ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে,


আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে,

উপসাগরীয় অঞ্চলে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমে গেছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টা ১৯ মিনিটের মধ্যে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৭ সেন্ট বা শূন্য দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৯ দশমিক ১৮ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৩৫ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৩৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯০ দশমিক ১৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ‘ধ্বংস করে দেওয়ার’ হুঁশিয়ারি দিলেও তিনি জানান যে, তার দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ইরানের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা করেছেন।

আরও পড়ুন: ঋণ গ্রহণের ব্যয় বৃদ্ধিতে সীমিত পরিসরের বাজেটের পথে যুক্তরাজ্য

ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি, তাদের একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য অনেক গতি তৈরি হয়েছে।’

সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি এবং প্রায় সাত মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসানের প্রচেষ্টা তেলের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এর ফলস্বরূপ মঙ্গলবার ব্রেন্ট তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে নেমে দিনের লেনদেন শেষ করে। ৮ সেপ্টেম্বরের পর এই প্রথম ব্রেন্টের দাম ১০০ ডলারের নিচে নামল।

কেসিএম ট্রেডের প্রধান বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার মন্তব্য করেছেন যে, কয়েক সপ্তাহ আগে যেভাবে বৈশ্বিক তেল সরবরাহ পরিস্থিতি ছিল, বর্তমানে বাজার তার চেয়ে কিছুটা বেশি আশাবাদী।

তিনি বলেন, নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের বৈঠক ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনা ও সম্ভাবনা নিয়ে কিছুটা আশার সৃষ্টি করেছে। যদিও ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকিসহ কঠোর বক্তব্য অব্যাহত রয়েছে, বাজার এখন আলোচনা এবং সম্ভাবনাকেই গুরুত্ব দিচ্ছে।

আরও পড়ুন: ঘোষণা দিয়েও নিরাপত্তার কারণে ঢাকা-রিয়াদ সরাসরি ফ্লাইট চালু করতে পারল না সৌদি এয়ারলাইন্স

মঙ্গলবার সৌদি আরব লোহিত সাগরের দিকে পরিচালিত তার ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইনের কার্যক্রম পুনরায় শুরু করেছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিনটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেলের সরবরাহ বাড়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

ড্রোন হামলার পর গত ১১ সেপ্টেম্বর সৌদি আরব পাইপলাইনটি বন্ধ করে দিয়েছিল। হামলার জন্য ইরাকের একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীকে দায়ী করেছিল দেশটি। পাইপলাইনটি বন্ধ থাকায় সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দরে অপরিশোধিত তেল পাঠানোও বন্ধ হয়ে যায়।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে সৌদি আরব ও উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার পর বিকল্প পথ হিসেবে সৌদি আরব পাইপলাইনটি ব্যবহার করছে। এর মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল বা বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ৪ শতাংশ ইয়ানবু বন্দরের দিকে পাঠানো সম্ভব।

এদিকে ইরাকও তেল রপ্তানি বাড়াচ্ছে। দেশটির তেলমন্ত্রী বাসিম মোহাম্মদ মঙ্গলবার জানিয়েছেন, বর্তমানে ইরাক প্রতিদিন ৩০ লাখ ব্যারেলের বেশি তেল রপ্তানি করছে। তুরস্কের মাধ্যমে রপ্তানি বাড়িয়ে দৈনিক ৬ লাখ ব্যারেলের বেশি করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

আরও পড়ুন: সরকারের সমালোচনা করলেই গ্রেপ্তার মানবাধিকারের লঙ্ঘন: আখতার হোসেন

জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান ভর্টেক্সা ও কেপলারের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে ইরাকের অপরিশোধিত তেল রপ্তানি ছিল যথাক্রমে দৈনিক ২৩ লাখ ও ২১ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেল। জুলাইয়ের তুলনায় রপ্তানি বেড়েছে, তবে যুদ্ধ শুরুর আগে ফেব্রুয়ারির তুলনায় তা এখনো কম।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রেও অপরিশোধিত তেলের মজুত বেড়েছে। শিল্প খাতের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া সপ্তাহে দেশটির অপরিশোধিত তেলের মজুত ১৮ লাখ ব্যারেল বেড়েছে। তবে রয়টার্সের জরিপে বিশ্লেষকেরা মজুত কমার পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসন (ইআইএ) বুধবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় দেশটির সাপ্তাহিক তেল মজুতের সরকারি তথ্য প্রকাশ করার পরিকল্পনা করেছে।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ডেভিড ইমনকে ৭ দিনের রিমান্ডে পাঠাল আদালত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএমপির বিশেষ অভিযান: ৩৩০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার বরিশাল।

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৩১ এম


বিএমপির বিশেষ অভিযান: ৩৩০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২১

চার থানা ও ডিবির পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও মোটরসাইকেল উদ্ধার; পরোয়ানাসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বিশেষ অভিযানে ৩৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও একটি TVS Metro Plus মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। একই অভিযানে বিভিন্ন মামলায় ও আইনি ব্যবস্থায় মোট ২১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বিএমপি মিডিয়া সেলের তথ্য অনুযায়ী, গত ২২ সেপ্টেম্বর মহানগর পুলিশের চারটি থানা ও গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পৃথকভাবে এসব অভিযান পরিচালনা করে।

মাদকবিরোধী অভিযানে:
৩৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও একটি TVS Metro Plus মোটরসাইকেলসহ *৩ জনকে গ্রেপ্তার* করা হয়।

গ্রেপ্তারি পরোয়ানায়:
বিভিন্ন মামলায় আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত ৩ জনকে আটক** করা হয়েছে।

নিয়মিত মামলায়:
নিয়মিত মামলার আসামি হিসেবে *১৬ জনকে গ্রেপ্তার* করা হয়েছে।

অন্যান্য আইনে:
অন্যান্য আইনে *৩ জনকে গ্রেপ্তার* করা হয়েছে।

বরিশাল মহানগর অধ্যাদেশে:
বরিশাল মহানগর অধ্যাদেশে ২ জনকে গ্রেপ্তার** করা হয়েছে।

বিএমপি জানায়, গত ২২ সেপ্টেম্বর পরিচালিত পৃথক এসব অভিযানে উদ্ধার করা মাদক ও মোটরসাইকেলসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ে মোট ২১ জন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার** করা হয়েছে।

বরিশাল মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধ এবং অপরাধ দমনে বিএমপির বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘সাগরে মাছ ধরে সংসার চলে না’-চরফ্যাশনের জেলেদের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৩৫ এম


‘সাগরে মাছ ধরে সংসার চলে না’-চরফ্যাশনের জেলেদের অভিযোগ

‘আগে এক ট্রিপ সাগরে গেলে যে মাছ পাইতাম, তা দিয়ে তেলের খরচ উইঠাও সাত দিন ভালোভাবে সংসার চলত। কিন্তু এখন হাজার হাজার টাকা দাদন (ঋণ) নিয়ে সাগরে গিয়েও খালি হাতে ফিরতে হয়। চাল-ডাল কেনার টাকা তো দূরের কথা, মহাজনের ঋণের সুদ দেওয়াও দায় হয়ে পড়ছে। সাগরে মাছ ধরে এখন আর সংসার চলে না বাজান।’

চোখেমুখে ক্লান্তির ছাপ এবং বুকভরা দীর্ঘশ্বাস নিয়ে কথাগুলো বলছিলেন চরফ্যাশনের সামরাজ মাছঘাটের প্রবীণ জেলে নুর হোসেন মাঝি। এই হাহাকার কেবল তার একার নয়, ভোলার দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় চরফ্যাশন-মনপুরার মৎস্যজীবীদের জীবনের নিষ্ঠুর বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে।

বঙ্গোপসাগরের ওপর নির্ভর করে যাদের সংসার চলত, জলবায়ু পরিবর্তন ও অর্থনৈতিক সংকটের জাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে আজ তাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।

এখানকার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে কয়েক হাজার জেলে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তবে এ পেশায় দিন দিন নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হওয়ায় অনেকে এ পেশা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। অনেক জেলে এখন বিকল্প আয়ের পথ খুঁজছেন।

বিভিন্ন এনজিওর ঋণ ও মহাজনদের দাদন পরিশোধের চাপ, কাঙ্ক্ষিত মাছ না পাওয়া, একের পর এক নিষেধাজ্ঞা, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এ পেশায় আগ্রহ হারাচ্ছেন, এমনটাই জানিয়েছেন জেলেরা।

সরেজমিনে জেলেদের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, অতীতে জেলে পেশা দিয়ে খুব ভালোভাবেই সংসার চলত। এখন এ পেশার পাশাপাশি অন্য কাজ না করলে তিনবেলা খাবারের ব্যবস্থা হয় না। সাগরে মাছ না থাকায় অনেক সময় লোকসানে পড়তে হয়। তাই তারা বিকল্প পেশা খুঁজছেন।

উপজেলার চরকুকরি এলাকার জেলে বাবুল মাঝি বলেন, ‘আমি ৪০ বছর ধরে এ পেশায় আছি। আগে যেমন তেলের দাম ছিল, তখন ভালোই লাভ হতো। কিন্তু এখন তেলের দাম চড়া। এতে আমাদের ট্রলার নিয়ে মাছ ধরতে হিমশিম খেতে হয়। সাগরে মাছ ধরে এখন আর সংসার চলে না। তাই বাধ্য হয়েই অন্য কাজ করতে হয়।’

জেলে ফোরকান মিয়া বলেন, ‘সব মালামালের দাম বেড়েছে। চাল, ডাল, তেল, বরফ সবকিছুই কিনতে হয় অধিক দামে। এভাবে জীবন চালানো কষ্টকর। মাছ ধরার সিজন থাকে ৫ মাস। এর মধ্যে আড়াই মাসই থাকে নিষেধাজ্ঞা। বাকি আড়াই মাসে ঝড়ঝাপটা-বৈরি আবহাওয়া থাকে। এখন শুধু জেলে পেশা দিয়ে সংসার চালানোর মতো কোনো উপায় নাই। তাই অন্য পেশা খুঁজছি।’

উপজেলার তেঁতুলিয়া নদীর পাড়ের জেলে আনোয়ার এবং বেতুয়ার মেঘনা নদীর পাড়ের সামরাজ এলাকার জেলে নরুল্লাহ মিয়া বলেন, ‘সাগরে ইলিশ তেমন পাওয়া যায় না। মাঝে মাঝে অনেক ইলিশ ওঠে। কিন্তু আগে সাগরের কিছু পয়েন্টে মাছ পাওয়া যেতই। এখন আর সেসব পয়েন্টেও মাছ নেই। তার মধ্যে ঝড়-জলোচ্ছ্বাসসহ নানা প্রতিকূলতা তো আছেই। এই পেশায় এখন লাভের চেয়ে লোকসান বেশি। সাগর থেকে এসেও আমাদের অন্য কাজ খুঁজতে হয়। তার চেয়ে জেলে পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় যাওয়াই ভালো। অন্য পেশায় নিশ্চিত থাকা যায় যে দিন শেষে কিছু হলেও মজুরি পাব।’

এ ব্যাপারে চরফ্যাশন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন, দূষণ, দুর্যোগসহ মানবসৃষ্ট নানা কারণে মাছের উৎপাদন কমেছে। এসব কারণে বিচরণ ও প্রজননের জায়গায় পরিবর্তন করছে নদী-সাগরের মাছ। গত কয়েক দশকে জেলেদের তুলনায় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি না পাওয়ায় সাগর ও নদ-নদীতে চাপ বেড়েছে। জেলেদের এ পেশার পাশাপাশি আর্থিক স্বচ্ছলতার লক্ষে আমাদের বিভিন্ন প্রকল্প চলমান রয়েছে।’

প্রসঙ্গত, চরফ্যাশন উপজেলায় ৪টি থানায় মোট ৪৩ হাজার ৩শ জন নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন। তাদের মধ্যে জেলে কার্ড পেয়েছেন ২৫ হাজার জেলে। ইলিশের প্রজননকালীন নিষেধাজ্ঞার সময়ে দরিদ্র ৩৫ হাজার ৩শ ৮৬ জেলেকে চাল সহায়তা দেওয়া হয়।

এ ছাড়াও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় ২ হাজার জন জেলেকে বিকল্প আয়ের উৎস সৃষ্টির লক্ষে বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ সিঙ্গেল দিবস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৪৫ এম


আজ সিঙ্গেল দিবস

কারও জীবনে ভালোবাসার মানুষটি পাশে আছে, আবার কেউ নিজের মতো করেই জীবন কাটাচ্ছেন। কেউ দুজন মিলে স্বপ্ন সাজাচ্ছেন, আবার কেউ একাই নিজের গল্প লিখে চলেছেন। তবে সিঙ্গেল থাকা মানেই জীবন অসম্পূর্ণ—এমনটা নয়। বরং অনেক সময় সিঙ্গেল থাকাটাই হয়ে উঠতে পারে নিজেকে নতুন করে খুঁজে পাওয়ার সুযোগ।

আজ ২৩ সেপ্টেম্বর, সিঙ্গেল ডে বা দিবস। যারা এখনো কোনো সম্পর্কে জড়াননি কিংবা জীবনের কোনো এক পর্যায়ে সিঙ্গেল হয়ে গেছেন, তাদের জন্য দিনটি হতে পারে নিজের সঙ্গে একটু সময় কাটানোর উপলক্ষ।

ভালোবাসার মানুষদের জন্য বছরের বিভিন্ন দিনে থাকে নানা আয়োজন। ভালোবাসা দিবস, জুটিদের নানা উদযাপন কিংবা বিভিন্ন রোমান্টিক আয়োজনের ভিড়ে সিঙ্গেলদের অনেকেরই কখনো নিঃসঙ্গ লাগতে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যদের হাসিমুখের ছবি দেখে মনে হতে পারে, নিজের জীবনটাই বুঝি অসম্পূর্ণ।

তবে জীবনের পূর্ণতা কেবল কারও সঙ্গে সম্পর্কের ওপর নির্ভর করে না। সিঙ্গেল থাকারও রয়েছে আলাদা সৌন্দর্য। নিজের স্বপ্নের পেছনে ছুটতে গিয়ে কাউকে জবাবদিহি করতে হয় না। নিজের পছন্দের জায়গায় একাই ঘুরে বেড়ানো, পছন্দের খাবার খাওয়া, গভীর রাত পর্যন্ত প্রিয় গান শোনা কিংবা নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবার সুযোগও পাওয়া যায়।

সবচেয়ে বড় কথা, এই সময়টুকু নিজের জন্য।

অনেকেই বলেন, অন্য কাউকে ভালোবাসার আগে নিজেকে ভালোবাসতে জানতে হয়। আর নিজেকে ভালোবাসার সুন্দর সময়গুলোর একটি হতে পারে সিঙ্গেল থাকার সময়। নিজের ভুলগুলোকে ক্ষমা করা, নিজের যত্ন নেওয়া এবং নিজের স্বপ্নকে গুরুত্ব দেওয়াও ভালোবাসারই অংশ।

সিঙ্গেল দিবস শুরু হলো যেভাবে

সিঙ্গেল দিবস ঘিরে বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন প্রচলন রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে ২৩ সেপ্টেম্বর দিনটি পালনের কথা বলা হলেও চীনে বহুল পরিচিত সিঙ্গেল দিবস পালিত হয় ১১ নভেম্বর।

১১ নভেম্বরের তারিখে চারটি এক থাকায় দিনটি সিঙ্গেলদের প্রতীক হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ধারণা করা হয়, ১৯৯০-এর দশকে চীনের নানজিং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এর প্রচলন শুরু হয়। পরে তা দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজে ছড়িয়ে পড়ে।

তবে সিঙ্গেল দিবসের সবচেয়ে সুন্দর বার্তাটি হতে পারে—সিঙ্গেল থাকা মানেই একাকী থাকা নয়।

তাই আজ নিজের জীবন নিয়ে মন খারাপ না করে নিজেকেই একটু সময় দেওয়া যেতে পারে। বহুদিন ধরে কেনার কথা ভাবছেন এমন কিছু কিনে ফেলুন। প্রিয় কোনো খাবারের দোকানে গিয়ে নিজের পছন্দের খাবার খান। কোথাও ঘুরে আসুন। কিংবা কিছুই না করে ঘরে বসে প্রিয় গান শুনে, বই পড়ে নিজের মতো করে সময় কাটিয়ে দিন।

কারণ সব ভালোবাসার গল্পে দুজন মানুষ লাগে না। কখনো কখনো একজন মানুষও নিজের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর গল্পটা লিখতে পারেন।

আজ সিঙ্গেল দিবস—আজকের দিনটা তাই অন্য কারও জন্য নয়, নিজের জন্য।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩০ নভেম্বরের মধ্যেই উপজেলা পর্যায়ে সব বই পৌঁছাবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৪৮ এম


৩০ নভেম্বরের মধ্যেই উপজেলা পর্যায়ে সব বই পৌঁছাবে

২০২৭ শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার আগে দেশের প্রায় ৪ কোটি শিক্ষার্থীর কাছে পরিমার্জিত পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার। এই উদ্দেশ্যে, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রতিটি উপজেলায় শতভাগ মানসম্মত বই সরবরাহ নিশ্চিত করতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) জোর তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এনসিটিবি সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছাপাখানাগুলোতে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের বই মুদ্রণের কাজ চলছে। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে বই সরবরাহ নিশ্চিত করতে ছাপাখানা থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ে বই গ্রহণের প্রতিটি ধাপে মান রক্ষায় এবার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। তদারকির অংশ হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, এনসিটিবি এবং একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে মোট ৫৩টি মনিটরিং দল সার্বক্ষণিক মাঠে কাজ করছে। ইতোমধ্যে মানদণ্ড পূরণ না করায় বিভিন্ন প্রেসের প্রায় সাড়ে চার লাখ ছাপানো ফর্মা এবং ২৭ হাজার নিম্নমানের বই বাতিল ও বিনষ্ট করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, কেবল মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান নয়, বই গ্রহণের সময় মাঠপর্যায়ে কোনো অনিয়ম বা শৈথিল্য দেখা দিলে পাঠ্যবই গ্রহীতা কর্মকর্তা ও শিক্ষকদেরও শাস্তির আওতায় আনা হবে। যেকোনো মূল্যে সরকার এ বছর নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে শতভাগ মানসম্মত ও নিখুঁত বই পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মাদ গোলাম ফখরুল মাওলা বলেন, ‘এ বছর বইয়ের মানের বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। গুণগত মান বজায় না থাকায় ইতোমধ্যে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ বইয়ের ছাপানো ফর্মা এবং ২৭ হাজার নিম্নমানের ছাপানো বই বাতিল করা হয়েছে। ৩০ নভেম্বরের মধ্যে শতভাগ মানসম্মত ও নিখুঁত পাঠ্যবই উপজেলায় পৌঁছাতে মন্ত্রণালয় ও এনসিটিবি নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।’

চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘অতীতে প্রেস ও মাঠপর্যায়ে অসাধু চক্রের আঁতাতের সুযোগ থাকলেও এবার পাঠ্যবই গ্রহণের সময় সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ওপর প্রত্যক্ষ মান যাচাইয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রিসিভ করার পরও বইয়ের মান নিয়ে কোনো বিচ্যুতি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট গ্রহীতা কর্মকর্তাকেও শাস্তির আওতায় আনা হবে।’

স্তরভিত্তিক মুদ্রণের হালনাগাদ চিত্র

এনসিটিবির ২২ সেপ্টেম্বরের উৎপাদন প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, ইবতেদায়ী, মাধ্যমিক, দাখিল, ভোকেশনাল ও কারিগরি স্তর মিলিয়ে মোট ৩০ কোটি ৭১ লাখ ৯৮ হাজার ১০১ কপি বই ছাপানো হবে। এর মধ্যে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের বইও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এবারের বইয়ের মুদ্রণ কাজ গত বছরের তুলনায় এক মাস আগেই শুরু হয়েছে এবং দেশের বিভিন্ন প্রেসে এসব বই ছাপার কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে।

প্রাক-প্রাথমিক স্তরে ৫৭ লাখ ৩০ হাজার ৬৪০টি বইয়ের মধ্যে ৪২ লাখ ৬৬ হাজার ২৫৩টি (৭৪.৪৫ শতাংশ) ছাপানো সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়া প্রাথমিক স্তরে ৭ কোটি ৬০ লাখ ৯৭ হাজার ৯৬টি বইয়ের মধ্যে ২ কোটি ৮০ লাখ ৭৮ হাজার ৯৯৬টি (৩৬.৯৬ শতাংশ) এবং মাধ্যমিক স্তরে ২২ কোটি ১১ লাখ ৮২ হাজার ৫৯২টি বইয়ের মধ্যে ১ কোটি ৫২ লাখ ৬৪ হাজার ৪০০টি (৭ শতাংশ) ছাপা শেষ হয়েছে।

এনসিটিবির বিতরণ শাখার একজন কর্মকর্তা জানান, ‘ইতোমধ্যে প্রাক-প্রাথমিক স্তরের বইয়ের ছাপা প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এরই মধ্যে বাঞ্ছারামপুর ও সরাইলসহ দেশের বেশ কয়েকটি উপজেলায় বই সরবরাহের কাজ শুরু হয়েছে। আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে দেশের সব উপজেলায় শতভাগ বই পর্যায়ক্রমে পৌঁছে দেওয়া হবে। কেবল ইংরেজি ভার্সন ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বিশেষ বইসমূহ জেলা পর্যায়ে পাঠানো হবে।’

এনসিটিবি জানিয়েছে, সরকারের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ মোট ১১৩টির মধ্যে বর্তমানে সারাদেশে ৯১টি প্রেসে পুরোদমে বই ছাপার কাজ চলছে। সাময়িক বিদ্যুৎ বিভ্রাট সামলাতে বড় প্রেসগুলোতে জেনারেটর ব্যাকআপ বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি স্থানীয় বিদ্যুৎ বিভাগের সাথে সমন্বয় করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে। নতুন বইয়ের কাগজের জিএসএম ও প্রিন্টিং মান নিশ্চিত করতে পিডিআই (প্রি-ডেলিভারি ইন্সপেকশন) এজেন্সির পাশাপাশি ল্যাব টেস্ট করা হচ্ছে। সম্প্রতি ৯টি প্রেসের কাগজের নমুনা বিসিএসআইআরে ল্যাব টেস্ট করিয়ে মানসম্মত পাওয়া গেছে।

তিনস্তরে মনিটরিং ও গোয়েন্দা নজরদারি

এনসিটিবি জানায়, পাঠ্যবইয়ের মুদ্রণ প্রক্রিয়া ও সরবরাহ চেইনে কোনো ধরনের অস্বচ্ছতা, অনিয়ম বা কৃত্রিম সংকট তৈরি যেন না হয়, সেজন্য এনসিটিবির একদল চৌকস কর্মকর্তার নেতৃত্বে বিশেষ টিমের পাশাপাশি মাঠে কাজে লাগানো হয়েছে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা।

সংস্থাটি আরও জানায়, এনসিটিবি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় মিলে মোট ৫৩টি মনিটরিং টিম সার্বক্ষণিক কাজ করছে। এর মধ্যে এনসিটিবির নিজস্ব ৩৩টি মনিটরিং টিম, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৭টি টিম সার্বক্ষণিক ছাপাখানাগুলোতে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। এ ছাড়া এনসিটিবির সচিব ও সদস্যদের নেতৃত্বে ৫টি বিশেষ টিম সরাসরি মাঠে তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। মনিটরিং কর্মকর্তারা প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত পর্যন্ত সরাসরি প্রেসে অবস্থান করছেন।

মান রক্ষায় ‘জিরো টলারেন্স’

এনসিটিবির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন বইয়ের কাগজের উজ্জ্বলতা (৮৫ শতাংশ) ও মুদ্রণ মান নিশ্চিত করতে এনসিটিবির তদারকির পাশাপাশি নিয়োগকৃত পিডিআই এজেন্সির মাধ্যমে কেমিক্যাল ও গুণগত মান পরীক্ষা করা হচ্ছে। র‌্যান্ডম ভিত্তিতে ইতোমধ্যে ৯টি প্রেসের কাগজের নমুনা বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদে (বিসিএসআইআর) ল্যাব টেস্ট করা হয়েছে, যার সবকটি নমুনা মানসম্মত বলে প্রমাণিত হয়েছে। এ ছাড়া মানদণ্ড পূরণ না করায় বিভিন্ন প্রেসের প্রায় সাড়ে চার লাখ ছাপানো ফর্মা এবং ২৭ হাজার নিম্নমানের বই বাতিল ও বিনষ্ট করা হয়েছে।

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘উপজেলা পর্যায়ে বই সরবরাহে কোনো ধরনের নিম্নমানের কাগজের বই বরদাশত করা হবে না। সরকার বাজারদর যাচাই করে এবার যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ করেছে, যাতে কম মূল্যের অজুহাতে কেউ নিম্নমানের বই তৈরির সুযোগ না পায়। নির্ধারিত সময়ে মানসম্মত বই সরবরাহে ব্যর্থ হলে কোনো মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান বা সংশ্লিষ্ট কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

এনসিটিবির সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) প্রফেসর মোহাম্মদ আবু নাসের টুকু বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের হাতে যথাসময়ে বই পৌঁছে দিতে আমাদের রোডম্যাপ অনুযায়ী কাজ চলছে। প্রেস মালিকদের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বই সরবরাহ শেষ করার স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মাঠে নিয়োজিত টিমগুলো প্রতিদিন প্রেসে অবস্থান করে কাজ তদারকি করছে। আমাদের মূল লক্ষ্য— বছরের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীরা যেন নতুন ক্লাসের পুরো সেট বই হাতে পায়।’ সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%