বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:১০ পি.এম
নাটোরের সিংড়ায় অবৈধভাবে সার মজুত, বেশি দামে বিক্রি ও সরকারি সার বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগে পৃথক অভিযান চালিয়ে পাঁচ ব্যবসায়ীকে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর মধ্যে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানার পাশাপাশি সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অভিযানে ২৬১ বস্তা সার জব্দ করা হয়।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত উপজেলার ডাহিয়া ইউনিয়নের বড়গ্রাম বাজারে অভিযান চালিয়ে চার ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়। পরে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ছাতারদিঘী ইউনিয়নের কালীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে আব্দুর রাজ্জাক নামের আরও এক ব্যক্তিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬-এর ১২ ধারা এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪০ ধারায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে দণ্ডাদেশ দেন সিংড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত আনজুম।
বড়গ্রাম বাজারে অভিযানে সোহেল হোসেনের দোকান থেকে ৮ বস্তা সার জব্দ করে তাঁকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। আব্দুস সালামের কাছ থেকে ৫৩ বস্তা সার জব্দ করে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়া আবুল হাসেমের কাছ থেকে ৫৩ বস্তা সার জব্দ করা হয়। তাঁকে ২০ হাজার টাকা জরিমানার পাশাপাশি সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপর ব্যবসায়ী মোবারকের কাছ থেকে ১৪৭ বস্তা সার জব্দ করে তাঁকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা ও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযানে বড়গ্রাম বাজার থেকে মোট ২৬১ বস্তা সার জব্দ এবং চার ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অন্যদিকে, বুধবার দুপুর ১টার দিকে ছাতারদিঘী ইউনিয়নের কালীগঞ্জ এলাকায় সরকারি সার বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগে আব্দুর রাজ্জাককে সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬-এর ১২ ধারায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে সিংড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খন্দকার ফরিদ হাসান উপস্থিত ছিলেন।
সিংড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত আনজুম বলেন, অবৈধভাবে সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি কিংবা বেশি দামে বিক্রির মাধ্যমে কৃষকদের হয়রানি করা হলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কৃষকদের স্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অভিষেক ম্যাচ যেকোনো খেলোয়াড়ের জন্য একটি বিশেষ ঘটনা। এটি হয়ে ওঠে স্মরণীয় একটি মুহূর্ত।
এবং যদি সেই অভিষেকে গড়া হয় একটি বিশ্বরেকর্ড, তাহলে তা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
আজ উইন্ডহুকে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত ম্যাচে এমন একটি বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন জর্ডান হারমান। দক্ষিণ আফ্রিকার এই ব্যাটার ১৫০ রানের একটি ইনিংস উপহার দিয়েছেন, যা ওয়ানডে অভিষেকে যৌথভাবে সর্বোচ্চ।
হারমান তার স্বদেশি ম্যাথু ব্রিটজকের বিশ্বরেকর্ডকে স্পর্শ করেছেন। গত বছর লাহোরে ত্রিদেশীয় সিরিজে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১৫০ রান করেছিলেন ব্রিটজক।
এটি ছিল ব্রিটজকের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ।
ব্রিটজককে ভেঙেছিলেন কিংবদন্তি ক্যারিবীয় ওপেনার ডেসমন্ড হেইন্সের প্রায় ৪৭ বছর ধরে টিকে থাকা রেকর্ড। ১৯৭৮ সালে নিজের অভিষেক ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ১৪৮ রান করেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের হেইন্স।
নামিবিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম ওয়ানডেতে আজ দক্ষিণ আফ্রিকা টস হারিয়ে ব্যাটিংয়ে নামে।
শুরুর দিকে হারমান বেশ সতর্ক ছিলেন। ৬১ বলে তিনি পূর্ণ করেন ফিফটি।
এরপর ধীরে ধীরে রান তোলার গতি বাড়ান। ৯৩ বলে পৌঁছে যান তিন অঙ্কে। শেষ পর্যন্ত ১২৬ বলের ইনিংসে ১৭টি চার ও ৩টি ছক্কা মেরে ১৫০ রান করেন হারমান।
হারমানের সামনে এককভাবে রেকর্ডটি নিজের করে নেওয়ার সুযোগ ছিল। ১ রান করলেই তিনি নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়তেন। কিন্তু ৪২তম ওভারে রুবেন ট্রাম্পেলমানের বলে আউট হয়ে যান। ফলে ব্রিটজকের রেকর্ডে ভাগ বসিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো তাকে।
অভিষেক ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করা দক্ষিণ আফ্রিকার পঞ্চম ব্যাটার হলেন ২৪ বছর বয়সী জর্ডান হারমান। তার আগে এই কীর্তি ছিল কলিন ইনগ্রাম, টেম্বা বাভুমা, রিজা হেনড্রিকস ও ম্যাথু ব্রিটজকের।
হারমানের ১৫০, টনি ডি জর্জির ৭২ ও করবিন বশের ঝোড়ো ৩৯ রানের সুবাদে দক্ষিণ আফ্রিকা ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩৪৮ রান করেছে।
লক্ষ্য তাড়ায় স্বাগতিক নামিবিয়া ২১.৩ ওভারে ৩ উইকেটে ৭৬ রান করার পর বৃষ্টি নেমেছে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ রয়েছে।
ওয়ানডে অভিষেকে সর্বোচ্চ রান
জর্ডান হারমান (দক্ষিণ আফ্রিকা) ১৫০
ম্যাথু ব্রিটজকে (দক্ষিণ আফ্রিকা) ১৫০
ডেসমন্ড হেইন্স (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) ১৪৮
রহমানউল্লাহ গুরবাজ (আফগানিস্তান) ১২৭
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিউবার প্রেসিডেন্ট দিয়াজ-কানেল জোর দিয়ে বলেছেন, দেশটি আর কখনো উপনিবেশে পরিণত হবে না এবং নিজেদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।
ইরনা'র বরাত দিয়ে পার্সটুডে জানিয়েছে, কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-কানেল মঙ্গলবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক বার্তায় লিখেছেন, দুই সাম্রাজ্যের অধীনে উপনিবেশ ও নব্য-উপনিবেশ থাকার অর্থটা কিউবা খুব ভালোভাবেই জানে। তাই দেশটি সম্পূর্ণ সচেতন যে, তারা আর কখনো উপনিবেশে পরিণত হবে না।
তিনি বলেন, কিউবার স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও স্বায়ত্তশাসনের জন্য যে রক্ত ঝরেছে, তা কখনো বৃথা যাবে না। আমরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত এসব অধিকার রক্ষায় লড়াই করে যাব।
দিয়াজ-কানেলের এই বক্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর হাভানা ও ওয়াশিংটনের সম্পর্ক আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট একটি বিতর্কিত ছবি প্রকাশ করেন। ওই ছবিতে মেক্সিকো, কানাডা, কিউবা, গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ক্যারিবীয় ও মধ্য আমেরিকার কয়েকটি অঞ্চলকে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকার রঙে দেখানো হয়।- পার্সটুডে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উত্তরা-মতিঝিল মেট্রোরেল রুটে ৭৩০টি ত্রুটিপূর্ণ বিয়ারিং প্যাডের মধ্যে ২৭টিকে ‘ক্রিটিক্যাল’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাধীন সেফটি অডিট কমিটি। এসব বিয়ারিং প্যাড আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রতিস্থাপনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। এছাড়া রুটের ৪৬টি পিয়ারে বিভিন্ন মাত্রায় ক্র্যাক বা ফাটল শনাক্ত করা হয়েছে।
বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অধিবেশনটি অনুষ্ঠিত হয়।
মন্ত্রী জানান, স্বাধীন সেফটি অডিট কমিটির প্রতিবেদনে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল রুটে ৭৩০টি বিয়ারিং প্যাডে ত্রুটি শনাক্ত করা হয়েছে। তবে সবগুলো ত্রুটি গুরুতর নয়। এর মধ্যে ১৪৭টি ত্রুটিকে ‘মাইনর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আরও ২৯৭টি বিয়ারিং প্যাডের ত্রুটি মূলত স্থাপনের সময়কার ওয়ার্কম্যানশিপ-সংক্রান্ত। আর ২৭টি বিয়ারিং প্যাডকে ‘ক্রিটিক্যাল’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এ ছাড়া রুটের ৪৬টি পিয়ারে বিভিন্ন মাত্রায় ক্র্যাক বা ফাটল শনাক্ত হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, সেফটি অডিট কমিটির সুপারিশ দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য ডিএমটিসিএল গত ১৬ জুলাই ‘সেফটি অডিট রিপোর্টের সুপারিশ বাস্তবায়ন কমিটি’ গঠন করেছে। কমিটি ইতোমধ্যে অডিট কমিটির তাৎক্ষণিক সুপারিশ বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে।
মন্ত্রী জানান, বিয়ারিং প্যাড স্থানচ্যুতির ঝুঁকি রয়েছে এমন ১০টি স্থানে স্টিল ব্র্যাকেট স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি ২৭টি বিয়ারিং প্যাডের সেটেলমেন্ট পরিমাপের জন্য ‘সেটেলমেন্ট মার্কার’ বসানো হয়েছে।
৪৬টি পিয়ারে শনাক্ত হওয়া ফাটলের ঝুঁকি নিরূপণ ও মেরামতের কৌশল নির্ধারণে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বুয়েট) স্ট্রাকচারাল কনসালট্যান্ট হিসেবে নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। এ ছাড়া স্থাপনার স্ট্রাকচারাল ক্র্যাক পরিমাপ ও পর্যবেক্ষণের জন্য ১০২টি স্থানে ‘স্ট্রাকচারাল ক্র্যাক গেজ’ বসানো হচ্ছে। আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে এসব গেজ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, মেট্রোরেলের সব স্টেশনের সাবস্টেশন-সংক্রান্ত কক্ষে ওয়াটারপ্রুফিংয়ের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার মতো পরিস্থিতিতে যাত্রী উদ্ধার ও নিয়ন্ত্রণ কক্ষের মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করতে বিশেষ জরুরি সেবার লাইভ টেস্টও সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘জুলাইযোদ্ধা’ শব্দটি বিকৃত করে অনেকেই নিজেদের স্বার্থে ফায়দা লুটেছেন : আরশ খান
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজপথে সক্রিয় ছিলেন অভিনেতা আরশ খান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের অবস্থান প্রকাশ করার পাশাপাশি আন্দোলনের সময় তিনি সরাসরি রাস্তায় নেমেছিলেন।
তবে সময়ের পরিবর্তনের সাথে ‘জুলাইযোদ্ধা’ পরিচয় নিয়ে আর স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না এই অভিনেতা।
বরং তাঁর মতে, শব্দটিকে বিকৃত করে অনেকেই নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করেছেন।
সম্প্রতি রাজধানীর উত্তরার একটি শুটিং হাউজে একটি নাটকের শুটিংয়ের ফাঁকে ‘জুলাই আন্দোলন’ প্রসঙ্গে কথা বলেন আরশ।
এ সময় ‘জুলাইযোদ্ধা’ পরিচয় নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, ‘জুলাইযোদ্ধা’ শব্দটা আমার সঙ্গে নিতে চাই না।
এই শব্দটির সঙ্গে যে মূল্য, সততা ও নিরপেক্ষতা থাকা উচিত ছিল, তার কোনোটাই এখন আর নেই। এই শব্দটি এখন কুৎসিত হয়ে গেছে।
শব্দটি বিকৃত করে অনেকেই নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করেছেন বলেও মন্তব্য করেন আরশ। তাঁর ভাষায়, ‘এই শব্দটা বিকৃত করে অনেক মানুষ ফায়দা লুটেছে।
যার কারণে যখন এই শব্দটা (জুলাইযোদ্ধা) শুনি, এখন কেন জানি শ্রুতিমধুর লাগে না।’
তবে জুলাই আন্দোলনের সময় রাজপথে নামার সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো আফসোস নেই বলে জানান এই অভিনেতা। তিনি দাবি করেন, আন্দোলনের সময় মূলত উত্তরার স্কুল ও মাইলস্টোনের শিক্ষার্থীদের কথা ভেবেই রাস্তায় নেমেছিলেন তিনি।
আরশ বলেন, ‘আমি যে বাচ্চাগুলোর জন্য রাস্তায় নেমেছিলাম, যারা উত্তরার স্কুল বা মাইলস্টোনে পড়ে, তারা কেউ পলিটিক্স করছে না। তারা এখন পড়ালেখাই করছে।
আমি ওই বাচ্চাগুলোর জন্য রাস্তায় নেমেছিলাম। ওদের জন্য দরকার পড়লে আবার রাস্তায় নামব।’
তবে যারা ‘পাওয়ার প্র্যাকটিসে’ ছিলেন, তাঁদের সঙ্গে নিজের অবস্থানের পার্থক্য রয়েছে বলেও জানান আরশ।
এদিকে ইতালির ভেনিসে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে হেনস্তার ঘটনাতেও কথা বলেছেন আরশ খান। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ধরনের ‘মব’ বা দলবদ্ধ হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে আইনের আশ্রয় নেওয়া উচিত।
বাঁধনের ঘটনাতেও এমন হামলাকে কোনোভাবেই সমর্থন করেন না জানিয়ে আরশ বলেন, ‘২০২৪-এর জুলাইতে দেশ যে পরিস্থিতিতে ছিল, এখন সেই অবস্থায় নেই। দেশ এখন শান্ত, নির্বাচিত সরকার আছে। ক্ষমতা নিজের হাতে তুলে নিয়ে বিচার কেন করতে হবে?’
নারীদের ওপর সাম্প্রতিক সহিংসতার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন এই অভিনেতা। তাঁর মতে, রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষ হিসেবে একে অপরকে দেখার মানসিকতা তৈরি করা জরুরি।
আরশ বলেন, ‘বিগত কিছু সময় দেখছি নারীদের রাস্তায় বেধড়ক পেটানো হচ্ছে! প্রত্যেক মানুষ ভিন্ন ভিন্ন দলকে পছন্দ করে। কিন্তু আমরা একজন শিল্পী বা মানুষের ঊর্ধ্বে গিয়ে দলকে দেখা শুরু করেছি।’
সবশেষে বাঁধনের ঘটনার প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান আরো স্পষ্ট করে আরশ বলেন, ‘শুধু বাঁধন আপা কেন, কোনো নারী বা পুরুষের সঙ্গে এমন হোক, আমি সাপোর্ট করি না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ