বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৫২ পি.এম
তুরস্কে ১৭ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকা) হাতিয়ে নেওয়ার একটি বিশাল আর্থিক কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে এসেছে, যেখানে প্রায় ৫ লাখ সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করা হয়েছে। বাজার থেকে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ভুয়া ও নিয়মবহির্ভূত বিনিয়োগ ফান্ডের মাধ্যমে তোলা হয়েছিল। মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
যখন বিষয়টি সামনে আসে, তখন দেশটির পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা অন্তত ১৩০টি ফান্ড একযোগে বন্ধ করে দেয়।
এর ফলে শেয়ার বাজারে ভয়াবহ ধস নেমেছে এবং এই ঘটনাটি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের সরকারের জন্য একটি বিরাট রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি করেছে।
তদন্তে জানা গেছে যে, এই প্রতারক ফান্ডগুলো বাজারে কম থাকা কিছু শেয়ারের দাম কৃত্রিমভাবে অস্বাভাবিক হারে বাড়িয়ে দিত। উদাহরণস্বরূপ, একটি ফান্ড গত এক বছরে ১,৫০০ শতাংশের বেশি লাভ দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রলুব্ধ করেছিল। তবে অভিযোগ উঠেছে যে, এই প্রতারণার পেছনে দেশের সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের যোগসাজশ ছিল।
এমনকি এই অনিয়মে যুক্ত বেশ কিছু ব্রোকারেজ হাউজ ও ফান্ডের পরিচালনা পর্ষদে এরদোগানের সাবেক ও বর্তমান উপদেষ্টা, সরকারি পদাধিকারী এবং মন্ত্রীদের স্বজনরা ছিলেন।
বিতর্ক বাড়তে থাকায় ক্ষমতাসীন দলের গুরুত্বপূর্ণ নেত্রী ও সাবেক মন্ত্রী ফাতমা বেতুল সায়ান কায়া গত রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) নিজ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে যে, শেয়ার বাজারে ধস নামার ঠিক আগেই তিনি নিজের সমস্ত শেয়ার অস্বাভাবিক দামে বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা তুলে নেন।
ইতোমধ্যে প্রতারণা চক্রের সঙ্গে জড়িত একাধিক ফান্ডের চেয়ারম্যান এবং দায়িত্বশীলদের পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের তালিকায় বর্তমান ডেপুটি অর্থমন্ত্রীর জামাতাও রয়েছেন, যিনি বিতর্কিত একটি শেয়ার কারসাজিতে মূল ভূমিকা পালন করেছিলেন।
পরিস্থিতি জটিল হতে দেখে প্রেসিডেন্ট এরদোগান কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, জনগণের কষ্টের টাকায় যারা হাত দিয়েছে, সরকার তাদের কাউকে ছাড় দেবে না।
প্রতারিত বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ দিতে কর্তৃপক্ষ ৬ মাসের সময়সীমা বেঁধে দিলেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণ মানুষ তাদের বিনিয়োগের খুব সামান্য অংশই ফেরত পেতে পারেন।
যেসব ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ টাকা হারিয়েছেন, তাদের অনেকেই এরদোগানের সমর্থক। ফলে আগামী নির্বাচনে এবং রাজনৈতিক মাঠে এই ঘটনা এরদোগান সরকারের জন্য বড় রকমের বিপদ ডেকে আনতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সীমান্তজুড়ে ধারাবাহিক অভিযানে বড় ধরনের সাফল্যের দাবি করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উত্তর-পূর্ব রিজিয়ন, সরাইলের আওতাধীন সীমান্ত এলাকা থেকে প্রায় ৯৩১ কোটি ২৭ লাখ ২২ হাজার ৫৯২ টাকা মূল্যের চোরাচালান পণ্য, মাদক ও অন্যান্য অবৈধ সামগ্রী জব্দ করেছে বিজিবি। এসব অভিযানে অস্ত্র, বিস্ফোরক, মাদকদ্রব্যের পাশাপাশি অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু-পাথরও জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৩০৫ জনকে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সুনামগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (২৮ বিজিবি) কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেন ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল এ কে এম জাকারিয়া কাদির। সরাইল রিজিয়নের আওতাধীন ১৩টি ব্যাটালিয়নের সার্বিক অভিযানের চিত্র তুলে ধরে তিনি এসব তথ্য জানান।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সরাইল রিজিয়নের অধীনে প্রায় ১ হাজার ২০৪ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। সিলেট, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ ও শ্রীমঙ্গল সেক্টরের আওতায় থাকা ১৩টি ব্যাটালিয়নের ২১১টি বিওপি সীমান্তে নিয়মিত টহল ও নজরদারি করছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযান এবং নিয়মিত তল্লাশির মাধ্যমে এসব অবৈধ পণ্য জব্দ করা হয়।
অভিযানগুলোর মধ্যে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনাও রয়েছে। গত নয় মাসে ১১টি পিস্তল, ৯টি ম্যাগাজিন, ৭টি এয়ার গান, ৫টি পাইপ গান ও ৬২ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে বিজিবি।
এ ছাড়া সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত ১৯ কেজি উচ্চ বিস্ফোরক, ১১৭টি ডেটোনেটর ও ৩০ মিটার ডেটোনেটর তার জব্দ করা হয়েছে।
মাদকবিরোধী অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে ৩ লাখ ১২ হাজার ৯১০ পিস ইয়াবা, ১৩ হাজার ৮০৮ কেজি গাঁজা, ৬২ হাজার ৬৭৬ বোতল বিদেশি মদ ও বিয়ার এবং ১৫ হাজার ৫৮১ বোতল ফেনসিডিল ও ইস্কাফ সিরাপ। একই সময়ে ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭১ পিস যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট ও ১৬৯ লিটার চোলাই মদ জব্দ করা হয়।
বিজিবির তথ্যমতে, এসব ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মোট ৩০৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে বালু ও পাথর উত্তোলন বন্ধেও অভিযান চালিয়েছে বিজিবি। ময়মনসিংহ ও সিলেট সীমান্তসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৫ হাজার ৯০০ ঘনফুট পাথর ও ৭ হাজার ৩০০ ঘনফুট বালু জব্দ করা হয়েছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে সীমান্ত পাহারার পাশাপাশি মানবিক কার্যক্রমের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। বন্যার মতো দুর্যোগে দুর্গত মানুষের কাছে খাদ্য ও চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া এবং দুর্গম এলাকায় আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে জরুরি ত্রাণ সরবরাহের কথা জানানো হয়।
চোরাচালান প্রতিরোধের পাশাপাশি সীমান্তবর্তী তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে কারিগরি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার কথাও জানায় বিজিবি। সিলেট সেক্টরের আওতায় এসব প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে উল্লেখ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস আবারও ক্ষমতায় আসবে এবং ভারতের ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) পরাজিত করবে, এমনটাই দাবি করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই বিষয়টি ভালোভাবে জানেন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে কংগ্রেসের কার্যকরী কমিটির বৈঠকে দলের নেতাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই দাবি করেন। রাহুল গান্ধী জানান, এক আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজেই তার কাছে স্বীকার করেছিলেন যে, বিজেপি ক্ষমতা হারালে কংগ্রেসই দেশের শাসনভার গ্রহণ করবে। তিনি মন্তব্য করেন, যদি মোদি কংগ্রেসের ক্ষমতায় ফেরার এই রাজনৈতিক বাস্তবতা বুঝতে পারেন, তবে দলের নেতাদেরও সেই আত্মবিশ্বাস রাখা উচিত।
বৈঠকে, রাহুল গান্ধী নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে ভোট ব্যবস্থায় কারচুপির অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, বিজেপি ভোটার তালিকা ও ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নানা পরিবর্তন এনে নির্বাচনে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছে। গত দেড় থেকে দুই বছর ধরে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তিনি যে সতর্কবার্তা দিয়ে আসছিলেন, তা শুরুতে দলের প্রবীণ নেতারা বিশ্বাস না করলেও বর্তমানে কমিশনের অভ্যন্তরীণ নানা ঘটনা সামনে আসায় সবাই তার অভিযোগের গুরুত্ব বুঝতে পারছেন।
২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিরোধী দলনেতা হিসেবে তার তীব্র আপত্তি থাকা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন, যা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য ছিল একটি বড় আঘাত।
কংগ্রেসের এই নীতি নির্ধারণী বৈঠক থেকে কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী আন্দোলন আরও তীব্র করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া অবিলম্বে স্থগিত করার পাশাপাশি বাদ পড়া প্রায় ১৩ কোটি ৩০ লাখ নাম পুনরায় তালিকায় যুক্ত করার জোর দাবি জানানো হয়।
এ ছাড়া ভোটার তালিকার যাবতীয় পরিবর্তনের তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ, বাদ পড়া ভোটারদের আপিলের সুযোগ প্রদান এবং রাজনৈতিক দলগুলোকে সঠিক সময়ে তালিকা সরবরাহের পাশাপাশি সব অনিয়মের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে এই আইনি ও রাজনৈতিক লড়াইকে রাজপথে নামানোর স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন রাহুল গান্ধী। তিনি নেতাদের স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন যে, কেবল বিবৃতি বা সংসদীয় প্রতিবাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সড়ক, সংসদ এবং আদালত—সবখানেই একযোগে ভোটাধিকার রক্ষার লড়াই গড়ে তুলতে হবে।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিল্লিতে বিরোধী জোটের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে নির্বাচন কমিশন ও ভোটার তালিকা নিয়ে কংগ্রেসের অভিযোগ এবং আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধীদের বড় সমাবেশ করার প্রস্তাবও দিতে পারে কংগ্রেস।
রাহুল দলের নেতাদের স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, শুধু প্রতিবাদ করলে হবে না, আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তার কথায়, ভোটাধিকার রক্ষার লড়াই সংসদ, আদালত এবং রাজপথে চালিয়ে যেতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুরোনো সিনেমা হলগুলো একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কিছু স্থানে বন্ধ হওয়ার পর হলের জায়গায় বহুতল ভবন গড়ে উঠছে, আবার কোথাও হারিয়ে যাচ্ছে একসময়কার জনপ্রিয় বিনোদনকেন্দ্রের অস্তিত্ব। নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরের ঐতিহ্যবাহী ‘লাভলী সিনেমা হল’ এবার সেই তালিকায় যুক্ত হচ্ছে। আগামী শুক্রবার হলটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে কাঁচপুর কাঁচাবাজার ও লাভলী বাসস্টপের নিকট অবস্থিত এই সিনেমা হল একসময় নিয়মিত বাংলা সিনেমা প্রদর্শনের জন্য পরিচিত ছিল। তবে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে হলটির কার্যক্রম কমে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে এটি অনিয়মিতভাবে চলছিল। লাভলী সিনেমা হল এবার চিরতরে বিদায়ের খবর সামনে এসেছে।
চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক শাহাদাৎ হোসেন লিটন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘ঐতিহ্যবাহী লাভলী সিনেমা হল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি। আগামী শুক্রবার হলটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’
তবে লাভলী সিনেমা হলের বিদায়ের মধ্য দিয়ে নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছেন এই নির্মাতা। হলটি ভেঙে সেখানে বহুতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ওই ভবনেই ‘লাভলী’ নামের একটি সিনেপ্লেক্স গড়ে তোলার চিন্তাভাবনা চলছে বলেও জানান তিনি।
লাভলী সিনেমা হলের জায়গায় কী করা হবে, এ বিষয়ে শাহাদাৎ হোসেন লিটন জানান, ‘লাভলী সিনেমা হলের জায়গায় কমার্শিয়াল বিল্ডিং করার ইচ্ছে আছে। সেখানে একটি সিনেপ্লেক্সের পরিকল্পনাও করা হচ্ছে।’
অর্থাৎ, পুরোনো সিনেমা হলটির অবকাঠামো ভেঙে ফেলা হলেও ‘লাভলী’ নামটি নতুনভাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে সিনেপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনাটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে বলে তার বক্তব্য থেকে ধারণা পাওয়া যায়।
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুরের সোনাপুর এলাকায় অবস্থিত লাভলী সিনেমা হলের প্রতিষ্ঠার সুনির্দিষ্ট সাল সম্পর্কে গণমাধ্যমের নথিপত্রে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে এটি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় মানুষের কাছে পরিচিত একটি বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। হলটির আশপাশের এলাকা ‘লাভলী সিনেমা হল মোড়’ নামে পরিচিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৭ উপলক্ষে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক-২০২৭’-এর প্রস্তাব ও আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
আজ বুধবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের (আমাই) এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক আদেশে এ কথা জানানো হয়।
এর আগে এ আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক নীতিমালা-২০২৪ (সংশোধিত) অনুযায়ী জাতীয় পর্যায়ে দু’টি পদকের জন্য বাংলাদেশি নাগরিক অথবা বাংলাদেশে অবস্থিত প্রতিষ্ঠান, সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দু’টি পদকের জন্য বিদেশি নাগরিক অথবা প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার কাছ থেকে নির্ধারণ ছকে প্রস্তাব ও আবেদন চাওয়া হয়েছে।
বিশ্বের বিভিন্ন মাতৃভাষা সংরক্ষণ, পুনরুজ্জীবন ও বিকাশ, গবেষণায় বিশেষ অবদান, ডিজিটাল প্রযুক্তি উদ্ভাবন, বহির্বিশ্বে প্রচার ও অনুবাদে বিশেষ অবদানের জন্য এই পদক দেওয়া হবে।
প্রতিটি পদক বিজয়ী পাবেন ১৮ ক্যারেট মানের ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র এবং ৪ লাখ টাকা বা সমমূল্যের মার্কিন ডলার।
আগ্রহীদের তিন কপি আবেদনপত্র বা প্রস্তাব সরাসরি, ডাকযোগে বা কুরিয়ারে ‘অতিরিক্ত পরিচালক, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট, ১/ক সেগুনবাগিচা, ঢাকা-১০০০’ বরাবরে পাঠাতে বলা হয়েছে। একই সাথে সফটকপি [email protected] Ges [email protected] ই-মেইল ঠিকানায় পাঠাতে হবে।
পদক সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ও ফরম আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ