০৭:১৫ পি.এম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তার ভূমিকা না থাকলে আজকের ইসরায়েলের অস্তিত্বই হয়তো থাকতো না।
এ সময় ট্রাম্প বলেন, ইসরায়েল-ইরান উত্তেজনা এবং সম্ভাব্য যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পুরোপুরি তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের ফল।
সাম্প্রতিক এক পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে বলেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তাকে ইরান ইস্যুতে যুদ্ধে জড়াতে প্রভাবিত করেছেন- এমন অভিযোগ তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন।
আরও পড়ুন: শাহজালালের রানওয়ে-অ্যাপ্রোন এলাকায় যানবাহনের অবাধ চলাচল
ট্রাম্পের ভাষায়, “তিনি (নেতানিয়াহু) কি আমাকে ফাঁদে ফেলেছেন? আমি-ই তো এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
তিনি দাবি করেছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগের কারণে তিনি এই অবস্থান নিচ্ছিলেন এবং তার মতে যুক্তরাষ্ট্রের উচিত ছিল ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা।
তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা তাদের (ইরান) পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে দিতে পারি না।”
রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমালোচনা করে ট্রাম্প বলেন, এসব অভিযোগ হচ্ছে ‘ডেমোক্র্যাটদের রাজনৈতিক প্রচারণার অংশ’। তার ভাষায়, “তারা কিছুই বোঝে না।”
আরও পড়ুন: বিনিয়োগের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর তাগিদ বিজিএমইএর উপদেষ্টার
ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন, ইরান ইস্যু নিয়ে তার উদ্বেগ নতুন নয়। প্রথম মেয়াদেই, ২০১৫ সালে, স্বাক্ষরিত ইরান পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করেন, যা তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা প্রশাসনের অধীনে সম্পন্ন হয়েছিল।
তার দাবি অনুযায়ী, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি তৈরি করতে পারে। ট্রাম্প বলেন, “এটা ইসরায়েলের বিষয়ও বটে, কারণ প্রথম আঘাত সম্ভবত তাদের ওপরই আসতো।”
সবচেয়ে বিতর্কিত মন্তব্যে ট্রাম্প বলেন, “আমাকে ছাড়া এখন আর ইসরায়েল থাকতো না।”
তার এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে চলমান আলোচনার প্রেক্ষাপটে।
আরও পড়ুন: আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের ঘটনায় চিকিৎসক জাহিদ হাসানের সদস্যপদ স্থগিত
সূত্র: আল-জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন