মোঃ মাহবুব আলম শাওন নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
০৯:৩৫ এম
চৌকিদারী প্যারেড ও গ্রাম পুলিশ ব্যবস্থার মূল ভিত্তি গড়ে ওঠে ব্রিটিশ আমলে। ১৮৭০ সালের গ্রাম চৌকিদারি আইন (The Village Chaukidari Act, 1870) ছিল ব্রিটিশ আমলে অবিভক্ত বাংলায় গ্রামীণ স্বায়ত্তশাসন এবং প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রথম আনুষ্ঠানিক আইনি পদক্ষেপ। ১৮৭০ সালের ১৯ অক্টোবর লর্ড মেয়োর শাসন আমলে এই আইনটি পাস হয়। বিশেষ দৃষ্টিকোণ থেকে, এই আইনটি পরবর্তীতে বাংলার গ্রামীণ পর্যায়ে আজকের 'ইউনিয়ন পরিষদ' এবং 'গ্রাম পুলিশ' ব্যবস্থার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিল।
এরপর পুলিশ রেগুলেশন্স বেঙ্গল, ১৯৪৩ (PRB)-এর ৩৭০ থেকে ৩৭২ বিধি অনুযায়ী চৌকিদারদের থানায় এসে নিয়মিত হাজিরা দেওয়া এবং তথ্য সরবরাহ করা বাধ্যতামূলক করা হয়। এই বিধিমালা অনুযায়ীই মূলত আধুনিক ‘চৌকিদারী প্যারেড’ একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। পিআরবি (PRB) নিয়ম অনুযায়ী, চৌকিদাররা নিজ নিজ এলাকার খুন, ডাকাতি, চুরি, দাঙ্গা, বা অস্বাভাবিক মৃত্যুর মতো ১৭ প্রকার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এই প্যারেডে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) জানান।
চৌকিদারদের প্রধান কাজ ছিল গ্রামে রাতে পাহারা দেওয়া, অপরাধ প্রতিরোধ করা, সন্দেহভাজনদের ওপর নজর রাখা এবং স্থানীয় থানার পুলিশকে অপরাধের তথ্য দেওয়া। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মুখ্য প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ। সেই প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই গ্রাম পুলিশ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশকে বিভিন্নভাবে সহযোগী হিসেবে কাজ করছে।
জেলা পুলিশ এবং গ্রাম পুলিশের সম্পর্ক মূলত পারস্পরিক সহযোগিতা, তথ্যের আদান-প্রদান এবং গ্রামীণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে একটি পরিপূরক বন্ধন। গ্রাম পুলিশ সরাসরি জেলা পুলিশের অংশ না হলেও, তারা মাঠপর্যায়ে জেলা পুলিশের তথ্যের অন্যতম উৎস হিসেবে কাজ করে। এমনকি গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত এবং হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে কখনো কখনো গ্রামীণ পর্যায়ে গ্রাম পুলিশ সহযোগিতা করে থাকেন।
আমি নওগাঁ জেলায় যোগদান করার পর থেকে গ্রাম পুলিশকে তাদের কাজের স্বীকৃতি দেওয়ার প্রথা চালু করি। প্রতিমাসের ক্রাইম কনফারেন্সে গ্রাম পুলিশের একজনকে ভালো কাজের জন্য পুরস্কার প্রদান করা হয়। তারই অংশ হিসেবে গত মে /২০২৬ মাসে ভালো কাজের জন্য নিয়ামতপুর থানার গ্রাম পুলিশ জনাব মনসুর আলীকে পুরস্কৃত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরে পিকআপের ধাক্কায় মারাত্মক আহত হয়ে মা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় নিহত নারীর স্বামীও আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে বীরগঞ্জ উপজেলার ৮ নম্বর ভোগনগর ইউনিয়নের পাঁচপীর এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া তথ্য মতে, দ্রুতগতির একটি পিকআপ তাদের উপর ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মা ও ছেলে দুজনেই মারা যান। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
বীরগঞ্জ থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পাশাপাশি নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করার কাজও অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারার মাধ্যমে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে পর্তুগাল। ডালাসে অনুষ্ঠিত ম্যাচে অতিরিক্ত সময়ের একমাত্র গোলে মিকেল মেরিনো স্পেনের জয় নিশ্চিত করেন। এই হারের ফলে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দীর্ঘ এবং বর্ণাঢ্য অধ্যায়েরও শেষ হলো বিশ্বকাপের মাঠে।
ম্যাচের পর্যালোচনার মাধ্যমে দেখা গেছে, স্পেনের অসাধারণ পারফরম্যান্সের পাশাপাশি পর্তুগালের কিছু কৌশলগত ভুলও ছিল তাদের বিদায়ের অন্যতম কারণ।
ভারতীয় ফুটবলারদের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, যিনি ৪১ বছর বয়সী একটি বটবৃক্ষের মতো আক্রমণ চালানোর মূল ভরসা হিসেবে ছিলেন, পুরো ম্যাচজুড়ে তার গতি ও তীক্ষ্ণতা আগের মতো না থাকায় বেশ কিছু আক্রমণ প্রতিরোধ হয়ে যায়। ম্যাচের শেষের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগেও তিনি সফল হতে পারেননি। এই পরিস্থিতিতে, বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী মিডফিল্ড থাকা সত্ত্বেও পর্তুগালের আক্রমণে একেবারে স্বাভাবিক ছন্দ ছিল না।
রক্ষণাত্মক কৌশলকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়ার কারণে ম্যাচটিকে দেননি।
এমনকি ভিতিনিয়া, জোয়াও নেভেস ও ব্রুনো ফের্নান্ডেজের মতো সৃজনশীল মিডফিল্ডার থাকা সত্ত্বেও পুরো ম্যাচে পর্তুগাল রক্ষণাত্মক এবং পাল্টা আক্রমণের মধ্যে আটকে পড়েছিল। তারা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেওয়ার পরিবর্তে বারবার রক্ষণে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছিল, যা স্পেনের কাছে সুযোগ করে দেয়।
সহজ সুযোগগুলোকে নষ্ট করার বিষয়টি ছিল মারাত্মক।
ম্যাচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করেও পর্তুগাল গোলতে ব্যর্থ হয়েছে। দ্বিতীয়ার্ধের শেষের দিকে বের্নার্দো সিলভা ছয় গজ দূর থেকে হেডে সহজ সুযোগটি নষ্ট করেন। তার আগেও ব্রুনো ফের্নান্দেজ ভালো অবস্থানে থেকে লক্ষ্যভ্রষ্ট হন। এই মিস করাই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখে।
শেষ মুহূর্তে রক্ষণভাগের অসতর্কতা ছিল চিন্তার বিষয়।
অতিরিক্ত সময়ে দ্রুত ফ্রি-কিক থেকে স্পেন দ্রুত আক্রমণ সাজায়। সেই মুহূর্তে পর্তুগালের রক্ষণভাগ সম্পূর্ণ অগোছালো অবস্থায় ছিল। ফেরান তোরেসের পাস থেকে মিকেল মেরিনোর করা গোলটির পিছনে ছিল পর্তুগিজ ডিফেন্সের এক মুহূর্তের মনোযোগের অভাব।
মানসিক দৃঢ়তার অভাব এবং পরিকল্পনার ঘাটতি স্পষ্টভাবে পরিলক্ষিত হয়েছে।
পুরো ম্যাচ জুড়ে পর্তুগাল আত্মবিশ্বাসী মনে হয়নি। গোল হজমের পর ম্যাচে ফেরার মতো স্পষ্ট পরিকল্পনা বা আগ্রাসী মানসিকতা দেখা যায়নি। প্রতিভাবান খেলোয়াড়ে পরিপূর্ণ দলর হয়েও তারা গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোতে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হয়।
স্পেনের কাছে হারের পেছনে প্রতিপক্ষের দক্ষতার পাশাপাশি পর্তুগালের কৌশলগত ভুল, সুযোগ নষ্ট এবং রক্ষণভাগের অসতর্কতাগুলো বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর অধ্যায় শেষ হয়েছে। একই সঙ্গে, পর্তুগালের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, কোচের কৌশল এবং দল পুনর্গঠন নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হওয়ার লক্ষণও ঘটছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রে চলমান ফিফা বিশ্বকাপকে ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা ও বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।
টুর্নামেন্ট শুরুর পর থেকে খেলার ভেন্যু এবং সমর্থকদের জমায়েতের এলাকাগুলোর আশপাশে ৬০০টির বেশি ড্রোন জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন নিরাপত্তা প্রশাসন (টিএসএ)।
টিএসএ জানায়, ১১ জুন বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন স্টেডিয়াম ও ফ্যান জোনের নিষিদ্ধ আকাশসীমায় অনুমতি ছাড়া ড্রোন উড়ানোর একাধিক ঘটনা ঘটেছে।
এসব ড্রোন নিরাপত্তার স্বার্থে জব্দ করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, খেলার দিন স্টেডিয়ামের চারপাশে তিন নটিক্যাল মাইল এলাকাজুড়ে এবং মাটি থেকে ৩ হাজার ফুট বা প্রায় ৯১৪ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত সব ধরনের উড়োজাহাজ চলাচল নিষিদ্ধ থাকে।
এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় ড্রোনও রয়েছে।
তবে বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের বিশেষ অনুমতি থাকলে এই নিয়ম প্রযোজ্য হয় না।
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই জানিয়েছে, বিশ্বকাপের আয়োজক ১১টি শহরের প্রতিটিতেই নিষিদ্ধ আকাশসীমা থেকে ড্রোন জব্দ করা হয়েছে।
অর্থাৎ কোনো আয়োজক শহরই এ ধরনের ঘটনার বাইরে ছিল না।
এফবিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, শুধু মায়ামিতেই এখন পর্যন্ত ১৩০টি ড্রোন জব্দ করা হয়েছে। এবং ডালাসে পাঁচটি ম্যাচ চলাকালে ৭০টির বেশি ড্রোন আটক করা হয়েছে।
ফেডারেল বিমান চলাচল প্রশাসন (এফএএ) জানিয়েছে, বিশ্বকাপের সব ম্যাচের স্টেডিয়াম এবং সংশ্লিষ্ট সমর্থকদের জমায়েতের এলাকায় ড্রোন উড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
ফ্যান জোনের এক নটিক্যাল মাইলের মধ্যে এবং মাটি থেকে এক হাজার ফুট উচ্চতা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে।
এফবিআই সতর্ক করে বলেছে, অনুমতি ছাড়া কেউ নিষিদ্ধ আকাশসীমায় ড্রোন ওড়ালে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ এক লাখ ডলার জরিমানা হতে পারে।
পাশাপাশি ফৌজদারি মামলাও হতে পারে এবং সংশ্লিষ্ট ড্রোন জব্দ করা হবে।
ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়াকে আলোচনায় আনতে চীনকে নরওয়ের আহ্বান
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্বকাপের স্টেডিয়ামগুলোর আশপাশে এফবিআইয়ের বিশেষ দল মোতায়েন রয়েছে।
এসব দল বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনুমতি ছাড়া উড়ানো ড্রোন শনাক্ত এবং প্রয়োজনে নিষ্ক্রিয় করছে।
গত সপ্তাহে এ ধরনের একটি ঘটনার জেরে ৪০ বছর বয়সী মেক্সিকোর নাগরিক ক্রিস্তোবাল তোরেস আলভারেজের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ডালাসের একটি স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরুর আগে তিনি নিষিদ্ধ আকাশসীমায় একটি ড্রোন উড়িয়েছিলেন।
ড্রোনজনিত নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র আগেই বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।
২০২৫ সালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকিস্বরূপ ড্রোন প্রতিরোধে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরো শক্তিশালী করার জন্য একটি নির্বাহী আদেশে সই করেন।
একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ টেক্সাসে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে নতুন ড্রোন প্রতিরোধ ব্যবস্থা স্থাপন করে।
গত কয়েক বছরে যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় ক্রীড়া আসরে ড্রোন-সংক্রান্ত একাধিক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে।
২০২৫ সালে বাল্টিমোরে ন্যাশনাল ফুটবল লিগের (এনএফএল) একটি প্লে-অফ ম্যাচের সময় নিষিদ্ধ আকাশসীমায় ড্রোন ওড়ানোর অভিযোগে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়।
পরে তিনি আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সকল কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে জরুরি নির্দেশনা প্রদান করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ই-মেইল ব্যবহারের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত অফিসিয়াল ই-মেইল আইডি (কলেজ কোড@nu.ac.bd) ব্যবহার করতে হবে। ব্যক্তিগত বা অন্য কোনো ই-মেইল আইডি থেকে পাঠানো আবেদন, তথ্য বা বার্তা কোনোভাবেই গ্রহণ করা হবে না বলে জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি কলেজ পরিদর্শন দপ্তর থেকে জারি হওয়া এক প্রজ্ঞাপনে এসব নির্দেশনা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও অনেক অধিভুক্ত কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন বিষয়ে অনলাইনে আবেদন বা তথ্য পাঠানোর জন্য এখনো ব্যক্তিগত বা অন্য ই-মেইল ব্যবহার করছে। এর ফলে দাপ্তরিক কার্যকলাপে বিলম্ব সৃষ্টি হচ্ছে।
আবেদন যাচাই-এর ক্ষেত্রে জটিলতা এতটা বৃদ্ধি পাচ্ছে যে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া দীর্ঘসূত্রতায় পরিণত হচ্ছে।
এ অবস্থায়, কলেজ পরিদর্শন দপ্তরের ই-মেইল ([email protected])-এ কোনো আবেদন বা তথ্য পাঠানোর ক্ষেত্রে অবশ্যই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রদান করা অফিসিয়াল ই-মেইল আইডি (কলেজ কোড@nu.ac.bd) ব্যবহার করতে হবে। ব্যক্তিগত বা অন্য কোনো ই-মেইল থেকে পাঠানো আবেদন বা তথ্য গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ