ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বন্যার পানিতে আটকা পড়ে প্রসববেদনায় কাতরাচ্ছিলেন অন্তঃসত্ত্বা, অতঃপর উদ্ধার


বন্যার পানিতে আটকা পড়ে প্রসববেদনায় কাতরাচ্ছিলেন অন্তঃসত্ত্বা, অতঃপর উদ্ধার

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের পশ্চিম আমিরাবাদ খৈয়ারকুল এলাকায় বন্যার পানিতে আটকা পড়ে প্রসববেদনায় কাতরাচ্ছিলেন মিজবাহুল জান্নাত (২২) নামে এক অন্তঃসত্ত্বা নারী। তিনি ওই এলাকার প্রবাসী রিয়াজ উদ্দিনের স্ত্রী। চারদিকে পানি থাকায়, তার হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। এমন সংকটময় অবস্থানে মানবিকতার একটি অনন্য উদাহরণ স্থাপন করেছে লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিস।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তারা বুকসমান পানির একটি অংশ, কোথাও হাঁটুসমান পানি পেরিয়ে প্রায় এক কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে ওই নারীকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে দ্রুত নিরাপদে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

প্রসূতির পরিবারের সদস্যরা জানান, বুধবার (৮ জুলাই) দিবাগত রাত ২টার দিকে মিজবাহুলের প্রসববেদনা শুরু হয়েছিল। বাড়ি থেকে উপজেলা সদর হাসপাতালে দূরত্ব কেবলমাত্র দুই কিলোমিটার হলেও টানা ভারী বৃষ্টির কারণে এবং পাহাড়ি ঢলে পুরো সড়ক তলিয়ে যাওয়ার কারণে তাকে হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অসহনীয় যন্ত্রণা সহ্য করার পর বৃহস্পতিবার সকালে পরিবারের সদস্যরা লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।

আরও পড়ুন: ফেনীতে সাংবাদিকদের ‘মাল্টিমিডিয়া, এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠিত

খবর পাওয়ার পর উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পানি পেরিয়ে স্ট্রেচারে করে তাকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়। পরে একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে উপজেলা সদরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি একটি সুস্থ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। বর্তমানে মা ও নবজাতক—উভয়েই সুস্থ আছেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের টিম লিডার রাখাল চন্দ্র রুদ্র জানান, খবর পাওয়ার পরপরই একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয় এবং প্রায় দেড় ঘণ্টার অভিযানের মাধ্যমে প্রসববেদনায় কাতর ওই নারীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। আগে থেকেই নিরাপদ স্থানে একটি অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। পানিতে তলিয়ে যাওয়া পথ অতিক্রম করে উদ্ধারকারীরা স্ট্রেচার কাঁধে বহন করে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে তোলেন এবং পরে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফটিকছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ভয়াবহ বন্যার শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৯ এম


ফটিকছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ভয়াবহ বন্যার শঙ্কা

টানা পাঁচদিন অবিরাম বর্ষণের ফলে এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে।

এখন বহু মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে, কারণ উপজেলার বিস্তীর্ণ নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। সড়কগুলো তলিয়ে যাওয়ার কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হচ্ছে। তাছাড়া বিস্তীর্ণ ফসলি জমিগুলো প্লাবিত হয়ে গেছে এবং হালদা নদী ও ধুরুং খালের বেড়িবাঁধ ভেঙে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ফটিকছড়ির বিভিন্ন ইউনিয়নে ঘুরে দেখা যায়, একটার পর এক গ্রাম বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে খেটে খাওয়া মানুষ এবং স্থানীয় কৃষকদের।

বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে পাইন্দং ফকিরাচাঁন এলাকা, রোসাংগিরি ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড, সমিতিরহাট, সুয়াবিল, বক্তপুর এবং হারুয়ালছড়িসহ নীচু এলাকার শত শত একর আবাদি জমি। বিশেষ করে এই মৌসুমের আমন চাষের বীজতলা ও বিভিন্ন শাকসবজির ক্ষেত এখন পুরোপুরি তলিয়ে গেছে।

টানা বর্ষণের ফলে উপজেলার অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় ভেঙে পড়েছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ নাজিরহাট-কাজিরহাট সড়কের বিভিন্ন স্থান এখন হাঁটু সমান পানির নিচে। এ নিয়ে এই সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না।

পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতের জন্য ফটিকছড়ির বুক চিরে বয়ে যাওয়া হালদা নদী এবং ধুরুং খালের কিছু অংশের বেড়িবাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, দ্রুত ভাঙন কবলিত এলাকা মেরামত করা না হলে পুরো উপজেলাজুড়ে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটবে।

ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম বন্যা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানিয়েছেন, "আমরা নিয়মিত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এবং নদী-খালের বাঁধ পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।"

প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপদ্রুত এলাকার কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ এবং দুর্গতদের জরুরি সহায়তা দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলেও জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পকে হত্যার ‘নতুন’ ইরানি পরিকল্পনা ফাঁস করল ইসরায়েল: প্রতিবেদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩১ এম


ট্রাম্পকে হত্যার ‘নতুন’ ইরানি পরিকল্পনা ফাঁস করল ইসরায়েল: প্রতিবেদন

ঢাকা, ১০ জুলাই, ২০২৬ : সম্প্রতি ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রকে একটি গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করেছে, যেখানে দাবি করা হচ্ছে, ইরানের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার জন্য একটি ‘নতুন ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা’ তৈরি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক গণমাধ্যম এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

এই প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে এমন সময়ে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে যুদ্ধের আশঙ্কা সীমান্তে আরও বেড়ে গেছে। ন্যাটো সম্মেলন শেষে তুরস্ক থেকে ফেরার সময় ট্রাম্পের পুরোনো ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ বিমান ব্যবহার নিয়ে নানা আলোচনা চলছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি'র বরাত দিয়ে জানা যায়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন উল্লেখ করেছে, ট্রাম্পকে হত্যার সম্ভাব্য পরিকল্পনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ ও পর্যবেক্ষণ করে আসছে। তবে, ইসরাইলের দেওয়া সর্বশেষ তথ্যটি নতুন এবং এতে একটি নির্দিষ্ট উপায়ে হত্যাচক্রান্তের বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে। সংবাদমাধ্যমটি এই বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাত দিয়ে তথ্যটি জানিয়েছে।

‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’ও একই ধরনের তথ্য তুলে ধরেছে। পত্রিকাটি জানায়, ইসরাইলের দেওয়া গোয়েন্দা তথ্যে ট্রাম্পকে হত্যার জন্য একটি ‘নতুন পরিকল্পনার’ কথা বলার তথ্য রয়েছে।

২০২০ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে ইরানের প্রভাবশালী জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে হত্যার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছিলেন। এরপর থেকেই ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য তেহরান অঙ্গীকার করে আসছে।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে এএফপি হোয়াইট হাউসের কাছে জানতে চাইলে, একজন কর্মকর্তা ট্রাম্পের বুধবারের বক্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করেন। ন্যাটো সম্মেলন শেষে ওয়াশিংটনে ফেরার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে অর্থাৎ আমাকে হত্যা করতে চায়। আমি তাদের তালিকায় আছি। আজ সকালে দেখলাম, তাদের প্রায় সব তালিকাতেই আমার নাম রয়েছে।’

ট্রাম্প তুরস্ক থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার সময় নিজের পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানে তুরস্ক ত্যাগ করেন। কাতারের উপহার হিসেবে পাওয়া নতুন বিমানটি আগে থেকেই যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে পাঠানো হয়। পরে, ব্রিটেনে গিয়ে তিনি ওই নতুন বিমানে উঠে ওয়াশিংটনের উদ্দেশে রওনা হন।

ট্রাম্পের বিমান পরিবর্তন নিয়ে নানা মহলে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে হামলা চালানোর পর অনেকেই মনে করছেন, নিরাপত্তা-সংক্রান্ত কারণে নতুন বিমানটি তখনও পুরোপুরি কার্যকর ছিল না। উল্লেখ্য, ইরানের সীমানার কাছে তুরস্ক অবস্থিত।

দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, মার্কিন সিক্রেট সার্ভিসের অনুরোধের ভিত্তিতে নিরাপত্তার স্বার্থে ট্রাম্পের বিমান পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

তবে, এক সংবাদ সম্মেলনে নিরাপত্তা-সংক্রান্ত প্রশ্নের সরাসরি জবাব এড়িয়ে গেলেও, ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, অতীতেও ইরানের পক্ষ থেকে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির পরও থমথমে হরমুজ প্রণালি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩৯ এম


যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির পরও থমথমে হরমুজ প্রণালি

গত ১৭ জুনের সমঝোতা চুক্তি সই করার মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ করতে এবং জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একত্রিত হয়েছিল। তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় অতিবাহিত হয়ে যাওয়ার পর, গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে জাহাজ চলাচলের ভবিষ্যৎ আবারও অন্ধকারের মুখে পড়েছে। এই তথ্যটি আল জাজিরার মারিয়াম আলির এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

চুক্তির পর থেকে এখন পর্যন্ত ৫০০টিরও বেশি জাহাজ হরমুজ প্রণালি পার হয়ে গেছে। তথাপি, পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক হয়নি। ইরান অনুমতি ছাড়া যাওয়ার জন্য তিনটি জাহাজে হামলা করেছে সম্প্রতি। এর পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের ভূখণ্ডে তীব্র হামলা চালিয়েছে, এমনকি রাজধানী তেহরানেও আঘাত হেনেছে। এই ঘটনাবলীর পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন যে শান্তি চুক্তিটি এখন 'শেষ'। পাশাপাশি, ইরানও হরমুজ প্রণালি আবার বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে।

বিশ্বের মোট তেলের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ তেল এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন হয়। যুদ্ধের শুরুতে প্রতিদিন প্রায় ১০০টি জাহাজ চলাচল করতো। তবে গত বছর ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হলে ইরান এই পথ বন্ধ করে দেয়। ১৭ জুনের চুক্তির পর প্রথমে পথটি আবার খুললেও জাহাজ চলাচলের সংখ্যা আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে। ১৮ জুন থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত মাত্র ৫১৩টি জাহাজ এই প্রণালি পার হতে পেরেছে, অর্থাৎ দিনে গড়ে মাত্র ২৮টি জাহাজ চলেছে।

চুক্তির পর উপসাগরে ৫টি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসবের মধ্যে ২৫ জুন সিঙ্গাপুরের 'এভার লাভলি', ২৭ জুন পানামার তেলের ট্যাঙ্কার 'কিকু' এবং জুলাইয়ের ৬ ও ৭ তারিখে কাতারের 'আল রেকায়াত', সৌদির 'উইদয়ান' ও লাইবেরিয়ার একটি জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত ও হামলার ফলে প্রায় ৬,০০০ নাবিক এখনও পারস্য উপসাগরে আটকা পড়ে আছেন। বর্তমানে জাহাজ চলাচলের রুট বা পথ নিয়ে নতুন বিরোধ দেখা দিয়েছে। নাবিকরা সমুদ্রের নিচে মাইন বা বোমার আতঙ্কের জন্য আগের পথ ব্যবহার করছেন না। তারা এখন ওমান ও ইরানের জলসীমা ব্যবহার করছেন। কিন্তু ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী ক্লিয়ারভাবে জানিয়েছে, জাহাজগুলোকে তেহরানের নির্ধারিত পথেই চলতে হবে, অন্যথায়, ওমানের রুট ব্যবহার করলে হামলার শিকার হতে পারে। তাছাড়া, ইরান এই পথ ব্যবহারের জন্য ফি বা কর আদায়ের পরিকল্পনা করছে, যা ট্রাম্প করতে রাজি নন।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সন্ধ্যার মধ্যে ১৯ জেলায় ঝড়ের আভাস, অতিভারি বৃষ্টির শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৪ এম


সন্ধ্যার মধ্যে ১৯ জেলায় ঝড়ের আভাস, অতিভারি বৃষ্টির শঙ্কা

দেশের ১৯ জেলায় সন্ধ্যার সময়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, এ কথা জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিস। পাশাপাশি, বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কার কথাও জানানো হয়েছে আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য প্রদত্ত সতর্কবার্তায় এই তথ্য প্রকাশিত হয়।

এতে উল্লেখ করা হয়, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা ও ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এই সময় বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির মতো পরিস্থিতিরও শঙ্কা রয়েছে।

এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিনে আরও জানানো হয় যে, উত্তরপশ্চিম মধ্যপ্রদেশসহ তৎসংলগ্ন এলাকায় বিরাজমান সুস্পষ্ট লঘুচাপটি দুর্বল হয়ে এখন লঘুচাপ আকারে মধ্য উত্তরপ্রদেশ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি ক্রমশ দুর্বল হয়ে যেতে পারে বলে মনে হচ্ছে। তবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিদ্যমান রয়েছে। মৌসুমিবায়ুর বর্ধিতাংশ পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি অংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত ছড়িয়ে রয়েছে। মৌসুমিবায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় রয়েছে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে এর অবস্থান প্রবল।

এ অবস্থায় শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া এবং বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি এবং বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একযোগে সারাদেশের কিছু কিছু জায়গায় ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণেরও সম্ভাবনা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%