প্রতিবেদন মোঃ সাকিব আদাবর ঢাকা
বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৬:৪০ পি.এম
ঢাকা: রাজধানীর শ্যামলীতে ঘটে যাওয়া আলোচিত ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল আসামি মো. নয়ন (২৮) সহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-২।
বুধবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সাতজন কিশোর গ্যাং লিডার ও ছিনতাইকারী, একজন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি, একজন মাদক কারবারি এবং একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
র্যাব-২ জানায়, গত এপ্রিল মাসে শ্যামলীতে প্রকাশ্যে সংঘটিত একটি ভয়াবহ ছিনতাইয়ের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ঘটনায় প্রধান ছিনতাইকারী হিসেবে চিহ্নিত মো. নয়নকে মোহাম্মদপুরের নবীনগর হাউজিং এলাকা থেকে আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নয়ন স্বীকার করেছে যে, সে একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাই চক্রের সক্রিয় সদস্য। দীর্ঘ সময় ধরে চক্রের সদস্যরা একত্রে মোহাম্মদপুর, আদাবরসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ছিনতাই, ডাকাতি, চুরি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে আসছিল।
অভিযানে মোহাম্মদপুরের সাত মসজিদ হাউজিং এলাকা থেকে আলোচিত ‘পাটালি গ্রুপের’ একজন কিশোর গ্যাং লিডার ও ছিনতাইকারী মো. আলমকে (২৪) একটি সামুরাইসহ গ্রেপ্তার করা হয়। একই সময়ে, মোহাম্মদপুরের বেরিবাঁধ এলাকা থেকে ১৯০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি মো. সবুজ হোসেনকে (৩৫) আটক করা হয়।
এর আগে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাতে শেরেবাংলা নগরের পুরাতন বাণিজ্য মেলা মাঠ এলাকা থেকে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মো. ফাহিম হোসেনকে (২৪) গ্রেপ্তার করে র্যাব।
এছাড়া, মোহাম্মদপুরের হুমায়ুন রোড এলাকা থেকে স্বীকৃত কিশোর গ্যাং লিডার ও ছিনতাইকারী সজলকে (২২) এবং সাত মসজিদ হাউজিং এলাকা থেকে একাধিক মামলার আসামি মো. সজলকে (২৪) আটক করা হয়।
তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা এলাকা থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে ভুট্টোকে (৩৪) গ্রেপ্তার করা হয়। অন্যদিকে, মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার বাসেক খান সড়ক (ক্যান্সার গলি) এলাকা থেকে ছিনতাইয়ের প্রস্তুতিকালে মো. আবির ওরফে মিরাজকে (২২) একটি সামুরাইসহ আটক করা হয়।
পশ্চিম কাটাসুর এলাকা থেকে ছিনতাইকারী চক্র ‘মুকুল গ্রুপের’ সক্রিয় সদস্য মো. হৃদয় ওরফে জ্যাক (২২) এবং মো. শাওনকে (২২) একটি সামুরাই ও একটি চাইনিজ কুড়ালসহ গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাবের পিসিপিআর যাচাইয়ে জানা যায়, গ্রেপ্তার আলমের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা রয়েছে। সবুজ হোসেনের বিরুদ্ধে হাজারীবাগ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রয়েছে।
এছাড়া, সজল (২২)-এর বিরুদ্ধে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ও শেরেবাংলা নগর থানায় চুরি ও দস্যুতার দুটি মামলা এবং সজল (২৪)-এর বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় মাদক ও দস্যুতার তিনটি মামলা রয়েছে। জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে ভুট্টোর বিরুদ্ধে তেজগাঁও, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ও বনানী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নয়টি মামলা রয়েছে।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর সেগুলো পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছে—এমন কোনও ‘নির্ভরযোগ্য প্রমাণ’ এখনও পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি।
আর্জেন্টিনার সংবাদপত্র ক্লারিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গ্রোসি বলেন, যুদ্ধের কারণে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা কার্যত স্থবির হয়ে আছে। তবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও যাচাইয়ের কাজ আবার শুরু করার জন্য আইএইএ প্রস্তুত রয়েছে।
গ্রোসি জানান, ইরানের কাছে থাকা প্রায় ৪৪০ কেজি (৯৭২ পাউন্ড) উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম এখনও গত বছরের ‘১২ দিনের যুদ্ধ’-এর সময় যেখানে ছিল, সেখানেই রয়েছে।
তিনি বলেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলার ফলে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কিছু অবকাঠামো পুনর্নির্মাণের প্রাথমিক উদ্যোগ নেওয়া হয়ে থাকতে পারে—এ সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে সেগুলো ব্যাপকভাবে পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছে—এমন কোনও দৃঢ় প্রমাণ আইএইএর হাতে নেই।
গ্রোসি বলেন, “স্থাপনাগুলো উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সম্ভবত তারা তাদের কিছু অবকাঠামো পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু করেছে—এটি অস্বীকার করা যায় না। কিন্তু এমনটা ঘটছে বলে কোনও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। ফলে বিষয়টি এখনও বড় ধরনের অমীমাংসিত সমস্যা হয়ে রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা প্রস্তুত এবং আশা করছি যত দ্রুত সম্ভব সেখানে আবার আমাদের কাজ শুরু করতে পারব।”
হামলার পরও ইউরেনিয়ামের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে উদ্বেগ সবচেয়ে বেশি। ইউরেনিয়াম উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ করার মাত্রা যত বাড়ে, তা পারমাণবিক জ্বালানি ও অস্ত্র তৈরির সক্ষমতার সঙ্গে সম্পর্কিত হয়ে ওঠে।
গ্রোসির বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের প্রায় ৪৪০ কেজি উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম এখনও গত বছরের ১২ দিনের যুদ্ধের সময়কার অবস্থানেই রয়েছে। এর অর্থ হলো, হামলার পর ওই মজুত অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে—এমন কোনও নিশ্চিত তথ্য আইএইএ’র হাতে নেই।
তবে এই মজুতের বর্তমান অবস্থা ও অবস্থান সরাসরি যাচাই করতে আইএইএর পরিদর্শকদের মাঠপর্যায়ের প্রবেশাধিকার প্রয়োজন। যুদ্ধের কারণে সেই যাচাই ও পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
পারমাণবিক আলোচনা স্থবির
গ্রোসির বক্তব্যে উঠে এসেছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কূটনৈতিক আলোচনা বর্তমানে কার্যত স্থবির। যুদ্ধ ও সামরিক হামলার কারণে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে আলোচনার পরিবেশ তৈরি হয়নি।
আইএইএ দীর্ঘদিন ধরে ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে আসছে এবং তেহরানের ঘোষিত কর্মসূচি ও মজুত সম্পর্কে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে যাচাইযোগ্য তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করছে।
কিন্তু পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে সামরিক হামলার পর আইএইএ’র পরিদর্শন ও নজরদারি কার্যক্রম ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ফলে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
গ্রোসি বলেন, আইএইএ আবারও ইরানে গিয়ে কাজ শুরু করতে প্রস্তুত। তার মতে, যত দ্রুত সম্ভব পরিদর্শন ও যাচাই কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা জরুরি।
পুনর্নির্মাণের প্রমাণ না মিললেও উদ্বেগ কাটেনি
আইএইএ প্রধানের বক্তব্যে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পুনর্নির্মাণের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনও নিশ্চিত প্রমাণ না থাকার বিষয়টি স্পষ্ট হলেও, তিনি এটিও জানিয়েছেন যে কিছু অবকাঠামোর পুনর্গঠন শুরু হয়ে থাকতে পারে।
ফলে স্থাপনাগুলোর প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে সরাসরি পরিদর্শন ও প্রযুক্তিগত যাচাই প্রয়োজন বলে মনে করছে আইএইএ।
গ্রোসি যে বিষয়টিকে ‘বড় ধরনের অমীমাংসিত সমস্যা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, তার মূল কারণ হলো—স্থাপনাগুলো কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ইরান সেখানে কী ধরনের পুনর্গঠন করছে এবং উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত বর্তমানে ঠিক কী অবস্থায় রয়েছে—এসব প্রশ্নের পূর্ণাঙ্গ উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি।
এ অবস্থায় আইএইএ’র পরিদর্শন পুনরায় শুরু হওয়াকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আন্তর্জাতিক স্বচ্ছতা ও আস্থা ফিরিয়ে আনার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সূত্র: আল-জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শুভাগমন উপলক্ষে আনন্দ মিছিল এবং জশনে জুলুস জায়েজ কি না, এই বিষয়ে কওমি অঙ্গনের ওবায়দুল্লাহ হোসাইন সাহেবের সঙ্গে মুজাকারায় (মতবিনিময়) বসার আহ্বান গ্রহণ করেছেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সচিব মুফতি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন তাহেরী।
মুফতি তাহেরী একটি বক্তব্যে উল্লেখ করেন, “আল্লাহর হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শুভ আগমনে আনন্দ মিছিল করা না-জায়েজ—এটি প্রমাণ করতে আমার সঙ্গে মুজাকারায় বসতে ওবায়দুল্লাহ হোসাইন সাহেব রাজি হয়েছেন।”
তিনি আরও জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে কখনো ওবায়দুল্লাহ হোসাইনকে দেখেননি এবং তার নামও আগে শোনা হয়নি। তবে, মুজাকারায় বসতে তার কোনো আপত্তি নেই বলে তিনি জানান।
মুফতি তাহেরী বলেন, মুজাকারায় বসার জন্য ওবায়দুল্লাহ হোসাইন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জামেয়া ইউনুসিয়া মাদরাসা থেকে অনুমতির শর্ত দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি প্রশ্ন করেন, “ওবায়দুল্লাহ হোসাইন সাহেব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জামেয়া ইউনুসিয়া মাদরাসা থেকে অনুমতি পেয়েছেন কি? আশা করি, অনুমতিপত্রটি আমার হস্তগত করবেন অথবা ফেসবুকে আপলোড করবেন।”
তিনি আরও বলেন, “উদারতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে ধর্মীয় সম্প্রীতি সুরক্ষায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বসার পরিবেশ তৈরি করে উভয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের রোডম্যাপ তৈরি করব, ইনশাআল্লাহ।”
মুফতি তাহেরী তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, মহানবী (সা.)-এর শুভাগমন উপলক্ষে আনন্দ মিছিল জায়েজ এবং শাব্দিক অর্থের বিবেচনায় ‘ঈদ’ শব্দ ব্যবহারে তার কোনো আপত্তি নেই।
পক্ষে—
মুফতি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন তাহেরী
সাংগঠনিক সচিব—আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'আত কেন্দ্রীয় পরিষদ
চেয়ারম্যান—দাওয়াতে ঈমানী বাংলাদেশ
সাজ্জাদানশীন—ফয়েজিয়া দরবার শরীফ, চাপুইর, ভাতশালা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের উত্তর প্রদেশের কানপুরে গঙ্গা নদীর তীরের নিকটে একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে পাইলট এবং সহ-পাইলট নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনা ঘটে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) তারিখে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিমানটি ছিল চার আসনের দুই ইঞ্জিনের এবং এতে থাকা দুজনের একজন ছিল প্রশিক্ষণার্থী, অপরজন প্রশিক্ষক।
নিহতদের মধ্যে গুজরাটের শচীন ভাটিয়া এবং কর্ণাটকের অভিষেক পূজারি অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১টায় তারা কানপুরের গার্গ এভিয়েশন ট্রেনিং সেন্টার থেকে উড্ডয়ন করেন। প্রায় ২০ মিনিট পর, প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ফেরার পথে সকাল ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে বিমানটি দুর্ঘটনার শিকার হয়।
পুলিশের এক কর্মকর্তা লাল জানিয়েছেন, প্রশিক্ষকের বিমান চালানোর অভিজ্ঞতা ছিল প্রায় ৩ হাজার ঘণ্টা। দুর্ঘটনার বিষয়টি ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল অধিদপ্তর (ডিজিসিএ) কে জানানো হয়েছে। ডিজিসিএর একটি দল ঘটনাটির বিস্তারিত তদন্তে নিয়োজিত হবে। পুলিশ দুর্ঘটনাস্থলকে ঘিরে রেখেছে।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর জরুরি সেবাদানকারী সংস্থা ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। ঘটনাস্থলের ভিডিও এবং ছবিতে দেখা যায়, ঘাস ও গাছপালায় ঘেরা এলাকায় বিমানটি সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত হয়ে রয়েছে। বিমানের ধাতব অংশগুলো দুমড়ে-মুচড়ে গেছে এবং ডানা ও সাদা রঙের অন্যান্য অংশ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে আবারও জানানো হয়েছে, বিমানটিতে থাকা দুজনের একজন প্রশিক্ষণার্থী এবং অপরজন প্রশিক্ষক ছিলেন। নিহতদের মধ্যে গুজরাটের শচীন ভাটিয়া এবং কর্ণাটকের অভিষেক পূজারি রয়েছেন।
উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এই দুর্ঘটনায় নিহত পাইলটদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি দেওয়ার জন্য প্রার্থনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা দেশের চলমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে সংসদে সমালোচনা করেছেন। তিনি মন্তব্য করেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মুশকিল হয়, আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আছেন—তিনি হয় ব্যঙ্গ করেন, না হলে বাক চাতুর্য দিয়ে পুরো বিষয়টি ঢেকে দিতে চান।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদে ৭১ বিধিতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ বিষয়গুলো তুলে ধরেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতি সমালোচনা করে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বললে জানা যায়, বাংলাদেশে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যেমন তিনজন মন্ত্রী আছেন, ৬৪ জেলায় ৬৪ জন আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকলে কেবল মন্দ হতো না। বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির এত ভালো অবস্থা।’
জ্বালানিসংকট এবং লোডশেডিং নিয়ে সংসদে তিনি সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘গ্যাস ও বিদ্যুতের বিষয়ে মানুষ বলে, দুষ্টু লোকে বলে, ভালো লোকে বলে না—টুকু আসে, টুকু যায়।
এ আসে, এই যায়। কতক্ষণ থাকে তারা নাকি বুঝতে পারে না।’
জ্বালানিসংকট প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, যখন তেলের দাম বাড়ছে, যখন বিদ্যুতের জন্য হাহাকার, যখন গ্যাস পাওয়া যায় না, তখন ১ কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার প্রতিশ্রুতি যে সরকার দিয়েছিল নির্বাচনে, সে সরকার ক্ষমতায় আসার ৬ মাসের মধ্যে ৬২ হাজার লোক চাকরি হারিয়েছে। ৯০০-এর ওপরে কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।
নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে? যারা চাকরি করছেন, তাদের চাকরি কত দিন থাকবে আল্লাহ মাবুদ জানে!
স্বতন্ত্র এ সংসদ সদস্য বলেন, ‘এ সরকারের ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারের মধ্যে তিনটি কাজের একটি হচ্ছে আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়ন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং জ্বালানি খাতের নিশ্চয়তা। আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মুশকিল হয়।’
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘বাজারে মানুষ গেলে ৮০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই। ডিমের দাম কয়েক দফা বেড়েছে। চালের দাম, বিশেষ করে মিনিকেট চাল! বলা হয় এটা কেউ খায় না, কেউ কেউ তো খায়! দাম যখন দ্বিগুণ হয়ে যায়, যখন আমরা টিসিবির লাইন দেখি...।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ