ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জাপানে নজিরবিহীন বৃষ্টিতে নিহত বেড়ে ৬, কারণ কী?


জাপানে নজিরবিহীন বৃষ্টিতে নিহত বেড়ে ৬, কারণ কী?

জাপানের রাজধানী টোকিওর নিকটবর্তী চিবা প্রিফেকচারে নজিরবিহীন ভারী বর্ষণের ফলে অন্তত ছয়জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এছাড়াও, আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। প্রবল বর্ষণের কারণে এই অঞ্চলের বিভিন্ন স্থান বন্যা ও ভূমিধসের হুমকির মুখে পড়েছে। বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে ২০ হাজারেরও বেশি পরিবার। একই সঙ্গে, পরিবহন ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হওয়ার কারণে টোকিওর নারিতা বিমানবন্দরে রাতভর আটকে ছিলেন প্রায় সাত হাজার যাত্রী।

জাপানি কর্তৃপক্ষ এই বৃষ্টিপাতকে নজিরবিহীন বলে ঘোষণা করেছে। বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ সতর্কতা হিসেবে লেভেল ৫ জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়, কিন্তু শুক্রবার সকালে তা পরিবর্তন করে লেভেল ৪ করা হয়েছে। তবে বন্যা এবং ভূমিধসের ঝুঁকি এখনো বিদ্যমান বলে কর্তৃপক্ষ সতর্কতা জারি করছে।

জাপানের সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম এনএইচকে, কিয়োদো নিউজ এজেন্সি এবং আসাহি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে অন্তত ছয়জনের মৃত্যুর খবর প্রকাশ করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজন নারী আছেন, যিনি একটি সড়কে প্লাবিত হয়ে থাকা গাড়ির ভেতরেই মারা যান। অন্যদিকে, আরও দুজন রাস্তার উপর হঠাৎ পড়ে গিয়ে মারা যান বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: আনোয়ারায় কেইপিজেড ও চায়না ইকোনমিক জোন পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী

চিবা প্রিফেকচারে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে কিছু এলাকা প্রতি ঘণ্টায় ১০০ মিলিমিটার থেকে বেশি বৃষ্টিপাতের রেকর্ড করেছে। কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী, আগস্ট মাসের গড় বৃষ্টিপাতের তুলনায় এই পরিমাণ প্রায় তিনগুণ বেশি। এটি জাপানে এখন পর্যন্ত রেকর্ড করা সর্বোচ্চ পরিমাণ বৃষ্টিপাতও বটে।

চিবা প্রিফেকচার গভর্নর তোশিহিতো কুমাগাই শুক্রবার সকালে সাংবাদিকদের জানান, জাপানের ঐতিহাসিক আবহাওয়ার মানদণ্ড অনুযায়ী, এটি অত্যন্ত অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। অতীতে তিনি অনেক দুর্যোগের মুখোমুখি হয়েছেন, তবে এ ধরনের পরিস্থিতির অভিজ্ঞতা তার হয়নি।

গভর্নর কুমাগাই আরও বলেন, মানুষের জীবন রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখা হবে।

জাপানের আবহাওয়া সংস্থা জানাচ্ছে, পূর্বাঞ্চলে উষ্ণ এবং আর্দ্র বায়ু প্রবেশ করে ওপরের স্তরের ঠান্ডা বায়ুর সঙ্গে মিলে যায়, যার ফলস্বরূপ এই প্রবল বর্ষণের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার গভীর রাত পর্যন্ত বৃষ্টির অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস রয়েছে।

আরও পড়ুন: নওগাঁয়ে ঘরে মাটির নিচে ২৪৫ কেজির কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ উদ্ধার, আটক ১

প্রবল বর্ষণে ইতিমধ্যে বিভিন্ন স্থানে ভূমিধস এবং বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার এক লাখেরও বেশি পরিবারের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার সকালেও বেশ কিছু রেল পরিষেবা বন্ধ রয়েছে এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কও বন্ধ রাখা হয়েছে।

বৃষ্টিপাত এবং পরিবহন ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হওয়ার ফলে নারিতা বিমানবন্দরেও যাত্রীরা ব্যাপক ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। প্রায় সাত হাজার যাত্রী সেখানে রাতভর আটকা ছিলেন। বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনেও যাত্রীরা আটকা পড়েন। চিবা প্রিফেকচারাল সরকারের ভবনে রাত কাটান প্রায় এক হাজার ৮০০ মানুষ।

নারিতা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার সকল ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে পরিচালনার কথা রয়েছে। জাপানের জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা জাপান এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, তাদের কিছু ফ্লাইট বিলম্বিত হতে পারে। তবে কোনো ফ্লাইট বাতিল হওয়ার আশঙ্কা নেই।

চিবার ইচিকাওয়া শহরের এক নারী এনএইচকেকে বলেন, বৃষ্টি হঠাৎ শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি ছিল সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত। বিদ্যুৎ না থাকায় তিনি উদ্বিগ্ন যে আগামী কয়েক দিনে তিনি তার ব্যবসা খুলতে পারবেন কি না।

আরও পড়ুন: দিনাজপুর বোর্ডের ১ কোটি ২৬ লাখ টাকার দুর্নীতির তদন্তের নির্দেশ

জাপানে এই প্রবল বৃষ্টিপাতের আগে চলতি সপ্তাহে দেশটি এবং এর প্রতিবেশী অঞ্চলে একের পর এক ঝড় এসেছে। জাপান, ফিলিপাইন এবং চীনে একই সময়ে ডলফিন, চ্যান-হোম এবং পেইলু নামে তিনটি ঝড় আঘাত হানে।

ডলফিন জাপানের ওকিনাওয়া দ্বীপে প্রবল বৃষ্টি নিয়ে আসে, যা হাজার হাজার ভবনকে বিদ্যুৎহীন করে ফেলে, গাছপালা উপড়ে যায় এবং ফ্লাইট বাতিল হয়।

ফিলিপাইনের উত্তরে বন্যার আশঙ্কায় বেশিরভাগ এলাকায় স্কুল ও সরকারি অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, সপ্তাহান্তে চীনের পূর্বাঞ্চলে ডলফিন আঘাত হানার আগে ১০ লাখেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। বর্তমান বছরের জন্য চীনে আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী টাইফুন ছিল ডলফিন।

আরও পড়ুন: ইসরাইলি ডানপন্থি নেত্রী শারেন হাস্কেল, নতুন সরকার গঠনে আরবদের বাদ দেওয়ার দাবি জানালেন

এই প্রতিবেদন লেখা চলাকালীন, জাপানের চিবা প্রিফেকচারে নজিরবিহীন বৃষ্টির কারণে অন্তত ছয়জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন পাঁচজন। বন্যা এবং ভূমিধসের তাই ঝুঁকির কারণে সেখানে সতর্কতা অব্যাহত রয়েছে।

সূত্র: বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জোরারগঞ্জে পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ আটক ২, চুরি মামলার আসামি গ্রেফতার ১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​সাকিব চৌধুরী চট্টগ্রাম

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৫৬ পি.এম


জোরারগঞ্জে পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ আটক ২, চুরি মামলার আসামি গ্রেফতার ১

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলা জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে ৫৭৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী এবং চুরির মামলার এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে। জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে পরিচালিত এসব অভিযানে গ্রেফতারকৃতদের শুক্রবার বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল পৌনে ৮টার দিকে এসআই (নিঃ) মোঃ ফারুক উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল হিঙ্গুলী ইউনিয়নের মধ্যম জামালপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় নিজ বসতগৃহ থেকে ৫২৫ পিস ইয়াবাসহ মোঃ আজিজুল ইসলাম তারেক (২৬) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। তারেক ওই এলাকার আব্দুল মোতালেব ওরফে মতিন ড্রাইভারের ছেলে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় ওসমানপুর ইউনিয়নের বাঁশখালী মুহুরী প্রজেক্ট বাজার এলাকা থেকে ৫০ পিস ইয়াবাসহ মোঃ এমরান (২৪) নামের আরেক তরুণকে স্থানীয় জনতার সহায়তায় গ্রেফতার করেন এসআই (নিঃ) মোঃ মামুন হাসান। গ্রেফতারকৃত এমরান স্থানীয় আহসানুল হক দিদারের ছেলে।
অন্য এক অভিযানে চুরির মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (২১)-কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে জোরারগঞ্জের বিশ্বরোড এলাকা থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে আটক করেন এসআই (নিঃ) মোঃ ফারুক উদ্দিন। গ্রেফতারকৃত মেহেদী বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ থানার মহেশপুর গ্রামের মৃত মোঃ ফারুকের ছেলে। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া থানাধীন তুলাতলি এলাকায় বসবাস করছিলেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে থানা পুলিশের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতারণার অভিযোগে সেলেনা গোমেজের বিরুদ্ধে মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৫৯ পি.এম


প্রতারণার অভিযোগে সেলেনা গোমেজের বিরুদ্ধে মামলা

জালিয়াতি এবং প্রতারণার অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন বিনিয়োগকারীদের একটি দল, যাদের অভিযোগে আছেন আমেরিকান পপতারকা ও অভিনেত্রী সেলেনা গোমেজ এবং তার মানসিক স্বাস্থ্যভিত্তিক স্টার্টআপ সংস্থা ‘ওয়ান্ডারমাইন্ড’।

পূর্ববর্তী বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্কের আদালতে দায়ের করা মামলায় বলা হয়েছে, বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয় ভুয়া আশ্বাস দিয়ে, যে সেলেনার ব্যক্তিগত সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে এবং ওয়ান্ডারমাইন্ডের সাফল্য হবে। ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠিত ডিজিটাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মটিতে সেলেনা গোমেজ সহ-প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে ও ‘চিফ ইমপ্যাক্ট অফিসার’ এবং মার্কেটিং প্রধানের পদে থাকলেও, কোম্পানির কার্যক্রম নিয়ে বিগত তিন বছর ধরে বিনিয়োগকারীদের অন্ধকারে রাখা হয়েছিল।

মামলার নথির মধ্যে, পাঁচজন বিনিয়োগকারী যে যৌথভাবে এই অভিযোগ এনেছেন, তারা ২০২২ সালে সেলেনার খ্যাতি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিশাল অনুসারীদের প্রভাবের ভিত্তিতে সংস্থাটিতে ১২ লাখ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৪ কোটিরও বেশি) বিনিয়োগ করেছিলেন। কিন্তু গত তিনটি বছরে প্রতিষ্ঠানটি ধসে পড়ার উপক্রম হওয়া সত্ত্বেও কোন প্রতিষ্ঠাতা, নির্বাহী কর্মকর্তা বা পরিচালক বিনিয়োগকারীদের কিছু বলেননি। নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিনিয়োগকারীদের অর্থ ব্যবহার করে নিজেদের কোম্পানির পতনকে দীর্ঘায়িত করা হয়েছে।

এই মামলায় সেলেনা গোমেজের সঙ্গে তার মা ম্যান্ডি টিফি এবং সাবেক ব্যবসায়িক অংশীদার ড্যানিয়েল পিয়ারসনকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে। আসামীদের বিরুদ্ধে সিকিউরিটিজ জালিয়াতি, কমন ল জালিয়াতি ও চুক্তি ভঙ্গের মতো মারাত্মক অভিযোগ আনা হয়েছে। বাদীরা তাদের বিনিয়োগের সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত পাওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিপূরণ ও আইনি খরচ দাবি করেছেন।

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২২ সালে বিনিয়োগের সময় কোম্পানির বাজারমূল্য ৯৫ মিলিয়ন ডলার দাবি করা হয়েছিল। বিনিয়োগকারীদের নিশ্চিত করা হয়েছিল যে, বড় বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারত্ব এবং একটি যুগান্তকারী অ্যাপ নির্মাণের কাজ চলমান ছিল। কিন্তু মামলার নথিতে বলা হয়েছে, এসব অংশীদারত্ব বা বিজ্ঞাপনী চুক্তির কোনো অস্তিত্ব ছিল না এবং শেষ পর্যন্ত ওই অ্যাপও তৈরি হয়নি।

অবশ্য, গত বছর ‘দ্য কাট’-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের পর বিনিয়োগকারীরা প্রথমবার অভ্যন্তরীণ সংকটের কথা জানতে পারেন। সেখানে বলা হয়েছিল, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও সম্পর্কের টানাপোড়েন ফ্ল্যাটফর্মটিকে সংকটে ফেলে দিয়েছে। মামলাটিতে উল্লেখ রয়েছে যে, সেলেনা তার মায়ের সাথে ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

কোম্পানির প্রায় ৯০ শতাংশ শেয়ার সেলেনা, তার মা ম্যান্ডি এবং সাবেক সঙ্গী পিয়ারসনের যৌথ মালিকানায় ছিল। মামলার কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্যে জানা যায়, সেলেনার মা টিফি বিনিয়োগকারীদের জানিয়েছিলেন যে, তাদের সাবেক ব্যবসায়িক অংশীদার পিয়ারসন নিউ ইয়র্ক সিটিতে প্রতি মাসে প্রায় ৬০ হাজার ডলার (বাংলাদেশি প্রায় ৭২ লাখ টাকা) বাড়িভাড়া মেটাতে বিনিয়োগকারীদের তহবিল ব্যবহার করেছেন, এবং তিনি ২০২৩ সালে ওয়ান্ডারমাইন্ড ছেড়ে যান।

তবে, বৃহস্পতিবার পিয়ারসন তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন, তিনি আদালতের সামনে গিয়ে প্রমাণ করার জন্য প্রস্তুত আছেন যে, তিনি কখনো বিনিয়োগকারীদের অর্থ ব্যক্তিগত খরচে ব্যবহার করেননি। অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে সেলেনা, ম্যান্ডি বা ওয়ান্ডারমাইন্ডের কর্তৃপক্ষের থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান যুদ্ধ আর কতদিন চালিয়ে যেতে পারবে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:০২ পি.এম


ইরান যুদ্ধ আর কতদিন চালিয়ে যেতে পারবে?

ইরান যুদ্ধ বর্তমানে তৃতীয় ছয় মাসে প্রবেশ করেছে। অর্থনীতির ওপর যে চাপ পড়েছে, তাও লক্ষ্যণীয়। তবে ইরান আরও কতদিন এ যুদ্ধ চালিয়ে যাবে এবং উত্তরণ কবে ঘটবে, সে সম্পর্কে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য জানা যায়নি দেশটির নীতিনির্ধারকদের কাছ থেকে।

যুদ্ধের কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রণ এককভাবে যুক্তরাষ্ট্রের হাতেই নয়। তেহরান হয়তো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সামরিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক মূল্য বৃদ্ধি করতে চাইছে, যাতে শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটন কিছু দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়।

যাই হোক, সবচেয়ে গুরুতর প্রশ্ন হলো- ইরান আর কতদিন এই যুদ্ধ চালাতে সক্ষম হবে?

ইরানের সামরিক শক্তি যুদ্ধটাকে দীর্ঘায়িত করতে সক্ষম হবে কিনা? ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর বেশ কয়েকটি লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার। কিন্তু এ সংক্রান্ত ক্ষতিসাধনের মাত্রা সম্পর্কে নিরপেক্ষ তথ্য এখনও হয়নি প্রকাশ। গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘চ্যাথাম হাউজ’ তাদের সর্বশেষ পর্যালোচনায় জানিয়েছে, ইরানের কাছে ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা কত তা নির্ভরযোগ্যভাবে বলা সম্ভব নয়।

সময়ের সঙ্গে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের মাত্রা কমে এসেছে, তবে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা শুধু ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যার উপর নির্ভর করে না। ড্রোন এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন তুলনামূলকভাবে অনেক সহজ এবং দ্রুত সম্পন্ন করতে সক্ষম। এদিকে, যুদ্ধে নিহত কমান্ডারদের বিকল্প হিসেবে নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ করা হয়েছে এবং সামরিক কমান্ড কাঠামো অক্ষুণ্ণ রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে, জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক অধ্যাপক মোহাম্মদ গায়েদি বলেন, ইরান সম্ভবত দীর্ঘদিন ধরে উৎক্ষেপণ কার্যক্রম বজায় রাখতে সক্ষম হবে, যদিও তার মাত্রা কমে যেতে পারে। তারা এখনো হরমুজ প্রণালিতেও বিঘ্ন ঘটানোর সক্ষমতা রাখে।

প্রফেসর গায়েদি আরও বলেন, তেলের দামে যুদ্ধের প্রভাব এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তেহরানে কিছু আশার সৃষ্টি হয়েছে। তারা মনে করছে, ওয়াশিংটনকে নিজেদের কিছু শর্ত মেনে নিতে বাধ্য করা যাবে।

তেহরানের লক্ষ্য যে যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিকভাবে পরাজিত করা নয়, বরং দীর্ঘস্থায়ী এবং ব্যয়সাপেক্ষ একটি যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া, তাই মনে হচ্ছে। এটি একটি চাপ তৈরির পন্থারূপে কাজ করতে পারে। কিন্তু এখন পর্যন্ত এমন কোনো ইঙ্গিত নেই, যা দেখায় যে শুধুমাত্র সামরিক সীমাবদ্ধতার কারণে ইরান যুদ্ধ বন্ধ করতে বাধ্য হবে।

কতদিন টিকবে ইরানের অর্থনীতি?

যুদ্ধের শুরু হওয়ার পূর্বে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, অপর্যাপ্ত বিনিয়োগ এবং নিজেদের মুদ্রা 'রিয়াল'-এর মূল্য হ্রাস পাওয়ার মতো একাধিক সমস্যায় ভুগছিল ইরানের অর্থনীতি।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ইরানের অর্থনীতি প্রায় ২.৭ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে এবং এই অর্থবছরের শেষের কিছু সপ্তাহের মধ্যেই যুদ্ধের প্রভাব দেখা গেছে। এই যুদ্ধ পরিস্থিতি নতুনভাবে নানা ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে। ইরানের পরিসংখ্যান কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, সে দেশে বার্ষিক মূল্যস্ফীতির হার ৬২ শতাংশে পৌঁছেছে।

ইরানের শ্রম উপমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য মতে, কর্মসংস্থানের দিক থেকে ১০ লাখেরও বেশি পদের ওপর যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে। এছাড়া প্রায় ২০ লাখ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বেকার হয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) পূর্বাভাস দিয়েছে যে, ২০২৬ সালে ইরানের অর্থনীতি প্রায় ৫.৪ শতাংশ সংকুচিত হবে এবং মূল্যস্ফীতি ৬৯ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

তেহরানে যুদ্ধের সময়সীমা নিয়ে মতভেদ রয়েছে।

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলাপ-আলোচনায় দরকষাকষির দায়িত্বে থাকা দলের মূখ্য সদস্য মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ আগে থেকেই সতর্ক করেছিলেন যে ইরান যেন কোনোভাবেই ‘দীর্ঘস্থায়ী ও ক্ষয় সৃষ্টিকারী সংঘাতের’ ফাঁদে না পড়ে। যাঁরা এসব আলাপের বিরুদ্ধে, তাদেরও সমালোচনা করেছেন তিনি।

তবে এই মতপার্থক্যকে শুধু ‘যুদ্ধের সমর্থক’ ও ‘শান্তির সমর্থক’ এই দুই শিবিরে করা যায় না। এদিকে, মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ ঘোষণা করেছেন যে, ইরানের অধিকার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো চুক্তি তিনি মেনে নেবেন না।

ইরানের জনগণ কী ভাবছে?

যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিটি বিষয়ে ইরানের নাগরিকদের মতামত নিয়ে নিরপেক্ষ ও নির্ভরযোগ্য জনমত জরিপ নেই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সারা সমাজের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে না। তবে একটি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে ইরান-বিষয়ক বিশেষজ্ঞ এবং ‘জার্মান ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাফেয়ার্স’-এর ভিজিটিং ফেলো হামিদরেজা আজিজি জানিয়েছেন, এ ইসলামি প্রজাতন্ত্রের জন্য তাদের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিই শেষ পর্যন্ত ‘সবচেয়ে বিপজ্জনক ফ্রন্ট’ হয়ে উঠতে পারে।

যুদ্ধ থেকে বেরোনোর কৌশল

দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের কারণে ইরানের আঞ্চলিক পর্যায়েও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তেহরান উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর সাথে- বিশেষ করে সৌদি আরবে সম্পর্ক উন্নত করার চেষ্টা চালিয়েছে। কিন্তু এসব দেশে অবস্থিত সামরিক ঘাঁটি, অবকাঠামো ও নৌ-চলাচলের পথে চলমান হামলা সেই প্রচেষ্টাকে নষ্ট করতে পারে।

ইরানের কাছে যুদ্ধের একটি গ্রহণযোগ্য সমাপ্তি ঘটাতে পারে এমন চুক্তির মানে কী হতে পারে এবং তাতে কীভাবে পৌঁছান সম্ভব, এ সম্পর্কে এখনও সামান্য তথ্যই বের হয়েছে।

তবে তেহরান পৃথিবীজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত করতে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের বড় মাশুল দিতে বাধ্য করতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে সংঘাতপূর্ণ অবস্থায় টিকে থাকার উপায় সম্পর্কে অনিশ্চয়তা এখনো রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্মার্ট শ্রেণিকক্ষ ও আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব পেল নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:০৩ পি.এম


স্মার্ট শ্রেণিকক্ষ ও আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব পেল নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) হিট (HEAT) প্রজেক্টের আওতায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগে শ্রেণিকক্ষ আধুনিকায়ন এবং একটি কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। এই আধুনিকায়নের পুর্বে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) আধুনিকায়ন করা শ্রেণিকক্ষ এবং কম্পিউটার ল্যাবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।

আধুনিকায়নের অধীনে শ্রেণিকক্ষগুলোতে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, ডিজিটাল বোর্ড এবং ইন্টারনেট সুবিধা সংযুক্ত করা হয়েছে। তার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবহারে উপযোগী আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন একটি কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে।

উদ্বোধন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরোনো প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স কক্ষে হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘Ethics, Discipline & Good Governance: Strengthening Institutional Excellence Through the HEAT Project’ শীর্ষক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।

উপাচার্য বলেন, "হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের শিক্ষার্থী তোমরা খুবই সৌভাগ্যবান। তোমরা অত্যন্ত আধুনিক, শীতাতপনিয়ন্ত্রিত, ডিজিটাল ও স্মার্ট শ্রেণিকক্ষ পেয়েছ। তোমরা প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার মতো শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কক্ষে ক্লাস করার সুযোগ পেয়েছ। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির অনেক কর্মকর্তাই এখনো শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কক্ষ পাননি।"

তিনি আরও বলেন, "তবে যে আধুনিক শ্রেণিকক্ষ তোমরা পেয়েছ, তা রক্ষা করার দায়িত্ব তোমাদের। শ্রেণিকক্ষগুলোকে শুধু স্বল্প সময়ের জন্য নয়, দীর্ঘ সময় ব্যবহারের উপযোগী হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।"

আরও পড়ুন

কুবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পোস্টারিং, ছাত্রদলের নিন্দা ও প্রতিবাদ

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে উপাচার্য বলেন, "প্রশ্ন করতে জানতে হবে এবং শিক্ষকদের প্রশ্ন করতে হবে। প্রশ্ন না করলে পুরোপুরি জ্ঞানার্জন সম্ভব নয়। না জানা বা বুঝতে না পারা কোনো দোষের বিষয় নয়। বরং না বুঝতে পারলে তা স্বীকার করে প্রশ্ন করে জেনে নেওয়াই নৈতিকতা।"

তিনি বলেন, "পড়াশোনা শেষ করে সবাই সরকারি চাকরি পাবে—এমন নয়। বেসরকারি খাতে অনেক ভালো প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সেখানে কাজ করতে গিয়ে তোমাদের যেন কোনো সমস্যা না হয়, সে বিষয় বিবেচনা করে সিলেবাস নিয়মিত হালনাগাদ করা হচ্ছে। তোমরা যেন দক্ষ জনশক্তি হিসেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করে দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারো।"

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা দেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) হিট প্রজেক্টের পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, ময়মনসিংহ ক্যান্টনমেন্টের স্টাফ অফিসার গ্রেড-১ লেফটেন্যান্ট কর্নেল আকন মো. মেহেদি ডাইয়ান, পিএসসি এবং হিট প্রজেক্টের সিনিয়র ফিন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট মো. মনসুরুজ্জামান খান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হিট প্রজেক্টের এসপিএম ড. মো. শফিকুল ইসলাম।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. রাজু আহমেদ, এএসপিএম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%