ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আরও ১৭০ বাংলাদেশিকে এক্সিট ভিসা দিল লেবানন


আরও ১৭০ বাংলাদেশিকে এক্সিট ভিসা দিল লেবানন

লেবাননে অনিয়মিত অবস্থায় থাকা বাংলাদেশের প্রবাসীদের দেশে ফেরার প্রক্রিয়ায় একটি বড় ধরনের উন্নতি ঘটেছে। দ্বিতীয় ধাপে আরো ১৭০ জন বাংলাদেশী প্রবাসীর জন্য জরিমানা ছাড়া এক্সিট ভিসার প্রাথমিক অনুমোদন দেয়া হয়েছে লেবাননের জেনারেল সিকিউরিটি কর্তৃক।

এর আগে প্রথম ধাপে ১৩০ জনের আবেদন অনুমোদিত হয়েছিল। ফলে, বিশেষ এই সুবিধার আওতায় মোট দুই ধাপে ৩০০ জন বাংলাদেশী প্রবাসী কোনও রকম জরিমানা ছাড়াই নিজ দেশে ফেরার আইনি সুযোগ পেয়েছেন।

অনুমোদনপ্রাপ্তদের করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে বাংলাদেশ দূতাবাস, বৈরুত একটি ব্রিফিংয়ের আয়োজন করেছে। এই ব্রিফিংয়ে দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) এবং দূতালয় প্রধান মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন এক্সিট ভিসা সংগ্রহের নিয়ম, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, সার্ভিস চার্জ পরিশোধ, ভ্রমণ প্রস্তুতি এবং প্রত্যাবাসনের পরবর্তী ধাপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করেন।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন

তিনি উপস্থিত প্রবাসীদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও উত্তর দেন।

দূতাবাসের তথ্য অনুসারে, গত ১০ মে থেকে শুরু হওয়া বিশেষ এই কার্যক্রমে ইতোমধ্যে ৬০০-এরও বেশি অনিয়মিত বাংলাদেশী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। আবেদন গ্রহণ এখনো চলমান রয়েছে। যাচাই-বাছাইয়ের পর ধাপে ধাপে অন্যান্য আবেদন লেবাননের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।

বর্তমানে লেবাননে প্রায় এক লাখ বাংলাদেশী কর্মরত রয়েছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিভিন্ন কারণে অনিয়মিত হয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে দক্ষিণ লেবাননের সংঘাতপূর্ণ এলাকায় যুদ্ধের ফলে অনেকেই কর্মহীন, বাস্তুচ্যুত এবং মানবিক সংকটে রয়েছেন। তাই জরিমানা ছাড়াই দেশে ফেরার সুযোগকে তারা একটি স্বস্তিদায়ক উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।

বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, অনুমোদনপ্রাপ্তদের এক্সিট ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে ধাপে ধাপে তাদের দেশে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করা হবে।

আরও পড়ুন: গণতন্ত্রের শর্ত ও রাজনৈতিক সংকটের গুরুত্ব: তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে বিতর্ক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বর্ষার মৌসুমে জমজমাট চাঁইয়ের হাট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৬ এম


বর্ষার মৌসুমে জমজমাট চাঁইয়ের হাট

পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার হাটবাজারে চাঁইয়ের বেচাকেনা জমে উঠেছে। বর্ষা মৌসুম শুরু হয়ে গেছে এবং এ অবস্থায় খাল, বিল ও ধানখেতে পানি বেড়েছে। ফলে, চিংড়ি ও দেশিও ছোট মাছ ধরার জন্য চাঁইয়ের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে।

উপজেলার দক্ষিণবন্দর সড়কের পার্শ্বে জ্যৈষ্ঠ থেকে শ্রাবণ মাস পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহের বুধবার একদিন চাঁইয়ের হাট বসে। এই হাটে সাধারণত এক থেকে দুই হাজার চাঁই বিক্রি হয়ে থাকে।

বুধবার (১ জুলাই) সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, রাস্তার পাশে কম্পিত চাঁই সাজিয়ে রেখেছেন বিক্রেতারা। হাটে চাঁই কিনতে অনেক আশপাশের কৃষক ও জেলেরা এসেছেন। সকাল থেকে বেলা একটার মধ্যে বেচাকেনা শেষ হয়ে যায়।

এসময়, কথা হয় উপজেলার দক্ষিণ মিঠাখালী গ্রামের কৃষক সত্তার হালদারের (৫৫) সঙ্গে। তিনি চাঁই কেনার উদ্দেশ্যে হাঁটে এসেছেন। তাঁর মন্তব্য ছিল, "জমিতে পানি উঠছে। এ সময় বিলে প্রচুর চিংড়ি ও মাছের আনাগোনা বাড়ে। তাই মাছ ধরার জন্য চাঁই কিনতে এসেছি।"

স্থানীয় চাঁই ব্যবসায়ীরা জানান, জেলার বিভিন্ন হাটে বর্ষা মৌসুম শুরু হলে চাঁই বিক্রি হয়ে থাকে। সাধারণত জ্যৈষ্ঠ মাস থেকে শ্রাবণ মাসের মাঝামাঝি সময়ে চাঁইয়ের হাটে বেচাকেনা বাড়িয়ে। এ সময়ে হাটগুলোতে প্রচুর চাঁই ওঠে।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রাম থেকে ব্যবসায়ীরা চাঁই কিনে হাটে বিক্রি করেন। অনেকে নিজের তৈরি চাঁইও হাটে নিয়ে বিক্রি করেন। এইচ, বাঁশ, নাইলন বা প্লাস্টিকের সুতা দিয়ে চাঁই তৈরি করা হয় এবং প্রতি জোড়া চাঁইয়ের দাম ৩২০-৩৫০ টাকা।

চাঁই ব্যবসায়ী রহমান হোসেন (৪৫) জানান, বর্ষা মৌসুমে জ্যৈষ্ঠ থেকে শ্রাবণ তিন মাস চাঁইয়ের হাট জমজমাট থাকে। আষাঢ়ের শুরুতে চাঁই সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়ে থাকে। এ সময়ে প্রতি হাটে দুই থেকে তিন হাজার চাঁই বিক্রি হয়। এ অঞ্চলের হাটগুলোয় চাঁইয়ের ক্রেতারা মূলত কৃষক, জেলে ও গৃহস্থ পরিবার।

এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক জানান, এই অঞ্চলে দেশীয় প্রজাতির অনেক মাছ পাওয়া যায়। ফলে, স্থানীয় কৃষকরা চাঁইয়ের ক্রেতা হয়ে ওঠেন। বর্ষা মৌসুমে এর চাহিদা বেড়ে যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৈরী আবহাওয়ায় আট নদীবন্দরে সতর্কবার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৯ এম


বৈরী আবহাওয়ায় আট নদীবন্দরে সতর্কবার্তা

দেশের আটটি অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরে একটি নম্বর সংকেত দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই, দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য প্রদান করা সতর্কবার্তায় এ ধরনের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া এবং বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

এই এলাকার নদী বন্দরসমূহকে এক নম্বর সতর্কতা সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ডিজিটাল নজরদারিতে চালু হচ্ছে ‘ট্রি মনিটরিং অ্যাপ’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ এম


বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ডিজিটাল নজরদারিতে চালু হচ্ছে ‘ট্রি মনিটরিং অ্যাপ’

সরকারের দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, বিশেষ করে ‘একটি শিশু, এক বৃক্ষ' কর্মসূচির আওতায় রোপণ করা চারার টিকে থাকা, বৃদ্ধি এবং কার্যক্রমের জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য ‘ট্রি মনিটরিং অ্যাপ’ তৈরি করা হচ্ছে।

জাতীয় সবুজ মিশনের অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারের লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের (এফওয়াই২৭) জাতীয় বাজেট বক্তৃতা এবং বাংলাদেশ জলবায়ু বাজেট প্রতিবেদন ২০২৬-২৭-এ এ উদ্যোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

বাজেট ও জলবায়ু নীতিসংক্রান্ত দলিল অনুযায়ী, দেশজুড়ে রোপণ করা গাছের ধারাবাহিক ডিজিটাল নজরদারি ও পরিচর্যার মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমকে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে অ্যাপটি তৈরি করা হচ্ছে।

এই ব্যবস্থার মাধ্যমে চারার বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ এবং রোপণের পর যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করা হবে। বিশেষ করে ‘একটি শিশু, একটি বৃক্ষ’ কর্মসূচির আওতায় বাড়ি ও বসতভিটায় রোপণ করা বিপুল সংখ্যক গাছের নজরদারির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে তাদের বাড়ি ও বসতভিটায় ১ কোটি গাছ রোপণের লক্ষ্য নিয়ে ‘একটি শিশু, একটি বৃক্ষ’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মধ্যে পরিবেশ সংরক্ষণের দায়িত্ববোধ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

পর্যবেক্ষণ আরও নির্ভুল করতে ট্রি মনিটরিং অ্যাপকে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ও জিআইএস (জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম) ভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বিত করা হবে। এর মাধ্যমে বন অধিদফতরের আওতায় বনায়নকৃত এলাকার ডিজিটাল মানচিত্র ও তথ্যভান্ডার সংরক্ষণ করার সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।

বিশেষ করে গ্রাম ও শহরের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা বৃক্ষরোপণ এলাকায়, যেখানে সরাসরি তদারকি করা কঠিন, সেখানে চারার টিকে থাকা নিশ্চিত করতে অ্যাপটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জাতীয় সবুজ মিশনের আওতায় আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অবক্ষয়িত বন পুনরুদ্ধার, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং কার্বন শোষণ সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।

বৃহত্তর এ বনায়ন কর্মসূচির মাধ্যমে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যও নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজেট দলিল অনুযায়ী, পরিবেশ সংরক্ষণ ও আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ বনের ৫০ শতাংশকে কার্বন বাণিজ্য ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনাও রয়েছে।

বনায়ন কর্মসূচিতে উপকূলীয় চরাঞ্চলে ম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ রোপণ, পাহাড়ি ও মধ্যাঞ্চলের শালবন পুনরুদ্ধার এবং বিলুপ্তপ্রায় বনজ প্রজাতি সংরক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে, যাতে জীববৈচিত্র্য সুরক্ষিত থাকে।

এছাড়া সড়ক, মহাসড়ক, বাঁধ, নদীতীর ও খালপাড়ের পতিত জমিতে অঞ্চলভিত্তিক উপযোগী বৃক্ষরোপণ, পাশাপাশি নগর বনায়ন ও কৃষিবনায়ন কর্মসূচি সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

বাজেটে গাছ ও সুগন্ধি গাছের নির্যাস আমদানির ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) আরোপের প্রস্তাবও রাখা হয়েছে, যা পরিবেশ ও সম্পদ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি নিয়ন্ত্রক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, জাতীয় সবুজ মিশনের অন্যতম প্রধান ডিজিটাল অবকাঠামো হিসেবে ‘ট্রি মনিটরিং অ্যাপ’ বৃহৎ পরিসরের বনায়ন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি জলবায়ু সহনশীল ও পরিবেশগতভাবে ভারসাম্যপূর্ণ বাংলাদেশ গঠনের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নজরুল বর্ষের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৭ এম


নজরুল বর্ষের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে নজরুল বর্ষের উদ্বোধন করলেন। তিনি বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) নজরুল বর্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, শুধু মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই নয়, সরকার এটি নিশ্চিত করতে সচেষ্ট রয়েছে যে, কোনো প্রাণীই যেন হিংস্রতার শিকার না হয়।

বিশদ প্রতিবেদন আসছে....

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%