫৩ বছরেও ফিট থাকার জন্য শচীন ছেড়ে দিলেন দুই বদঅভ্যাস

দই

দই প্রোটিনসমৃদ্ধ এবং হজমে সহায়ক।

বিশেষ করে চিনি ছাড়া টক দই রাতে খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে এবং অপ্রয়োজনীয় ক্ষুধা কমে।

এতে থাকা প্রোবায়োটিক অন্ত্রের স্বাস্থ্যও ভালো রাখে।

আরও পড়ুন: ২৮ অক্টোবর: ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা

সেদ্ধ ডিম

ডিম উচ্চমানের প্রোটিনের উৎস। রাতে একটি বা দুটি সেদ্ধ ডিম খেলে সহজেই ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

এটি শরীরের পেশি গঠনে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণের প্রবণতা কমায়।

সবজি স্যুপ

আরও পড়ুন: ‘পর্যটন মেলা, ২০২৬’ বৃহস্পতিবার শুরু, প্রযুক্তি ও টেকসই পর্যটন নিয়ে আলোচনা

কম ক্যালোরি ও বেশি পুষ্টিগুণের কারণে সবজি স্যুপ ওজন কমানোর জন্য দারুণ একটি খাবার।

গাজর, লাউ, ব্রকলি, টমেটো বা অন্যান্য সবজি দিয়ে তৈরি স্যুপ শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে এবং পেট ভরিয়ে দেয়।

পরামর্শ-

রাতে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও মিষ্টিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন।

আরও পড়ুন: ডিকশনারি ডটকমের বর্ষসেরা শব্দ ‘ম্যাক্সিং’, জনপ্রিয় হলো কিভাবে

ঘুমানোর অন্তত ২ থেকে ৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে নিন।

পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

নিয়মিত ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখুন।

আরও পড়ুন: প্রেম খুঁজতে ফিনল্যান্ডে বিনা খরচে ভ্রমণের সুযোগ পাবেন কারা?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘নার্সের পেশাকে যৌনতার দৃষ্টিতে দেখা হয়’, সেবিকাদের পোশাকেও বদল আনতে চান কঙ্গনা রনৌত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৪৪ এম


‘নার্সের পেশাকে যৌনতার দৃষ্টিতে দেখা হয়’, সেবিকাদের পোশাকেও বদল আনতে চান কঙ্গনা রনৌত

কঙ্গনা রনৌতের মতে, বর্তমানে চিকিৎসকদের পোশাকের ক্ষেত্রে অনেক বেশি স্বাধীনতা রয়েছে। যদিও নার্সদের এখনও একটি নির্দিষ্ট ও ঐতিহ্যবাহী ইউনিফর্ম পরতে হয়।

তিনি ভারতের 'ভারত ভাগ্য বিধাতা' ছবিতে নার্সের চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যা ২৬/১১-র প্রেক্ষাপটে তৈরি। সম্প্রতি, এক সাক্ষাৎকারে ছবির বিষয় এবং নার্সদের পেশা নিয়ে কঙ্গনা নানা বিষয় আলোচনা করেন। নার্সদের পোশাকে একটি পরিবর্তন আনার কথা বলেন তিনি।

কঙ্গনার মতে, চিকিৎসকদের পোশাকের ক্ষেত্রে এখন অনেক বেশি স্বাধীনতা আছে। কিন্তু নার্সদের জন্য এখনও ঐতিহ্যবাহী একটি নির্দিষ্ট ইউনিফর্ম পালন করতে হয়। কঙ্গনা বলেন, “আমার মনে হয় ব্রিটিশ আমলের নার্সদের ‘ড্রেস কোড’ এখনও চালু রয়েছে। আমাদের চিকিৎসকেরা নির্দিষ্ট নিয়মের মধ্যে থেকে নিজেদের পছন্দমতো পোশাক পরতে পারেন। কিন্তু নার্সদের ক্ষেত্রে গরম হোক বা শীত, এখনও একই ধরনের বিদেশি ধাঁচের ইউনিফর্ম দেখা যায়। এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত। তবে এই সিনেমাতে আমরা সততা ও মর্যাদার সঙ্গে কাজ করেছি। শরীরের গঠন বা আকার গুরুত্বপূর্ণ নয়, আপনার ইউনিফর্মই আপনার কর্তব্যের প্রতীক।”

কঙ্গনা তার বক্তৃতায় নার্সদের পোশাকের আরও একটি দিক সম্পর্কে জানান। তিনি বলেন, “আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয়েছে এই পোশাক খুবই ব্রিটিশ ধাঁচের। ইউনিফর্মের সঙ্গে পিন, ক্যাপ বা বেল্ট ব্যবহার করার বিষয়টি মার্কিন নৌবাহিনীর প্রভাব থেকে এসেছে। প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যেমন ছিল, এখনও অনেকটাই তেমনই রয়েছে।” তবে কঙ্গনার মতে, যদি ভবিষ্যতে নার্সদের ইউনিফর্মে পরিবর্তন আসে, তবে তা নার্সদের প্রয়োজন ও মতামতের ভিত্তিতে হওয়া উচিত। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “ভবিষ্যতে যদি নার্সদের নিজস্ব পছন্দ ও প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখেই ইউনিফর্মে ভারতীয় ছোঁয়া আনা যায়, তা খুবই ইতিবাচক পরিবর্তন হবে।”

কঙ্গনা পোশাকের পাশাপাশি নার্সদের কাজের গুরুত্ব নিয়ে কথা বলেন। তাঁর মতে, নার্সিং পেশাকে অনেক সময় 'যৌনতার' সঙ্গে যুক্ত করে নানা মন্তব্য করা হয়। অভিনেত্রী বলেন, “মানুষের যে ধারণা ও মনোভাব রয়েছে, সেখানে পরিবর্তন আসা উচিত। আমার মনে হয় নার্সিং এমন একটি পেশা, যেটিকে সবচেয়ে বেশি যৌনতার দৃষ্টিতে দেখা হয়।”

তিনি আরও যোগ করেন, “হাসপাতালের কথা ভাবলেই আমরা স্বাভাবিক ভাবেই চিকিৎসকদের কথা ভাবি। তাঁদের অবদান অপরিসীম ঠিকই। কিন্তু যে লক্ষ লক্ষ কর্মী প্রতিদিন এই পুরো ব্যবস্থাকে সচল রাখেন, তাঁদের কথাও আমাদের ভাবা উচিত।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে নিজেও দিলেন প্রাণ

ঈশ্বরদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৫১ এম


ঈশ্বরদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ২

একটি মুহূর্তেই শেষ হয়ে গেল দুটি জীবন। মায়ের চোখের সামনেই সড়কে ঝরে গেল আট বছরের শিশু আলিফের প্রাণ। তাকে বাঁচাতে ছুটে আসা এক যুবকও মৃত্যুর নির্মম শিকার হলেন। হৃদয়বিদারক একটি সড়ক দুর্ঘটনায় পাবনার ঈশ্বরদীতে শিশুসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, এ ঘটনায় আহত হয়েছেন এক নারী।

রোববার (৭ জুন) রাত ৯টার দিকে দাশুরিয়া-লালন শাহ সেতু মহাসড়কের কোলেরকান্দি বটতলা এলাকায় মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন—পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের কোলাদি গ্রামের জাহিদ হোসেনের ছেলে আলিফ হোসেন (৮) এবং আতাইকুলা থানার শ্রীকোল গ্রামের বাশার শেখের ছেলে ও মুরগি ব্যবসায়ী বাকিবিল্লাহ (৩৫)।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, আলিফ রূপপুর এলাকা থেকে পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ঘুরে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে পরিবারের সঙ্গে দাশুরিয়ার দিকে ফিরছিল। কোলেরকান্দি এলাকায় পৌঁছালে পেছন দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেল সিএনজিটিকে ধাক্কা দেয়, ফলে শিশু আলিফ সিএনজি থেকে ছিটকে মহাসড়কে পড়ে যায়।

মোটরসাইকেল আরোহী বাকিবিল্লাহ দ্রুত মোটরসাইকেল থামিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করতে ছুটে যান। কিন্তু ঠিক তখন পেছন দিক থেকে দ্রুতগতির একটি অজ্ঞাত যানবাহন এসে তাদের ধাক্কা দেয়। মুহূর্তেই গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান শিশু আলিফ ও বাকিবিল্লাহ।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রূপপুর মডার্ন ফায়ার স্টেশনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করেন। একই সঙ্গে আহত আলিফের মা আঁখি খাতুন (৩০)-কে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

রূপপুর মডার্ন ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার মাজেদুল ইসলাম বলেন, “খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেন এবং আহত নারীকে হাসপাতালে পাঠান।”

পাকশী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নান্নু মিয়া জানান, নিহতদের মরদেহ পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনায় জড়িত অজ্ঞাত যানবাহনটি শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, শিশুটিকে বাঁচানোর জন্য জীবন বাজি রেখে এগিয়ে গিয়েছিলেন বাকিবিল্লাহ। কিন্তু মানবিকতার সেই হাত বাড়ানোই শেষ পর্যন্ত তাঁর নিজের জীবনের বিনিময়ে শেষ হয়। এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সীমানা নিয়ে বিরোধ: গাইবান্ধায় প্রতিপক্ষের হামলায় কলেজছাত্রের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:০২ এম


সীমানা নিয়ে বিরোধ: গাইবান্ধায় প্রতিপক্ষের হামলায় কলেজছাত্রের মৃত্যু

গাইবান্ধায় বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র ফাহমিদ রুমন নিহত হন। এই ঘটনায় তার অপর ভাই ফারদিন রুহিত আহত হন।

রবিবার (৬ জুন) রাত ৯টার দিকে সদর উপজেলার ত্রিমোহনী এলাকার পেয়ারাপুরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত গাইবান্ধা সরকারি কলেজের অনার্স ১ম বর্ষের ছাত্র ফাহমিদ রুমন এবং আহত তার সহোদর ফারদিন রুহিত হলেন ওই এলাকার মৃত ফারুক ইসলামের ছেলে।

চিকিৎসাধীন আহত ফারদিন রুহিত জানান, বাড়ির সীমানা নিয়ে প্রতিবেশী ছানা মিয়ার সঙ্গে তাদের বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি তারা আমিন দিয়ে পরিমাপ করে তাদের বাড়ির সীমানা নির্ধারণ করে নেন।

নির্ধারিত সীমানায় দেওয়াল তুলতে গেলে প্রতিবেশী ছানা মিয়া বাধা দেন এবং তার মা ও ছোট ভাই রুমনকে মারধর করেন।

স্থানীয়রা জানান, গার্মেন্টস কর্মী রুহিত ঢাকা থেকে ফিরে রবিবার রাতে কেউ নাকি ছানা মিয়ার কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তার ছেলে রাকিব রুহিত ও রুমনকে ছুরিকাঘাত করে। আশেপাশের লোকজন গুরুতর আহত দুই ভাইকে চিকিৎসার জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফাহমিদ রুমনকে মৃত ঘোষণা করেন।

গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একজন নিহত হয়েছেন। এই সংঘর্ষে দুই পক্ষের দুজন আহত হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘হাই অ্যালার্ট’: ইসরাইলের দিকে ধেয়ে আসছে ইরানি মিসাইলের ঢেউ!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:০৮ এম


‘হাই অ্যালার্ট’: ইসরাইলের দিকে ধেয়ে আসছে ইরানি মিসাইলের ঢেউ!

ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে ইসরাইলের দিকে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিহত করার জন্য ইসরাইলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাজ করছে বলেও তারা জানান।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ইসরাইলি সেনাবাহিনী কিছুক্ষণ আগে বলেছে যে, রোববার বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপশহরগুলোতে প্রাণঘাতী হামলার পর আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইসরাইলের দিকে সম্ভাব্য গোলাবর্ষণের আশঙ্কায় তারা ‘হাই অ্যালার্ট’ বা ‘উচ্চ সতর্কতায়’ রয়েছে।

দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত হওয়ার পর উত্তর ইসরাইলের হাইফা ও অন্যান্য এলাকায় সাইরেন বাজানো হয়েছে।

এদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সামরিক উপদেষ্টা মোহসেন রেজাই ইসরাইলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের বিষয়ে মন্তব্য করেছেন।

সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ তিনি লিখেছেন, ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরান বারবার বলেছে যে, তারা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন এবং লেবাননের বিরুদ্ধে আগ্রাসন বরদাস্ত করবে না। তিনি বলেন, আজ (সোমবার, ৮ জুন) রাতে আগ্রাসনকারীরা তাদের জবাব পেয়েছে।

মোহসেন রেজাই আরও বলেন, এই জবাব তাদের অপকর্ম বন্ধ করার একটি সতর্কবার্তা; যেকোনো নতুন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আরও কঠোর জবাব এবং আরও বড় মূল্য দিতে হবে।

তার এই সতর্কবার্তার কিছুক্ষণ পরেই ইসরাইলি সামরিক বাহিনী তাদের সবশেষ তথ্যে জানিয়ে দেয়, ‘বিমান বাহিনী (ইসরাইলের) এ পর্যন্ত ইরান থেকে ছোড়া সব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে।’

তবে ইসরাইলের দিকে ছোড়া ‘অতিরিক্ত উৎক্ষেপণ’ (ক্ষেপণাস্ত্র) শনাক্ত করার কথাও জানানো হয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%