০৭:২৮ পি.এম
লেবাননে যুদ্ধবিরতির খবরকে কেন্দ্র করে ইসরাইলের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।
কেবল বিরোধী দলই নয়, খোদ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নিজস্ব ক্ষমতাসীন জোটের সদস্যরাও এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করছেন। বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরতলি দাহিয়াহসহ লেবাননে আক্রমণ বন্ধ করে নেতানিয়াহু ‘নতি স্বীকার’ করুক—এটি তাঁর জোটের অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না।
এদিকে, ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গ্যভির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেবাননের নির্দিষ্ট কিছু এলাকা ও লক্ষ্যবস্তু "মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়ার" প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বার্তা দিয়েছেন। প্রায় একই ধরনের সুর শোনা গেছে অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের গলাতেও।
আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে
এখন প্রশ্ন উঠছে, কেন দূরত্ব বজায় রাখছেন রাজনীতিকরা? বিশ্লেষকদের মতে, এর মূল কারণ আসন্ন সাধারণ নির্বাচন। নেতানিয়াহু ইসরাইলের জনগণকে এমন কিছু লক্ষ্য অর্জনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, যা তিনি বাস্তবে পূরণ করতে পারেননি। আর এই সুযোগটিকেই হাতছাড়া করতে চাচ্ছেন অন্য রাজনীতিকরা। তাঁরা নেতানিয়াহুর এই যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্তকে একটি 'কৌশলগত ব্যর্থতা' হিসেবে জনগণের সামনে তুলে ধরছেন।
নেতানিয়াহুর বিরোধীরা, এমনকি তাঁর জোটের শরিকরাও এখন প্রচার করছেন যে প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছেন। মার্কিন প্রশাসনের কাছেও তাঁর আগের মতো গ্রহণযোগ্যতা নেই। এই পরিস্থিতিকে পুঁজি করে আগামী অক্টোবরের নির্বাচনে ফায়দা তুলতে মরিয়া সব পক্ষ।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, নেতানিয়াহু তাঁর পুরনো কৌশল খাটাতে পারেন। নির্বাচন আরও পিছিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি হয়তো হঠাৎ বড় কোনো বিমান হামলা বা নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারেন।
সূত্র: আল জাজিরা
আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৭৭.৭ শতাংশ, ১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন