ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘৩ ফুটের মধ্যেও শিশুর নিরাপত্তা নেই’: রামিসা ধর্ষণ ও হত্যায় সর্বোচ্চ শাস্তি চান পিতা


‘৩ ফুটের মধ্যেও শিশুর নিরাপত্তা নেই’: রামিসা ধর্ষণ ও হত্যায় সর্বোচ্চ শাস্তি চান পিতা

‘এক ফ্ল্যাটের এক দরজা থেকে আরেক দরজার দূরত্ব মাত্র তিন ফুট। এই তিন ফুটের মধ্যেও যদি আমরা একটি শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারি, তাহলে শুধু সরকারকে দায়ী করলে হবে না। পরিবার, প্রতিবেশী ও সমাজের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতে হবে। তা না হলে আরও হাজার হাজার রামিশা এমন নৃশংসতার শিকার হতে পারে।’

শনিবার (৬ জুন) রাজধানীতে নিপীড়িত নারী ও শিশুদের আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেল কর্তৃক বাংলাদেশ শিশু নির্যাতন বৃদ্ধি ও করণীয় শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে অশ্রুসজল চোখে এই আকুতি জানান রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করা আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।

তিনি বলেন, ‘সন্তান যদি সমাজের এমন নৃশংসতার শিকার হয়, তাহলে এর দায় শুধু পরিবারের নয়; সমাজ ও রাষ্ট্রকেও এর জবাবদিহি করতে হবে। আমি আমার রামিসা হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই। বাংলাদেশের আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করি এবং সেই শাস্তি যেন দ্রুত কার্যকর হয়, সেটাই আমি দেখতে চাই।’

আরও পড়ুন: ছলিম ও তার স্ত্রীর ২৭ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ

এদিকে শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ৭ জুন (রোববার) দিন ধার্য করেছেন আদালত। গত বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায়ের এই দিন নির্ধারণ করেন।

যুক্তিতর্ক শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ আদালতকে জানায়, সাক্ষীরা আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন। ফলে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার আইনে বর্ণিত সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রার্থনা করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মুসা কালিমুল্যাহ আদালতে দাবি করেন, এ মামলায় কোনো ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়নি এবং আশপাশের কোনো সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করা হয়নি। রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে দাবি করে তিনি আসামিদের খালাস চান।

আদালত সূত্র জানায়, গত ২ জুন এ মামলায় ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। সাক্ষীদের জবানবন্দিতে রামিসাকে খোঁজার ঘটনা, সন্দেহভাজন ফ্ল্যাট শনাক্তকরণ, রক্তের আলামত উদ্ধার এবং শিশুটির মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি উঠে আসে। একই সঙ্গে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে পালাতে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার কীভাবে সহায়তা করেছিলেন, সেই বিবরণও ওঠে আসে।

আরও পড়ুন: ব্যর্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, ‘আমিও দোষ করছি, ডলারও দোষ করছে স্যার। আমাকেও সাজা দেন, সঙ্গে ওকেও দেন।’ তবে নিজের স্ত্রীকে নির্দোষ দাবি করেন তিনি। অন্যদিকে স্বপ্নার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, ‘আমি কিছু করিনি স্যার, আমি নির্দোষ।’ আদালত উভয় আসামির বক্তব্য রেকর্ড করে রায়ের দিন চূড়ান্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শুধু নীতি তৈরিই নয়, শহরবাসী কতটা উপকার পাচ্ছেন সেটার মূল্যায়ন প্রয়োজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৩৬ পি.এম


শুধু নীতি তৈরিই নয়, শহরবাসী কতটা উপকার পাচ্ছেন সেটার মূল্যায়ন প্রয়োজন

শুধু নীতি তৈরিই নয়, শহরে বসবাসকারী নীতি দ্বারা শহরবাসী কতটুকু উপকৃত হচ্ছেন সেটাই মূল্যায়ন প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার (৬ জুন) দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনের একটি হোটেলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আয়োজিত ‘দক্ষিণের জানালা’ শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।

ঢাকাকে বাসযোগ্য শহর মনে হয় না মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সরকারি হাসপাতালে ঢোকাই যায় না। প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের দিকে চলে যাচ্ছে। সেই প্রতিষ্ঠানকে যদি সামনের দিকে আনলে আমরা সব স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘আমি যখন কলেজে পড়তাম, তখন প্রায়ই আসতাম বুড়িগঙ্গাতে, নৌকায় চড়ে ঘুরে বেড়াতে। এখন সেই বুড়িগঙ্গার কাছেও যাওয়া যায় না। এত দূষণ, এত দুর্গন্ধ। আমার কাছে মনে হয় যে ঢাকা শহরের সব রোগগুলোর মূলে বোধয় এই বুড়িগঙ্গার পানি রয়েছে।’

শীতলক্ষ্যায়ও একই অবস্থা শুরু হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘তাহলে ঢাকা শহরের নাগরিকরা যাবেন কোথায়। এজন্য কাঠামোগত পরিবর্তনগুলোকে আরো পরিকল্পনা মাফিক হতে হবে। পরিকল্পনা সঠিক নিতে হবে।’

ঢাকা শহরের পানি খুব ভয়াবহ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পানির বিরাট অংশ রয়েছে, যেটা সেবনযোগ্য নয়। কোনোদিন দুর্ঘটনা ঘটলে অর্থাৎ ভূমিকম্প হয়, তাহলে ঢাকা তলিয়ে যাবে। আমাদের সেই ব্যবস্থাগুলো তো করতে হবে ঢাকা শহরে। নদীগুলোকে বিশুদ্ধ করার চেষ্টা করতে হবে। অথচ এত প্রজেক্ট হয় এই বুড়িগঙ্গাকে দূষণমুক্ত করবার কোনো প্রকল্প তৈরি হয় না।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘মানুষ বেড়েছে, নগরায়ণ বেড়েছে, ফলে সবকিছু বাড়বে। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে কিছু হয় না। ড্রেনেজ নেই বললেই চলে। হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে যে ড্রেন তৈরি করা হয়, সেই ড্রেনে পানি সরে না।’

ঢাকা দক্ষিণের জানালাকে একটি আন্দোলন হিসেবে উল্লেখ করে পুরোপুরি না হলেও কাছাকাছি পরিবর্তনে সরকারের চেষ্টা থাকবে বলেও জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির বি-ক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৩৮ পি.এম


দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির বি-ক্ষোভ

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে নয়াদিল্লির মানমন্দির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ পালন করছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।

শনিবার (৬ জুন) দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ যুক্তরাষ্ট্র থেকে দিল্লিতে পৌছানোর পর পুলিশ বিক্ষোভের আয়োজনের অনুমতি দেয়।

এর আগে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পর দীপকে ঘিরে ধরেছিল ইউনিফর্ম ও সাদা পোশাকের ১০-১৫ জন পুলিশ কর্মকর্তা। পরে পুলিশ তাকে ছেড়ে দিলে তিনি বিক্ষোভস্থল যন্তর মন্তরে পৌঁছান।

নিট-ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সাম্প্রতিক বিভিন্ন কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করে এ বিক্ষোভ ডাকা হয়। বিক্ষোভ সমাবেশে অভিজিৎ দীপ বলেন, “কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান চলে যেতে হবে।”

এদিকে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং পরিস্থিতি সামলাতে দিল্লি পুলিশ নয়াদিল্লিতে প্রায় ২ হাজার পুলিশ মোতায়েন করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর বাসভবন এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের বাসভবনের বাইরে নিরাপত্তা কঠোরভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এর আগে সিজেপির ডাকা বিক্ষোভ ঠেকাতে আগাম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে ‘জনস্বার্থে মামলা’ দায়ের করা হয়েছিল। জরুরি ভিত্তিতে ওই মামলার শুনানি করতে শুক্রবার দিল্লি হাইকোর্ট অস্বীকার করে।

গত বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যায় নয়াদিল্লিতে প্রথমবারের মতো সংবাদ সম্মেলন করে ককরোচ জনতা পার্টি। সংবাদ সম্মেলনে নেতারা এনইইটি, সিবিএসই ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও ফলাফলের ত্রুটির মতো নানা বিতর্কের কারণে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানান।

সাধারণ দাবি আদায়ে তারা শনিবার (৬ জুন) রাজপথে প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা করেন। সংবাদ সম্মেলনে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) অভিযোগ করে যে, এনইইটি, এসএসসি, সিবিএসইসহ বিভিন্ন পরীক্ষায় বড় ধরনের অনিয়ম হয়েছে। এর ফলে লাখ লাখ শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব ব্যর্থতার জন্য সরকার ও শিক্ষামন্ত্রীকে জবাবদিহি করতে হবে।

সম্প্রতি ককরোচ জনতা পার্টির কার্যক্রম একটি ব্যঙ্গাত্মক সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারণা থেকে শুরু হয়। ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত কিছু যুবকদের ‘ককরোচ’ ও ‘পরজীবী’ বলায় তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। অভিজিৎ দীপ ককরোচ জনতা পার্টি-সিজেপি নামে নতুন দলের গঠন ঘোষণা করেন।

এরপর এটা একটা বৃহৎ যুব আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। যদিও এটি এখনও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নয়, কিন্তু ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এর ফলোয়ারের সংখ্যা ইতিমধ্যে ২ কোটি ২০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। যা ক্ষমতাসীন দল বিজেপির প্রায় দ্বিগুণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হিলি সীমান্তে ৫ জনের পুশইন রুখে দিল বিজিবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৪০ পি.এম


হিলি সীমান্তে ৫ জনের পুশইন রুখে দিল বিজিবি

দিনাজপুরের হিলির ঘাসুড়িয়া সীমান্ত দিয়ে ৫ ব্যক্তির বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

শনিবার (৬ জুন) ভোর সাড়ে ৩টার দিকে ঘাসুড়িয়া সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে। এসময় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে তা রুখে দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট-২০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল লতিফুল বারী।

তিনি জানান, শনিবার ভোররাতে ঘাসুড়িয়া সীমান্তের ওপারে ভারতীয় চকগোপাল এলাকার ২৮৮ নম্বর মেইন পিলারের ৪০-এস থেকে ৪৮-এস সাব-পিলার এলাকা দিয়ে তাদের পুশ-ইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এসময় বিজিবি সদস্যরা প্রতিহত তাদের সরিয়ে নেয় বিএসএফ সদস্যরা।

জয়পুরহাট-২০ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল লতিফুল বারী বলেন, ‘ঘটনার পরপরই আমি ওই এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছি। সেখানে অস্থায়ী ক্যাম্প বসানো হয়েছে। পাশাপাশি জনবল বৃদ্ধি করা হয়েছে, যাতে কোনোভাবেই বিএসএফ কোনো ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে ঠেলে দিতে না পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই মুহূর্তে ওই এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সীমান্তের ওপারে কোনো লোকজন দেখা যাচ্ছে না। তবে আমরা কোনো কিছুকেই ছোট করে দেখছি না। ওই এলাকায় টহল ও পোস্টের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে।’

ভারত থেকে অবৈধপথে কোনো মানুষ যেন হিলি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে, সেই লক্ষ্যে বিজিবির টহল বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া অরক্ষিত সীমান্তগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি বিজিবি কঠোর নজরদারি রাখছে বলেও জানান এই বিজিবি কর্মকর্তা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝুলন্ত সেতু এলাকার উন্নয়ন কাজে ধীরগতি, বিপাকে পর্যটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৪৫ পি.এম


ঝুলন্ত সেতু এলাকার উন্নয়ন কাজে ধীরগতি, বিপাকে পর্যটক

রাঙ্গামাটি পর্যটন শিল্পের অন্যতম আইকনিক স্থান ঝুলন্ত সেতু, যেখানে প্রতিদিন ভ্রমণপিপাসুরা ভিড় জমায়। কিন্তু সেতু পার হয়ে অপর প্রান্তে দর্শনীয় স্থানে পৌঁছাতে পর্যটকদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এই সমস্যার প্রধান কারণ হলো নির্মাণাধীন সিঁড়ির কাজের অসমাপ্ততা। পর্যটকদের চলাচলের একমাত্র এ রাস্তার ওপর পড়ে আছে রড, যার ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে শত শত পর্যটক। শুধু তাই নয়, নির্মাণ সামগ্রীকে যেখানে সেখানে স্তূপ করে রাখা হয়েছে।

পর্যটকদের চলাচলের সুবিধার্থে পূর্বের ভাঙাচোরা রাস্তা সংস্কার ও সম্প্রসারণে কাজ চলছে। প্রথমবারের মতো হস্তান্তরিত বিভাগ হিসেবে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ এই সেতু এলাকায় উন্নয়ন কাজ করছে। তবে, কিছু কাজ শেষ হলেও, গুরুত্বপূর্ণ এই সিঁড়ির কাজের ধীরগতির কারণে পর্যটকদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। আইকনিক পর্যটন কেন্দ্রের এমন দূরাবস্থায় হতাশ পর্যটকরা।

স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন জানান, সেতু থেকে ওপরের ওঠার স্থানে সিঁড়ি নির্মাণের কাজ প্রায় চার মাস ধরে চলছে। সেখানে ঠিকাদার মাসে মাত্র দুই থেকে তিনটি ধার নির্মাণ করছে। এত সামান্য জায়গায় কাজ করতে এত সময় লাগছে কেন?

ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা সাইদ আনোযার জানাচ্ছেন, ‘এমন একটা দর্শনীয় স্থানে এসে যখন দেখে সেখানে নির্মাণ সামগ্রী পড়ে আছে, যার জন্য আমাদের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে, এটা কোনোভাবেই কাম্য নয়।’

রমজান আলী বলেন, ‘এই রাস্তায় চলাচল করতে আমাদের অনেক সমস্যা হচ্ছে। রডের ওপর দিয়ে হাঁটতে হচ্ছে। ঢালু জায়গার বেশ কিছু স্থানে রডের মাথা বের হয়েছে, সেখানে সবাই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দ্রুত কাজ শেষ করার দাবি জানাচ্ছি।’

নোয়াখালীর থেকে আসা রুহুল আমিন প্রশ্ন রাখেন, ‘কাজ করার এটাই কি উপযুক্ত সময়? আমার ট্যুর এজেন্সি আছে, তাই প্রায়ই পর্যটক নিয়ে রাঙ্গামাটি আসি। মাস দুয়েক আগে এসেছিলাম। তখন কেন এই কাজ করা হলো না? সামনের বর্ষায় দুইটি গ্রুপ নিয়ে আবার আসব। একজন গাইড ও পর্যটক হিসেবে মনে করি কাজটা এখন শুরু করা পর্যটক বান্ধব সিদ্ধান্ত নয়।’

রাঙ্গামাটি পর্যটন করপোরেশনের ব্যবস্থাপক আলক বিকাশ চাকমা বলেন, ‘হস্তান্তরিত বিভাগ হিসেবে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ এই উন্নয়ন কাজ করছে। কাজ অত্যন্ত ধীরগতিরে চলছে। দ্রুত উন্নয়ন কাজটি শেষ করার জন্য জেলা পরিষদের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি।’

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজল তালুকদার বলেন, ‘আমি কাজের বিষয়টি অবগত হয়েছি। প্রকৌশল শাখা ও ঠিকাদারকে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছি। আশা করছি, শিগগিরই কাজ শেষ হবে এবং পর্যটকদের বিড়ম্বনা দূর হবে।’

জেলা পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, ঝুলন্ত সেতু এলাকার রাস্তা, সিঁড়িসহ সার্বিক উন্নয়নের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে দেড় কোটি টাকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%