ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সন্ত্রাসবাদের মদদদাতা রাষ্ট্রের তকমা থেকে মুক্তি পেল সিরিয়া


সন্ত্রাসবাদের মদদদাতা রাষ্ট্রের তকমা থেকে মুক্তি পেল সিরিয়া

দীর্ঘ প্রায় পাঁচ দশকের অপেক্ষার পর অবশেষে সিরিয়া মুক্তি পেল। যুক্তরাষ্ট্র সোমবার দেশটির নাম সন্ত্রাসবাদের মদদদাতা রাষ্ট্রের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। এর ফলে সিরিয়ায় নতুন বিনিয়োগের জন্য একটি বড় বাধা দূর হলো।

এই পদক্ষেপের সঙ্গে সঙ্গে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ সিরিয়ার ওপর থেকে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞাও তুলে নিয়েছে। ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, "এই সিদ্ধান্ত সিরিয়ায় নতুন বিনিয়োগ আনবে।" তিনি আরও বলেন, "এটি দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে সাহায্য করবে।" প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিরিয়াকে নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তির প্রতিশ্রুতি এটি বাস্তবায়নের একটি প্রতিফলন।

শুধু রাষ্ট্র হিসেবেই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক সন্ত্রাসী তালিকা থেকেও বাদ পড়েছে ‘হায়াত তাহরির আল-শাম’ বা এইচটিএস-এর নাম। আগে তারা ‘আল-নুসরা ফ্রন্ট’ নামে পরিচিত ছিল এবং একসময় আল-কায়েদার শাখা হিসেবে কাজ করেছিল। তবে ২০১৬ সালে তারা আল-কায়েদার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে নিজেদের ভাবমূর্তি পরিবর্তনের চেষ্টা করে।

আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে

২০২৪ সালে সিরিয়ায় আসাদ পরিবারের দীর্ঘ ৫০ বছরের শাসনের পতন ঘটে। এরপর আহমেদ আল-শারা দেশটিকে ঐক্যবদ্ধ করার উদ্যোগ নেন। এক সময় সশস্ত্র বিদ্রোহী হিসেবে পরিচিত হলেও, এখন তিনি নতুন পরিচয়ে সামনে এসেছেন। মূলত তার প্রতি আস্থা রেখেই গত জুলাইয়ে সিরিয়াকে এই তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি তুরস্কে ন্যাটোর একটি সম্মেলনের ফাঁকে শারার সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়।

তবে ট্রেজারি বিভাগ একটি বিষয় পরিষ্কার করেছে। সিরিয়া থেকে নিষেধাজ্ঞা উঠলেও, বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ দমনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান আগের মতোই থাকবে। সিরিয়ার ভেতরে কেউ অপরাধমূলক কাজ করলে যুক্তরাষ্ট্র তার বিচার করতে ছাড়বে না।

 

আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৭৭.৭ শতাংশ, ১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রিকস সম্মেলনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে ‘মধ্যপ্রাচ্য ইস্যু’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩৫ এম


ব্রিকস সম্মেলনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে ‘মধ্যপ্রাচ্য ইস্যু’

আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছে বহুল আলোচিত মধ্যপ্রাচ্য ইস্যু। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের শি জিনপিং এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

এবারের সম্মেলনে এশিয়া, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশ অংশগ্রহণ করছে। তবে সকলের দৃষ্টি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের দিকে নিবদ্ধ থাকবে। ইরান চায়, সাম্প্রতিক সংঘাত ও নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি সম্মেলনের ঘোষণাপত্রে স্পষ্টভাবে উল্লেখিত হোক। ব্রিকসের সিদ্ধান্ত সাধারণত সকলের সম্মতির ভিত্তিতে গৃহীত হয়। ফলে এই বিষয়টি নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো কঠিন হতে পারে।

এবারের ব্রিকস সম্মেলনটি বেশ বৈচিত্র্যময়। রাশিয়া ও চীন কৌশলগত মিত্র হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বিরোধী অবস্থান গ্রহণ করেছে। সৌদি আরব ও আমিরাতের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সুসম্পর্ক বিদ্যমান। ইন্দোনেশিয়া, মিসর, ইথিওপিয়া, নাইজেরিয়া এবং কিউবা সহ বেশ কিছু নতুন দেশের প্রতিনিধিরাও এতে অংশগ্রহণ করবেন।

লোহিত সাগরে যে কোনো অস্থিতিশীলতা মিসরের সুয়েজ খালের বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে, উপসাগরীয় দেশগুলো জ্বালানি বাজার নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

আয়োজক দেশ হিসেবে এবারের ব্রিকস সম্মেলন ভারতের জন্য একটি বড় পরীক্ষা। বিভিন্ন মেরুর দেশগুলোকে একত্রিত করে নিজেদের স্বার্থ ও সকলের মতৈক্য বজায় রাখা তাদের মূল লক্ষ্য।

সম্মেলনে বাণিজ্য, উন্নয়ন অর্থায়ন এবং বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান সংস্কারের বিষয়ে আলোচনা হবে। তবে চূড়ান্ত ঘোষণাপত্রে মধ্যপ্রাচ্য সম্পর্কে কী বলা হবে, সেদিকেই সকলের নজর থাকবে। যদি বিশ্ব নেতারা সব বিভেদ ভুলে একমত হতে পারেন, তবে এটি নিঃসন্দেহে একটি বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে গণ্য হবে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী স্মরণে মোংলায় ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪০ এম


খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী স্মরণে মোংলায় ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ

মোংলা সরকারি কলেজে পৌর ছাত্রদল ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করেছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী এবং জুলাই মাসে অভ্যুত্থানে নিহত ছাত্রদলের ১৪২ বীর শহীদের স্মরণে সোমবার এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোংলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর কে. এম. রব্বানী। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রভাষক সাহারা বেগম, প্রভাষক রূপা দাস, কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডলার মোল্লা, পৌর ছাত্রদল নেতা সাহেদ মাহমুদ সাকিব, ছাত্রনেতা সিয়াম, আরমান, তামিম ও রাতুল।

অধ্যক্ষ প্রফেসর কে. এম. রব্বানী প্রধান অতিথির বক্তব্যে তরুণ প্রজন্মকে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ জোরদার করার আহ্বান জানান।

অন্যান্য বক্তারা উল্লেখ করেন, তারেক রহমান ঘোষিত ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে এই কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। পরিবেশ সুরক্ষায় নেওয়া এই উদ্যোগ জলবায়ু সংকট নিরসনে একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। উল্লেখ্য, পৌর ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ৪ দিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে পাঁচ শতাধিক গাছের চারা রোপণ করা হবে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শুল্ক যুদ্ধ : যুক্তরাষ্ট্রকে বিদ্যুৎ ও খনিজ সরবরাহ বন্ধের বার্তা কানাডার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪২ এম


শুল্ক যুদ্ধ : যুক্তরাষ্ট্রকে বিদ্যুৎ ও খনিজ সরবরাহ বন্ধের বার্তা কানাডার

কানাডার অন্টারিও প্রদেশের প্রধান (প্রিমিয়ার) ডাগ ফোর্ড যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতির বিরুদ্ধে সমালোচনা করেছেন। ট্রাম্প কানাডায় নতুন শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। এর প্রতিক্রিয়ায় ফোর্ড যুক্তরাষ্ট্রকে বিদ্যুৎ ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সরবরাহ বন্ধ করার কথা জানান। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র অন্টারিও থেকে ‘এক কণা বালিও পাবে না’ বলে তিনি জানান।

এপি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফোর্ড বলেন, ট্রাম্প কানাডিয়ানদের সহ্যক্ষমতা বোঝার জন্য প্রস্তুত নন। তিনি জানান, কানাডার জনগণ অর্থনৈতিক যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

আগামী বছর থেকে কানাডার গাড়ি ও স্টিলের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক বসানোর ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, কানাডা দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রকে ঠকাচ্ছে।

এর আগে, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা থেকে সরে আসেন। এর ফলস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্র ২ হাজার কোটি ডলারের কানাডিয়ান পণ্যে শুল্ক আরোপ করে। এর জবাবে কার্নি পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেন।

ফোর্ড জানান, প্রয়োজনে অন্টারিও থেকে বিদ্যুৎ, নিকেল ও ইউরেনিয়াম সরবরাহ বন্ধ হতে পারে। তিনি তেল ও পটাশকেও হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের পরামর্শ দেন। ফোর্ডের মতে, ট্রাম্প কানাডার শিল্পখাত ধ্বংস করে সব উৎপাদন যুক্তরাষ্ট্রে নিতে চান। তার লক্ষ্য কানাডাকে একটি অনুগত রাষ্ট্রে পরিণত করা।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের কথা স্মরণ করে ফোর্ড বলেন, রিগ্যান এসব দেখলে বিরক্ত হতেন। ট্রাম্পের উচিত তার টেবিলের পাশ থেকে রিগ্যানের ছবি সরানো। তবে সবকিছুর পরেও আলোচনার পথ খোলা রাখা উচিত বলে ফোর্ড জানান। তার মতে, আলোচনার টেবিল ছেড়ে যাওয়া ঠিক নয়।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পরও অর্থনৈতিকভাবে একঘরে হবে না ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪৩ এম


নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পরও অর্থনৈতিকভাবে একঘরে হবে না ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হয়েছে ইরান। ওয়াশিংটন ঘোষণা করেছে যে, দেশটির আয়ের সব উৎস বন্ধ করে তাদের বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে। তবে তেহরান দাবি করছে, তারা একঘরে হচ্ছে না। বরং তাদের মিত্রদের সঙ্গে বাণিজ্য আগের মতোই অব্যাহত থাকবে।

তেহরানের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোস্তফা খোশচশম আল জাজিরাকে বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, ওবামা প্রশাসনের সময় থেকেই যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে আসছে যে, তাদের নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান একঘরে হয়ে গেছে। এক দশক আগে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ছিল সবচেয়ে কঠোর। কিন্তু ইরান তা সফলভাবে মোকাবেলা করেছে। রাশিয়া, চীন এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে তাদের সম্পর্ক বৃদ্ধি পেয়েছে। এইভাবে তারা মার্কিন নজরদারি ব্যবস্থা এড়িয়ে চলতে সক্ষম হয়েছে।

বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক সূত্র থেকে জানা গেছে, ইরান প্রতিদিন ১০ লাখ ব্যারেলের বেশি তেল বিক্রি করে যাচ্ছে। আইআরজিসির একজন মুখপাত্রও জানিয়েছেন, মার্কিন নৌ-অবরোধের বাইরে গিয়ে ইরান তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

অবরোধ আরম্ভ হওয়ার পর তেহরান পূর্ব ও উত্তর দিকে নতুন বাণিজ্যিক পথ খুলেছে। যুদ্ধ শুরুর আগে বন্ধ থাকা পাঁচটি সড়ক এখন একটি দেশের ভেতর দিয়েই সচল রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানকে একঘরে করা সম্পূর্ণ অসম্ভব। তবে ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তারা একটি সতর্কবার্তা প্রদান করেছেন। তারা বলেছেন, যদি কোনো দেশ যুক্তরাষ্ট্রের নির্দেশ মেনে চলে, তবে তাকেও বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য করা হবে। কারণ হিসেবে তারা উল্লেখ করেছেন, এমন পদক্ষেপ নিলে ওই দেশগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের এই যুদ্ধের সহযোগী হয়ে যাবে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%