ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে হাঁটার উপকারিতা জানুন


কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে হাঁটার উপকারিতা জানুন

প্রতিদিন হাঁটার অভ্যাস রক্তে চর্বির মাত্রা উন্নত করতে সক্ষম। এটি উচ্চ-ঘনত্বের লাইপোপ্রোটিন বা তথাকথিত 'ভালো কোলেস্টেরল'-এর মাত্রা বৃদ্ধি করে। একই সঙ্গে এটি নিম্ন-ঘনত্বের লাইপোপ্রোটিন বা ‘খারাপ কোলেস্টেরল’ এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

হাঁটার ফলে শরীরে এমন কিছু এনজাইম বা উৎসেচক উদ্দীপিত হয়, যা অস্বাস্থ্যকর চর্বি ভেঙে ফেলতে সাহায্য করে। হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য বিশেষজ্ঞরা প্রতি সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি গতিতে দ্রুত হাঁটার পরামর্শ দেন।

কোলেস্টেরল কমানোর ক্ষেত্রে দৈনিক হাঁটার পদক্ষেপ বাড়ানো একটি চমৎকার সূচনা হতে পারে।

আরও পড়ুন: বুধবার ১২ রাশির অর্থভাগ্যে সতর্কতা, জেনে নিন রাশিফল

মেরিল্যান্ডের বাল্টিমোরের 'জনস হপকিন্স সিকারন সেন্টার ফর দ্য প্রিভেনশন অব কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ'-এর পরিচালক, কার্ডিওলজিস্ট ও অধ্যাপক ড. রজার ব্লুমেন্থাল বলেন, ব্যায়ামের এই উপকারিতার পেছনের সম্পূর্ণ কারণ এখনো পুরোপুরি জানা না গেলেও এর ইতিবাচক প্রভাব সুস্পষ্ট। অ্যারোবিক ব্যায়াম ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতে এবং ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে পরিচিত।

স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘হেলথসেন্ট্রাল’-এর সূত্র ধরে তিনি আরও জানান, যে কোনো শারীরিক ক্রিয়াকলাপ যা হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দেয়, তা কোলেস্টেরলের মাত্রা এবং রক্তচাপ—উভয়ই উন্নত করতে সক্ষম।

ড. ব্লুমেন্থাল বলেন, হাঁটা একটি সহজ ব্যায়াম যা অনায়াসেই দৈনিক রুটিনের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যায়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মাঝারি গতিতে নিয়মিত হাঁটা উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকি কমাতে দ্রুত গতিতে দৌড়ানোর মতোই কার্যকর।

আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন খারাপ কোলেস্টেরল এবং উচ্চ রক্তচাপ কমাতে প্রতি সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিটের মাঝারি অ্যারোবিক ব্যায়ামের পরামর্শ দেয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি এই সময় বাড়িয়ে প্রতি সপ্তাহে ২০০ মিনিট হয়, তবে আরও বেশি স্বাস্থ্যগত সুবিধা পাওয়া সম্ভব।

আরও পড়ুন: ৫৩ বছরেও ফিট থাকার জন্য শচীন ছেড়ে দিলেন দুই বদঅভ্যাস

এর হিসাব দাঁড়ায় সপ্তাহে পাঁচ দিন ৩০ মিনিট করে, অথবা প্রতিদিন ২০ মিনিটের কিছু বেশি সময় হাঁটা।

এই ব্যায়াম যে এক টানেই শেষ করতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। দিনে দুবার ১০ মিনিট করে হাঁটলেও তা স্বাস্থ্যে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, দৈনিক হাঁটার পরিমাণ বাড়ানো, কোলেস্টেরল কমানো এবং হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাসের জন্য একটি কার্যকর ব্যবস্থাপনা তুলে ধরা হয়েছে। যারা সাধারণত শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয়, তারাও দৈনন্দিন চলাফেরা সামান্য বাড়ানোর মাধ্যমে উপকৃত হতে পারেন। ড. ব্লুমেন্থাল বলেন, প্রতিদিন মাত্র ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাঁটলেও গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যগত সুবিধা পাওয়া যায়।

গবেষণাও এই পরামর্শকে সমর্থন করে। 'দ্য ল্যানসেট' জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, দিনে মাত্র ১৫ মিনিটের পরিশ্রমের ব্যায়াম নিষ্ক্রিয় ব্যক্তিদের তুলনায় মৃত্যুর ঝুঁকি ১৭ শতাংশ কমিয়ে দেয়।

আরও পড়ুন: ২৮ অক্টোবর: ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা

বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন অল্প সময় হাঁটা দিয়ে শুরু করার পরামর্শ দেন। একটি বাস্তবসম্মত সময় বেছে নিন এবং ধীরে ধীরে অভ্যাস গড়ে তুলুন। যদি ছুটির দিনে আপনার সময় ভালো মেলে, তবে শুক্র ও শনিবার দীর্ঘ সময় হাঁটুন এবং কর্মদিবসে অপেক্ষাকৃত কম সময় হাঁটুন। কোলেস্টেরল ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যের স্থায়ী উন্নতির জন্য হাঁটাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে নেওয়া জরুরি।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র এক সেশনের ব্যায়াম কোলেস্টেরলের ওপর খুব সামান্যই প্রভাব ফেলে। কিন্তু ১৮ সপ্তাহ ধরে প্রতি সপ্তাহে ১৬০ মিনিট অ্যারোবিক ব্যায়ামের মাধ্যমে ভালো কোলেস্টেরল স্পষ্ট বৃদ্ধি পায়।

ড. ব্লুমেন্থাল বলেন, মানুষ হয়তো শুরুতেই সপ্তাহে ১৫০ মিনিট হাঁটার লক্ষ্য পূরণ করতে পারবে না, তবে এই লক্ষ্যের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারলেও দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে রক্তচাপ, রক্তে শর্করা এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা উন্নত হতে শুরু করে।

দৈনিক ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করুন (প্রয়োজনে সেশনটি ভাগ করে নিতে পারেন)। এটি আপনাকে সপ্তাহে ২০০ মিনিটের গণ্ডি পার করিয়ে দেবে, যা আরও বেশি স্বাস্থ্যগত সুবিধা আনবে।

আরও পড়ুন: ‘পর্যটন মেলা, ২০২৬’ বৃহস্পতিবার শুরু, প্রযুক্তি ও টেকসই পর্যটন নিয়ে আলোচনা

একবার হাঁটা যখন দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত হবে, বিশেষজ্ঞরা তখন এর সঙ্গে কিছু সময়ের জন্য দ্রুত হাঁটার অংশ যোগ করার পরামর্শ দেন।

হাঁটার গতি বাড়ানো হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য মানুষের দৌড়ানো শুরু করতে হবে না। কেবল একটু দ্রুত হাঁটার মাধ্যমেই বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায়।

গবেষণায় দেখা গেছে, উচ্চ-তীব্রতার অ্যারোবিক ব্যায়াম খারাপ কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে সহায়তা করতে পারে। ড. ব্লুমেন্থাল প্রতি ঘণ্টায় অন্তত তিন মাইল গতিতে হাঁটার এবং ধীরে ধীরে কিছু কিছু হাঁটার সেশনে গতি বাড়িয়ে ঘণ্টায় চার মাইল করার পরামর্শ দেন।

বিশেষজ্ঞরা একটি চার সপ্তাহের কর্মসূচির পরামর্শ দেন। কর্মসূচিটি সম্পন্ন করার পর, অর্জিত অগ্রগতি ধরে রাখতে প্রতি সপ্তাহে অন্তত দুবার দ্রুত হাঁটা বজায় রাখতে বলা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ডিকশনারি ডটকমের বর্ষসেরা শব্দ ‘ম্যাক্সিং’, জনপ্রিয় হলো কিভাবে

উল্লেখ্য, যে কোনো নতুন ব্যায়াম কর্মসূচি শুরু করার আগে তা আপনার জন্য উপযুক্ত কিনা তা নিশ্চিত করতে একজন চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলা উচিত। একই সঙ্গে, কোলেস্টেরল কমানোর সামগ্রিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে হৃদপিণ্ডের জন্য উপকারি খাদ্যতালিকা নিয়েও আলোচনা করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র: সামা টিভি 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বরিশালে ৪০ কিলোমিটারজুড়ে মানবপ্রাচীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৫ এম


প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বরিশালে ৪০ কিলোমিটারজুড়ে মানবপ্রাচীর

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের বরিশালে প্রথম সফর স্মরণীয় করে রাখতে দলীয় নির্দেশনা অনুসরণ করে, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে কোনো তোরণ তৈরি করা হয়নি। টানানো হয়নি ব্যানার-ফেস্টুনও। তবে সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে বরিশালের প্রবেশদ্বার গৌরনদী উপজেলা থেকে বরিশাল নগরী পর্যন্ত ৪০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ‘মানবপ্রাচীর’ গঠন করা হবে।

সেখানে নেতাকর্মীরা সরকারপ্রধানকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত থাকবেন। যাতে জনসাধারণ ও যানবাহন চলাচলে কোনো ধরণের সমস্যা না হয়, সেদিকেও বিশেষ নজর রাখা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রী সোমবার সকালে সড়ক পথে বরিশাল যাবেন। কর্মসূচি শেষ করে সন্ধ্যায় ঢাকায় ফিরে যাবেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে বরিশালের বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনার অভাব নেই। গত দুদিন ধরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে আনন্দ মিছিল করছেন নেতাকর্মীরা।

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ এবং বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিস্তারিত কর্মসূচি তুলে ধরেন। তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী বরিশালের সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা জানেন। তারপরেও এলাকার পক্ষ থেকে কিছু জনসম্পৃক্ত দাবি-দাওয়াও উপস্থাপন করা হবে।

সফরসূচি অনুযায়ী, সোমবার সকালে ঢাকা থেকে সড়ক পথে বরিশালের উদ্দেশে রওয়ানা দেবেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সকাল ১০টায় গৌরনদী উপজেলায় নতুন করে খননকরা সরিকল-বাটাজোর খাল পাড়ে দুই হাজার গাছের চারা রোপণের কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।

এরপর গৌরনদীতে ‘ফ্যামিলি কার্ডের’ উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

সেখান থেকে বরিশাল নগরীতে গিয়ে ত্রিশ গোডাউন বধ্যভূমি খালের পাড়ে দেশীয় প্রজাতির ফল ও ফুল গাছের চারা রোপণের কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন তারেক রহমান। সেখানে তিনি বরিশালের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া আমড়া ও নারিকেল গাছের চারা রোপণ করবেন।

দুপুরে প্রধানমন্ত্রী সার্কিট হাউসে বিশ্রাম নিবেন। বিরতির পর বিকেল ৩টায় বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপির সাংগঠনিক সভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। বরিশাল মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করবেন সদর আসনের সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ার।

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বলেন, বরিশালের সমস্যাগুলোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সবকিছু জানেন। বিভাগের ২১টি আসনের মধ্যে ১৯টি বিএনপি পেয়েছে। মানুষ তাকে ভালোবেসে। আমরা আশাবাদী, প্রধানমন্ত্রী এর প্রতিদান দেবেন। সবকিছু একসাথে দেওয়া সম্ভব নয়। ধীরে ধীরে সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ গ্রহণ করবেন তিনি।

বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর যাতে সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়, সেজন্য আমাদের সর্বাধিক প্রস্তুতি রয়েছে। প্রশাসন ও সাংগঠনিকভাবে দফায় দফায় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে দলের নেতাকর্মীদের বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই বরিশালের উন্নয়ন নিয়ে কাজ করবেন। তবুও আমাদের কিছু চাওয়া-পাওয়া তার কাছে থাকবে। জনসম্পৃক্ত বিভিন্ন দাবি তার কাছে তুলে ধরা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঘবের জন্মদিনে অস্বস্তিতে পড়েন আরিয়ান! রাজনীতিকের প্রস্তাব মেনেই বিপত্তি? সেই রাতে ঠিক কী হয়েছিল?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪০ এম


রাঘবের জন্মদিনে অস্বস্তিতে পড়েন আরিয়ান! রাজনীতিকের প্রস্তাব মেনেই বিপত্তি? সেই রাতে ঠিক কী হয়েছিল?

১০ জুলাই রাঘব নিজের জন্মদিনকে মন ছোঁয়ার মতো বড়সড় পার্টির আয়োজন করেছিলেন। নিমন্ত্রণ গিয়েছিল তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু, পরিচালক আরিয়ান খান এবং অভিনেতা ববি দেওল-সহ আরও কয়েকজনের কাছে। বান্দ্রার একটি অভিজাত রেস্তরাঁয় নৈশভোজের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল তবে শেষ মুহূর্তে সমস্যা সৃষ্টি হয়।

বলে রাখি, রাঘব জুয়াল বলিউডে পাকাপাকি স্থায়িত্ব লাভ করেছেন। ‘কিল’ এবং ‘ব্যাডস অফ বলিউড’—এর মতো তাঁর দু’টি কাজ যথেষ্ট সফল হয়েছে। শাহরুখ খানের ‘কিং’ ছবিতেও তাঁকে দেখা যাবে। তাঁর সঙ্গে আরিয়ান খানের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বও রয়েছে। কিন্তু রাঘবের জন্মদিনের পার্টিতে এসে শাহরুখ-পুত্রের পরিস্থিতি চিঁড়েচ্যাপ্টা হয়ে গিয়েছিল। মানুষের ঢল তাঁকে ঘিরে ধরেছিল। কেন এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল, তা নিয়ে বলিউডের একটি সূত্র মুখ খুলেছে।

যে রাতে ঘটনা ঘটেছিল, ১০ জুলাই রাঘবের জন্মদিনে বড়সড় পার্টির আয়োজন ছিল। নিমন্ত্রণ এসেছিল তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু, পরিচালক আরিয়ান খান এবং অভিনেতা ববি দেওল-সহ আরও কয়েকজনের কাছে। বান্দ্রার একটি অভিজাত রেস্তরাঁয় নৈশভোজের ব্যবস্থা হয়ে ছিল। তবে সবকিছু ঠিক থাকলেও শেষ মুহূর্তে সমস্যা শুরু হয়।

শোনা যাচ্ছে, এক প্রভাবশালী রাজনীতিক তথা সমাজকর্মীর কাছ থেকে রাঘবের কাছে একটি প্রস্তাব আসে। সেই রাজনীতিক জানাচ্ছিলেন, তাঁদের দু’জনের জন্মদিন একই দিনে। তাই একসঙ্গে পালনের জন্য পার্টির আয়োজন করা হোক। রাঘবও সেই প্রস্তাবে রাজি হয়ে যান। কিন্তু এরপর থেকেই সমস্যা শুরু হয়। দু’জনের জন্মদিনের অতিথিদের জন্য আলাদা আলাদা নিমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছিল। আর এখান থেকেই একের পর এক অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

রাঘবের অতিথিরা যাঁরা ছিলেন, তাঁরা অধিকাংশই ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব বেশি সচেতন ছিলেন। তাঁরা চুপচাপ ওই পার্টিতে ঢুকতে চাইছিলেন। কিন্তু অন্য দিকের অনেক অতিথি নিজের ছবি তোলার জন্য একদম উৎসাহী হয়ে ওঠেন। পার্টি শুরু হতেই আরিয়ান ও ববির মতো তারকাদের ঘিরে উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

রাজনীতিকের অতিথিরা তারকা-অতিথিদের এক ঝলক দেখার আশায় রাঘবের পার্টিতে ঢুকে পড়ছিলেন। কেউ কেউ জোর করেই পার্টির ভিতরে প্রবেশ করতে থাকেন, শুরু হচ্ছে নিজের ছবি তোলার আবদার। কিছুক্ষণের মধ্যেই নাকি দমবন্ধ হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতির জন্য তারকা অতিথিরা মোটেই প্রস্তুত ছিলেন না। অবস্থা এমন হয় যে, একে একে সব তারকা ওই পার্টি ছেড়ে বেরিয়ে যেতে শুরু করেন। তাঁদের নিরাপত্তারক্ষীদেরও ভিড় সামলাতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। ঘনিষ্ঠ সূত্রের মতে, এক তারকা অতিথি পরে বলেন, “এমন কিছুর জন্য আমরা প্রস্তুত ছিলাম না। রাঘব একজন খুব ভালো ছেলে, তাঁর সঙ্গে সময় কাটাতে সাধারণত খুব ভালো লাগে। কিন্তু এই পার্টিতে কোন আনন্দই ছিল না।”

আরিয়ান খানকে নিজের গাড়ির দিকে দ্রুত ছুটে যেতে দেখা যায়। তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেন তাঁকে নিরাপদে গাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দিতে। নিজের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া সত্ত্বেও আরিয়ান খেয়াল রাখছিলেন, যেন ভিড়ের চাপে অন্য কেউ আহত না হন। ঘটনাটি নিয়ে এখনও রাঘব মুখ খোলেননি। তাঁকেও বিভিন্ন ভিডিয়োতে অস্বস্তিতে পড়তে দেখা গিয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরছে : অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪৩ এম


পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরছে : অর্থমন্ত্রী

ব্যাপক সংস্কার এবং স্বচ্ছ নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার পাশাপাশি অতীতে সংঘটিত বৃহৎ আকারের বাজার কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে নেওয়া কঠোর ব্যবস্থার ফলে দেশের পুঁজিবাজারে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধীরে ধীরে ফিরে আসছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

রোববার (১২ জুলাই) জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের সদস্য মো. কামরুল হাসানের (ময়মনসিংহ-৬) এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দিনের বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘পুনর্গঠিত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ইতোমধ্যে দৃশ্যমান ফল প্রদর্শন করতে শুরু করেছে। গত দুই মাস ধরে শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে। বর্তমানে শেয়ারবাজার উর্ধ্বমুখী এবং সূচকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা গেছে। নতুন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর গত দুই মাস সময়ের মধ্যে বাজারের পারফরম্যান্স আরও শক্তিশালী হয়েছে। এটি পুঁজিবাজারের স্বচ্ছতা ও জনগণের আস্থা ফিরে আসারই প্রতিবিম্ব।’

সরকার একটি নতুন বিএসইসি গঠন করেছে, যেখানে একজন চেয়ারম্যান ও তিনজন কমিশনার নিযুক্ত হয়েছেন। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, বর্তমানে আরও একজন কমিশনার নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে এবং বর্তমান কমিশনের সদস্যদের কেউ রাজনৈতিক বিবেচনায় নিযুক্ত হননি।

তিনি আরও জানান, ‘সম্মানিত সদস্যদের অবগত করতে চাই, কাউকে রাজনৈতিকভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। অর্থমন্ত্রী হিসেবে আমি ব্যক্তিগতভাবে তাদের কাউকে জানতাম না। নিয়োগ প্রক্রিয়াটি এতটা স্বচ্ছ ছিল যে, আমি তাদের সঙ্গে পরিচিত ছিলাম না।’

নতুন কমিশনের সদস্যদের যোগ্যতা সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘তারা সবাই অভিজ্ঞ পেশাজীবী এবং দেশি-বিদেশি পুঁজিবাজার সম্পর্কে ব্যাপক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন। তারা সকলেই পেশাদার এবং পুঁজিবাজার বিষয়ে শক্তিশালী দক্ষতা রাখেন। তাদের সততা ও নিষ্ঠার বিষয়ে প্রশ্ন নেই।’

অর্থমন্ত্রী বিগত সরকারের আমলে পুঁজিবাজারে কারসাজির বিরুদ্ধে যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল সে প্রসঙ্গেও আলোচনা করেন। তিনি বলেন, অনিয়ম ও বাজার কারসাজির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সরকারের দ্বারা গৃহীত শাস্তিমূলক ব্যবস্থার বিস্তারিত তথ্য বিএসইসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

তিনি পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে বাজার কারসাজি, প্রতারণা এবং বিভিন্ন অনিয়মের জন্য বিএসইসি কর্তৃক আর্থিক জরিমানা আরোপের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি লিমিটেডের (বেক্সিমকো) শেয়ার লেনদেনে কারসাজির ঘটনায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জরিমানা আরোপ করা হয়েছে। বাজার কারসাজি, দুর্নীতি এবং অন্যান্য আর্থিক অনিয়মে জড়িতদের চিহ্নিত করার জন্য যে তদন্ত ও অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তাদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কমিশন পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

অর্থমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, সরকারের সংস্কার কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিনিয়োগ গন্তব্যে পরিণত হবে। শুধু স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা নয়, তালিকাভুক্ত কোম্পানিরাও আবার বাজারে আস্থা ফিরে পাচ্ছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক তহবিল ব্যবস্থাপকরা বাংলাদেশের প্রতি পুনরায় আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, হংকং, লন্ডন এবং নিউইয়র্কের মতো বিশ্বের প্রধান আর্থিক কেন্দ্রগুলোর বিনিয়োগ ব্যবস্থাপকরা ইতিমধ্যে বাংলাদেশে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সম্ভাবনা যাচাই করার উদ্দেশ্যে সফর শুরু করেছেন এবং তারা বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে অংশগ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আস্থার ভিত্তিতে বাংলাদেশ একটি বিশ্বমানের পুঁজিবাজার গড়ে তুলবে। সরকারের সংস্কার কার্যক্রমের প্রতি বিনিয়োগকারীদের ক্রমবর্ধমান আস্থা এর সাম্প্রতিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রমাণ।

অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী জানান, সরকার করব্যবস্থাকে সহজ, ন্যায়সংগত এবং করদাতাবান্ধব করার পাশাপাশি করজাল উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি সমন্বিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিভিন্ন খাতে কার্যরত প্রতিষ্ঠানের মার্কেট অংশীদারিত্ব নির্ধারণ করছে, যাতে তাদের প্রকৃত ব্যবসায়িক অবস্থানের ভিত্তিতে আরও ন্যায্য ও আনুপাতিক হারে কর নির্ধারণ করা যেতে পারে।

তিনি বলেন, 'প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের মার্কেট অংশীদারিত্ব নির্ধারণ করা হচ্ছে, সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলছি, করের দায় তাদের মার্কেটের আকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যফূর্ন হওয়া উচিত। অতীতে এটি সঠিকভাবে করা হয়নি, কিন্তু বর্তমানে আমরা আরও যৌক্তিক ও স্বচ্ছ ব্যবস্থা গড়ে তুলছি। করজালের বাইরে থাকা ব্যক্তি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আনুষ্ঠানিক করব্যবস্থার আওতায় আনতে সরকার সহজীকৃত ফ্ল্যাট-রেট কর ব্যবস্থা চালু করছে।'

উল্লেখযোগ্যভাবে প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় করদাতার আর্থিক সক্ষমতা অনুযায়ী এলাকা-ভিত্তিক নির্দিষ্ট হারে কর নির্ধারণ করা হবে। এতে জটিল আয়কর রিটার্ন দাখিল কিংবা দীর্ঘ মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হবে না বলেও তিনি জানান। অর্থমন্ত্রী বলেন, 'মানুষ নির্ধারিত ফ্ল্যাট-রেট কর পরিশোধ করে একটি রসিদ গ্রহণ করবে। তাদের আয়কর রিটার্ন পূরণ করতে হবে না অথবা কর কর্মকর্তাদের অপ্রয়োজনীয় হয়রানির শিকার হতে হবে না। নতুন করদাতাদের আনুষ্ঠানিক করব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করতে এবং স্বেচ্ছায় কর প্রদানে উৎসাহিত করতেই এই সহজীকৃত ব্যবস্থা চালু হচ্ছে।'

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের তাৎক্ষণিক লক্ষ্য হলো- এই সহজ ফ্ল্যাট-রেট ব্যবস্থার মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক নতুন করদাতাকে করজালের আওতায় আনবেন। করভিত্তি পর্যাপ্ত সম্প্রসারিত হলে পরবর্তীতে দেশের বিদ্যমান কর আইন অনুযায়ী ধাপে ধাপে নিয়মিত করব্যবস্থা কার্যকর করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ১৯ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৩ এম


দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ১৯ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস

ঢাকাসহ দেশের কয়েকটি জেলায় দুপুরের মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসাথে, বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদফতরের দেয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, যশোর, কুষ্টিয়া, ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিমি বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এসব অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদী বন্দরের জন্য ১ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আবহাওয়া সংক্রান্ত আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%