ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাজনৈতিক সংলাপে সংবাদমাধ্যমের ওপর বিধিনিষেধের নিন্দা ভেনেজুয়েলার সাংবাদিকদের


রাজনৈতিক সংলাপে সংবাদমাধ্যমের ওপর বিধিনিষেধের নিন্দা ভেনেজুয়েলার সাংবাদিকদের

যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে এ সপ্তাহে শুরু হওয়া ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক উত্তরণ নিয়ে আলোচনায় দেশটির সাংবাদিকদের একটি সংগঠন সংবাদমাধ্যমের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধের নিন্দা জানিয়েছে।

মার্কিন বাহিনী প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার সাত মাস পরে, ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী সরকার ও বিরোধী দলের একটি অংশ এখনও আলোচনায় বসেছে। তাদের মধ্যে আশা রয়েছে যে, এই আলোচনা নির্বাচন আয়োজনের পথে এগিয়ে যাবে।

এএফপি’র খবর অনুযায়ী, আলোচনার শুরুর এক দিন পর সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীরা প্রতিবাদ শুরু করেছেন। তারা জানিয়েছেন, আলোচনায় কেবল আলোকচিত্রীদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে এবং সাংবাদিকদের পর্যাপ্ত তথ্য না দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তারা প্রতিবাদ করেন।

আরও পড়ুন: পানিসম্পদমন্ত্রী: আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করা উচিত নয়

সাংবাদিক ডেইসি মার্টিনেজ বলেন, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা তার সরঞ্জাম কেড়ে নেন এবং তাকে গ্রেফতারের কথা বলেন। পরে, তিনি যে ছবিগুলো তুলেছিলেন, সেগুলি মুছে দেওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব প্রেস ওয়ার্কার্স (এসএনটিপি) এই ঘটনার বিষয়ে বিরোধী দলের প্রতিনিধিদলের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছে। বৈঠকের পর এসএনটিপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছে, প্রতিনিধিদলের সদস্যরা ‘ঘটনার নিন্দা করেছেন এবং গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন।’

এছাড়া, সংগঠনটি উল্লেখ করেছে, ‘সংলাপ প্রক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের জন্য স্বচ্ছতা এবং সময়মতো, অবাধ ও বৈষম্যহীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর আমরা জোর দিচ্ছি।’

ওয়াশিংটনের সমর্থনে শুরু হওয়া এই আলোচনা ১২ আগস্ট পর্যন্ত চলতে থাকবে। যৌথ বিবৃতিতে, এর লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে ভেনেজুয়েলার চলমান রাজনৈতিক অচলাবস্থায় ‘রাজনৈতিক, শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক সমাধান’ খুঁজে বের করা।

আরও পড়ুন: মেলানিয়া ট্রাম্পের উদ্যোগে রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা, জানাল হোয়াইট হাউস

জানুয়ারিতে মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক চাপের মধ্যে, অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ডেলসি রদ্রিগেজ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপে মেসিকে ‘বোমা হামলার’ হুমকি, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৬ পি.এম


বিশ্বকাপে মেসিকে ‘বোমা হামলার’ হুমকি, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ চলাকালে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক, এবং বিশ্বজুড়ে তারকা ফুটবলার লিওনেল মেসিকে হত্যার একটি ভয়াবহ হুমকি প্রদান করা হয়েছিল। এই হুমকির আওতায় শুধু মেসিই নয়, আর্জেন্টিনা দলের অন্যান্য সদস্য, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, কিলিয়ান এমবাপ্পে সহ বিভিন্ন দলের খেলোয়াড়, ফিফা কর্মকর্তাগণ ও ম্যাচ পরিচালনাকারী রেফারিরাও ছিলেন।

একটি ফাঁস হওয়া পুলিশ ডসিয়ারের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া শনিবার তথ্যটি প্রকাশ করে। প্রতিবেদনের সূত্র অনুযায়ী, বিশ্বকাপ চলাকালে মেসিসহ বিশ্বের কিছু শীর্ষ ফুটবলার, রেফারি ও কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে একাধিক প্রাণনাশের হুমকি, বোমা হামলার সতর্কতা, হয়রানি এবং অনলাইন হুমকি প্রদান করা হয়। এসব ঘটনার কারণে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়েছিল।

সবচেয়ে ভয়াবহ হুমকির অন্যতম ছিল মেসিকে লক্ষ্য করে। পুলিশের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এক ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ একটি পোস্ট করে জানায়, সে আটলান্টার স্টেডিয়ামে ঢুকে মেসিকে হত্যার হুমকি দেয়। ওই ব্যক্তি দাবী করেছে, তাঁর শরীরে চারটি বোমা বাঁধা থাকবে এবং সেগুলো দিয়ে মেসিকে উড়িয়ে দেওয়া হবে।

এই ঘটনা ঘটেছিল আর্জেন্টিনা ও মিসরের ম্যাচ চলাকাল। একই সময় স্টেডিয়ামে বোমা রাখার একটি দাবিও করা হয়েছিল। একজন ব্যক্তি পুলিশকে ফোন করে স্টেডিয়ামের বিভিন্ন ডাস্টবিনে তিনটি বোমা রয়েছে বলে জানায়। এরপর বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ, প্রশিক্ষিত কুকুর এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা স্টেডিয়ামজুড়ে তল্লাশি শুরু করে।

মেসি একমাত্র তারকা ছিলেন না, যিনি এ ধরনের হুমকির মুখে পড়েছিলেন। পর্তুগিজ তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকেও বিশ্বকাপ চলাকালে নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে রাখা হয়েছিল। পুলিশ নথিতে রোনালদোর হোটেল সংক্রান্ত সন্দেহজনক তৎপরতার উল্লেখ রয়েছে। এক ব্যক্তি রোনালদোর হোটেলে প্রবেশ করে তাঁর কাছাকাছি যাওয়ার প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন।

এদিকে, ম্যাচ পরিচালনা সংক্রান্ত রেফারিদের ওপরও ব্যাপক হুমকি আসে। ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ের ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপে ৬ হাজারেরও বেশি হুমকিমূলক বার্তা পাঠানো হয়েছিল, বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) উইলি দেলাজোকেও মৃত্যুর হুমকিসহ বিভিন্ন ধরনের বার্তা পাঠানো হয়।

ফাঁস হওয়া নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচকে কেন্দ্র করে খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে অনলাইন হয়রানি এবং প্রাণনাশের হুমকি সৃষ্টি হয়েছিল। ফলে বড় তারকাদের নিরাপত্তা বাড়ানোর ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছিল।

বিশ্বকাপের মতো আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে এই ধরনের নিরাপত্তা হুমকি নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে। মেসিকে লক্ষ্য করে কথিত বোমা হামলার হুমকি সেই উদ্বেগকে আরও বৃদ্ধি করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি খরচে দেশে ফিরছে প্রবাসী শেখ ফরিদের মরদেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৮ পি.এম


সরকারি খরচে দেশে ফিরছে প্রবাসী শেখ ফরিদের মরদেহ

মালদ্বীপে স্থানীয় হাসপাতাল ও মর্গের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর বাংলাদেশ হাইকমিশনের সহযোগিতায় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে দেশে ফিরেছে ৪৫ বছর বয়সী প্রবাসী বাংলাদেশি মো. শেখ ফরিদের মরদেহ।

শেখ ফরিদের বাড়ি ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের হাজিপুর গ্রামে। তার বাবা নসা মিয়া। শুক্রবার (৭ আগস্ট) স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ১টার সময় বাংলাদেশের বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তার মরদেহ দেশে পাঠানো হয়। বিষয়টি সময় সংবাদকে নিশ্চিত করেছে মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশন।

হাইকমিশন জানায়, শেখ ফরিদের মরদেহ মৃত্যুর পর সাত দিন ধরে স্থানীয় হাসপাতালের মর্গে রাখা ছিল। মালদ্বীপের আইন অনুযায়ী, কোনো বৈধ প্রবাসী কর্মরত অবস্থায় মারা গেলে অথবা অসুস্থ ও আহত হলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি ইনস্যুরেন্সের আওতায় তার চিকিৎসার খরচ এবং প্রয়োজন হলে মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করে।

এদিকে, মৃত্যুর সময় শেখ ফরিদ মালদ্বীপে বৈধভাবে অবস্থান করছিলেন না, এর ফলে তার মরদেহ দেশে পাঠানোর জন্য কোনো প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির কাছ থেকে সহযোগিতা পাওয়া যায়নি।

পরে, মালদ্বীপে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসী এবং শেখ ফরিদের পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সহযোগিতায় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে তার মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

হাইকমিশন জানায়, প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ নিশ্চিত করা বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আমাদের সবসময় আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

শেখ ফরিদের নিকটাত্মীয় ও বিএনপি মালদ্বীপ শাখার সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শরিফুল ইসলাম সময় সংবাদকে জানিয়েছেন, প্রায় দুই বছর আগে নতুন কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে মালদ্বীপে এসেছিলেন শেখ ফরিদ।

তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন। গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে স্ট্রোকের কারণে হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে সহকর্মীরা দ্রুত তাকে মালদ্বীপের ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

শরিফুল ইসলাম জানান, শেখ ফরিদ মালদ্বীপে যাওয়ার পর প্রথমে বিভিন্ন কোম্পানিতে বৈধভাবে কাজ করতেন। তবে ভিসা ফি পরিশোধ না হওয়ায় শেষ দিকে তিনি অবৈধভাবে সেখানে অবস্থান করছিলেন। এই কারণে তার কাছে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় কোনো কোম্পানি তার মরদেহ দেশে পাঠানোর দায়িত্ব নেওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়নি।

পরে, বাংলাদেশি প্রবাসী এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনের সহযোগিতায় শেখ ফরিদের মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়, যার জন্য তিনি হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

শেখ ফরিদকে শেষবারের মতো বিদায় জানানোর জন্য শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টার দিকে মালদ্বীপের বিমানবন্দরে তার স্বজন, সহকর্মী এবং ঘনিষ্ঠ প্রবাসীরা জড়ো হন। সেই সময় ফেনীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশিরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

মরদেহ দেশে পাঠানোর সময় বিমানবন্দরে শোকের পরিবেশ নেমে আসে। স্বজন ও সহকর্মীরা আবেগঘন পরিবেশে শেখ ফরিদকে শেষ বিদায় জানান।

বিনা খরচে শেখ ফরিদের মরদেহ দেশে পাঠানোর উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য বাংলাদেশ সরকার এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন মালদ্বীপে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। তারা বলেন, প্রবাসীদের দুঃসময়ে সরকারের সহযোগিতা প্রশংসনীয়।

এদিকে, গত এক সপ্তাহের মধ্যে মালদ্বীপে আটজন প্রবাসী বাংলাদেশের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশ হাইকমিশন জানিয়েছে, এসব মৃত্যুর মধ্যে আত্মহত্যা, কর্মস্থলে দুর্ঘটনা, স্ট্রোক এবং হৃদরোগের ঘটনা রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একের পর এক প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু মালদ্বীপে বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা সৃষ্টি করেছে। শুক্রবার রাত প্রায় ১০টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শেখ ফরিদের মরদেহ গ্রহণ করেন তার নিকটাত্মীয় শিপুল ও আজিজ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু হবে: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০৩ পি.এম


অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু হবে: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী
 
পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে টেকনিক্যাল কমিটি কাজ শুরু করেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকেও পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে।
 
শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে কুড়িগ্রামের চিলমারী, উলিপুর, রৌমারী ও রাজীবপুর উপজেলার নদ-নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে চিলমারী বন্দর এলাকায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
 
পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তিস্তা একটি বড় প্রকল্প। একটি প্রকল্প একদিনে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। আমাদের সরকারের বয়স মাত্র পাঁচ মাস। আমাদের কিছুদিন সময় দিন। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ পাইলট প্রকল্প হিসেবে শুরু করব।
 
কুড়িগ্রামের নদীভাঙন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চিলমারী বন্দরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙনের পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে। কুড়িগ্রামে স্থায়ীভাবে বাঁধ নির্মাণ ও নদীভাঙন রোধে দুটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
 
তিনি আরও বলেন, ‘কোনো মানুষের ঘরবাড়ি, হাট-বাজার, মসজিদ, মন্দির কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেন নদীতে বিলীন হয়ে না যায়, সে জন্য সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছে। প্রকল্পগুলো কত দ্রুত বাস্তবায়ন করা যায়, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নিয়ে আমরা মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন করছি।
 
নদীভাঙন রোধে কোনো ধরনের দলীয় বিবেচনা করা হবে না উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভাঙনকবলিত মানুষের পাশে সরকার রয়েছে। ইতোমধ্যে কুড়িগ্রামের প্রায় ১০০টি ভাঙনকবলিত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে কাজ চলছে। যেখানে আরও কাজের প্রয়োজন রয়েছে, সেখানেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হবে।
 
পরে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী গাইবান্ধায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে চলমান দুটি প্রকল্প পরিদর্শন করবেন বলে জানান।
 
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজার রহমান, কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুব সালেহী, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সুরাইয়া জেরিন রনি, কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান, কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মমতাজ হোসেন লিপি, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান, সদস্যসচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান হাসিব ও শফিকুল ইসলাম বেবু এবং জেলা বিএনপির সদস্য সাইয়েদ আহমেদ বাবুসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিরাইয়ে জা-রি হয়েছে ১৪৪ ধারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০৪ পি.এম


দিরাইয়ে জা-রি হয়েছে ১৪৪ ধারা

সুনামগঞ্জ জেলার দিরাইয়ে বিএনপির দুটি গ্রুপের পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ডাকাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং সম্ভাব্য সংঘাত এড়াতে পৌর এলাকায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন।

 

গত বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, উপজেলা বিএনপির আয়োজনে থানা পয়েন্টে একটি দলীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ওই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নাছির উদ্দিন চৌধুরী এবং তার কর্মী-সমর্থকরা। প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি বক্তব্য দেন।

এরপর শনিবার, পাল্টা সমাবেশের ডাক দেন দিরাই উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মঈনুদ্দিন চৌধুরী মাসুক এবং দিরাই পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। শনিবার সকালে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি মিছিল শুরু হলে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

জনসাধারণের জীবন ও সম্পদ রক্ষা করতে এবং শান্তিশৃঙ্খলা স্থায়ী রাখতে শনিবার, ৮ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সনজীব সরকারের সই করা আদেশ অনুযায়ী, দিরাই পৌর এলাকার বাগানবাড়ি কমিউনিটি সেন্টার, থানা পয়েন্ট, দিরাই বাজার, দিরাই কলেজ রোড এবং দিরাইয়ের অন্যান্য এলাকায় ১৪৪ ধারা কার্যকর থাকবে।

আদেশে আরও বলা হয় যে, উল্লিখিত সময়ে এই স্থানগুলোতে সব ধরনের সভা-সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল, গণজমায়েত, বিস্ফোরক দ্রব্য, আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এইসাথে ৫ বা ততোধিক ব্যক্তির একত্রে অবস্থান কিংবা চলাফেরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সনজীব সরকার বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এক পক্ষ সমাবেশ শুরু করলেও এখন পর্যন্ত কোনো সংঘাতের ঘটনা ঘটেনি। পরিস্থিতি পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%