সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:৪৯ পি.এম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশ পেলেই যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের বিরুদ্ধে একটি বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। নির্দেশ পাওয়ার ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে এই হামলা শুরু হতে পারে বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যা দেশটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য এই বড় আক্রমণের জন্য ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় সামরিক সদস্য ও সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছে। পূর্বে ইরানি রাডার বা ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক কেন্দ্র লক্ষ্য করে সীমিত হামলা চালানো হয়েছিল, তবে এবারের সম্ভাব্য অভিযান তার চেয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত হবে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ও পেন্টাগন ইতিমধ্যে ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনার পাশাপাশি জ্বালানি অবকাঠামোর মতো গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুর তালিকা চূড়ান্ত করেছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের ধারণা, ট্রাম্প মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরেই এই হামলার চূড়ান্ত নির্দেশ দিতে পারেন। এক জ্যেষ্ঠ পেন্টাগন কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, "পেন্টাগন একটি পরিকল্পনা সংস্থা। প্রেসিডেন্টের আদেশ অনুযায়ী সামরিক বিকল্প তৈরি এবং তা বাস্তবায়ন করাই আমাদের কাজ।"
মার্কিন গোয়েন্দা পর্যালোচনায় সতর্ক করা হয়েছে যে, ওয়াশিংটন ও ইসরায়েল যদি যৌথ হামলা চালায়, তবে ইরান ও ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা মধ্যপ্রাচ্যসহ অন্যান্য অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও জনবলের ওপর তাৎক্ষণিক পাল্টা হামলা চালাবে। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক ট্রাম্প প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সতর্ক করে জানিয়েছেন, মার্কিন নাগরিকদের ওপর হামলার পরিকল্পনা ইতিমধ্যে উন্নত ধাপে রয়েছে।
এই সম্ভাব্য হুমকির প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত বিভিন্ন মার্কিন দূতাবাস থেকে কূটনৈতিক কর্মীদের সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পাশাপাশি অঞ্চলে জরুরি নয় এমন অতিরিক্ত সামরিক সদস্য পাঠানোর সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।
আমেরিকান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের ‘ইস্ট-ওয়েস্ট’ খনিজ তেল পাম্পিং স্টেশন ও রাজধানী রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে নতুন করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট জানিয়েছে, তারা রাজধানী সানা থেকে রিয়াদ অভিমুখে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝআকাশেই ধ্বংস করেছে। যুদ্ধের কারণে কৌশলগত হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ থাকায় বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ সংকট আরও প্রকট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানে নতুন করে আক্রমণের জন্য মরিয়া হয়ে উঠলেও ট্রাম্প তাকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ অভিযানের জন্য অপেক্ষা করতে বলেছেন।
নেতানিয়াহু ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ), গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদসহ সব সংস্থাকে ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার পতন ঘটানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন। তবে ইরানি পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সহযোগিতা প্রয়োজন হওয়ায় ইসরায়েল শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পের সঙ্গে যৌথ সামরিক পদক্ষেপে সম্মতি দিয়েছে।
মার্কিন বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই ডোনাল্ড ট্রাম্পের সবুজ সংকেত মিললে মধ্যপ্রাচ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ ও দীর্ঘমেয়াদি নতুন যুদ্ধের সূচনা হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের সঙ্গে ইসরাইল ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে চলমান চরম বৈরিতা এবং সামরিক সংঘাত সত্ত্বেও, তেহরানের ইহুদিদের দৈনন্দিন জীবন এবং শিক্ষা কার্যক্রমে একটি ভিন্ন চিত্র প্রকাশ পেয়েছে। তেহরানের একটি ইহুদি অধ্যুষিত বিদ্যালয়ে, ইহুদিদের ধর্মীয় প্রতীকের পাশে সম্মানের সঙ্গে টাঙানো রয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবি।
মার্কিন প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর একটি বিশেষ অনুসন্ধানী ভিডিও প্রতিবেদনে, ইরানের রাজধানী তেহরানের ইহুদিদের জীবনযাত্রার এই ব্যতিক্রমী ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ‘মুসা ইবনে ইমরান’ বালক বিদ্যালয়ের পরিদর্শনের দৃশ্য দেখানো হয়েছে। সেখানে শ্রেণিকক্ষের দেয়ালে একদিকে ইহুদি সংস্কৃতির একটি প্রধান প্রতীক ঐতিহ্যবাহী মেনোরাহ এবং ঠিক তার পাশেই রয়েছে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির প্রতিকৃতি।
বিদ্যালয়টিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় সকলেই ইহুদি ধর্মাবলম্বী। তবে সেখানে শিক্ষকতায় নিয়োজিত রয়েছেন ইহুদি ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের শিক্ষকেরা। ইরানি সাধারণ জাতীয় পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি, শিক্ষার্থীরা সেখানে তাদের ধর্মীয় অনুশাসন এবং হিব্রু ভাষার পাঠ গ্রহণ করছে। ধর্মীয় উৎসবের নির্দেশিকাগুলোও তাদের ফার্সি ও হিব্রু—উভয় ভাষায় শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে।
একইভাবে, ইহুদি বালিকা বিদ্যালয়ের পরিবেশেও ধর্ম এবং স্থানীয় সংস্কৃতির এক অদ্ভুত মেলবন্ধন তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে শিক্ষার্থীরা ফার্সি জনপ্রিয় গানের সঙ্গে মেতে ওঠার পাশাপাশি নিয়ম মেনে হিজাব পরিধান করছে, যা দেশের নিয়ম অনুযায়ী সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য। শিক্ষার্থীরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, মুসলিম ও ইহুদিদের মধ্যে স্থানীয়ভাবে কোনো শত্রুতা নেই; বরং তারা পরস্পরের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে দীর্ঘদিন ধরে শান্তিতে বসবাস করে আসছে।
সিএনএন-এর প্রতিনিধি জানান, বাহ্যিকভাবে পশ্চিমা বিশ্বে ইরান সম্পর্কে যে ধরনের ধারণা প্রচলিত রয়েছে, তেহরানের ইহুদি স্কুলের এই দৃশ্যপট তার সম্পূর্ণ বিপরীত এবং অপ্রত্যাশিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরে মিথ্যা যৌন হয়রানির মামলা দায়ের করার কারণে আদালত বাদী শাহিনুর বেগম নামে এক নারীর জন্য ১৫ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ প্রদান করেছে। একই সাথে, ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ৭ দিনের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এই আদেশ দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত শাহিনুর বেগম (৩৮) আলফাডাঙ্গা উপজেলার যোগীবরাট গ্রামের সাখাওয়াত হোসেনের স্ত্রী। পরে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
২০২৪ সালের ১৮ মার্চ, শাহিনুর বেগম আলফাডাঙ্গা থানায় একই এলাকার বাসিন্দা সাগর মোল্যা (২২) ও ইকরামুল মোল্যার (২০) বিরুদ্ধে মিথ্যা যৌন হয়রানির মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ১৬ মার্চ রাত ১০টার সময় গৃহবধূ শাহিনুর বেগম বাজার থেকে ওষুধ কিনে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় সাগর মোল্যা ও ইকরামুল মোল্যা পেছন থেকে এসে গৃহবধূকে জাপটে ধরে এবং টানা হেচড়া করে যৌন হয়রানি করে।
গৃহবধূর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে, এবং লোকজন আসতে দেখে সাগর ও ইকরামুল পালিয়ে যায়। এ ঘটনার পর, ২০২৪ সালের ১৮ মার্চ শাহিনুর বেগম বাদি হয়ে আলফাডাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে মামলাটির সাক্ষ্য দিতে আদালতে হাজির হন বাদী শাহিনুর বেগম। আসামী পক্ষের আইনজীবীদের জেরার সময় বাদী শাহিনুর বেগম যে মামলাটি দায়ের করেছেন তা মিথ্যা, তার প্রমাণ উঠে আসে।
মিথ্যা মামলা দায়ের করার অভিযোগে অভিযুক্ত করে আদালতের বিচারক শাহিনুর বেগমকে ১৫ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন জানান, মিথ্যা যৌন হয়রানির মামলা দায়ের করার অভিযোগে অভিযুক্ত করে আদালতের বিচারক শাহিনুর বেগমকে ১৫ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি মনে করেন যে, এই রায়ের মাধ্যমে মিথ্যা মামলা দায়েরের ঘটনা কমে আসবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানিয়েছেন যে, সরকার মাদ্রাসার শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করার জন্য বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
তিনি সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীতে তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত কোরআন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে এই তথ্য প্রকাশ করেন।
শিক্ষামন্ত্রী আক্ষেপ করে বলেন, “আমরা দ্বীন শিক্ষা থেকে পিছিয়ে যাচ্ছি। এটা আমাদের জাতির জন্য কল্যাণকর নয়।”
তিনি আগামী দিনের শিক্ষাব্যবস্থায় ধর্ম শিক্ষার গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে বলেন, “নাহলে আগামীর যে বাংলাদেশ আমরা চাচ্ছি সেটা পাবো না।”
এহসানুল হক মিলন আরও বলেন, “মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থাকে কীভাবে আধুনিক করা যায় সেটার জন্য আমরা অনেকগুলো উদ্যোগ নিয়েছি। আজকের সমাজে আমাদের বেঁচে থাকতে হলে শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিকায়নের কোনো বিকল্প নেই।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার পূর্বধলা বাজারের ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কার, যানজট নিরসন, ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি উঠেছে। বাজারের সার্বিক উন্নয়ন ও ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে এসব দাবি তুলে ধরেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে পূর্বধলা পাটবাজারে বাজার বণিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন উপলক্ষে আয়োজিত সাধারণ সভায় এসব দাবি জানানো হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ আবু তাহের তালুকদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শফিকুল ইসলাম ও পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাজার বণিক সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি আব্দুল গফুর। সঞ্চালনা করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আহামেদ বাবু।
সভায় ব্যবসায়ীরা বাজারের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে বলেন, বাজারের পরিবেশ উন্নত করতে ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কার, যানজট নিরসন এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি। এ ছাড়া রাতের পাহারা জোরদার, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, যানজট কমাতে নির্ধারিত স্ট্যান্ড নির্মাণ এবং কাঁচাবাজার স্থানান্তরের বিষয়েও আলোচনা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবু তাহের তালুকদার বলেন, নবগঠিত কমিটিকে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে বাজারের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে হবে। ব্যবসায়ীরা যাতে নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন, সে জন্য নিরাপত্তা জোরদার ও নিয়মিত পাহারার ব্যবস্থা নিশ্চিত করাসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। নতুন কমিটি ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা ও বাজারের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইউএনও শফিকুল ইসলাম বলেন, বাজারের সার্বিক উন্নয়ন ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে উপজেলা প্রশাসন। ব্যবসায়ীরা যাতে নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তাসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে।
তিনি বাজারে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, যানজট নিরসনে স্ট্যান্ড স্থাপন ও কাঁচাবাজার স্থানান্তরসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আব্দুর রহিম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বাবুল আলম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান ফকির, সায়েদ আল মামুন শহীদ ফকির, রুহুল আমিন ফকির, হাবিবুর রহমান হাবিব, আনোয়ারুল ইসলাম আনার, উপজেলা বিএনপির সদস্য আশরাফ উদ্দিন তালুকদার, পূর্বধলা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান বুলবুল, ধান ব্যবসায়ী তরুণ কুমার রায়সহ স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যবসায়ী নেতারা।
সভায় বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন কমিটির নেতৃত্বে বাজারের বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাজারের পরিবেশ ও ব্যবসাবান্ধব কার্যক্রম আরও উন্নত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ