ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
তানোরে

আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর ভেঙে তৈরি পাঁকা ঘর বরাদ্ধে স্বজন প্রীতি


আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর ভেঙে তৈরি পাঁকা ঘর বরাদ্ধে স্বজন প্রীতি

রাজশাহীর তানোরে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৫০ টিনের ঘর ভেঙে সেখানে তৈরি করা ৪৩ টি ঘর বরাদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজন প্রীতিসহ আত্নীয় করনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের মাঝে চরম অসন্তোষ, ক্ষোভ এবং উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনাটি ঘটেছে রাজশাহীর তানোর উপজেলার বাধাইড় ইউপির ভান্ডাইল আশ্রায়ন গুচ্ছো গ্রামে। সরেজমিনে গিয়ে ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তানোর উপজেলার বাধাইড় ইউপির ভান্ডইল মৌজায় ৮০ নম্বর দাগে ৪ দশমিক ১১ একর আয়তনের একটি পুকুরপাড়ের ৮১ নম্বর দাগে প্রায় ৩৮ বিঘা সরকারি খাস সম্পত্তিতে ২০০৭ সালে আশ্রায়ন প্রকল্পের আওতায় টিনের বেড়া দিয়ে ৫০টি ঘর তৈরী করে স্থানীয় ভূমিহীনদের মাঝে দলিল করে বরাদ্দ করা হয়।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পেয়ে স্থানীয় ৫০টি ভূমিহীন দরিদ্র পরিবারকে সমিতির গঠনের মাধ্যমে সেখানে বসবাস করার পাশাপাশি ওই পুকুরটিও তাদের জীবিকার জন্য দেয়া হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবর্ষ উপলক্ষে ২০২২ সালে আশ্রয়ণ প্রকল্পের টিনের ৫০ টি ঘর ভেঙে সেখানে ৪৩ টি পাঁকা ঘর নির্মাণ করে ৩৯ টি ঘর বরাদ্দ দেয়া হলেও ৪টি ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়নি। আশ্রায়ন প্রকল্পের টিনের ঘরে দলিল মুলে দীর্ঘদিন বসবাস করার পরও পাঁকা ঘর বরাদ্দ না পাওয়ায় স্থানীয় ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যারা আশ্রায়ন প্রকল্পের টিনের ঘরে বসবাস করছেন তাদের বেশীর ভাগ ভূমিহীন দরিদ্রদের বাদ দিয়ে নতুনভাবেও তালিকা করে ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, যার বেশীর ভাগ পেয়েছে আশ্রায়ন প্রকল্পের সমিতির সভাপতি আতিকুল ইসলামের আত্নীয় স্বজন।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের টিনের ঘরে বসবাস করা মৃত শমসের আলীর স্ত্রী সোনাভান (৫৫) নামের এক নারী ক্ষোভ প্রকাশ করেন ও বলেন, “আশ্রয়ণ প্রকল্পের সভাপতি আতিকুল ইসলামের নিজের বাড়ি থাকার পরও তার স্ত্রী, পুত্র হৃদয়, ২ ভাই শফিকুল ও জহুরুল ইসলাম এবং শ্যালক ও জামাতি মিলে তার প্রায় ২০ জন আত্নীয়ের নামে পাঁকা ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। অথচ আমাকে ঘর দেয়া হয়নি।”

আরও পড়ুন: ময়মনসিংহে সেলুনে ঢুকে নরসুন্দরকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, স্ত্রী অভিযুক্ত

তিনি বলেন, “পুরনো ঘর ভেঙে নতুন ঘর নির্মাণ হওয়ার কারণে তিনি অন্যের জমিতে (কবরস্থান) অস্থায়ীভাবে ঝুপড়ি ঘর তৈরি করে সেখানে বসবাস করছেন।”

তিনি আরো বলেন, “অন্যের জমিতে ছোট্ট ঝুপড়ি ঘরেই রোদবৃষ্টিতে দিনযাপন করছি। অন্যরা যখন একই পরিবারে অনেকগুলো ঘর পাচ্ছেন, সেখানে আমার মতো বৃদ্ধার কথা একটি বারও কেউ চিন্তা করল না।”

মৃত জিল্লুর রহমানের স্ত্রী মরিজান বেওয়া বলেন, “আমার নামেও আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরের রেজিস্ট্রি দলিল থাকলেও আমাকেও কোনো ঘর দেয়া হয়নি। অতি কষ্টে আমিও ঝুপড়ি ঘরে বসবাস করছি।” তিনি আরো বলেন, “আকতার আলীর পুত্র শাকিল আলী, জামিলুরের পুত্র সারোয়ার, মৃত রহমানের পুত্র সেকেন্দার আলীর নামে পাঁকা ঘরের তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও তাদের কোনো ঘর দেয়া হয়নি।”

তিনি বলেন, “পারুলের বিয়ে হয়েছে উচাডাঙা তার পরেও তার নামে ঘর আছে, আবার রাকিব ও তার মেয়ে রুনার নামে ঘর রয়েছে। অন্যদিকে আকতার বানুর নামের ঘর থাকলেও সেই ঘরে কেউ থাকে না।” সমিতির সদস্য মেছের আলী বলেন, “আমি পাঁকা ঘর পাইনি, তাই রাস্তার ধারে ঝুপড়ি ঘরে বসবাস করছি। নতুন ঘর বরাদ্দে ব্যাপক অনিয়ম ও আত্মীয় পুনর্বাসন করা হয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।”

আরও পড়ুন: বাংলা একাডেমিতে বৌদ্ধ ঐতিহ্য বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

এদিকে ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আশ্রয়ণ প্রকল্পের প্রায় ৪ দশমিক ১১ একর আয়তনের বিশাল পুকুরটি নিজেই নিয়ন্ত্রণ করতেই আতিকুল ইসলাম সভাপতি হয়েছেন। ওই পুকুর থেকে বছরে প্রায় ৬ লাখ টাকা থেকে ৭ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব। আতিকুল ওই পুকুর নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখে আশ্রয়ণের বাসিন্দাদের নামমাত্র সুবিধা দিয়ে পুরো নিয়ন্ত্রণ তার নিজের কাছে রেখেছেন।

পুকুরের আয় ব্যয়ের হিসাব চাওয়ায় তাদের অনেককেই বাদ দিয়ে নিজের আত্মীয় স্বজনদের নামে নতুন পাঁকা ঘরের বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বলেও জানান ভুক্তভোগীরা। তারা বলছেন, এসব অনিয়ম নিয়ে প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছি, কিন্তু প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি, ফলে কোন সুরাহা হয়নি। সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা ও নতুন ভাবে প্রকৃত দরিদ্রদের মাঝে পাঁকা ঘর বরাদ্দ দেয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আতিকুল ইসলাম বলেন, “আমার বাড়ি আছে সত্যি। তবে, সেটা সরকারি খাস জায়গায়। সরকার যদি কখনো তার বাড়ি ভেঙে দেয় তাহলে কোথায় যাবেন? তাই আমি পাঁকা ঘর নিয়েছি। ওই ঘরে থাকার পাশাপাশি নিজ বাড়িতেও থাকেন।” তিনি বলেন, “আশ্রায়ণের ৩৯টি পরিবার মিলে তারা পুকুর চাষ করছেন, তেমন কোন লাভ হয়না।”

পাঁকা ঘর আপনার আত্মীয় স্বজন বেশীর ভাগ পেয়েছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “আশ্রায়ন প্রকল্পের শুরু থেকেই টিনের ঘর থাকা অবস্থায় আমি সমিতির সভাপতি রয়েছি। আমি নামের তালিকা দিয়েছি, বরাদ্দ দিয়েছে প্রশাসন, এখানে আমার কি করার আছে জিজ্ঞাসা করে এড়িয়ে যান।”

আরও পড়ুন: পূর্বধলায় মেয়েকে অপহরণের অভিযোগ, প্রতিবাদে বাবা-চাচার সংবাদ সম্মেলন

এবং তানোর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাঈমা খান বলেন, “যাদের পূর্বের ঘরসহ ৯৯ বছরের লিজ দেওয়া থাকে তাদের নতুন ঘর পাওয়ার কথা। যাদের ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়েছে তাদের বের করে দেয়া বেআইনি হবে। যদি গৃহহীন থেকে থাকে তাদের বরাদ্দের জন্য আবেদন করা যেতে পারে। তবে, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রস্তাবিত বাজেটে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে: মাহদী আমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ পি.এম


প্রস্তাবিত বাজেটে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে: মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন মন্তব্য করেছেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির জন্য একটি পদক্ষেপ। বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের ভিত্তিতে জনবান্ধব, জনকল্যাণমুখী ও ভিশনারি বাজেট প্রণয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, 'জনগণের ভোটে নির্বাচিত জনগণের সরকার বহু বছর পর আজ একটি বাজেট প্রণয়ন করেছে। এই বাজেটে দেশের প্রায় সব শ্রেণি-পেশার, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে; এটাই আমাদের বিশ্বাস।'

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে এক প্রতিক্রিয়া তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র। প্রধানমন্ত্রী মাহী আসাদের শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, বাজেটে অর্থনীতির গণতন্ত্রায়নে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়ন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ক্রিয়েটিভ ইকোনমি, বিনিয়ন্ত্রণকরণ, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা, সামাজিক নিরাপত্তা, নারী ও শিশু কল্যাণ, যোগাযোগ অবকাঠামো, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন—এই ১২টি গুরুত্বপূর্ণ খাতে সরকার উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

একই সঙ্গে মাহদী আমিন উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় বাজেটে চাল, ডাল, মাছ, মাংস, চিনি, লবণ, তেল, মসলাসহ প্রায় প্রতিটি নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের ওপর কর কমানো হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রেখে সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘব করা। অতীতে বাজেট প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পেত, কিন্তু এবারের জনবান্ধব বাজেটে সেই সমস্যা সমাধান হবে বলে সরকার আশাবাদী।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মাহী আসাদের রূপকল্পের আলোকে শিক্ষাব্যবস্থাকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষার প্রতিটি স্তরে আরো সমতাভিত্তিক ও সার্বজনীন করার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবাকে পৌঁছে দিতে হার্ট, কিডনি, চোখসহ গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাসেবাকে যতটা সম্ভব সুলভ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষকদের জন্য সার, বীজ, সেচ, কীটনাশক ও বীমা সহজলভ্য করা হয়েছে। এছাড়াও, টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থার বিকাশে সৌর ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিশেষ সহায়তা ও প্রণোদনা প্রদান করা হয়েছে।

এই বাজেটের মূল লক্ষ্য হলো দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটানো, সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ প্রদান করা এবং কর্মসংস্থাননির্ভর প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা। তারুণ্য ও নারীর ক্ষমতায়নকে প্রাধান্য দিয়ে স্টার্টআপ, ফ্রিল্যান্সিং, আউটসোর্সিং, কনটেন্ট ক্রিয়েশন ও অন্যান্য প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসাকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। বেশ কিছু নতুন থ্রাস্ট সেক্টরকে চিহ্নিত করে বন্ডেড সুবিধা বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং ব্যবসা শুরু ও সম্প্রসারণের প্রক্রিয়া আরো সহজ করা হচ্ছে।

এটি শুধু ঢাকাকেন্দ্রিক উন্নয়নের নয়; বরং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য পলিসি সাপোর্টের পাশাপাশি, তৃণমূলের একেবারে ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের প্রত্যয়কে ধারণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা আরো বলেন, এবারের বাজেটে কালো টাকা সাদা করার কোনো সুযোগ রাখা হয়নি। বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকিং সেক্টর ও পুঁজিবাজারে আর্থিক শৃঙ্খলা ও সুশাসনের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হচ্ছে গ্রাহকদের সুরক্ষা ও ঋণ প্রদানে দুর্নীতিমুক্ত প্রক্রিয়া।

তিনি বলেন, এই বাজেটের অন্যতম লক্ষ্য পরিচালনা ব্যয় কমিয়ে উন্নয়ন ব্যয় বৃদ্ধি করা, যাতে দেশের জনগণের অর্থ সরাসরি উৎপাদনশীল খাত ও জনসাধারণের উন্নয়নে অধিকতর কাজে লাগে। একই সঙ্গে লেনদেন বৃদ্ধি, ইনফরমাল ইকোনমিকে ধীরে ধীরে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় আনা এবং করের আওতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিনিয়োগনির্ভর প্রবৃদ্ধির একটি টেকসই ভিত্তি গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থনীতির সুফল যাতে সকলের কাছে যায়, সেটাকে মাথায় রেখেই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।

মাহদী আমিন আরো বলেন, সামনের দিনগুলোতে নানা চ্যালেঞ্জ থাকবে, তবে আমরা সবাই যদি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উন্নয়ন ও উৎপাদনের মাধ্যমে দেশ গড়ার কাজে অংশ নিই, তাহলে বাংলাদেশ অবশ্যই অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাবে। গণতন্ত্রের শক্তি ও জনগণের আস্থাকে পুঁজি করে এই বাজেট সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের পথে চলমান অভিযাত্রাকে বেগবান করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধামইরহাটে চেয়ারম্যান পদে পিন্টুকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ পি.এম


ধামইরহাটে চেয়ারম্যান পদে পিন্টুকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা

নওগাঁর ধামইরহাটে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মোসাদ্দেকুর রহমান পিন্টু বিএনপির সমর্থনপ্রাপ্ত হয়েছেন।

‘আমরা কেউ নয়-কর্মীরাই নেতা নির্বাচন করবে’ এই অনুষ্ঠানটির প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক এবং নওগাঁ-২ আসনের সাবেক এম.পি সামসুজ্জোহা খান। উনার উপস্থিতিতে ১১ জুন বিকেল সাড়ে ৫ টায় সরকারি এম এম ডিগ্রি কলেজ সভাকক্ষে উমার ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ড এবং ইউনিয়নের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কণ্ঠভোটে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং জাতীয়তাবাদি ব্যক্তিত্ব মোসাদ্দেকুর রহমান পিন্টু চূড়ান্ত সমর্থন প্রাপ্ত হন।

অপর প্রার্থী হিসেবে ইউনিয়ন বিএনপির সম্পাদক হেলাল হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, ও জিয়াউর রহমান কর্মীদের এবং দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে দলীয় সমর্থনপ্রাপ্ত প্রার্থীকে বিজয়ে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন। উমার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু বক্করের সভাপতিত্বে নওগাঁ জেলা যুবদলের আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য ও উপজেলা যুব দলের যুগ্ম আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম লিটনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ ওয়াদুদ, সাধারণ সম্পাদক মো. হানজালা, সাংগঠনিক শামিম কবির মিল্টন, সম্পাদক তারিকুল ইসলাম রাঙ্গা, পৌর বিএনপির সভাপতি সহিদুর রহমান সরকার, সাধারণ সম্পাদক আনারুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহমান মীর, যুবদল নেতা মনছুর রহমান, রুবেল হোসেন রতন প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
সাঁথিয়ায়

কলেজ শিক্ষার্থী মনিরের হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫২ পি.এম


কলেজ শিক্ষার্থী মনিরের হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

পাবনার সাঁথিয়ায় সরকারি এডওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান প্রথম বর্ষের মেধাবী শিক্ষার্থী মনিরুল ইসলাম মনিরকে ছুরিকাঘাতে হত্যার জন্য দায়ী আসামিদের ফাঁসি ও ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়ে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে নিহতের পরিবার ও গ্রামের লোকজন মানববন্ধন করেছেন। এই মানববন্ধন উপজেলা পরিষদ চত্বর এবং থানার সামনে অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনের পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল উপজেলা সদরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

জানা গেছে, গত ৮ জুন বিকেলে পাবনা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে সরকারের এডওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের মাস্টার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী এবং নিহত মনিরের গ্রামের প্রতিবেশী নূর আলমের ছেলে রাকিব হোসেনের (২৪) সঙ্গে কথা কাটাকাটি দিয়ে শুরু হয়। এই কথা কাটাকাটির সময় রাকিব মনিরকে ছুরি দিয়ে আহত করে। আহত মনিরকে আশপাশের লোকজন উদ্ধার করে প্রথমে পাবনা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু অবস্থার অবনতি হলে মনিরকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। মনিরকে ছুরিকাঘাত করার পর রাকিব ঘটনাস্থলের পাশে একটি পুকুরে কচুরি পানার মধ্যে আত্মগোপন করে। থানা পুলিশ খবর পেয়ে সেখান থেকে রাকিবকে গ্রেপ্তার করে। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, রাকিব এবং মনির দুজন বন্ধু, যারা ছোটবেলা থেকে একই গ্রামে বেড়ে উঠেছে।

মানববন্ধনের অনুষ্ঠানে নিহত মনিরের বাবা মুন্নাফ প্রামানিক, মা নছিফা খাতুন, ছোট ভাই তানজিল হোসেন, মনিরের বন্ধু সালমান বিশ্বাস এবং চাচা এরশাদ আলী প্রামানিক বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, নিহত মনির হোসেন এলাকায় একজন শান্ত এবং ভদ্র ছেলে হিসেবে পরিচিত ছিল। সরকারি এডওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের এই মেধাবী ছাত্রকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। বক্তাদের মতে, রাকিব হোসেন প্রধান অভিযুক্ত হলেও, তার একার পক্ষে হত্যাকাণ্ড ঘটানো সম্ভব নয়। তারা আরও জানান, এর পেছনে একাধিক ব্যক্তি জড়িত রয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের ফাঁসি দাবি করেন তারা। সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডটি পাবনা বাস টার্মিনালে ঘটেছে এবং এ বিষয়ে মামলা দায়ের হয়েছে পাবনা থানায়। তবে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারে এবং সুষ্ঠু বিচারে সাঁথিয়া থানা পুলিশ সার্বিক সহযোগিতা করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাঘায় চতুর্থ শ্রেণির স্কুল ছাত্র মাইক্রোর চাপায় নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৩ পি.এম


বাঘায় চতুর্থ শ্রেণির স্কুল ছাত্র মাইক্রোর চাপায় নিহত

রাজশাহীর বাঘায় চতুর্থ শ্রেণির স্কুল ছাত্র মিনহাজুল ইসলাম (৯) মাইক্রোর চাপায় নিহত হয়েছে। এবিষয়ে জানা যায় যে, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকাল ৪টার দিকে বাঘা-চারঘাট মহাসড়কের মনিগ্রাম ইউনিয়নের মীরগঞ্জ মোড়ে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। নিহত মিনহাজুল ইসলাম মীরগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ও মীরগঞ্জ ভানুকর গ্রামের মিনারুল ইসলামের ছেলে।

জানা গেছে, স্কুল ছুটির পর মিনহাজুল ইসলাম সাইকেল নিয়ে বাড়ি ফিরছিল। যখন সে বাঘা-চারঘাট মহাসড়কের মনিগ্রাম ইউনিয়নের মীরগঞ্জ মোড়ে পৌঁছায়, তখন একটি সাদা মাইক্রো দ্রুত গতিতে যাওয়ার সময় তাকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে মাইক্রোটি চারঘাট সিনেমা হল মোড়ে আটক করা হয়। এ বিষয়ে বাঘা থানার ওসি সেরাজুল হক বলেন, 'দূর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। তবে এ বিষয়ে এখনো কেউ কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%