০২:২১ পি.এম
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি पश्चिमাঞ্চলীয় প্রদেশ ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার সঙ্গে একটি বড় তেল পাইপলাইন নির্মাণে বিনিয়োগ চুক্তি নিশ্চিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার হওয়া এ চুক্তির মাধ্যমে প্রকল্পটি নিয়ে ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার প্রাথমিক বিরোধিতা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছেন তিনি।
মন্ট্রিল থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, পরিকল্পিত পাইপলাইন দিয়ে প্রতিদিন ১০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন করা হবে। এটি তেলসমৃদ্ধ আলবার্টা প্রদেশ থেকে ব্রিটিশ কলাম্বিয়া অতিক্রম করে কানাডার পশ্চিম উপকূল পর্যন্ত বিস্তৃত হবে।
আরও পড়ুন: আরব উপসাগরে তেলবাহী ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এক নাবিক নিহত
এর ফলে এশিয়ার বাজারে কানাডার প্রবেশাধিকার বাড়বে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওপর দেশটির অর্থনৈতিক নির্ভরতাও কমবে।
বৃহস্পতিবার কার্নির সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে রক্ষণশীল-ঘেঁষা আলবার্টা প্রদেশের প্রিমিয়ার ড্যানিয়েল স্মিথ প্রকল্পটি আনুষ্ঠানিকভাবে ফেডারেল কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার ঘোষণা দেন।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সাত মাসেরও বেশি সময় পর এ ঘোষণা এলো।
কার্নি বলেন, ‘এখন কাজ শুরু করার সময়।’
আরও পড়ুন: সাভার-আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলে ৮৮ কারখানা কর্মমুখর হয়ে উঠছে
তিনি জানান, প্রকল্পটির বিরোধিতা করা আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সঙ্গে পরামর্শ প্রক্রিয়া ‘অবিলম্বে’ শুরু হবে।
ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার প্রিমিয়ার ডেভিড এবি বলেন, কয়েকশ কোটি কানাডীয় ডলার মূল্যের এ বিনিয়োগ চুক্তিতে পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর আওতায় প্রদেশটিতে নতুন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) স্থাপনা এবং বন্দরের অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।
এবি বলেন, ‘পাইপলাইন প্রকল্প ঠেকাতে আমরা আদালতে যাব না।’ তবে প্রকল্পের পরিবেশগত ঝুঁকির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাসিন্দাদের ‘ন্যায্য ক্ষতিপূরণ’ দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
আরও পড়ুন: ছাত্রীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের নিন্দা জানালেন এমপি নূরুন্নিসা
পরিবেশগত প্রভাব এবং আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ওপর সম্ভাব্য ঝুঁকির আশঙ্কায় ব্রিটিশ কলাম্বিয়া কিছুদিন আগপর্যন্ত এ প্রকল্পের বিরোধিতা করে আসছিল।
কার্নি এর আগে বলেছিলেন, এ পাইপলাইন কানাডাকে ‘জ্বালানি পরাশক্তি’ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে।
একই সঙ্গে তিনি তার পূর্বসূরি জাস্টিন ট্রুডোর নির্ধারিত জাতীয় জলবায়ু লক্ষ্যের ওপর এর প্রভাবকে গুরুত্ব দেননি।
মঙ্গলবার কার্নি বলেন, ‘আমরা যে পরিবর্তনগুলো এনেছি, তাতে আগামী কয়েক বছরে আমাদের কার্বন নিঃসরণ আগের সরকারের পরিকল্পনায় যে পরিমাণ হওয়ার কথা ছিল, তার চেয়ে বেশি হবে।’
আরও পড়ুন: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ
তিনি আরও বলেন, ‘তবে আমার বিবেচনায়, আগের পরিকল্পনাটি দীর্ঘমেয়াদে টেকসই ছিল না।’
আরও বেশি বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশের এই উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুরু করা বাণিজ্যযুদ্ধ মোকাবিলায় কানাডার কৌশলের অংশ।
দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর ট্রাম্প নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের জ্বালানি পণ্য এবং অন্যান্য পণ্যের ওপর বিভিন্ন হারে শুল্ক আরোপ করেছেন।
আরও পড়ুন: জামায়াতে ইসলামীর ইসলাম অস্বীকার করলেন হেফাজতের আমির বাবুনগরী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন