ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিলেন সাবেক উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান


ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিলেন সাবেক উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বেসরকারি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২ জুন) তিনি নিজেই এই তথ্য জানিয়েছেন সাবেক উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান। তিনি তাঁর ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্যটি জানান।

545

আরও পড়ুন: সততার কারণে এক বছরে দুই বার বদলি

ফেসবুক পোস্টে ফাওজুল কবির খান উল্লেখ করেছেন, আলহামদুলিল্লাহ, পূর্বপুরুষের পেশায় তিনি আবার ফিরে এসেছেন। চট্টগ্রামের ভাষায় রয়েছে একটি প্রবাদ, ‘হাইল্যার (দিনমজুর) ফোয়া হাইল্যা হয়, জাইল্লার (জেলে) ফোয়া জাইল্লা।’ তাঁর দাদা ছিলেন মাদরাসা শিক্ষক এবং বাবা ছিলেন কলেজ শিক্ষক, তাই তিনিও শিক্ষক হয়েছেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুর এবং বাংলাদেশ মিলিয়ে তাঁর শিক্ষকতা জীবনের সময়কাল ১৫ বছরের বেশি। উপদেষ্টা পরিষদে যোগদানের পূর্বে তিনি বেসরকারি ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ইউআইইউ) পাঠদান করতেন।

ফাওজুল কবির খান লেখেন, তাঁর নতুন কর্মস্থল হচ্ছে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়। পাঠদানের পাশাপাশি তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সেন্টার ফর এনার্জি অ্যান্ড লজিস্টিকস’ পরিচালনার দায়িত্বও গ্রহণ করেছেন। তিনি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা চান।

মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান একজন অর্থনীতিবিদ এবং সাবেক সচিব। তিনি বিশ্বব্যাংক, এডিবি, জাইকা, ইউএনডিপি, এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংকের পরামর্শক হিসেবেও কাজ করেছেন। ফাওজুল কবির খান অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ছিলেন এবং তিনি তিনটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন। এসব মন্ত্রণালয়ের মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়; সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন: আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশের পর সোলায়মানের জন্য ৬০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিয়ানমারে ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:১৮ পি.এম


মিয়ানমারে ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫

মিয়ানমারে শান প্রদেশের ভয়াবহ বিস্ফোরণের ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫ জনে পৌঁছেছে। জেড পাথরের খনিতে ব্যবহারের জন্য স্টোরে রাখা জেলিগনাইট বিস্ফোরকটি দুর্ঘটনাবশত ফেটে যাওয়ার কারণে এই বিপর্যয় ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় দুটি গ্রামের প্রায় ৩০০ বাড়িঘর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও বহু মানুষ চাপা পড়ে আছেন।

শান প্রদেশের নামখাম জেলার কাউং তাত গ্রামে ঘটে এই শক্তিশালী বিস্ফোরণ। বিদ্রোহী গোষ্ঠী তা’আং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি টিএনএলএ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এই এলাকায় মাঝরাতের আকস্মিক বিস্ফোরণে মুহূর্তের মধ্যে কান্নার রোল পড়ে যায়। এই ঘটনার জেরে চীনের নাগরিক এবং অপ্রাপ্তবয়স্কসহ বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

জানা গেছে, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে কাউং তাত গ্রামের আনুমানিক ২০০ এবং পার্শ্ববর্তী পান লোন গ্রামের ১০০ বাড়িঘর একেবারে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।

প্রথমে এটিকে মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর বিমান হামলা হিসেবে ধরা হলেও, পরবর্তীতে আসল কারণ জানা যায়। টিএনএলএ এক বিবৃতিতে জানায় যে, খনির কাজে ব্যবহারের জন্য একটি গুদামে রাখা জেলিগনাইট বিস্ফোরকটি দুর্ঘটনাবশত ফেটে যাওয়ার ফলেই এই ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটেছে।

দুর্গত এলাকায় পুরোদমে উদ্ধারকাজ শুরু করেছে টিএনএলএ’র উদ্ধারকারী দল। দুই গ্রাম থেকে এ পর্যন্ত ৭৪ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও বহু মানুষ চাপা পড়ে থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও অনেক বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে, কীভাবে এই জেলিগনাইট বিস্ফোরণ ঘটল, তা তদন্ত করার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে গোষ্ঠীটি।

২০২১ সালে অভ্যুত্থানের পরে সামরিক বাহিনীকে হটিয়ে জেড পাথরের খনি সমৃদ্ধ শান প্রদেশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিল সশস্ত্র গোষ্ঠী টিএনএলএ। জান্তা সরকারকে তটস্থ রাখতে এই গোষ্ঠীর খনি অঞ্চলের একটি দুর্ঘটনা এখন পুরো জনপদকে পরিণত করেছে এক মৃত্যুপুরীতে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্ষণ-হত্যা: সাক্ষ্যগ্রহণে যে বর্ণনা দিলেন রামিসার মা-বাবা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:২২ পি.এম


ধর্ষণ-হত্যা: সাক্ষ্যগ্রহণে যে বর্ণনা দিলেন রামিসার মা-বাবা

রাজধানীর পল্লবীর একটি ঘটনাতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় যে মামলা করা হয়েছে, সেই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন ভিকটিমের মা পারভিন বেগম, বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা, বোন রাইসা আক্তারসহ মোট ১০ জন সাক্ষী।

সাক্ষ্যগ্রহণের প্রথম দিনে, মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে তাঁরা সাক্ষ্য দেন।

সাক্ষ্যগ্রহণে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বলেন, ‘১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টায় আমি অফিসে যাওয়ার উদ্দেশে বের হই। আমার অফিস বনানীর কাকলী। ১০টা থেকে সোয়া ১০টার মধ্যে আমার স্ত্রী পারভীনা আক্তারের ফোন পাই। আমাকে বাসায় আসতে বলে। বাসায় এসে দেখি মেইন গেটের সামনে অনেক মানুষ জড়ো হয়ে আছে। এরপর আমি দৌড় দিয়ে ফ্ল্যাটের সামনে যাই। সেখানে অনেক লোক জড়ো হয়ে আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার স্ত্রী পাশের ফ্ল্যাটের (আসামিদের) দরজার কড়া নাড়ছে। সবাই মিলে ডাকাডাকি করছে। তখন আমি নিচে গিয়ে একটা হাতুড়ি আনি। ডোর লক হাতুড়ি দিয়ে ভাঙার চেষ্টা করি। তাতে লকটা ভেঙে খুলে যায়। সবাই মিলে পুরো দরজাটাই ভেঙে ফেলি। পরে আমরা ভেতরে যাই। ঢুকে দেখি ফ্ল্যাটের কমন রুমের ফ্লোরে সামান্য অল্প একটু রক্ত পড়ে রয়েছে। তখন স্বপ্না চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিল। কিছু বলছিল না। এক পর্যায়ে তাদের (আসামিদের) বেডরুমের দরজা সবাই মিলে ভাঙি। টয়লেটে বালতিতে মেয়ের বিচ্ছিন্ন মাথা দেখে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। এরপর কী হয়, আর কিছু বলতে পারি না।’

জেরায় আসামি পক্ষের আইনজীবী প্রশ্ন করেন, ‘এই ঘটনা কি আপনি নিজ চোখে দেখেছেন?’ তখন রামিসার বাবা বলেন, ‘আমি যতটুকু দেখেছি ততটুকুই বলেছি।’

সাক্ষ্যগ্রহণে রামিসার মা পারভিন বেগম বলেন, ‘আনুমানিক ১০টা, আমি তখন রান্না করছিলাম। দুই মেয়ের পার্শ্ববর্তী চাচার বাড়িতে যাওয়ার কথা ছিল। গিয়েছে কি না আমি বুঝতে পারিনি। এরপর রান্নাঘর থেকে চিৎকারের শব্দ শুনতে পাই। আমি মনে করি, পাশের ফ্ল্যাটে (আসামিদের) কোনো বাচ্চা হয়তো চিৎকার দিচ্ছে। এদিকে, আমি অপেক্ষা করছি রামিসা এখনো আসছে না কেন। কখন আসবে। কিছুক্ষণ পর বড় মেয়ে একাই বাসায় ফিরে। আমি ওকে রামিসার কথা জিজ্ঞেস করলে বলে, রামিসা আমার সঙ্গে যায়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আশপাশ খোঁজ করেও পাচ্ছিলাম না রামিসাকে। সবাইকে রামিসার কথা জিজ্ঞেস করি। কিন্তু সবাই বলে, দেখিনি। নিচে একটা অফিসের কাজ চলছিল। সেখানে ঢুকে দেখি, মেয়ে আছে কি না। এরপর দোতলায় খুঁজি। সেখানেও নেই। আমার পাশের ফ্ল্যাটে দরজায় কড়া নাড়ি। কিন্তু কেউ সাড়া দিচ্ছিল না। হঠাৎ চোখ পড়ে দরজার সামনে মেয়ের একটা স্যান্ডেল। তখন আমার ভাবনায় আসে, মেয়েকে কি এখানে আটকে রেখছে। আমার শব্দ শুনে পাঁচতলা থেকে আসমা নামের এক নারী নেমে আসেন। ধীরে ধীরে আশপাশের লোকজনও চলে আসে। তাদেরকে জানাই রামিসাকে পাওয়া যাচ্ছে না। আমার স্বামীকেও ফোন দেই। অনেকে চেয়ার নিয়ে ওপর দিয়ে উঁকি দিচ্ছে কিন্তু দেখতে পাচ্ছে না।’

পারভিন বেগম আরও বলেন, ‘পরে দরজা ভেঙে সবাই ভেতরে ঢুকি। তখন রাজু নামের একটি ছেলে ভিডিও করছিল। স্বপ্না হাটাহাটি করছিল। বেডরুমের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকলে বাথরুমে অসংখ্য রক্ত দেখতেই পাই। এরপর রামিসার বিচ্ছিন্ন মাথাও দেখি। পুলিশ এসে রামিসার জামা ও মরদেহ উদ্ধার করে। স্বপ্নাকে আমি অনেকবার বলেছি, বোন দরজাটা খুইলা দে, খুইলা দে। কিন্তু ও খোলে নাই। আমি ওকে কোনো প্রশ্ন করতে পারিনি। উপস্থিত লোকজনই ওকে প্রশ্ন করেছে। পরে আমি তাদের কাছ থেকে শুনতে পাই, সোহেল রানা গ্রিল কেটে পালাইছে।’

কাঠগড়ায় দাঁড়ানো সোহেল রানার দিকে আঙ্গুল তুলে রামিসার মা বলেন, ‘হত্যা ও করেছে। সে-ই ধর্ষণ করছে।’

এদিকে, রামিসার বোন রাইসা আক্তার শিশু সাক্ষী হওয়ায় ক্যামেরা ট্রায়ালে সাক্ষ্যগ্রহণ চলে। পরে সাক্ষ্যগ্রহণে এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘পাশের বাসায় নাশতা করার সময় এক প্রতিবেশী দেখেন, একজন খালি গায়ে সেই ফ্ল্যাটের জানালা দিয়ে নেমে দৌড়ে চলে যাচ্ছে। আমি অনেকবার চোর চোর করে চিৎকার করি। কিন্তু কোনো রেসপন্স পাইনি। কিছুক্ষণ পর মানুষের চিৎকার শুনে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে রামিসার মরদেহ দেখতে পাই। পরে মানুষের কাছে আমি ঘটনার বর্ণনা জানতে পারি।’

এদিন সকাল পৌনে ৯ টায় মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জ থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। পরে তাদের আদালতে তোলা হয়।

এর আগে সোমবার দুই আসামির বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা ও মরদেহ গোপনের অভিযোগে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। একই দিন বিকেলে মামলার বাদীসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়।

গত ১৯ মে সকালে পাশের ফ্ল্যাটে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং বাথরুমের ভেতরে থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ২০ মে সোহেল আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অভিনব কায়দায় চোরাচালান, ৭ লাখ টাকার ভারতীয় মাদক জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:২৭ পি.এম


অভিনব কায়দায় চোরাচালান, ৭ লাখ টাকার ভারতীয় মাদক জব্দ

অভিনব কায়দায় চোরাচালানের ঘটনায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে সাড়ে ৯টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা চন্ডিদ্বার ও কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সালদানদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই ভারতীয় মাদক জব্দ করা হয়। বিজিবি জানিয়েছে, আটক করা মালামালের মূল্য অন্তত ছয় লাখ ৯৩ হাজার টাকা।

জানা গেছে, বিজিবি-বিওপির টহলদলের সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় বিপুল পরিমাণ মাদক এবং এনার্জি ড্রিংকস আটক করা হয়েছে।

অভিযানের সময় সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ব্যাটারি চালিত ইজিবাইকের তল্লাশি করে অভিনব কায়দায় লুকায়িত অবস্থায় ১০ কেজি গাঁজা, ৬১৪ পিস মেহেদী এবং ১৪৫ বোতল ভারতীয় রেডবুল এনার্জি ড্রিংক উদ্ধার করা হয়।

এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বিজিবি সুলতানপুর-৬০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম।

তিনি জানিয়েছেন, বিজিবি সর্বদা সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা, পusher, নারী-শিশু পাচার, মাদক এবং চোরাচালান প্রতিরোধে আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। এরই অংশ হিসেবে সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ মালামাল জব্দ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আদালতে সোহেলকে দেখিয়ে রামিসার মা বললেন ‘হত্যা ও করছে, ধর্ষণও করছে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৩১ পি.এম


আদালতে সোহেলকে দেখিয়ে রামিসার মা বললেন ‘হত্যা ও করছে, ধর্ষণও করছে’

আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আসামি সোহেল রানা কে দেখিয়ে রাজধানীর মিরপুরে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার শিশু রামিসার মা পারভীন আক্তার বলেন, ‘হত্যা ও করছে, ধর্ষণও করছে।’

রামিসার হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে সাক্ষ্য দেয়ার সময় এভাবেই বলেন তিনি।

সাক্ষ্যগ্রহণে রামিসার মা পারভিন বেগম বলেন, ‘আনুমানিক ১০টা, আমি তখন রান্না করছিলাম। দুই মেয়ের পার্শ্ববর্তী চাচার বাড়িতে যাওয়ার কথা ছিল। আমি বুঝতে পারিনি, গিয়েছে কি না। এরপর রান্নাঘর থেকে আমি চিৎকারের শব্দ শুনতে পাই। আমি মনে করি, পাশের ফ্ল্যাটে (আসামিদের) কোনো বাচ্চা হয়তো চিৎকার দিচ্ছে। এদিকে, আমি এখনও অপেক্ষা করছি রামিসা এখনো আসছে না কেন। কখন আসবে। কিছুক্ষণ পর বড় মেয়ে একাই বাসায় ফিরে। আমি ওকে রামিসার কথা জিজ্ঞেস করলে সে বলে, রামিসা আমার সঙ্গে যায়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আশপাশ খোঁজ করেও পাচ্ছিলাম না রামিসাকে। সবাইকে রামিসার কথা জিজ্ঞেস করি। কিন্তু সবাই বলে, দেখিনি। নিচে একটা অফিসের কাজ চলছিল। সেখানে ঢুকে আমি দেখি, মেয়ে আছে কি না। এরপর দোতলায় খুঁজি। সেখানেও নেই। আমি পাশের ফ্ল্যাটে দরজায় কড়া নাড়ি। কিন্তু কেউ সাড়া দিচ্ছিল না। হঠাৎ আমার চোখ পড়ে দরজার সামনে মেয়ের একটা স্যান্ডেল। তখন আমার ভাবনায় আসে, মেয়েকে কি এখানে আটকে রেখেছে। আমার শব্দ শুনে পাঁচতলা থেকে আসমা নামের এক নারী নেমে আসেন। ধীরে ধীরে আশপাশের লোকজনও চলে আসে। তাদেরকে জানাই যে, রামিসাকে পাওয়া যাচ্ছে না। আমি তখন আমার স্বামীকেও ফোন দিই। অনেকে চেয়ার নিয়ে ওপর দিয়ে উঁকি দিচ্ছে কিন্তু তারা দেখতে পাচ্ছে না।’

পারভিন বেগম বলেন, ‘পরে দরজা ভেঙে সবাই ভেতরে ঢুকি। তখন রাজু নামের একটি ছেলে ভিডিও করছিল। স্বপ্না হাটাহাটি করছিল। বেডরুমের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকলে বাথরুমে অসংখ্য রক্ত দেখতেই পাই। এরপর রামিসার বিচ্ছিন্ন মাথাও খুঁজে পাই। পরে পুলিশ এসে রামিসার জামা ও মরদেহ উদ্ধার করে।’

এসময় কাঠগড়ায় দাঁড়ানো থাকা স্বপ্নাকে দেখিয়ে রামিসার মা বলেন, ‘তারে আমি অনেকবার বলেছি, বোন দরজাটা খুইলা দে, খুইলা দে। কিন্তু ও খোলে নাই। আমি ওকে কোনো প্রশ্ন করতে পারিনি। উপস্থিত লোকজনই ওকে প্রশ্ন করেছে। পরে আমি তাদের কাছ থেকে শুনতে পাই, সোহেল রানা গ্রিল কেটে পালাইছে।’

এরপর কাঠগড়ায় দাঁড়ানো সোহেল রানাকে দেখিয়ে পারভীন বেগম বলেন, ‘হত্যা ও করছে, ধর্ষণও করছে।’

এদিকে পারভীন বেগম ছাড়াও শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় করা মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা ও বোন রাইসা আক্তারসহ ১০ জন সাক্ষী।

এদিন সকাল পৌনে ৯টায় মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জ থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। পরে তাদের আদালতে তোলা হয়।

এর আগে সোমবার দুই আসামির বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা ও মরদেহ গোপনের অভিযোগে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। একই দিন বিকেলে মামলার বাদীসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়।

গত ১৯ মে সকালে পাশের ফ্ল্যাটে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং বাথরুমের ভেতরে থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ২০ মে সোহেল আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%